কালীগঞ্জে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সাগর চার জমজ সন্তানকে নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় বাবা-মা

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ: মিরা বেগম (২২) কে ঘিরে এখন তৈলকুপ গ্রামে উচ্ছাস। দলে দলে মানুষ দেখতে আসছেন মিরা বেগমের চার সন্তানকে। বিলম্বে হলেও এক কান দুই কান করে সারা জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এক সাথে মিরা বেগমের চার সন্তান জন্মদানের কথা। কালীগঞ্জ উপজেলার তৈলকুপ গ্রামের ওলিয়ার রহমানের একমাত্র মেয়ে হচ্ছে মিরা বেগম। বছর কয়েক আগে মিরার বিয়ে হয় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গোবরডাঙ্গা গ্রামে। স্বামী মাহবুবুর রহমান সবুজ যমজ চার সন্তান পেয়ে দারুন পুলকিত ও খুশি। ভুমিষ্ট সন্তানদের মধ্যে ৩টি মেয়ে ও ১টি ছেলে। তাদের নাম রাখা হয়েছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা আর সাগর। তাদেরকে নিয়ে ওলিয়ার রহমানের বাড়ি এখন আলোকিত। শত কষ্টের মাঝেও সারাক্ষন বাড়িতে উৎসবের আমেজ। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সাগরকে নিয়ে বিরাজ করছে এই উৎসব মূখর পরিবেশ। নানীর কোলে যমুনা, থালা নিয়ে বসে আছেন পদ্মাকে, মায়ের কোলে আছে মেঘনা আর আরেক নানীর কোলে সাগর।

 

চলছে তাদের সেবা যতœ। কোনো কিছুরই কমতি নেই। কালীগঞ্জের মিরা খাতুনের গর্ভে এক সঙ্গে জন্ম নেওয়া এই ৪ টি বাচ্চা লালন করা তাদের কাছে যেন কোনো বিষয়ই নয়। কিন্তু সমস্যা একটাই, আর তা হলো প্রতিদিন দুধ আর ওষুধ মিলিয়ে প্রয়োজন হাজার টাকার। যা শিশু চারটির নানা দিনমজুর অলিয়ার রহমানের পক্ষে জোগাড় করা কোনো ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। শিশুদের বাবা মাহবুবুর রহমানও একটি বে-সরকারি কোম্পানীর সরবরাহকারীর কাজ করেন। তার আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সাগর ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার গোবরডাঙ্গা গ্রামের মাহবুবুর রহমান সবুজের ৪ সন্তান। সবুজের স্ত্রী একই উপজেলার তেলকুপ গ্রামের অলিয়ার রহমানের একমাত্র কন্যা মিরা বেগম (২২)। তার গর্ভে গত ২৩ নভেম্বর তাদের জন্ম। সুস্থ্য অবস্থায় বর্তমানে মা আর শিশুরা তেলকুপ গ্রামেই অবস্থান করছে। তেলকুপ গ্রামে গিয়ে দেখা যায় অলিয়ার রহমানের বাড়িতে উৎসবের আমেজ। নানী বিনা বেগম শিশু যমুনা শরীরে তেল মালিস করছেন। খালা মিনা বেগম শিশু পদ্মাকে কোলে নিয়ে পায়চারী করে চলেছেন। মা মিরা বেগম শিশু মেঘনাকে কোলে নিয়ে বসে আছেন। আরেক নানী তাসলিমা বেগম শিশু সাগরকে কোলে নিয়ে কান্না থামাবার চেষ্টা করছেন। ফ্লাক্সে গরম পানি নিয়ে এসেছেন অজপা বেগম।

 

দুধ তৈরী করে সবাইকে খাওয়াতে হবে। বাড়িতে এ সময় উপস্থিত আছেন আরো ৫/৬ জন। যারা শিশুদের দেখতে এসেছেন।  মা মিরা বেগম জানান, ২০১৭ সালের ১৮ জানুয়ারি তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রথম সন্তান গর্ভে আসলে তারা স্বামী-স্ত্রী খুবই খুশি ছিলেন। মাঝে মধ্যেই দু’জন পরিকল্পনা করতেন কি নাম রাখবেন। ছেলে হলে কি বানাবেন, আর মেয়ে হলে কি হবে। এভাবে ৩ মাস কেটে যাবার পর তার শরীর দ্রুত বাড়তে থাকায় একদিন চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানান, মিরা বেগম একসঙ্গে তিনটি শিশুর জন্ম দেবে। চিকিৎসকের এই কথায় তারা হতবাক হয়ে পড়েন। কিছুদিন পর আবারো পরীক্ষা করে জানান, তিনটি নয় শিশু জন্ম নেবে ৪ টি। তখন আরো বাড়তি দুঃশ্চিন্তা আরো বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শিশুরা বাঁচবে কিনা, তার (মা) কোনো ক্ষতি হবে কিনা। এই চিন্তার মধ্যেই দিন কাটতে থাকে তাদের। একসময় ২০১৮ সালের ২৩ নভেম্বর একটি বে-সরকারি ক্লিনিকে মিরা বেগমের চারটি শিশুর জন্ম হয়। প্রথম দিকে শিশুরা একটু বেশি হালকা থাকলেও বর্তমানে স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। মিরা জানান, এখন তার সন্তানদের দেখাশুনা করার জন্য বাড়িতে সব সময় লোকজন ডাকতে হচ্ছে। শিশুদের নানী-খালারা এসে সময় দিচ্ছে। রাতে ৪ জন চারটি শিশু নিয়ে ঘুমান।

 

তবে মা হিসেবে তাকে সবগুলোর দেখভাল করতে হয়। এদের কাউকে দত্তক দেওয়ার ইচ্ছে আছে কিনা জানতে চাইলে মিরা বেগম জানান, গর্ভের সন্তান কখনও কাউকে দেওয়া যায়। মিরা বেগমের মা বিনা বেগম জানান, তার স্বামী অলিয়ার রহমান অন্যের জমিকে কৃষি শ্রমিকের কাজ করেন। এই কাজ করে কোনো রকমে সংসার চালান। মাঠে তাদের চাষযোগ্য কোনো জমি নেই। এই বাচ্চাদের বর্তমানে প্রতিদিন ৭ শত টাকার কৌটার দুধ প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া ওষুধ সহ আরো ৩ শত টাকা লাগে। তাছাড়া বাড়িতে সারাক্ষন বাড়তি লোকজন থাকায় খরচ বেড়েছে। তাই চিন্তা বাচ্চাদের বাঁচিয়ে রাখবেন কিভাবে। শিশুদের বাবা মাহবুবুর রহমান জানান, একসঙ্গে চার সন্তান নিয়ে তিনি বেশি চিন্তিত নন। চিন্তা এদের কিভাবে লালন করবেন। তিনি মাত্র ৮ হাজার টাকার বেতনে কাজ করেন। এই টাকা আর শ্বশুরের আয় দিয়ে এদের বাঁচানো খুবই কষ্টকর।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ছয় কোচিং সেন্টার সিলগালা : বেঞ্চ ধ্বংস

» গোপালগঞ্জে বিআরডিবি’র ইউসিসিএ কর্মচারীদের মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

» সৌদি আরবকে ইইউ’র কালো তালিকা ভুক্ত করায় নাগরিক সমাজের উদ্বেগ

» দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ফুলচাষে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে প্রায় ৬০ কোটি টাকাফুল বিক্রি

» যশোরের নাভারন প্রতিবন্ধী স্কুলে পথের আলো সংস্থার মোটর রিক্সা ভ্যান দান

» যশোরের শার্শায় মাদক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

» গলাচিপায় বীজ আলুর মাঠ দিবস পালিত

» ভাষাসৈনিকদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া সময়ের দাবি: ভাষাসৈনিক লায়ন শামসুল হুদা

» বই কিনুন, বই পড়ুন, নিজেকে সমৃদ্ধ করুন: যুবলীগ চেয়ারম্যাম মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী

» ঝিনাইদহে শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৯ই ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সাগর চার জমজ সন্তানকে নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় বাবা-মা

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ: মিরা বেগম (২২) কে ঘিরে এখন তৈলকুপ গ্রামে উচ্ছাস। দলে দলে মানুষ দেখতে আসছেন মিরা বেগমের চার সন্তানকে। বিলম্বে হলেও এক কান দুই কান করে সারা জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এক সাথে মিরা বেগমের চার সন্তান জন্মদানের কথা। কালীগঞ্জ উপজেলার তৈলকুপ গ্রামের ওলিয়ার রহমানের একমাত্র মেয়ে হচ্ছে মিরা বেগম। বছর কয়েক আগে মিরার বিয়ে হয় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গোবরডাঙ্গা গ্রামে। স্বামী মাহবুবুর রহমান সবুজ যমজ চার সন্তান পেয়ে দারুন পুলকিত ও খুশি। ভুমিষ্ট সন্তানদের মধ্যে ৩টি মেয়ে ও ১টি ছেলে। তাদের নাম রাখা হয়েছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা আর সাগর। তাদেরকে নিয়ে ওলিয়ার রহমানের বাড়ি এখন আলোকিত। শত কষ্টের মাঝেও সারাক্ষন বাড়িতে উৎসবের আমেজ। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সাগরকে নিয়ে বিরাজ করছে এই উৎসব মূখর পরিবেশ। নানীর কোলে যমুনা, থালা নিয়ে বসে আছেন পদ্মাকে, মায়ের কোলে আছে মেঘনা আর আরেক নানীর কোলে সাগর।

 

চলছে তাদের সেবা যতœ। কোনো কিছুরই কমতি নেই। কালীগঞ্জের মিরা খাতুনের গর্ভে এক সঙ্গে জন্ম নেওয়া এই ৪ টি বাচ্চা লালন করা তাদের কাছে যেন কোনো বিষয়ই নয়। কিন্তু সমস্যা একটাই, আর তা হলো প্রতিদিন দুধ আর ওষুধ মিলিয়ে প্রয়োজন হাজার টাকার। যা শিশু চারটির নানা দিনমজুর অলিয়ার রহমানের পক্ষে জোগাড় করা কোনো ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। শিশুদের বাবা মাহবুবুর রহমানও একটি বে-সরকারি কোম্পানীর সরবরাহকারীর কাজ করেন। তার আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সাগর ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার গোবরডাঙ্গা গ্রামের মাহবুবুর রহমান সবুজের ৪ সন্তান। সবুজের স্ত্রী একই উপজেলার তেলকুপ গ্রামের অলিয়ার রহমানের একমাত্র কন্যা মিরা বেগম (২২)। তার গর্ভে গত ২৩ নভেম্বর তাদের জন্ম। সুস্থ্য অবস্থায় বর্তমানে মা আর শিশুরা তেলকুপ গ্রামেই অবস্থান করছে। তেলকুপ গ্রামে গিয়ে দেখা যায় অলিয়ার রহমানের বাড়িতে উৎসবের আমেজ। নানী বিনা বেগম শিশু যমুনা শরীরে তেল মালিস করছেন। খালা মিনা বেগম শিশু পদ্মাকে কোলে নিয়ে পায়চারী করে চলেছেন। মা মিরা বেগম শিশু মেঘনাকে কোলে নিয়ে বসে আছেন। আরেক নানী তাসলিমা বেগম শিশু সাগরকে কোলে নিয়ে কান্না থামাবার চেষ্টা করছেন। ফ্লাক্সে গরম পানি নিয়ে এসেছেন অজপা বেগম।

 

দুধ তৈরী করে সবাইকে খাওয়াতে হবে। বাড়িতে এ সময় উপস্থিত আছেন আরো ৫/৬ জন। যারা শিশুদের দেখতে এসেছেন।  মা মিরা বেগম জানান, ২০১৭ সালের ১৮ জানুয়ারি তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রথম সন্তান গর্ভে আসলে তারা স্বামী-স্ত্রী খুবই খুশি ছিলেন। মাঝে মধ্যেই দু’জন পরিকল্পনা করতেন কি নাম রাখবেন। ছেলে হলে কি বানাবেন, আর মেয়ে হলে কি হবে। এভাবে ৩ মাস কেটে যাবার পর তার শরীর দ্রুত বাড়তে থাকায় একদিন চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানান, মিরা বেগম একসঙ্গে তিনটি শিশুর জন্ম দেবে। চিকিৎসকের এই কথায় তারা হতবাক হয়ে পড়েন। কিছুদিন পর আবারো পরীক্ষা করে জানান, তিনটি নয় শিশু জন্ম নেবে ৪ টি। তখন আরো বাড়তি দুঃশ্চিন্তা আরো বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শিশুরা বাঁচবে কিনা, তার (মা) কোনো ক্ষতি হবে কিনা। এই চিন্তার মধ্যেই দিন কাটতে থাকে তাদের। একসময় ২০১৮ সালের ২৩ নভেম্বর একটি বে-সরকারি ক্লিনিকে মিরা বেগমের চারটি শিশুর জন্ম হয়। প্রথম দিকে শিশুরা একটু বেশি হালকা থাকলেও বর্তমানে স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। মিরা জানান, এখন তার সন্তানদের দেখাশুনা করার জন্য বাড়িতে সব সময় লোকজন ডাকতে হচ্ছে। শিশুদের নানী-খালারা এসে সময় দিচ্ছে। রাতে ৪ জন চারটি শিশু নিয়ে ঘুমান।

 

তবে মা হিসেবে তাকে সবগুলোর দেখভাল করতে হয়। এদের কাউকে দত্তক দেওয়ার ইচ্ছে আছে কিনা জানতে চাইলে মিরা বেগম জানান, গর্ভের সন্তান কখনও কাউকে দেওয়া যায়। মিরা বেগমের মা বিনা বেগম জানান, তার স্বামী অলিয়ার রহমান অন্যের জমিকে কৃষি শ্রমিকের কাজ করেন। এই কাজ করে কোনো রকমে সংসার চালান। মাঠে তাদের চাষযোগ্য কোনো জমি নেই। এই বাচ্চাদের বর্তমানে প্রতিদিন ৭ শত টাকার কৌটার দুধ প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া ওষুধ সহ আরো ৩ শত টাকা লাগে। তাছাড়া বাড়িতে সারাক্ষন বাড়তি লোকজন থাকায় খরচ বেড়েছে। তাই চিন্তা বাচ্চাদের বাঁচিয়ে রাখবেন কিভাবে। শিশুদের বাবা মাহবুবুর রহমান জানান, একসঙ্গে চার সন্তান নিয়ে তিনি বেশি চিন্তিত নন। চিন্তা এদের কিভাবে লালন করবেন। তিনি মাত্র ৮ হাজার টাকার বেতনে কাজ করেন। এই টাকা আর শ্বশুরের আয় দিয়ে এদের বাঁচানো খুবই কষ্টকর।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited