গলাচিপায় দেধারছে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন হুমকির মুখে কৃষিজমি ও বসতবাড়ি

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৩৬ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

গলাচিপা (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রকাশ্যে ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদী থেকে দেধারছে অবৈধ বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে প্রভাবশালী একদল অসাধু ড্রেজার ব্যবসায়ী। ফলে কৃষিজমি, বসতবাড়ি, হাট-বাজারসহ নানা স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। এ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট বিভাগে বহুবার অভিযোগ জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এ যেন দেখার কেঊ নেই।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া রামনাবাদ নদী থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের এ দৃশ্য সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। এতে করে এলাকার সাধারণ মানুষ কৃষিজমি ও বসতঘর নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী খলিলুর রহমান, আলমগীর হাওলাদার, কুদ্দুছ হাওলাদার ও ইমাম হোসেন জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে সরকারি ওয়াবদা বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাচ্ছে, আমাদের থাকার ঘর, কৃষিজমি ও স্থানীয় বাজার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। শীঘ্রই এই ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ না করা হলে আমরা কোথায় গিয়ে দাঁড়াব।

এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নিজাম উদ্দিন তালুকদার এ প্রতিবেদককে জানান, প্রভাবশালী একদল অসাধু ব্যবসায়ী ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদী থেকে এভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন করলে সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামসহ গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী গ্রামই একদিন নদী গর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান হাদির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে চরখালী, পক্ষিয়া ও বোয়ালিয়া গ্রাম দু’ এক মাসের মধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে । উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার তাদেরকে আরো সাগরের দিকে গিয়ে ডুবোচর এলাকায় বালু উত্তোলন করতে বলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :