স্বপ্নের ঠিকানা আবাসন পল্লীর আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন, বাংলাদেশের কোন মানুষ গৃহহারা থাকবেনা: প্রধানমন্ত্রী

উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। বাংলাদেশের আর কোন মানুষ গৃহহারা থাকবেনা। কোন ছেলে মেয়ে অশিক্ষিত থাকবেনা। সবাই উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। সবার কর্ম সংস্থানের তৈরী হবে। কোন মানুষ রোগে ভুগে মারা যাবেনা। শনিবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীর নিশানবাড়িয়ায় ১৩২০ মেগাওয়ার্ড পায়রা তাপ বিদুৎ কেন্দ্রে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য নির্মিত স্বপ্নের ঠিকানা নামের আবাসন পল্লী উদ্ভোধন কালে এক সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, দক্ষিনাঞ্চলকে ঘিরে ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা আমরা হাতে নিচ্ছি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটা এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস এনে দিয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-০১ উৎক্ষেপন করেছি। যা আমাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে, জলবায়ুর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে। এই স্যাটালাইটের সুবিধা সকল ক্ষেত্রে আমরা ব্যবহার করতে পারব। আমরা একটি আধুনিক সোনার বাংলা গড়ে তুলতে চাই, যে স্বপ্ন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত দেশ। জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী পালন করব ২০২০ সালে। ২০২০ থেকে ২০২১ সালকে আমরা মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছি। আমরা স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী পালন করব ২০২১ সালে। প্রধানমন্ত্রী সুধী সমাবেশে পৌছালে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সন্তান সাগর দিশা ও ইসরাত জাহান আদরী প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে রবন করে নেয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের ঠিকানা আবাসন পল্লীর পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। আবাসনের ঘরগুলো পরিদর্শন শেষে সেখানে নারিকেল গাছের চারা রোপন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কয়েকটি পরিবারের সাথে কূশল বিনিময় করেন।

 

সুধি সমাবেশে বক্তব্য কালে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বিশাল সমুদ্রসীমা পেয়েছি। এই সমুদ্র আমরা কাজে লাগাব। পাশাপাশি এই নদীগুলো ড্রেজিং করারও পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। শিক্ষা,খাদ্য,বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে প্রতিটা মানুষকে এক উন্নত জীবন দিবে এ্টাই ছিল জাতির পিতার এক মাত্র লক্ষ্য। প্রতিটা জনপদকে উন্নত করবে। এই জনপদের প্রতিটা মানুষ সুন্দর জীবন পাবে। প্রতিটা গ্রামকে সুন্দরভাবে সাজাবেন। জাতির জনক কোন রাজধানী বা কেন্দ্রভিত্তিক কল্পনা করেনি। একেবারে তৃনমুলের মানুষের যেন উন্নয়ন হয় সেই পরিকল্পনাই তিনি করেছিলেন। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ৭৫’র পর ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী উপদেষ্টা এমনকি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত বানিয়েছিলেন। তারাই ক্ষমতায় ছিল। সেই পরিবেশে শত বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে আমি দেশ ফিরে সারা বাংলাদেশ ঘুরেছি। আপনাদের এইসব এলাকাও ঘুরেছি। এই দক্ষিন অঞ্চলটা সবসময় অবহেলিত ছিল। অথচ এখানে যে বিশাল সম্ভাবনা ছিল ক্ষমতা দখলকরীরা কখনোই তা দেখেনি। ৯৬ সাল থেকে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমারা শুরু করেছি এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০ হাজার মেগাওয়াটে বিদুৎ বৃদ্ধি করেছি। প্রতিটা ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেব, গড়ে উঠবে অনেক কলকারখানা। উন্নয়ন করতে গিয়ে কোন মানুষ যেন কষ্ট না পায় সে দিকে লক্ষ রেখেই জমির তিনগুন দাম দিয়েছি। ইতিমধ্যেই ১৩০টি পরিবারকে ঘর করে দিয়েছি।

 

দক্ষিনাঞ্চলে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে নৌকায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষি যান্ত্রিকিকরন করব। এখানে এলমজি টার্মিনাল করে দিব। নৌ ঘাটি নির্মান করছি। সেনানিবাস তৈরী করে দিচ্ছি। বিমান বাহিনীর একটি ঘাটি তৈরী করে দিচ্ছি। পরমানু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী করার জন্য একটা দ্বীপ খুঁজছি। সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এমপি, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, চিপহুইপ আসম ফিরোজ এমপি, বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ উপদেষ্টা ড. তৌফিক এলাহি চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ দিপু , বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম এমপি, স্থানীয় সাংসদ মাহবুবুর রহমান এমপি, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমেদ কায় কাউস, নৌপরিবহন মস্ত্রালয়ের সচিব আব্দুস সামাদ প্রমূখ। এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রানলয়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আবাসন পল্লী স্বপ্নের ঠিকানা উদ্ভোধন শেষে প্রধানপন্ত্রী হেলিকাপ্টার যোগে বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিকেল ৪ টায় আওয়মীলীগ আয়োজিত এক জনসভায় যোগদান করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» মৌলভীবাজারে অতিরিক্ত দাম লিখে বিক্রয় করার অপরাধে মিঠাই বাজারকে জরিমানা

» বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত থেকে ৪৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ অাটক-১

» আজ অর্ধশত হলে মুক্তি পেল “মিস্টার বাংলাদেশ”

» বিমানে মদ না পেয়ে আইরিশ নারীর কাণ্ড! ভিডিও

» জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকেই নির্বাচন করবে: মহাসচিব

» অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সম্পাদকদের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক

» গনসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী সোহাগ: তৃণমুল নেতাকর্মিদের প্রত্যাশা পুরণে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার

» শার্শার উলাশীতে দূর্বত্তদের বোমা হামলায় যুবলীগ নেতাসহ আহত-৩

» রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল

» ঝিনাইদহের ঘোড়শাল ইউনিয়নে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: info@kuakatanews.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

স্বপ্নের ঠিকানা আবাসন পল্লীর আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন, বাংলাদেশের কোন মানুষ গৃহহারা থাকবেনা: প্রধানমন্ত্রী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। বাংলাদেশের আর কোন মানুষ গৃহহারা থাকবেনা। কোন ছেলে মেয়ে অশিক্ষিত থাকবেনা। সবাই উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। সবার কর্ম সংস্থানের তৈরী হবে। কোন মানুষ রোগে ভুগে মারা যাবেনা। শনিবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীর নিশানবাড়িয়ায় ১৩২০ মেগাওয়ার্ড পায়রা তাপ বিদুৎ কেন্দ্রে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য নির্মিত স্বপ্নের ঠিকানা নামের আবাসন পল্লী উদ্ভোধন কালে এক সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, দক্ষিনাঞ্চলকে ঘিরে ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা আমরা হাতে নিচ্ছি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটা এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস এনে দিয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-০১ উৎক্ষেপন করেছি। যা আমাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে, জলবায়ুর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে। এই স্যাটালাইটের সুবিধা সকল ক্ষেত্রে আমরা ব্যবহার করতে পারব। আমরা একটি আধুনিক সোনার বাংলা গড়ে তুলতে চাই, যে স্বপ্ন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত দেশ। জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী পালন করব ২০২০ সালে। ২০২০ থেকে ২০২১ সালকে আমরা মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছি। আমরা স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী পালন করব ২০২১ সালে। প্রধানমন্ত্রী সুধী সমাবেশে পৌছালে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সন্তান সাগর দিশা ও ইসরাত জাহান আদরী প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে রবন করে নেয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের ঠিকানা আবাসন পল্লীর পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। আবাসনের ঘরগুলো পরিদর্শন শেষে সেখানে নারিকেল গাছের চারা রোপন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কয়েকটি পরিবারের সাথে কূশল বিনিময় করেন।

 

সুধি সমাবেশে বক্তব্য কালে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বিশাল সমুদ্রসীমা পেয়েছি। এই সমুদ্র আমরা কাজে লাগাব। পাশাপাশি এই নদীগুলো ড্রেজিং করারও পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। শিক্ষা,খাদ্য,বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে প্রতিটা মানুষকে এক উন্নত জীবন দিবে এ্টাই ছিল জাতির পিতার এক মাত্র লক্ষ্য। প্রতিটা জনপদকে উন্নত করবে। এই জনপদের প্রতিটা মানুষ সুন্দর জীবন পাবে। প্রতিটা গ্রামকে সুন্দরভাবে সাজাবেন। জাতির জনক কোন রাজধানী বা কেন্দ্রভিত্তিক কল্পনা করেনি। একেবারে তৃনমুলের মানুষের যেন উন্নয়ন হয় সেই পরিকল্পনাই তিনি করেছিলেন। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ৭৫’র পর ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী উপদেষ্টা এমনকি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত বানিয়েছিলেন। তারাই ক্ষমতায় ছিল। সেই পরিবেশে শত বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে আমি দেশ ফিরে সারা বাংলাদেশ ঘুরেছি। আপনাদের এইসব এলাকাও ঘুরেছি। এই দক্ষিন অঞ্চলটা সবসময় অবহেলিত ছিল। অথচ এখানে যে বিশাল সম্ভাবনা ছিল ক্ষমতা দখলকরীরা কখনোই তা দেখেনি। ৯৬ সাল থেকে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমারা শুরু করেছি এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০ হাজার মেগাওয়াটে বিদুৎ বৃদ্ধি করেছি। প্রতিটা ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেব, গড়ে উঠবে অনেক কলকারখানা। উন্নয়ন করতে গিয়ে কোন মানুষ যেন কষ্ট না পায় সে দিকে লক্ষ রেখেই জমির তিনগুন দাম দিয়েছি। ইতিমধ্যেই ১৩০টি পরিবারকে ঘর করে দিয়েছি।

 

দক্ষিনাঞ্চলে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে নৌকায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষি যান্ত্রিকিকরন করব। এখানে এলমজি টার্মিনাল করে দিব। নৌ ঘাটি নির্মান করছি। সেনানিবাস তৈরী করে দিচ্ছি। বিমান বাহিনীর একটি ঘাটি তৈরী করে দিচ্ছি। পরমানু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী করার জন্য একটা দ্বীপ খুঁজছি। সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এমপি, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, চিপহুইপ আসম ফিরোজ এমপি, বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ উপদেষ্টা ড. তৌফিক এলাহি চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ দিপু , বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম এমপি, স্থানীয় সাংসদ মাহবুবুর রহমান এমপি, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমেদ কায় কাউস, নৌপরিবহন মস্ত্রালয়ের সচিব আব্দুস সামাদ প্রমূখ। এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রানলয়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আবাসন পল্লী স্বপ্নের ঠিকানা উদ্ভোধন শেষে প্রধানপন্ত্রী হেলিকাপ্টার যোগে বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিকেল ৪ টায় আওয়মীলীগ আয়োজিত এক জনসভায় যোগদান করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: info@kuakatanews.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited