জুমার দিনের যে বিশেষ আমল নবিজীর কাছে পৌঁছানো হবে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৬, ১২:০৬ দুপুর

জুমার দিনের গুরুত্ব অনেক। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ দিনকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। বিশেষ আমল করতেন। এ দিনের বেশ কিছু আমল আছে। এ আমলগুলো হজরত মুহাম্মদ (সা.) করেছেন। তিনি সাহাবিদের করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। এ আমলগুলোর করার দ্বারা ব্যক্তির আমলনামা সওয়াবে ভরপুর হয়। ব্যক্তি জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ লাভে ধন্য হয়। আমলকারীর কথা জানতে পারেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আমলকারী বাঁচতে পারে দাজ্জালের ফেতনা থেকে।

জুমার নামাজের প্রতি গুরুত্বারোপ করে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ, জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও। বেচাকেনা ছেড়ে দাও, এটাই তোমাদের জন্য অতি উত্তম, যদি তোমরা জানতে!’ (সুরা জুমা, আয়াত: ৯)

সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিন একটু বেশি আমল করা হয়। নামাজের জন্য উত্তমভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। যারা সাধারণত সপ্তাহের অন্যান্য দিন নামাজ পড়েন না, তারাও জুমার দিন নামাজে আসেন। এই ব্যতিক্রম মুসলমানদের আনন্দ দেয়। ইবাদতে প্রাণ সঞ্চার করে। জুমার দিন পেয়ে আনন্দিত হওয়া সওয়াব। এটি সুন্নতও।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ দিনে একটি আমল বেশি বেশি করতে বলেছেন। কারণ, জুমার দিনের এ বিশেষ আমলটি তার কাছে উপস্থাপন করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো, কেননা তোমাদের পাঠকৃত দরুদ আমার সামনে পেশ করা হয়।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭)

Link copied!