আগৈলঝাড়ায় এক যুগ ধরে পরিত্যক্ত স্যাঁতসেতে ভবনে বসবাস করছে পুলিশ

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেরাই চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় এক যুগ যাবৎ বাধ্য হয়ে বসবাস করছেন পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনে।

 

গত এক যুগ ধরে উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে অগণিত আবেদন আর উর্ধতন কর্মকর্তাদের চিঠি চালাচালির মধ্যে সময় কাটলেও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওসি (তদন্ত) সহ পুলিশ কর্মকর্তাদের বসবাসের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য কোন বরাদ্দ প্রদান করেনি। নিময় নীতির অক্টোপাশে বাধ্য হয়ে থানা চত্বরে অবস্থিত জরাজীর্ণ, পরিত্যক্ত তিনতলা ভবনের স্যাঁতসেতে পরিবেশে বসবাস করছেন তারা। স্যাঁতসেতে পরিবেশের কারণে আবাসিক ভবনের বসবাসরত শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকমের ভাইরাসজনিত অসুখ বিসুখে। একই অবস্থা থানার প্রশাসনিক মূল ভবন ও পুলিশ ব্যারাকেরও। জেলা পুলিশের কল্যাণ সভায় প্রতি মাসেই আবাসিক ভবন ও পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হলেও প্রায় এক যুগ যাবৎ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা শুধু আশার বাণীই শুনিয়ে যাচ্ছেন, কাজের অগ্রগতি কিছুই হয়নি।

 

থানার একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, থানার প্রশাসনিক মূল ভবনের মধ্যে অস্ত্রাগার কক্ষে ছাদের পলেস্তারা ধ্বসে পরছে, বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পরে কক্ষে। মালখানায় পানি পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম বিচারাধীন মামলার গুরুত্বপূর্ন আলামত। থানার উপরে ব্যারাকে থাকা পুলিশ সদস্যদের রান্নাঘরটি অনেক আগে থেকেই পরিত্যক্ত। থানায় ১জন ওসি, ৭জন এসআই, ৮জন এএসআই, ২৪জন ফোর্সসহ মোট ৪১জন কর্মরত থাকলেও থানায় অনুমোদিত পদের সংখ্যা ৩৮জন। অফিসার ও পুলিশ সদস্যরা সারাদিন ডিউটি শেষে রাতে ঘুমাতে গেলে বৃষ্টির পানি গায়ে পরে আঁৎকে ওঠেন। ঝড়বৃষ্টির সময় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় তাদের। ঘুমন্ত পুলিশের উপর ভবনের ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা ধ্বসে পরে আহত হবার ঘটনাও ঘটেছে প্রায়ই।

 

কনডেম সেলের মত পুলিশ ব্যারাকে স্থান না পাওয়া পুলিশ সদস্যদের ব্যারাকের বারান্দায় পলিথিন টানিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে। এর কোন কিছু থেকেই বাদ পরছেন না পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনে বসবাস করা ওসিসহ অন্যান্য পরিবারগুলোর সদস্যরাও। অথচ পুলিশ ইন্সপেক্টর, পুলিশ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ও সাব-ইন্সপেক্টরদের জন্য পৃথক আবাসিক সুবিধা ও পুলিশ সদস্যদের পৃথক ব্যারাক নির্মাণের বিধান থাকলেও থানা স্থাপনের ৩৪বছরেও আগৈলঝাড়ায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।
পুলিশের জন্য নির্মিত পরিত্যক্ত আবাসিক ভবন এখন যেকোন সময় ধ্বসে পরার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলেও জানায় ওই সূত্র। কারণ ২০০৭ সালে সিডর পরবর্তী সময়ে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ থেকে থানা পুলিশের একমাত্র আবাসিক ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ও দেয়াল খসে মাঝে মধ্যেই আহত হচ্ছেন পুলিশ পরিবারের সদস্যরা। ফলে অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন থানা চত্বরের বাইরে বাসা ভাড়া করে থাকতে। পরিবার সদস্যদের নিয়ে আবাসিক ভবনে প্রতি মূহুর্তে আতংকের মধ্যে কাটাতে হয় পুুলিশ পরিবারের সদস্যদের। তারপরেও আবাসিক ভবনে ঠাঁই না মেলা অফিসারদের বাধ্য হয়ে থাকতে হয় পুলিশ ব্যারাকে নির্মিত কনডেম সেলের মত ছোট ছোট কক্ষে। ১১বছর আগে পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনেই বাধ্য হয়ে থাকতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। পানি পরে আবাসিক ভবনের অবস্থা এতই খারাপ হয়েছে যে স্যাঁতসেতে ভবনটি যেকোন সময় ধ্বসে পড়বে।

 

সূত্র আরও জানায়, ১৯৮৪ সালে থানার প্রশাসনিক ভবন ও অফিসারদের জন্য একটি আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ওসি (তদন্ত) র জন্য আলাদা আবাসিক ভবন নির্মাণের নিয়ম থাকলেও ৩৪ বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। থানা চত্বরে নির্মিত আবাসিক ভবনে ছয়টি পরিবার বসবাসের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে নির্মাণের ফলে অল্পদিনের মধ্যেই ভবনটি জীর্ণ হয়ে পরিত্যক্ত হয়ে পরে। সূত্র আরও জানায়, ভবন নির্মাণের সময় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগ থেকে থানার প্রশাসনিক ভবনে বাথরুমের কোন নকশাই করা হয়নি। কিভাবে দেশে বাথরুম বিহীন সকল থানার প্রশাসনিক ভবনের এই নকশা অনুমোদন হয়েছে তার কোন উত্তর মেলেনি কোথাও। ফলে ব্যারাকে থাকা পুলিশ সদস্যদের বাথরুম সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। থানা পুলিশ নিজস্ব উদ্যোগে বাথরুমের ব্যবস্থা করলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা নগণ্য। প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের পর দু’একবার সংস্কার হয়েছে মাত্র।

 

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা পুলিশের আবাসিক সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জুলাই মাসের কল্যাণ সভায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশাসনিক ভবন সংস্কার, আবাসিক ভবন নির্মাণ ও পুলিশ সদস্যদের জন্য পৃথক ব্যারাক নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» বাতিল হচ্ছে এমসিকিউ? বিপদে শিক্ষার্থীরা

» রাজধানীর চকবাজারে আগুন: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯

» আগুন নেভাতে বিমান বাহিনীর দুই হেলিকপ্টার

» আজ অমর একুশে ভাষা শহীদদের প্রতি জাতির বিনম্র শ্রদ্ধা

» রাজধানীর চকবাজার এলাকায় ভয়াবহ আগুন

» নিজ পরিচয়ে সারাবিশ্বে ও স্বদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র, শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা

» একুশে স্মৃতি সংসদ সম্মাননা পেলেন: লায়ন গনি মিয়া বাবুল

» কলাপাড়ায় ছুরিকাঘাতে কলেজ শিক্ষিকা গুরুতর জখম

» চাঁদপুরে গ্রাম আদালতের অগ্রগতি ও চ্যালেন্জসমূহ নিয়ে জেলা প্রশাসকের ভিডিও কনফারেন্স

» গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ছয় কোচিং সেন্টার সিলগালা : বেঞ্চ ধ্বংস

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৯ই ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আগৈলঝাড়ায় এক যুগ ধরে পরিত্যক্ত স্যাঁতসেতে ভবনে বসবাস করছে পুলিশ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেরাই চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় এক যুগ যাবৎ বাধ্য হয়ে বসবাস করছেন পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনে।

 

গত এক যুগ ধরে উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে অগণিত আবেদন আর উর্ধতন কর্মকর্তাদের চিঠি চালাচালির মধ্যে সময় কাটলেও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওসি (তদন্ত) সহ পুলিশ কর্মকর্তাদের বসবাসের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য কোন বরাদ্দ প্রদান করেনি। নিময় নীতির অক্টোপাশে বাধ্য হয়ে থানা চত্বরে অবস্থিত জরাজীর্ণ, পরিত্যক্ত তিনতলা ভবনের স্যাঁতসেতে পরিবেশে বসবাস করছেন তারা। স্যাঁতসেতে পরিবেশের কারণে আবাসিক ভবনের বসবাসরত শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকমের ভাইরাসজনিত অসুখ বিসুখে। একই অবস্থা থানার প্রশাসনিক মূল ভবন ও পুলিশ ব্যারাকেরও। জেলা পুলিশের কল্যাণ সভায় প্রতি মাসেই আবাসিক ভবন ও পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হলেও প্রায় এক যুগ যাবৎ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা শুধু আশার বাণীই শুনিয়ে যাচ্ছেন, কাজের অগ্রগতি কিছুই হয়নি।

 

থানার একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, থানার প্রশাসনিক মূল ভবনের মধ্যে অস্ত্রাগার কক্ষে ছাদের পলেস্তারা ধ্বসে পরছে, বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পরে কক্ষে। মালখানায় পানি পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম বিচারাধীন মামলার গুরুত্বপূর্ন আলামত। থানার উপরে ব্যারাকে থাকা পুলিশ সদস্যদের রান্নাঘরটি অনেক আগে থেকেই পরিত্যক্ত। থানায় ১জন ওসি, ৭জন এসআই, ৮জন এএসআই, ২৪জন ফোর্সসহ মোট ৪১জন কর্মরত থাকলেও থানায় অনুমোদিত পদের সংখ্যা ৩৮জন। অফিসার ও পুলিশ সদস্যরা সারাদিন ডিউটি শেষে রাতে ঘুমাতে গেলে বৃষ্টির পানি গায়ে পরে আঁৎকে ওঠেন। ঝড়বৃষ্টির সময় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় তাদের। ঘুমন্ত পুলিশের উপর ভবনের ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা ধ্বসে পরে আহত হবার ঘটনাও ঘটেছে প্রায়ই।

 

কনডেম সেলের মত পুলিশ ব্যারাকে স্থান না পাওয়া পুলিশ সদস্যদের ব্যারাকের বারান্দায় পলিথিন টানিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে। এর কোন কিছু থেকেই বাদ পরছেন না পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনে বসবাস করা ওসিসহ অন্যান্য পরিবারগুলোর সদস্যরাও। অথচ পুলিশ ইন্সপেক্টর, পুলিশ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ও সাব-ইন্সপেক্টরদের জন্য পৃথক আবাসিক সুবিধা ও পুলিশ সদস্যদের পৃথক ব্যারাক নির্মাণের বিধান থাকলেও থানা স্থাপনের ৩৪বছরেও আগৈলঝাড়ায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।
পুলিশের জন্য নির্মিত পরিত্যক্ত আবাসিক ভবন এখন যেকোন সময় ধ্বসে পরার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলেও জানায় ওই সূত্র। কারণ ২০০৭ সালে সিডর পরবর্তী সময়ে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ থেকে থানা পুলিশের একমাত্র আবাসিক ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ও দেয়াল খসে মাঝে মধ্যেই আহত হচ্ছেন পুলিশ পরিবারের সদস্যরা। ফলে অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন থানা চত্বরের বাইরে বাসা ভাড়া করে থাকতে। পরিবার সদস্যদের নিয়ে আবাসিক ভবনে প্রতি মূহুর্তে আতংকের মধ্যে কাটাতে হয় পুুলিশ পরিবারের সদস্যদের। তারপরেও আবাসিক ভবনে ঠাঁই না মেলা অফিসারদের বাধ্য হয়ে থাকতে হয় পুলিশ ব্যারাকে নির্মিত কনডেম সেলের মত ছোট ছোট কক্ষে। ১১বছর আগে পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনেই বাধ্য হয়ে থাকতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। পানি পরে আবাসিক ভবনের অবস্থা এতই খারাপ হয়েছে যে স্যাঁতসেতে ভবনটি যেকোন সময় ধ্বসে পড়বে।

 

সূত্র আরও জানায়, ১৯৮৪ সালে থানার প্রশাসনিক ভবন ও অফিসারদের জন্য একটি আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ওসি (তদন্ত) র জন্য আলাদা আবাসিক ভবন নির্মাণের নিয়ম থাকলেও ৩৪ বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। থানা চত্বরে নির্মিত আবাসিক ভবনে ছয়টি পরিবার বসবাসের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে নির্মাণের ফলে অল্পদিনের মধ্যেই ভবনটি জীর্ণ হয়ে পরিত্যক্ত হয়ে পরে। সূত্র আরও জানায়, ভবন নির্মাণের সময় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগ থেকে থানার প্রশাসনিক ভবনে বাথরুমের কোন নকশাই করা হয়নি। কিভাবে দেশে বাথরুম বিহীন সকল থানার প্রশাসনিক ভবনের এই নকশা অনুমোদন হয়েছে তার কোন উত্তর মেলেনি কোথাও। ফলে ব্যারাকে থাকা পুলিশ সদস্যদের বাথরুম সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। থানা পুলিশ নিজস্ব উদ্যোগে বাথরুমের ব্যবস্থা করলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা নগণ্য। প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের পর দু’একবার সংস্কার হয়েছে মাত্র।

 

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা পুলিশের আবাসিক সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জুলাই মাসের কল্যাণ সভায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশাসনিক ভবন সংস্কার, আবাসিক ভবন নির্মাণ ও পুলিশ সদস্যদের জন্য পৃথক ব্যারাক নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited