দশমিনায় ভাঙ্গছে নদী বাড়ছে নতুন বাড়ি কমছে চাষের জমি

Spread the love

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা(পটুয়াখালী) থেকে।। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ফি বছর বাড়ছে মানুষ, বাড়ছে নতুন বাড়িঘর আর বুড়াঁগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে কমছে চাষযোগ্য ফসলি জমি। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগ থাকলেও সচেতনতার অভাবে উপজেলার জম্ম নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা আলোর মুখ দেখছে না। এখনও দুর্গম ও চর-অঞ্চল এলাকার বসতিদের ধর্মান্ধ ও কুসংস্কার আষ্টেপৃষ্টে বেধে রেখেছে । ফলে প্রতিবছর লোকসংখ্যাবৃদ্ধির কারনে নির্মান হচ্ছে নতুন নতুন বাড়িঘর । অপরদিকে নদী ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা না থাকায় শত শত একর জমি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ায় কমে যাচ্ছে ফসলি জমি ।

 

সরেজমিনে ঘুরে, উপজেলার চর-বোরহান, চর-শাহজালাল ও চর হাদিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অস্বাভাবিক চিত্র পাওয়া গেছে। এসব চরে প্রায় ১০হাজার ৫শ’ জন লোকের বসতি। প্রতি পরিবারে গড় লোকসংখ্যা ৬/৭জন। অধিক সন্তান অধিক উপার্জনে বিশ্বাসী চরবাসীরা জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করতে না-রাজ। আধা সচেতন মায়েরা উপজেলা সদরে এসে গোপনে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা ইনজেকশন কিনে নেয়। তাও আবার স্বামী বা পরিবারের সদস্যদেরকে না জানিয়ে ব্যবহার করতে হয় তাদের। জম্ম নিয়ান্ত্রন বড়ি ব্যবহার করায় অনেক সময় স্বামী কর্র্তৃক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। চরবোরহানে এরকম একজন নির্যাতিত নারীর সন্ধান পাওয়া যায়। আলম ফকিরের স্ত্রী ফেরেজা বেগম (৩৭)।

 

তার বিয়ে হয় ১২বছর বয়সে । বাল্যবিয়ে হলেও ফেরেজা এখন ৩ মেয়ে ১ ছেলের জননী। তার স্বামী আরও সন্তান নিতে চায়। এ চরের বারেক গাজীর স্ত্রী শাহিনুরের ৬ সন্তান, হেলেনার ৫ সন্তান, হাসিনার ৪ সন্তান। এদের প্রত্যেকের স্বামী আরও সন্তান নিতে চায়। তাদের ধারনা হচ্ছে বেশি সন্তান হলে লাঠিয়ালদের হাত থেকে ফসল রক্ষা করতে পারবে। পাশাপাশি আয় রোজগার বেশি হবে। চরশাহজালালের ৫ সন্তানের জননী মোসাঃ হেলেনা বলেন, পোলা মাইয়া ঝে দ্যয় হে ন্যয়ুইন্না মালিক, বন্দা অয়ুইন্না ওসুদ পত্তরে খোদায় ব্যারাজী অয় ও গুনা অয়। চরহাদির মাজেদা বিবি ৬ সন্তানের জননী। তার ছেলে নাই একটিও। তাই তিনি ছেলে না হওয়া পর্যন্ত যত সন্তান নিতে হয়, তত বার নিবেন। পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে জরিপে দশমিনা উপজেলায় ১লাখ ২৩ হাজার ৩শ’ ৮৮জন । বসত বাড়িঘরের সংখ্যা ২৮হাজার ৪শ’ ৯০টি । উপজেলা স্বাস্থ্য জড়িপ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের জরিপে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে মোট লোকসংখ্যা ১লাখ ৪৪হাজার ২শ’ ৯৮জন। বসত বাড়ি সংখ্যা ৪৭হাজার ৯শ’ ১১টি’তে । ফলে ৮ বছরে উপজেলায় মোট লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২০হাজার ৯শ’১০জন। নতুন বসত বাড়ির সংখ্যা বেড়েছে ১৯হাজার ৪শ’ ২১টি’তে।

 

উপজেলার বুড়াঁগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীর র্তীরবর্তী এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক বছরে নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে উপজেলার বীজ বর্ধন খামার, বাশবাড়িয়ার ঢনঢনিয়া, হাজির হাট, চরহাদি ও চরবোরহানসহ মোট ১হাজার ৭শ’ ৯৪ একর জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে । দেশের সর্ববৃহত বীজ বর্ধন খামারের আওতায় ১ হাজার ৪৪ একর জমি থাকলেও এবার চাষাবাদ করা হয় সাড়ে ৩শ’ একর জমি। নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ৬শ’ ৯৪ একর জমি। নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে ঢনঢনিয়া ও হাজির হাট ৫শ’ একর , চরহাদির ৪শ’ একর এবং চরবোরহানে ২শ’ একর জমি। এদিকে উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের জরিপে আবাদযোগ্য জমির পরিমান ১৮হাজার ৮শ’ ১০ হেক্টর । এক ফসলি জমি ১হাজার ৬ হেক্টর, দু’ ফসলি ১৪হাজার ৩শ’ ৪১হেক্টর, তিন ফসলি ৩হাজার ৪শ’ হেক্টর। মোট খাদ্য উৎপাদন হয় ৫৮হাজার ৩শ’ ৩৪ মেট্রিক টন। ওই সালের লোকসংখ্য অনুসারে খাদ্যের চাহিদা ২০হাজার ৮শ’ ২৯ মেট্রিক টন। উদ্ধৃত্ত থাকে ৩৪হাজার ২শ’ ৭৯ মেট্রিক টন।

 

যেহেতু লোক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২০হাজার ৯শ’ ১০জন । প্রতিটি লোকের খাদ্যের চাহিদা রয়েছে ৪শ’ ৬২ গ্রাম চাউলের । ওই হিসাবে প্রতি বছরে খাদ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩হাজার ৫শ’ ২৬ দশমিক ০৫৩৩ মেট্রিক টন চাউলের । খাদ্য উদ্ধৃত্ত থাকে ৩০হাজার ৭শ’ ৫২ দশমিক ৯৪৬৭ মেট্রিক টন খাদ্য। বীজ বর্ধন খামারের পরিচালক কিশোর কুমার বিশ্বাস বলেন, নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত এবং মুঠোফোনে জানিয়েছি । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বনি আমিন খান বলেন, নতুন বাড়িঘর নির্মাানের বিষয় বিধি বিধান তৈরি করার বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রতি বছর ভূমি জরিপ করা হলে প্রকৃত জমির সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে বলে আমি মনে করি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» শ্রীমঙ্গলে ভোক্তা অধিকার আইনে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

» হাকালুকি হাওরে বাদাম চাষে বিপ্লব

» আত্রাইয়ে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতা সভা

» ফুুলবাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন

» রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ৬বছর পূর্ণ হলেও কাঁন্না থামেনি দু’পা হারানো রেবেকা’র

» ইনসাব ৫৪নং ওয়ার্ডের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

» অলিক মহাশক্তির সন্ধানেই বাউলরা প্রেম ও বিশ্বাস নিয়ে মাজার সঙ্গীত গায়

» বেনাপোলে পুলিশের পৃথক অভিযানে ভারতীয় ফেন্সিডিল ও বেটসীটসহ তিনজন আটক

» মানবতার বন্ধু জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মুক্তি দাবি

» বেনাপোল নামাজ গ্রামে জমি সংক্রান্ত দ্বন্ধে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দশমিনায় ভাঙ্গছে নদী বাড়ছে নতুন বাড়ি কমছে চাষের জমি

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা(পটুয়াখালী) থেকে।। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ফি বছর বাড়ছে মানুষ, বাড়ছে নতুন বাড়িঘর আর বুড়াঁগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে কমছে চাষযোগ্য ফসলি জমি। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগ থাকলেও সচেতনতার অভাবে উপজেলার জম্ম নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা আলোর মুখ দেখছে না। এখনও দুর্গম ও চর-অঞ্চল এলাকার বসতিদের ধর্মান্ধ ও কুসংস্কার আষ্টেপৃষ্টে বেধে রেখেছে । ফলে প্রতিবছর লোকসংখ্যাবৃদ্ধির কারনে নির্মান হচ্ছে নতুন নতুন বাড়িঘর । অপরদিকে নদী ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা না থাকায় শত শত একর জমি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ায় কমে যাচ্ছে ফসলি জমি ।

 

সরেজমিনে ঘুরে, উপজেলার চর-বোরহান, চর-শাহজালাল ও চর হাদিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অস্বাভাবিক চিত্র পাওয়া গেছে। এসব চরে প্রায় ১০হাজার ৫শ’ জন লোকের বসতি। প্রতি পরিবারে গড় লোকসংখ্যা ৬/৭জন। অধিক সন্তান অধিক উপার্জনে বিশ্বাসী চরবাসীরা জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করতে না-রাজ। আধা সচেতন মায়েরা উপজেলা সদরে এসে গোপনে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা ইনজেকশন কিনে নেয়। তাও আবার স্বামী বা পরিবারের সদস্যদেরকে না জানিয়ে ব্যবহার করতে হয় তাদের। জম্ম নিয়ান্ত্রন বড়ি ব্যবহার করায় অনেক সময় স্বামী কর্র্তৃক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। চরবোরহানে এরকম একজন নির্যাতিত নারীর সন্ধান পাওয়া যায়। আলম ফকিরের স্ত্রী ফেরেজা বেগম (৩৭)।

 

তার বিয়ে হয় ১২বছর বয়সে । বাল্যবিয়ে হলেও ফেরেজা এখন ৩ মেয়ে ১ ছেলের জননী। তার স্বামী আরও সন্তান নিতে চায়। এ চরের বারেক গাজীর স্ত্রী শাহিনুরের ৬ সন্তান, হেলেনার ৫ সন্তান, হাসিনার ৪ সন্তান। এদের প্রত্যেকের স্বামী আরও সন্তান নিতে চায়। তাদের ধারনা হচ্ছে বেশি সন্তান হলে লাঠিয়ালদের হাত থেকে ফসল রক্ষা করতে পারবে। পাশাপাশি আয় রোজগার বেশি হবে। চরশাহজালালের ৫ সন্তানের জননী মোসাঃ হেলেনা বলেন, পোলা মাইয়া ঝে দ্যয় হে ন্যয়ুইন্না মালিক, বন্দা অয়ুইন্না ওসুদ পত্তরে খোদায় ব্যারাজী অয় ও গুনা অয়। চরহাদির মাজেদা বিবি ৬ সন্তানের জননী। তার ছেলে নাই একটিও। তাই তিনি ছেলে না হওয়া পর্যন্ত যত সন্তান নিতে হয়, তত বার নিবেন। পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে জরিপে দশমিনা উপজেলায় ১লাখ ২৩ হাজার ৩শ’ ৮৮জন । বসত বাড়িঘরের সংখ্যা ২৮হাজার ৪শ’ ৯০টি । উপজেলা স্বাস্থ্য জড়িপ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের জরিপে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে মোট লোকসংখ্যা ১লাখ ৪৪হাজার ২শ’ ৯৮জন। বসত বাড়ি সংখ্যা ৪৭হাজার ৯শ’ ১১টি’তে । ফলে ৮ বছরে উপজেলায় মোট লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২০হাজার ৯শ’১০জন। নতুন বসত বাড়ির সংখ্যা বেড়েছে ১৯হাজার ৪শ’ ২১টি’তে।

 

উপজেলার বুড়াঁগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীর র্তীরবর্তী এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক বছরে নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে উপজেলার বীজ বর্ধন খামার, বাশবাড়িয়ার ঢনঢনিয়া, হাজির হাট, চরহাদি ও চরবোরহানসহ মোট ১হাজার ৭শ’ ৯৪ একর জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে । দেশের সর্ববৃহত বীজ বর্ধন খামারের আওতায় ১ হাজার ৪৪ একর জমি থাকলেও এবার চাষাবাদ করা হয় সাড়ে ৩শ’ একর জমি। নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ৬শ’ ৯৪ একর জমি। নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে ঢনঢনিয়া ও হাজির হাট ৫শ’ একর , চরহাদির ৪শ’ একর এবং চরবোরহানে ২শ’ একর জমি। এদিকে উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের জরিপে আবাদযোগ্য জমির পরিমান ১৮হাজার ৮শ’ ১০ হেক্টর । এক ফসলি জমি ১হাজার ৬ হেক্টর, দু’ ফসলি ১৪হাজার ৩শ’ ৪১হেক্টর, তিন ফসলি ৩হাজার ৪শ’ হেক্টর। মোট খাদ্য উৎপাদন হয় ৫৮হাজার ৩শ’ ৩৪ মেট্রিক টন। ওই সালের লোকসংখ্য অনুসারে খাদ্যের চাহিদা ২০হাজার ৮শ’ ২৯ মেট্রিক টন। উদ্ধৃত্ত থাকে ৩৪হাজার ২শ’ ৭৯ মেট্রিক টন।

 

যেহেতু লোক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২০হাজার ৯শ’ ১০জন । প্রতিটি লোকের খাদ্যের চাহিদা রয়েছে ৪শ’ ৬২ গ্রাম চাউলের । ওই হিসাবে প্রতি বছরে খাদ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩হাজার ৫শ’ ২৬ দশমিক ০৫৩৩ মেট্রিক টন চাউলের । খাদ্য উদ্ধৃত্ত থাকে ৩০হাজার ৭শ’ ৫২ দশমিক ৯৪৬৭ মেট্রিক টন খাদ্য। বীজ বর্ধন খামারের পরিচালক কিশোর কুমার বিশ্বাস বলেন, নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত এবং মুঠোফোনে জানিয়েছি । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বনি আমিন খান বলেন, নতুন বাড়িঘর নির্মাানের বিষয় বিধি বিধান তৈরি করার বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রতি বছর ভূমি জরিপ করা হলে প্রকৃত জমির সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে বলে আমি মনে করি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited