ফতুল্লায় যুবদল নেতা শেখ জুয়েল এর উদ্যোগে শহীদ জিয়ার শাদাহাত বার্ষিকী পালন

সাদ্দাম হোসেন শুভ – বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ফতুল্লা থানা যুবদল নেতা শেখ জুয়েল এর উদ্যোগে মিলাদ,দোয়া ও ইফতারের আয়োজন করা হয়। বুধবার ( ৩০ মে) বাদ আছর ফতুল্লার পাগলা নন্দলালপুর এ মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।

 

উক্ত মিলাদ,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানার বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু, প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। তিনিই জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে বার বার দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে, মাথা উঁচু করে। বিপর্যস্ত জাতিকে রক্ষা করেছেন সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে।

 

১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চে জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস জুগিয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই তিনি ক্ষান্ত থাকেননি, দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য হানাদারদের বিরুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার এ অতুলনীয় ভূমিকা ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত এক পরিস্থিতি থেকে দেশ মুক্তি পায় ৭ নবেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে। আর এই বিপ্লবের প্রাণপুরুষ ছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি একদলীয় বাকশালের রাহুমুক্ত করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

 

নিশ্চিত করেন বাক-ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের কালজয়ী দর্শনের বক্তা জিয়াউর রহমান জাতির নিজস্ব পরিচয় তুলে ধরেন। তার অন্যতম উপহার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের পতাকাবাহী রাজনৈতিক দল ‘বিএনপি’। তার শাহাদাতের পর তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন। তার প্রতিষ্ঠিত দল তিনবার জনগণের ভোটে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পায়। তিনি ছিলেন সাতান্ন হাজার বর্গমাইল এলাকার বাংলাদেশের অতন্দ্র প্রহরী, অকুতোভয় বীর। তিনি ছিলেন আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে শকুনের থাবামুক্ত রাখার লড়াকু সৈনিক। আধিপত্যবাদী-সম্প্রসারণবাদীদের ষড়যন্ত্র রুখতে জীবন দিতেও প্রস্তুত ছিলেন তিনি।

 

আমৃত্যু যুদ্ধ করেছেন ক্ষুধা, দারিদ্র্য, শ্রেণীবৈষম্য ও নিরক্ষতার বিরুদ্ধে। জাতিকে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছেন তিনি। রক্তস্নাত স্বাধীন বাংলাদেশকে তিনি গণতন্ত্রের আস্বাদ দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া খালকাটা কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশের ভিত রচনা করেন। জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রতিষ্ঠাসহ নারী সমাজের উন্নয়ন ও শিশুদের বিকাশে তার আগ্রহ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেয়। তার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জিয়াউর রহমান একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বীকৃত।

 

মুসলিম বিশ্বে, জোটনিরপেক্ষ বলয়ে ও পাশ্চাত্যে তেজোদ্দীপ্ত ও প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে ভূমিকা পালনে, সফল স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে শহীদ জিয়া আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে এক মর্যাদাবান রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সাড়ে তিন বছরের দুঃশাসন, লুটপাটের পর সিপাহী-জনতার অকৃত্রিম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা নিয়ে ক্ষমতায় এসে স্বল্পসময়ের শাসনকালে তিনি বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছিলেন। সেদিন জিয়াউর রহমানের আকস্মিক শাহাদাতবরণে গোটা জাতি শোকাভিভূত হয়ে পড়েছিল।

 

এই শোকের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল রাজধানীর শেরেবাংলানগরে তার নামাজে জানাযায়। লাখো মানুষের উপস্থিতি সেদিন জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। আরো উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মাহাবুবর রহমান চনচল,ফতুল্লা থানা শ্রমিকদল নেতা মামুন,ইব্ররাহীম দেওয়ান,ইব্ররাহীম খান,পাপ্পু,মিন্টু, ডিএম,ইসহাক,আব্দুর রহমান পিয়েল,ইঞ্জিনিয়ার সাইদ রেজা খান,মনির ভূইয়া,পিয়াস খন্দকার,জবেদ,নাদিম সহ অসংখ্য বিএনপির যুবদল ছাত্রদল নেতাকর্মী সেসময় উপস্থিত ছিলেন। ফতুল্লা থানা যুবদল নেতা শেখ জুয়েল এর উদ্দ্যেগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাদ আছর মিলাদ ও দোয়া এবং ইফতারের পুর্বে প্রায় দুই শতাধিক দরিদ্রদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» শৈলকুপায় নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তলোন করায় নদী ভাঙ্গনের কবলে বসতভিটা

» ঝিনাইদহ গোয়েন্দা পুলিশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান, গাঁজা ও ইয়াবাসহ চার জন গ্রেফতার

» নষ্ট হচ্ছে ৫০ বিঘা জমির আবাদি ফসল, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

» ঝিনাইদহের চাকলা পাড়ার আলোচিত মিনি পতিতালয় ও মাদকের গডফাদার এলাকাবাসীর অভিযোগ

» মেয়র প্রার্থীর মা স্ত্রী ও ভাইসহ ৫ জনকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো নৌকার সমর্থকরা

» আপত্তিকর ভিডিও পোস্ট: অভিনেত্রী সানাই সুপ্রভা আটক

» দ্বিতীয় পুরস্কার ছিনিয়ে আনলেন শার্শার উদ্ভাবক মিজান

» গলাচিপায় ৭ লক্ষ ২৪ হাজার রেণু পোনা জব্দ

» সাধারণ মানুষের জন্য গ্রাম আদালত কতটা প্রয়োজন: একটি নিরীক্ষা

» র‌্যাব-৬ এর পৃথক দুটি অভিযানে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লায় যুবদল নেতা শেখ জুয়েল এর উদ্যোগে শহীদ জিয়ার শাদাহাত বার্ষিকী পালন

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

সাদ্দাম হোসেন শুভ – বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ফতুল্লা থানা যুবদল নেতা শেখ জুয়েল এর উদ্যোগে মিলাদ,দোয়া ও ইফতারের আয়োজন করা হয়। বুধবার ( ৩০ মে) বাদ আছর ফতুল্লার পাগলা নন্দলালপুর এ মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।

 

উক্ত মিলাদ,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানার বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু, প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। তিনিই জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে বার বার দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে, মাথা উঁচু করে। বিপর্যস্ত জাতিকে রক্ষা করেছেন সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে।

 

১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চে জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস জুগিয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই তিনি ক্ষান্ত থাকেননি, দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য হানাদারদের বিরুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার এ অতুলনীয় ভূমিকা ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত এক পরিস্থিতি থেকে দেশ মুক্তি পায় ৭ নবেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে। আর এই বিপ্লবের প্রাণপুরুষ ছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি একদলীয় বাকশালের রাহুমুক্ত করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

 

নিশ্চিত করেন বাক-ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের কালজয়ী দর্শনের বক্তা জিয়াউর রহমান জাতির নিজস্ব পরিচয় তুলে ধরেন। তার অন্যতম উপহার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের পতাকাবাহী রাজনৈতিক দল ‘বিএনপি’। তার শাহাদাতের পর তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন। তার প্রতিষ্ঠিত দল তিনবার জনগণের ভোটে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পায়। তিনি ছিলেন সাতান্ন হাজার বর্গমাইল এলাকার বাংলাদেশের অতন্দ্র প্রহরী, অকুতোভয় বীর। তিনি ছিলেন আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে শকুনের থাবামুক্ত রাখার লড়াকু সৈনিক। আধিপত্যবাদী-সম্প্রসারণবাদীদের ষড়যন্ত্র রুখতে জীবন দিতেও প্রস্তুত ছিলেন তিনি।

 

আমৃত্যু যুদ্ধ করেছেন ক্ষুধা, দারিদ্র্য, শ্রেণীবৈষম্য ও নিরক্ষতার বিরুদ্ধে। জাতিকে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছেন তিনি। রক্তস্নাত স্বাধীন বাংলাদেশকে তিনি গণতন্ত্রের আস্বাদ দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া খালকাটা কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশের ভিত রচনা করেন। জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রতিষ্ঠাসহ নারী সমাজের উন্নয়ন ও শিশুদের বিকাশে তার আগ্রহ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেয়। তার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জিয়াউর রহমান একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বীকৃত।

 

মুসলিম বিশ্বে, জোটনিরপেক্ষ বলয়ে ও পাশ্চাত্যে তেজোদ্দীপ্ত ও প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে ভূমিকা পালনে, সফল স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে শহীদ জিয়া আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে এক মর্যাদাবান রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সাড়ে তিন বছরের দুঃশাসন, লুটপাটের পর সিপাহী-জনতার অকৃত্রিম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা নিয়ে ক্ষমতায় এসে স্বল্পসময়ের শাসনকালে তিনি বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছিলেন। সেদিন জিয়াউর রহমানের আকস্মিক শাহাদাতবরণে গোটা জাতি শোকাভিভূত হয়ে পড়েছিল।

 

এই শোকের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল রাজধানীর শেরেবাংলানগরে তার নামাজে জানাযায়। লাখো মানুষের উপস্থিতি সেদিন জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। আরো উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মাহাবুবর রহমান চনচল,ফতুল্লা থানা শ্রমিকদল নেতা মামুন,ইব্ররাহীম দেওয়ান,ইব্ররাহীম খান,পাপ্পু,মিন্টু, ডিএম,ইসহাক,আব্দুর রহমান পিয়েল,ইঞ্জিনিয়ার সাইদ রেজা খান,মনির ভূইয়া,পিয়াস খন্দকার,জবেদ,নাদিম সহ অসংখ্য বিএনপির যুবদল ছাত্রদল নেতাকর্মী সেসময় উপস্থিত ছিলেন। ফতুল্লা থানা যুবদল নেতা শেখ জুয়েল এর উদ্দ্যেগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাদ আছর মিলাদ ও দোয়া এবং ইফতারের পুর্বে প্রায় দুই শতাধিক দরিদ্রদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited