বেনাপোল পোর্ট থানার এসআইর চাঁদাবাজির শিকার এবার সরকারী কর্মচারী

Spread the love

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: এবার বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজানের চাঁদাবাজির শিকার হলেন যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী বড় আঁচড়া গ্রামের আলী মোল্লার পুত্র বেনাপোল পৌরসভার নিরীহ সরকারী কর্মচারী রিয়ন কবীর(৪৫)। অপর দিকে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন সাদিপুর গ্রামের মোছাঃ ফুকদির দুই সন্তান মোরশেদ(২৫) ও হয়রত আলী(৪০)এসআই মিজান কর্তৃক চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন। হযরত আলীর স্ত্রী বলেন,আমার স্বামী ও দেবরকে হেরোইন পাঁচারের মিথ্যা মামলা দিয়ে চালান দেওয়ার হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা দাবী করে এসআই মিজান। পরে অনেক দেনদরবার করে ৫০ হাজার টাকা বিনিময়ে বিষয়টি রফা দফা করা হয়।

 

চাঁদাবাজির শিকার রিয়ন সুত্রে জানা যায় বিগত(১৭/১১/২০১৮ইং) তারিখে আনুমানিক রাত ২ টার সময় আমার বাড়িতে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজান ও তার সাথে থাকা দুই জন পুলিশ সিপাহীকে নিয়ে আমার বাড়িতে হাজির হয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। আমি উপস্থিত হলে এসআই মিজান আমাকে বলেন তোর নামে থানায় মামলার ওয়ারেন্ট আছে বলে আমাকে গেইট খুলতে বলে। আমি তখন এসআই মিজানকে বলি আমি বেনাপোল পৌর সভার সরকারী কর্মচারী আমার নামে কোন মামলা নেই। আমি কোন অপরাদের সাথে জড়িত নেই, তার পরেও আমার নামে যদি কোন মামলার ওয়ারেন্ট থেকে থাকে তবে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে উচ্চ আদালত ও নিয়োগ প্রাপ্ত থেকে অনুমতি লাগবে।তখন এসআই মিজান আমাকে বলেন আমি আদালত আমিই নিয়োগ কর্মকর্তা সব আমি আমার কোন অনুমতি লাগে না। আমি তাকে আরও বলি আপনি ওয়ারেন্ট কপি আমাকে দেখান তিনি সাদা কাগজে লেখা আমার নাম দেখিয়ে বলে তুই থানায় চল।

 

এই বলে আমার বাড়ির গেইট খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমি গেইট খুলতে অস্বীকৃতি জানালে এসআই মিজান প্রচন্ড শব্দে গেইটে ধাক্কাতে থাকে,তখন আমি ভয় পেয়ে গেইট খুলে দিলে এসআই মিজান আমার হাতে হ্যান্ডক্যাফ পড়িয়ে আমার পরিবারের সামনেই অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে টানতে টানতে মেইন রাস্তার ওখানে রেল লাইনের পাশে পুলিশ পিকআপ ভ্যানে উঠায়ে থানায় নিয়ে যায়। তখন আমার কাছে দশ লক্ষ টাকা মুক্তিপন চাই এবং আমার পরিবারকে টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। আমি টাকা দিতে রাজি না হলে এসআই মিজান আমাকে মেরে ফেলার হুমকিসহ অস্ত্র ও ইয়াবা মামলায় চালান দেওয়ার ভয় দেখায়। আমাকে আরো বলেন তোর পৌর সভার চাকরি থাকবে না বলেও ভয় দেখায়। এসআই মিজান আরো বলেন ওসি সাহেবের নির্দেশে আমি এই টাকা চাচ্ছি কারো ভয় করার সময় নেই। তার পরেও াকার জন্য আমার বাবাকে চাপ দিতে থাকেন তখন আমার বাবা নিরুপায় হয়ে ওই রাতে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে ধার করে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যবস্থা করে এসআই মিজানের হাতে তুলে দেয়। এসআই মিজান ভোর রাতে আমাকে ছেড়ে দেয়।

 

ভুক্তভোগী রিয়ন জানান এই অসৎ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ বিচারের দাবী করছি ও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজানের মুঠো (০১৭১২ ৯৭৫ ২৫১) ফোনে বারবার কল দিলে তিনি ফোন রিছিভ করে নাই।যশোরের নাভারণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান জানান, বিষয়টি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যদি ঘটনার সত্যতা মেলে তবে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি আপনাদের মাধ্যমে আরও বলতে চাই যারা দোষী তারা আমার কাছ থেকে কোন ছাড় পাবে না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ঘুষ বানিজ্যের ভিডিও প্রকাশ: তদন্ত শুরু, বেপরোয়া এসআই মিজান ভুক্তভোগীদের নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা

» গাইবান্ধায় ধান ক্ষেতে উদ্ধার হওয়া নবজাতক পেলো বাবা-মা

» কোটালীপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান

» বিয়ে করে নতুন বউ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলো ধর্ষক পথে গ্রেফতার

» চলে গেলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক মাহফুজ উল্লাহ

» শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলা: সারাদেশে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

» নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা, সেই মনি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

» ব্রুনাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

» শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৮

» দশমিনায় হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

x

আজ সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল পোর্ট থানার এসআইর চাঁদাবাজির শিকার এবার সরকারী কর্মচারী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: এবার বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজানের চাঁদাবাজির শিকার হলেন যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী বড় আঁচড়া গ্রামের আলী মোল্লার পুত্র বেনাপোল পৌরসভার নিরীহ সরকারী কর্মচারী রিয়ন কবীর(৪৫)। অপর দিকে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন সাদিপুর গ্রামের মোছাঃ ফুকদির দুই সন্তান মোরশেদ(২৫) ও হয়রত আলী(৪০)এসআই মিজান কর্তৃক চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন। হযরত আলীর স্ত্রী বলেন,আমার স্বামী ও দেবরকে হেরোইন পাঁচারের মিথ্যা মামলা দিয়ে চালান দেওয়ার হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা দাবী করে এসআই মিজান। পরে অনেক দেনদরবার করে ৫০ হাজার টাকা বিনিময়ে বিষয়টি রফা দফা করা হয়।

 

চাঁদাবাজির শিকার রিয়ন সুত্রে জানা যায় বিগত(১৭/১১/২০১৮ইং) তারিখে আনুমানিক রাত ২ টার সময় আমার বাড়িতে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজান ও তার সাথে থাকা দুই জন পুলিশ সিপাহীকে নিয়ে আমার বাড়িতে হাজির হয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। আমি উপস্থিত হলে এসআই মিজান আমাকে বলেন তোর নামে থানায় মামলার ওয়ারেন্ট আছে বলে আমাকে গেইট খুলতে বলে। আমি তখন এসআই মিজানকে বলি আমি বেনাপোল পৌর সভার সরকারী কর্মচারী আমার নামে কোন মামলা নেই। আমি কোন অপরাদের সাথে জড়িত নেই, তার পরেও আমার নামে যদি কোন মামলার ওয়ারেন্ট থেকে থাকে তবে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে উচ্চ আদালত ও নিয়োগ প্রাপ্ত থেকে অনুমতি লাগবে।তখন এসআই মিজান আমাকে বলেন আমি আদালত আমিই নিয়োগ কর্মকর্তা সব আমি আমার কোন অনুমতি লাগে না। আমি তাকে আরও বলি আপনি ওয়ারেন্ট কপি আমাকে দেখান তিনি সাদা কাগজে লেখা আমার নাম দেখিয়ে বলে তুই থানায় চল।

 

এই বলে আমার বাড়ির গেইট খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমি গেইট খুলতে অস্বীকৃতি জানালে এসআই মিজান প্রচন্ড শব্দে গেইটে ধাক্কাতে থাকে,তখন আমি ভয় পেয়ে গেইট খুলে দিলে এসআই মিজান আমার হাতে হ্যান্ডক্যাফ পড়িয়ে আমার পরিবারের সামনেই অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে টানতে টানতে মেইন রাস্তার ওখানে রেল লাইনের পাশে পুলিশ পিকআপ ভ্যানে উঠায়ে থানায় নিয়ে যায়। তখন আমার কাছে দশ লক্ষ টাকা মুক্তিপন চাই এবং আমার পরিবারকে টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। আমি টাকা দিতে রাজি না হলে এসআই মিজান আমাকে মেরে ফেলার হুমকিসহ অস্ত্র ও ইয়াবা মামলায় চালান দেওয়ার ভয় দেখায়। আমাকে আরো বলেন তোর পৌর সভার চাকরি থাকবে না বলেও ভয় দেখায়। এসআই মিজান আরো বলেন ওসি সাহেবের নির্দেশে আমি এই টাকা চাচ্ছি কারো ভয় করার সময় নেই। তার পরেও াকার জন্য আমার বাবাকে চাপ দিতে থাকেন তখন আমার বাবা নিরুপায় হয়ে ওই রাতে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে ধার করে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যবস্থা করে এসআই মিজানের হাতে তুলে দেয়। এসআই মিজান ভোর রাতে আমাকে ছেড়ে দেয়।

 

ভুক্তভোগী রিয়ন জানান এই অসৎ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ বিচারের দাবী করছি ও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিজানের মুঠো (০১৭১২ ৯৭৫ ২৫১) ফোনে বারবার কল দিলে তিনি ফোন রিছিভ করে নাই।যশোরের নাভারণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান জানান, বিষয়টি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যদি ঘটনার সত্যতা মেলে তবে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি আপনাদের মাধ্যমে আরও বলতে চাই যারা দোষী তারা আমার কাছ থেকে কোন ছাড় পাবে না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited