বেনাপোল প্রতিনিধি :
যশোরের বেনাপোলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায়-২০২৬ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে মায়েদের অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সম্মাননা ক্রেস্ট। এছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে খেলার পোশাক ও বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল পৌরসভার বিয়ে বাড়িতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও যশোর-১ (শার্শা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন।
শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরলেন মফিকুল হাসান তৃপ্তি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন, একটি দেশ ও সমাজের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার শিক্ষিত ও মেধাবী প্রজন্মের ওপর। শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশের পাশাপাশি তাদের নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
তিনি কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জিপিএ-৫ অর্জন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হলেও এখানেই থেমে গেলে হবে না। ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, পরিশ্রম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।
শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে মায়েদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন সন্তানের শিক্ষাজীবনে মায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের মায়েদের সম্মানিত করার উদ্যোগটি প্রশংসনীয়।
ইমদাদুল হক ইমদাদের উদ্যোগ
অনুষ্ঠানের আয়োজক ও বেনাপোল পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে মায়েদের অবদান অনেক বেশি। তাই কৃতি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের গর্বিত মায়েদের সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইমদাদুল হক আরও বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলাও শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে তাদের খেলার পোশাক ও বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪০ শিক্ষার্থীর হাতে সংবর্ধনা ও বৃত্তি তুলে দেওয়া হয়। পরে শিক্ষার্থীদের গর্বিত মায়েদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার পোশাকসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :