বিলেতে ঈদের স্মৃতি: ফেরদৌস আহমেদ

প্রকাশিত : ১৪ মে ২০২১

ঈদের পরদিন আরও বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখলাম আর কেনাকাটা করলাম। সব মিলিয়ে বেশ ভালো কেটেছিল লন্ডনের ঈদ। যদিও আমার মন পড়ে ছিল ঢাকায়। তাই ঈদের একদিন পরেই ঢাকায় উদ্দেশে রওনা দিই আমরা। এবার ঈদে দেশের বাইরে কেন, বাড়ির বাইরে যাওয়ারও কোনো পরিকল্পনা নেই। আমাদের দেশে থেকে করোনা এখনো বিদায় নেয়নি। তাই এবারও ঘরে বসেই ঈদ উদ্‌যাপন করতে হবে। মহামারির কারণে গত বছরের দুই ঈদ বাড়িতেই কেটেছে। ঘরে বসে ঈদ উদ্‌যাপনের বিষয়টি হয়তো অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।

এভাবে ঘরে ঈদ উদ্‌যাপনেরও কিন্তু ইতিবাচক দিক রয়েছে। অন্য বছরের ঈদগুলোর তুলনায় এবার আমরা পরিবারকে বেশি সময় দেওয়ার সুযোগ পাব। কাজকর্মের ব্যস্ততা আর যন্ত্রের মতো ছুটে চলা নগরজীবনে পারিবারকে আর কতটুকুই–বা সময় দেওয়া হয়? তাই ঘরবন্দী এই ঈদকে পারিবারিক বন্ধন মজবুতের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করলে নিশ্চয়ই মন্দ হবে না। আর ঘরে বসেও তো আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া যায়। আমার মতে, আনন্দ যত ভাগ করে নেওয়া যায়, আনন্দ ততই বাড়ে। আর ঈদের আগে মার্কেটে গিয়ে ঈদের কেনাকাটা না করার জন্য অনুরোধ করব। প্রয়োজনে ঘরে বসে অনলাইনে কেনাকাটা করুন। একান্ত কোনো কাজে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরুন।

নিরাপদে থাকুন। ঈদ মোবারক।

(অনুলিখিত)

সূত্র : প্রথম আলো

আপনার মতামত লিখুন :