রাজনীতির শুদ্ধপুরুষ’ সৈয়দ আশরাফ

আওয়ামী লীগ দল ও নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম যেভাবে নির্লোভ ও সৎভাবে জীবনযাপন করেছেন, তা সচরাচর দেখা যায় না । সদ্য প্রয়াত রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম রাজনীতিতে সবসময় ব্যতিক্রম ছিলেন। তার নিষ্ঠা, বিশ্বাসযোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় ছিল না কখনো। নির্বাচনে জয়ের আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই লাখো ভক্ত অনুরাগীকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

 

প্রাথমিক জীবনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১লা জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আশরাফুল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে মুক্তি বাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার মধ্যে শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর দলের হাল ধরেন। দেশে ১/১১ এর সময় থেকে শুরু করে একটি কঠিন সময়ে সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের মতো একটি রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রগতিশীল রাজনীতির পক্ষে তিনি সব সময় ছিলেন বলিষ্ঠ ও আপসহীন। বৃহস্পতিবার এই নেতা সবাইকে ছেড়ে চলে যান। দীর্ঘদিন ফুসফুসের রোগে ভুগছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোক জানায় আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দল, সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখকরা।

 

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ভূমিকা ছিলো গুরুত্বপূর্ণ “জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যখন গ্রেপ্তার করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সারা দেশে দলকে সুসংগঠিত করে তার মুক্তির পথ ত্বরান্বিত করেছিলেন সৈয়দ আশরাফ।” রাজনীতির কঠিন সময়ে স্রোতের প্রতিকূলের যাত্রী ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। আপোষ, লোভ, অসততা-অনৈতিকতা থেকে বহুদূরে অবস্থান করেছেন তিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে, শেখ হাসিনার সঙ্গে। শেখ হাসিনাও তাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি অসুস্থ হওয়ার পরও একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সৈয়দ আশরাফকে। সেখানে বিপুল ভেটো তিনি বিজয়ীও হয়েছেন।

 

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার জন্য সময় চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। কিন্ত তার আর শপথ নেয়া হলো না। কথা কম কাজ বেশি- এমন নীতিতেই কাজ করতেন সৈয়দ আশরাফ। সাংবাদিক বান্ধব নন, কর্মী বান্ধব নন, তবে তিনি দলের প্রতি বিশ্বস্ত, তার নেত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত আর সর্বোপরি কাজটা কিভাবে করতে হয় সেটা ভালো করেই জানতেন আশরাফ। সততা ও শালীনতা দিয়ে সবার মন জয় করা এই রাজনীতিক কতটা যে দলের কর্মীদের মনের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন তা সেদিন কাউন্সিলেই দেখা গেছে।

 

একাত্তরে মুজিবনগর সরকারের সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও কারাগারে জীবন উৎসর্গকারী সৈয়দ নজরুল ইসলামের যোগ্যতম সন্তান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে তিনি বাঙালির হৃদয়ে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এমন একজন নেতাকে হারিয়ে আওয়ামী লীগসহ দেশবাসী ব্যথিত ও শোকাহত। তার শূন্যতা কখনও পূরণ হবার নয়। তিনি বলেছিলেন, ‘লাভের জন্য আমি রাজনীতি করি না। আমার বাবাও বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেইমানি করেননি। বেইমানি না করে তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন। আমার শরীরেও সেই রক্ত।’

 

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি টানা ১৯৯৬ ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও সর্বশেষ ২০১৮ সালে পুননির্বাচিত হন তিনি।

 

২৪ অক্টোবর ২০১৭ সালে সৈয়দ আশরাফুলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি প্রায়ই অসুস্থ হন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। নভেম্বর ২০১৮ সালে তার ফুসফুসের ক্যান্সার ৪র্থ ধাপে পৌঁছে। ২০১৯ সালের ৩রা জানুয়ারি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সুযোগ্য পুত্র একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম-এর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও কীর্তিগাঁথা গৌরবময় নেতৃত্ব চির অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

 

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান টিপু
প্রকাশক ও সম্পাদক
প্রজন্মকণ্ঠ ডট কম

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» মৃত্যুশয্যায় বৃদ্ধা মা, পাশে নেই বিসিএস ক্যাডার-বিত্তবান সন্তানেরা

» পদ্মা সেতুর ১ হাজার ৫০ মিটার দৃশ্যমান

» বুলবুলকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘গার্ড অব অনার’, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

» সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে নিয়ে বিদিশার আবেগঘন স্ট্যাটাস

» সেই আলোচিত মোটর সাইকেল চালক শাহনাজের দুই মেয়েকে বৃত্তি দিচ্ছে উবার

» বেনাপোলে ফেন্সিডিলসহ আটক-৩

» লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৬জনসহ নিহত ৭

» শহীদ মিনারে আবারো ৩ ধুমপায়ীকে জরিমানা

» ঝিনাইদহে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

» কালীগঞ্জে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সাগর চার জমজ সন্তানকে নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় বাবা-মা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বুধবার, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১০ই মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

রাজনীতির শুদ্ধপুরুষ’ সৈয়দ আশরাফ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

আওয়ামী লীগ দল ও নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম যেভাবে নির্লোভ ও সৎভাবে জীবনযাপন করেছেন, তা সচরাচর দেখা যায় না । সদ্য প্রয়াত রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম রাজনীতিতে সবসময় ব্যতিক্রম ছিলেন। তার নিষ্ঠা, বিশ্বাসযোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় ছিল না কখনো। নির্বাচনে জয়ের আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই লাখো ভক্ত অনুরাগীকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

 

প্রাথমিক জীবনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১লা জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আশরাফুল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে মুক্তি বাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার মধ্যে শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর দলের হাল ধরেন। দেশে ১/১১ এর সময় থেকে শুরু করে একটি কঠিন সময়ে সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের মতো একটি রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রগতিশীল রাজনীতির পক্ষে তিনি সব সময় ছিলেন বলিষ্ঠ ও আপসহীন। বৃহস্পতিবার এই নেতা সবাইকে ছেড়ে চলে যান। দীর্ঘদিন ফুসফুসের রোগে ভুগছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোক জানায় আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দল, সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখকরা।

 

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ভূমিকা ছিলো গুরুত্বপূর্ণ “জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যখন গ্রেপ্তার করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সারা দেশে দলকে সুসংগঠিত করে তার মুক্তির পথ ত্বরান্বিত করেছিলেন সৈয়দ আশরাফ।” রাজনীতির কঠিন সময়ে স্রোতের প্রতিকূলের যাত্রী ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। আপোষ, লোভ, অসততা-অনৈতিকতা থেকে বহুদূরে অবস্থান করেছেন তিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে, শেখ হাসিনার সঙ্গে। শেখ হাসিনাও তাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি অসুস্থ হওয়ার পরও একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সৈয়দ আশরাফকে। সেখানে বিপুল ভেটো তিনি বিজয়ীও হয়েছেন।

 

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার জন্য সময় চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। কিন্ত তার আর শপথ নেয়া হলো না। কথা কম কাজ বেশি- এমন নীতিতেই কাজ করতেন সৈয়দ আশরাফ। সাংবাদিক বান্ধব নন, কর্মী বান্ধব নন, তবে তিনি দলের প্রতি বিশ্বস্ত, তার নেত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত আর সর্বোপরি কাজটা কিভাবে করতে হয় সেটা ভালো করেই জানতেন আশরাফ। সততা ও শালীনতা দিয়ে সবার মন জয় করা এই রাজনীতিক কতটা যে দলের কর্মীদের মনের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন তা সেদিন কাউন্সিলেই দেখা গেছে।

 

একাত্তরে মুজিবনগর সরকারের সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও কারাগারে জীবন উৎসর্গকারী সৈয়দ নজরুল ইসলামের যোগ্যতম সন্তান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে তিনি বাঙালির হৃদয়ে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এমন একজন নেতাকে হারিয়ে আওয়ামী লীগসহ দেশবাসী ব্যথিত ও শোকাহত। তার শূন্যতা কখনও পূরণ হবার নয়। তিনি বলেছিলেন, ‘লাভের জন্য আমি রাজনীতি করি না। আমার বাবাও বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেইমানি করেননি। বেইমানি না করে তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন। আমার শরীরেও সেই রক্ত।’

 

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি টানা ১৯৯৬ ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও সর্বশেষ ২০১৮ সালে পুননির্বাচিত হন তিনি।

 

২৪ অক্টোবর ২০১৭ সালে সৈয়দ আশরাফুলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি প্রায়ই অসুস্থ হন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। নভেম্বর ২০১৮ সালে তার ফুসফুসের ক্যান্সার ৪র্থ ধাপে পৌঁছে। ২০১৯ সালের ৩রা জানুয়ারি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সুযোগ্য পুত্র একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম-এর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও কীর্তিগাঁথা গৌরবময় নেতৃত্ব চির অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

 

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান টিপু
প্রকাশক ও সম্পাদক
প্রজন্মকণ্ঠ ডট কম

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited