রাজধানীর মোড়ে মোড়ে পুলিশ, জরুরি না হলে বাসায় ফেরত

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০২১

করোনার সংক্রমণ এড়াতে সরকার ঘোষিত আট দিনের লকডাউনের প্রথম দিনে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি সড়কে ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। কারণ যৌক্তিক হলে গাড়ি ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। আর অতি জরুরি না হলে গাড়ি ঘুরিয়ে দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হচ্ছে। সরেজমিন উত্তরা, বিমানবন্দর, কাওলা ও খিলক্ষেত এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, হাউস বিল্ডিং ও আজমপুর বাসস্ট্যান্ডে পুলিশি ব্যারিকেড রয়েছে। এছাড়া কাওলার অদূরেও রয়েছে পুলিশি ব্যারিকেড। পুলিশের ব্যারিকেডগুলোর সামনে দাঁড়াচ্ছেন ৪-৫ জন করে পুলিশ সদস্য।

একজন গাড়ি থামাচ্ছেন, বাকিরা ঘর থেকে বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করছেন। এসব এলাকার দোকানপাটও প্রায় সব বন্ধ। সড়কে যান চলাচল এবং সাধারণ মানুষের সংখ্যাও কম। তবে অল্প সংখ্যক মানুষ মাইক্রোবাস, রিকশা এবং মোটরসাইকেলে করে যাতায়াত করছে। এদিকে ব্যারিকেড ছাড়াও রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। খিলক্ষেত পুলিশ চেকপোস্টে কয়েক ডজন মোটরসাইকেল দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে।

সরকারি বিধি-নিষেধ মানার বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, সরকার যে সব নির্দেশনা দিয়েছে তার আলোকেই পুলিশ কাজ করছে। এছাড়াও করোনাকালে দায়িত্ব পালনের জন্য আমাদের একটি সুলিখিত ও আন্তর্জাতিক মানের এসওপি (স্ট্যান্ডিং অপারেটিং প্রসিডিওর) রয়েছে। সেখানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, পুলিশের দায়িত্ব-কর্তব্য ও তা পালনের উপায়। সেই এসওপি অনুসরণ করে সরকারি নির্দেশনার আলোকে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।

এবারের লকডাউনে জারি করা বিধি-নিষেধে ‘অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিৎসা সেবা, মরদেহ দাফন বা সৎকার এবং টিকা কার্ড নিয়ে টিকার জন্য যাওয়া) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না বলে নির্দেশনা দেয়া হয়। এদিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাউকে ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। যাদের একান্তই প্রয়োজন তাদের ‘মুভমেন্ট পাস’ নিয়ে বের হতে বলেছেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :