বন্যার প্রভাবে পর্যটক শূন্য লাউয়াছড়া!

মশাহিদ আহমদ মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে ঈদের ছুটিতে ভ্রমণের জন্য অনেকেই বেছে নেন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক কিংবা হামহাম জলপ্রপাত। এবারও ঈদকে সামনে রেখে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে সব ধরনের প্রস্তুতি ছিল পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে।

 

জেলায় চলমান বন্যার কারণে পরিবহন, হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও পর্যটন ব্যবসায় ধস নেমেছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে পর্যটনের এই ভর মৌসুমে দেশের অন্যতম পর্যটন উপজেলার মধ্যে মৌলভীবাজার সদর, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এখন পর্যটক শূন্য। হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্টহাউসগুলো এখন প্রায় ফাকাঁ। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পর্যটন ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট পরিবহন, হোটেল, রিসোর্ট, কটেজের মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা। সঠিক পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারনা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। চলমান বন্যায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ পর্যটন স্পটগুলো এখন ফাকাঁ।

 

এ অবস্থায় লাউয়াছড়া জাতীয় পার্ক, মাধবপুর লেক, চা বাগান, বধ্যভূমি৭১, বিটিআরআই, হাইল হাওর, বাইক্কা বিল, লালমাটি পাহাড়, বার্নিশ টিলা, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, টি রিসোর্ট এন্ড মিউজিয়াম, ডিনস্টন সিমেট্রিসহ অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটক নেই বললেই চলে। ফলে পর্যটক নির্ভর পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদেরও নাভিশ্বাস। জানা গেছে- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মূলতঃ ভানুগাছ সংরক্ষিত বনের একটি বড় অংশ যা পূর্বে পশ্চিম ভানুগাছ হিসেবে পরিচিত ছিল। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ৫নং কমলগঞ্জ ও মাধবপুর ইউনিয়ন এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত। ১৯৯৬ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ১২৫০ হেক্টর আয়তনের এ বনকে সরকার ‘জাতীয় উদ্যান’ হিসেবে ঘোষণা করে এবং এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ‘বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষিন বিভাগ’ সিলেটের উপর ন্যাস্ত হয়। উদ্যানের ভিতর দুটি খাসিয়াপুঞ্জিসহ পাশ ঘেষে ৬টি টি-এস্টেট/চা বাগান এবং আশে-পাশে ৩০টি গ্রাম রয়েছে।

 

লাউয়াছড়ার এ উদ্যানে উচ্চ বনভূমি, একক বা মিশ্র প্রজাতির সৃজিত বন, তৃণভূমি ও বাঁশবন, জলাভূমি, চা বাগান ও কিছু এলাকায় চাষাবাদযোগ্য জমি রয়েছে। এ উদ্যান জুড়ে রয়েছে বৃষ্টির পানিতে সৃষ্টি হওয়া বেশ ক্ষুদ্র জলপ্রবাহ, আঞ্চলিকভাবে যা ‘ছড়া’ নামে পরিচিত। ১২৫০ হেক্টরের এ জাতীয় উদ্যান দক্ষিণ থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বিস্তৃত উত্তরে চাউতলী ও কালাছড়া বন বিট; উত্তর-পূর্ব কোনে বালিগাঁও ও বাগমারা, পূর্বে ফুলবাড়ী চা-বাগান, লঙ্গুরপাড়, ভাষানীগাঁও, পশ্চিমে ভাড়াউড়া চা-বাগান, উত্তর-পশ্চিমে গোরোবস্থি ও ঘিলাছড়া চা বাগান এবং দক্ষিণে ডলূবাড়ি ও রাধানগর এ জাতীয় উদ্যানের সীমানা। সংলগ্ন গ্রামসমূহ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ল্যান্ডস্কেপ এলাকায় মূলতঃ কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল এ দু’টি উপজেলার সীমানায় বিস্তৃত।

 

উপজেলা ভিত্তিক অন্তর্ভূক্ত গ্রামগুলো হল ঃ কমলগঞ্জ উপজেলা ঃ কালাছড়া, সরইবাড়ি, বাদেউবাহাটা, বনগাঁও, রাসটিলা, ভেড়াছড়া, ছাতকছড়া, বাঘমারা, উঃ বালিাগাঁও, বাল¬ারপাড়, ফুলবাড়ি (চা বাগান), মাগুরছড়াপুঞ্জি, লঙ্গুরপাড়, টিলাগাঁও, ভাষানীগাঁও, নুরজাহান চা বাগান। শ্রীমঙ্গলে রয়েছে দিলবরনগর, রাধানগর, ডলাছড়া, বিরাইমপুর বস্থি, ভাড়াউরাবস্থি, জাগছড়া, খাইছড়া, সোনাছড়া, গারোবস্থি, কালাপুর, লামুয়া, সিরাজনগর, লাউয়াছড়াপুঞ্জি। রক্ষিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে সেগুন, চাপালিশ, আগর, রক্তনসহ বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিত। বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী উল্লকের বাসস্থান হিসেবে এই বন বিখ্যাত। উল্লুক ছাড়াও এ বনে রয়েছে মুখপোড়া হনুমান, বানর, শিয়াল, মেছোবাঘ, মায়া হরিণ, মজগরসহ নানা প্রকার জীবজন্তু। উদ্যানের পাখির মধ্যে রয়েছে সবুজ ঘুঘু, বনমোরগ, তুর্কিবাজ, সাদা ভ্রু সাতভায়লা, ঈগল, হরিয়াল, কালোমাথা টিয়া, কালো ফর্কটেইল, ধূসর সাতশৈলী, পেঁচা, ফিঙে, লেজকাটা টিয়া, কালোবাজ, হীরামন, কালোমাথা বুলবুল, ধুমকল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সাধারণ দর্শনীয় পাখির মধ্যে টিয়া, ছোট হরিয়াল, সবুজ সুইচোরা, তোতা, ছোট ফিঙে, সবুজ কোকিল, পাঙ্গা, কেশরাজ প্রভৃতির পাখি।

 

বাংলাদেশের একমাত্র জীবিত আফ্রিকান টিকওক গাছটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে আছে। জাতীয় উদ্যানে বনরুই, অজগর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি সহ প্রায় ২৭৬ প্রজাতির বন্যপ্রাণী আছে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভিতর রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী খাসিয়াপুঞ্জি, যারা ধারন করে আছে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য । যেখানে পর্যটকরা প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে উপভোগ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» কুয়াকাটায় যথাযথ মর্যাদায় মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে

» দশমিনায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

» দশমিনায় প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরে ভাষা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়নি

» যশোরের বেনাপোলে ফেন্সিডিলসহ মহিলা ব্যবসায়ী আটক

» আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবসে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে দুই বাংলার মিলন মেলা

» বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ভাষা শহীদদেও প্রতি শ্রদ্ধা

» বান্দরবানের রুমায় বিষ পানে পাড়া প্রধানের আত্মহত্যা

» গলাচিপায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত

» পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকতে পতাকা বিক্রেতা মো.গিয়াস উদ্দিন

» আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন ও আলোচনা সভা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বন্যার প্রভাবে পর্যটক শূন্য লাউয়াছড়া!

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

মশাহিদ আহমদ মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে ঈদের ছুটিতে ভ্রমণের জন্য অনেকেই বেছে নেন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক কিংবা হামহাম জলপ্রপাত। এবারও ঈদকে সামনে রেখে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে সব ধরনের প্রস্তুতি ছিল পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে।

 

জেলায় চলমান বন্যার কারণে পরিবহন, হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও পর্যটন ব্যবসায় ধস নেমেছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে পর্যটনের এই ভর মৌসুমে দেশের অন্যতম পর্যটন উপজেলার মধ্যে মৌলভীবাজার সদর, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এখন পর্যটক শূন্য। হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্টহাউসগুলো এখন প্রায় ফাকাঁ। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পর্যটন ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট পরিবহন, হোটেল, রিসোর্ট, কটেজের মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা। সঠিক পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারনা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। চলমান বন্যায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ পর্যটন স্পটগুলো এখন ফাকাঁ।

 

এ অবস্থায় লাউয়াছড়া জাতীয় পার্ক, মাধবপুর লেক, চা বাগান, বধ্যভূমি৭১, বিটিআরআই, হাইল হাওর, বাইক্কা বিল, লালমাটি পাহাড়, বার্নিশ টিলা, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, টি রিসোর্ট এন্ড মিউজিয়াম, ডিনস্টন সিমেট্রিসহ অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটক নেই বললেই চলে। ফলে পর্যটক নির্ভর পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদেরও নাভিশ্বাস। জানা গেছে- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মূলতঃ ভানুগাছ সংরক্ষিত বনের একটি বড় অংশ যা পূর্বে পশ্চিম ভানুগাছ হিসেবে পরিচিত ছিল। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ৫নং কমলগঞ্জ ও মাধবপুর ইউনিয়ন এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত। ১৯৯৬ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ১২৫০ হেক্টর আয়তনের এ বনকে সরকার ‘জাতীয় উদ্যান’ হিসেবে ঘোষণা করে এবং এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ‘বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষিন বিভাগ’ সিলেটের উপর ন্যাস্ত হয়। উদ্যানের ভিতর দুটি খাসিয়াপুঞ্জিসহ পাশ ঘেষে ৬টি টি-এস্টেট/চা বাগান এবং আশে-পাশে ৩০টি গ্রাম রয়েছে।

 

লাউয়াছড়ার এ উদ্যানে উচ্চ বনভূমি, একক বা মিশ্র প্রজাতির সৃজিত বন, তৃণভূমি ও বাঁশবন, জলাভূমি, চা বাগান ও কিছু এলাকায় চাষাবাদযোগ্য জমি রয়েছে। এ উদ্যান জুড়ে রয়েছে বৃষ্টির পানিতে সৃষ্টি হওয়া বেশ ক্ষুদ্র জলপ্রবাহ, আঞ্চলিকভাবে যা ‘ছড়া’ নামে পরিচিত। ১২৫০ হেক্টরের এ জাতীয় উদ্যান দক্ষিণ থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বিস্তৃত উত্তরে চাউতলী ও কালাছড়া বন বিট; উত্তর-পূর্ব কোনে বালিগাঁও ও বাগমারা, পূর্বে ফুলবাড়ী চা-বাগান, লঙ্গুরপাড়, ভাষানীগাঁও, পশ্চিমে ভাড়াউড়া চা-বাগান, উত্তর-পশ্চিমে গোরোবস্থি ও ঘিলাছড়া চা বাগান এবং দক্ষিণে ডলূবাড়ি ও রাধানগর এ জাতীয় উদ্যানের সীমানা। সংলগ্ন গ্রামসমূহ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ল্যান্ডস্কেপ এলাকায় মূলতঃ কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল এ দু’টি উপজেলার সীমানায় বিস্তৃত।

 

উপজেলা ভিত্তিক অন্তর্ভূক্ত গ্রামগুলো হল ঃ কমলগঞ্জ উপজেলা ঃ কালাছড়া, সরইবাড়ি, বাদেউবাহাটা, বনগাঁও, রাসটিলা, ভেড়াছড়া, ছাতকছড়া, বাঘমারা, উঃ বালিাগাঁও, বাল¬ারপাড়, ফুলবাড়ি (চা বাগান), মাগুরছড়াপুঞ্জি, লঙ্গুরপাড়, টিলাগাঁও, ভাষানীগাঁও, নুরজাহান চা বাগান। শ্রীমঙ্গলে রয়েছে দিলবরনগর, রাধানগর, ডলাছড়া, বিরাইমপুর বস্থি, ভাড়াউরাবস্থি, জাগছড়া, খাইছড়া, সোনাছড়া, গারোবস্থি, কালাপুর, লামুয়া, সিরাজনগর, লাউয়াছড়াপুঞ্জি। রক্ষিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে সেগুন, চাপালিশ, আগর, রক্তনসহ বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিত। বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী উল্লকের বাসস্থান হিসেবে এই বন বিখ্যাত। উল্লুক ছাড়াও এ বনে রয়েছে মুখপোড়া হনুমান, বানর, শিয়াল, মেছোবাঘ, মায়া হরিণ, মজগরসহ নানা প্রকার জীবজন্তু। উদ্যানের পাখির মধ্যে রয়েছে সবুজ ঘুঘু, বনমোরগ, তুর্কিবাজ, সাদা ভ্রু সাতভায়লা, ঈগল, হরিয়াল, কালোমাথা টিয়া, কালো ফর্কটেইল, ধূসর সাতশৈলী, পেঁচা, ফিঙে, লেজকাটা টিয়া, কালোবাজ, হীরামন, কালোমাথা বুলবুল, ধুমকল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সাধারণ দর্শনীয় পাখির মধ্যে টিয়া, ছোট হরিয়াল, সবুজ সুইচোরা, তোতা, ছোট ফিঙে, সবুজ কোকিল, পাঙ্গা, কেশরাজ প্রভৃতির পাখি।

 

বাংলাদেশের একমাত্র জীবিত আফ্রিকান টিকওক গাছটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে আছে। জাতীয় উদ্যানে বনরুই, অজগর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি সহ প্রায় ২৭৬ প্রজাতির বন্যপ্রাণী আছে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভিতর রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী খাসিয়াপুঞ্জি, যারা ধারন করে আছে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য । যেখানে পর্যটকরা প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে উপভোগ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited