বহুগুণ সমৃদ্ধ ফলটি দেখতে বাদুড়ের মুখের মতো!

Spread the love

আজকাল চলার পথে এক ধরনের খুবই অপরিচিত ফলের দেখা মিলছে। শীতের শুরুতে ফলটি শহর কিংবা মফস্বলের রাস্তায় বাঁশের ঝুড়ি, সীসার পাত্র, পাট অথবা প্লাস্টিকের বস্তায় নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। সাজিয়ে রাখা ফলগুলো যেমন অপরিচিত তেমন নামটাও বড় অদ্ভুত। যে ফলটির কথা বলছি তার নাম ‘সিঙ্গারা ফল’। এটি কিন্তু মোটেও ময়দা ও আলু দিয়ে তৈরি তেলে ভাজা সিঙ্গারা নয়। তবে দেখতে নাকি সিঙ্গারার মতো। তাই একে ‘সিঙ্গারা ফল’ বলা হয়। পানিতে জন্মায় বলে একে পানি ফল নামেও ডাকা হয়। যদিও পানিফল বলতে ভিন্ন আরেকটি ফল রয়েছে। আবার সিঙ্গারা ফলও মূলত এক ধরনের পানিফল।

 

সিঙ্গারা ফল কিছুটা শক্ত। দেখতে সবুজ, লাল অথবা উভয়ের মিশ্রণযুক্ত হয়। ভেতরে বাদামের মতো শাঁস রয়েছে। সাদা বর্ণের এই শাঁস কাঁচা অথবা রান্না করে খাওয়া যায়। এটি সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। পানি ফলের মতোই এটিও শুকিয়ে আটা তৈরি করে খাওয়া যায়। এই আটা আবার সাধারণ আটার মতোই রুটি, পিঠা তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।

 

সিঙ্গারা ফলের উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম হচ্ছে Trapa natans। ইংরেজিতে বলা হয় Water Chestnut, Water caltrop, Devil Pod ইত্যাদি। বাদুড় বা ষাঁড়ের মুখের মতো দেখায় বলে ব্যাট নাট বা বাফেলো নাটও বলা হয়। আফ্রিকা, ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশে এই ফল প্রচুর পাওয়া যায়। ভারতীয় উপমহাদেশ এবং চীনে প্রায় তিন হাজার বছর ধরে এই ফল চাষ হয়ে আসছে। সিঙ্গারা ফল গাছের ডাঁটা পানির নিচে ১০-১২ ফুট গভীরে মূলের সাহায্যে মাটির সাথে আটকানো থাকে। এর দুই ধরনের পাতা রয়েছে। পাতাগুলো পানির ওপর ভাসতে থাকে। সিঙ্গারা ফল ১২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। যদিও দুই ধরনের মধ্যে ফলগুলো অঙ্কুরিত হয়। ফলে চারটি কাঁটা রয়েছে। কাঁটাগুলো ১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। অপরদিকে যাকে আমরা পানিফল বলি তার কাঁটা থাকে দুটি।

 

সিঙ্গারা ফল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি শরীর শীতলকারক, জন্ডিস প্রতিরোধক, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণ সমৃদ্ধ, মূত্র সংবহনতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধক, বদহজম, বমি বমি ভাব, কাশি, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাজ করে। এই ফল রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং চুলের যত্নেও ব্যাপক কার্যকর।

 

সিঙ্গারা ফলের পুষ্টিগুণ: 

প্রতি ১০০ গ্রাম সিঙ্গারা ফলে ক্যালরির পরিমাণ রয়েছে ৯৭। চর্বি ০ দশমিক ১ গ্রাম, পটাশিয়াম ৫৮৪ মিলিগ্রাম, শর্করা ২৪ গ্রাম ও প্রোটিন রয়েছে ১ দশমিক ৪ গ্রাম। এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান যেমন – ক্যালসিয়াম ০ দশমিক ০১ গ্রাম, ভিটামিন সি ৬ ভাগ, ভিটামিন বি-৬ শতকরা ১৫ ভাগ ও ম্যাগনেশিয়াম শতকরা ৫ ভাগ।

 

সিঙ্গারা ফলের উপকারিতা:

শীতল কারক:

সিঙ্গারা ফল শরীর শীতলকারক হিসেবে কাজ করে। এটি পানি পিপাসা রোধ করে এবং লালার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ডায়রিয়া ও হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে পারে। গরম এবং শুষ্ক আবহাওয়ায় শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য সিঙ্গারা ফল খাওয়া উচিত।

জন্ডিস প্রতিরোধ:

জন্ডিস আক্রান্তদের জন্য সিঙ্গারা ফল খুবই উপকারী। এই ফল শরীরের বিষাক্ত পদার্থকে নির্মূল করে বলে জন্ডিসের উপশম করে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণসম্পন্ন:

সিঙ্গারা ফল পলিফেনোলিক ও ফ্লেভোনয়েড অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভাল উৎস। ফলে এটি ক্যান্সার প্রতিরোধক, ভাইরাস জনিত রোগ প্রতিরোধক এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। প্লীহা ও পাকস্থলীকে শক্তিশালী করতেও সহায়তা করে।

মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ:

মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ মোকাবেলায় সিঙ্গারা ফল ব্যবহার করা যায়। সিঙ্গারা ফলে থাকা এনজাইম মূত্রথলি পরিষ্কার করে এবং জীবাণু প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

বদহজম এবং বমি বমি ভাব:

বদহজম এবং বমি বমি ভাব হলে সিঙ্গারা ফল খাওয়া খুবই উপকারী। সিঙ্গারা ফলকে পাউডার বানিয়ে চা অথবা পানির সাথে মিশিয়ে খেলে কাশি ভাল হয়।

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধক:

যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য সিঙ্গারা ফল খুবই উপকারী। প্রাচীনকালে বাচ্চা প্রসবের পর রক্তপাত বন্ধ করার সিঙ্গারা ফল খেতে দেওয়া হতো। কেটে গেলে বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত শুরু হলে অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধের জন্য এই ফল খাওয়া যায়। এ কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীকে সিঙ্গারা ফল খাওয়া উচিত।

চুলের যত্নে:

চুলের যত্নে এই ফলের আশ্চর্যজনক গুণ রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই ও পটাশিয়াম রয়েছে যা চুলের যত্নে খুবেই কার্যকর।

অন্যান্য ব্যবহার:

সিঙ্গারা ফলে ভিটামিন বি-৬ ও নিউরোট্রান্সমিটার রয়েছে। যেগুলো ভালো ঘুম ও শরীরকে সতেজ রাখে। হাম, টাইফয়েড রোগীর জন্য এই ফল খুবই উপকারী।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

যেকোনো কিছুই অতিরিক্ত পরিমাণ শরীরের জন্য খারাপ হতে পারে। সুস্থ ব্যক্তি প্রতিদিন ১০-১৫ গ্রাম সিঙ্গারা ফল খেতে পারেন। অতিরিক্ত খেলে পেটফাঁপা হতে পারে। সেইসাথে পেট ব্যথাও শুরু হতে পারে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে তারা এই ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

তথ্যসূত্র: লাইব্রেট ডট কম, অর্গানিক ফ্যাক্টস ডট নেট, বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» এক সাথে পথ চলা’ প্রতিপাদ্যে ঝিনাইদহে বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস পালিত 

» ঝিনাইদহে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

» ঝিনাইদহে অনাথ ভবঘুরে এতিম শিশুদের ইচ্ছা পুরণে এক ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান

» শৈলকুপায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে কে এই সুন্দরী প্রার্থী? 

» নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে ৩৫ভরি স্বর্ণ, ১২ লক্ষ টাকা নিয়ে আমেরিকা প্রবাসীর স্ত্রী উধাও

» রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় অ্যাপার্টমেন্টে আগুন

» দখল হয়ে যাচ্ছে তিন যুগ আগের দশমিনার নির্মিত বীজাগার

» খুন করে স্বামীর লাশের পাশেই রাত কাটালেন স্ত্রী!

» নিউজিল্যান্ডে নিহতদের স্মরণসভায় জনতার ঢল

» সাতক্ষীরার তালায় শিয়াল মারা ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৯ই চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বহুগুণ সমৃদ্ধ ফলটি দেখতে বাদুড়ের মুখের মতো!

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

আজকাল চলার পথে এক ধরনের খুবই অপরিচিত ফলের দেখা মিলছে। শীতের শুরুতে ফলটি শহর কিংবা মফস্বলের রাস্তায় বাঁশের ঝুড়ি, সীসার পাত্র, পাট অথবা প্লাস্টিকের বস্তায় নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। সাজিয়ে রাখা ফলগুলো যেমন অপরিচিত তেমন নামটাও বড় অদ্ভুত। যে ফলটির কথা বলছি তার নাম ‘সিঙ্গারা ফল’। এটি কিন্তু মোটেও ময়দা ও আলু দিয়ে তৈরি তেলে ভাজা সিঙ্গারা নয়। তবে দেখতে নাকি সিঙ্গারার মতো। তাই একে ‘সিঙ্গারা ফল’ বলা হয়। পানিতে জন্মায় বলে একে পানি ফল নামেও ডাকা হয়। যদিও পানিফল বলতে ভিন্ন আরেকটি ফল রয়েছে। আবার সিঙ্গারা ফলও মূলত এক ধরনের পানিফল।

 

সিঙ্গারা ফল কিছুটা শক্ত। দেখতে সবুজ, লাল অথবা উভয়ের মিশ্রণযুক্ত হয়। ভেতরে বাদামের মতো শাঁস রয়েছে। সাদা বর্ণের এই শাঁস কাঁচা অথবা রান্না করে খাওয়া যায়। এটি সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। পানি ফলের মতোই এটিও শুকিয়ে আটা তৈরি করে খাওয়া যায়। এই আটা আবার সাধারণ আটার মতোই রুটি, পিঠা তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।

 

সিঙ্গারা ফলের উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম হচ্ছে Trapa natans। ইংরেজিতে বলা হয় Water Chestnut, Water caltrop, Devil Pod ইত্যাদি। বাদুড় বা ষাঁড়ের মুখের মতো দেখায় বলে ব্যাট নাট বা বাফেলো নাটও বলা হয়। আফ্রিকা, ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশে এই ফল প্রচুর পাওয়া যায়। ভারতীয় উপমহাদেশ এবং চীনে প্রায় তিন হাজার বছর ধরে এই ফল চাষ হয়ে আসছে। সিঙ্গারা ফল গাছের ডাঁটা পানির নিচে ১০-১২ ফুট গভীরে মূলের সাহায্যে মাটির সাথে আটকানো থাকে। এর দুই ধরনের পাতা রয়েছে। পাতাগুলো পানির ওপর ভাসতে থাকে। সিঙ্গারা ফল ১২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। যদিও দুই ধরনের মধ্যে ফলগুলো অঙ্কুরিত হয়। ফলে চারটি কাঁটা রয়েছে। কাঁটাগুলো ১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। অপরদিকে যাকে আমরা পানিফল বলি তার কাঁটা থাকে দুটি।

 

সিঙ্গারা ফল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি শরীর শীতলকারক, জন্ডিস প্রতিরোধক, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণ সমৃদ্ধ, মূত্র সংবহনতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধক, বদহজম, বমি বমি ভাব, কাশি, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাজ করে। এই ফল রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং চুলের যত্নেও ব্যাপক কার্যকর।

 

সিঙ্গারা ফলের পুষ্টিগুণ: 

প্রতি ১০০ গ্রাম সিঙ্গারা ফলে ক্যালরির পরিমাণ রয়েছে ৯৭। চর্বি ০ দশমিক ১ গ্রাম, পটাশিয়াম ৫৮৪ মিলিগ্রাম, শর্করা ২৪ গ্রাম ও প্রোটিন রয়েছে ১ দশমিক ৪ গ্রাম। এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান যেমন – ক্যালসিয়াম ০ দশমিক ০১ গ্রাম, ভিটামিন সি ৬ ভাগ, ভিটামিন বি-৬ শতকরা ১৫ ভাগ ও ম্যাগনেশিয়াম শতকরা ৫ ভাগ।

 

সিঙ্গারা ফলের উপকারিতা:

শীতল কারক:

সিঙ্গারা ফল শরীর শীতলকারক হিসেবে কাজ করে। এটি পানি পিপাসা রোধ করে এবং লালার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ডায়রিয়া ও হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে পারে। গরম এবং শুষ্ক আবহাওয়ায় শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য সিঙ্গারা ফল খাওয়া উচিত।

জন্ডিস প্রতিরোধ:

জন্ডিস আক্রান্তদের জন্য সিঙ্গারা ফল খুবই উপকারী। এই ফল শরীরের বিষাক্ত পদার্থকে নির্মূল করে বলে জন্ডিসের উপশম করে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণসম্পন্ন:

সিঙ্গারা ফল পলিফেনোলিক ও ফ্লেভোনয়েড অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভাল উৎস। ফলে এটি ক্যান্সার প্রতিরোধক, ভাইরাস জনিত রোগ প্রতিরোধক এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। প্লীহা ও পাকস্থলীকে শক্তিশালী করতেও সহায়তা করে।

মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ:

মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ মোকাবেলায় সিঙ্গারা ফল ব্যবহার করা যায়। সিঙ্গারা ফলে থাকা এনজাইম মূত্রথলি পরিষ্কার করে এবং জীবাণু প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

বদহজম এবং বমি বমি ভাব:

বদহজম এবং বমি বমি ভাব হলে সিঙ্গারা ফল খাওয়া খুবই উপকারী। সিঙ্গারা ফলকে পাউডার বানিয়ে চা অথবা পানির সাথে মিশিয়ে খেলে কাশি ভাল হয়।

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধক:

যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য সিঙ্গারা ফল খুবই উপকারী। প্রাচীনকালে বাচ্চা প্রসবের পর রক্তপাত বন্ধ করার সিঙ্গারা ফল খেতে দেওয়া হতো। কেটে গেলে বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত শুরু হলে অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধের জন্য এই ফল খাওয়া যায়। এ কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীকে সিঙ্গারা ফল খাওয়া উচিত।

চুলের যত্নে:

চুলের যত্নে এই ফলের আশ্চর্যজনক গুণ রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই ও পটাশিয়াম রয়েছে যা চুলের যত্নে খুবেই কার্যকর।

অন্যান্য ব্যবহার:

সিঙ্গারা ফলে ভিটামিন বি-৬ ও নিউরোট্রান্সমিটার রয়েছে। যেগুলো ভালো ঘুম ও শরীরকে সতেজ রাখে। হাম, টাইফয়েড রোগীর জন্য এই ফল খুবই উপকারী।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

যেকোনো কিছুই অতিরিক্ত পরিমাণ শরীরের জন্য খারাপ হতে পারে। সুস্থ ব্যক্তি প্রতিদিন ১০-১৫ গ্রাম সিঙ্গারা ফল খেতে পারেন। অতিরিক্ত খেলে পেটফাঁপা হতে পারে। সেইসাথে পেট ব্যথাও শুরু হতে পারে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে তারা এই ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

তথ্যসূত্র: লাইব্রেট ডট কম, অর্গানিক ফ্যাক্টস ডট নেট, বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited