ভালবাসা দিবস ও বসন্ত বরনে : পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত কুয়াকাটার সৈকত

Spread the love

উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,১৪ ফেব্রুয়ারি।। বসন্তের উথাল-পাথাল উদাসী হাওয়ায়, ফাগুনের রঙ হৃদয়ে ধরে, প্রকৃতির নৈসর্গিক ছোয়া পেতে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সৈকত এখন হাজারো পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত।

 

শান্ত সমুদ্র, রোদেলা বেলাভূমি, ইকোপার্ক, ইলিশ পার্ক, শ্রীমঙ্গল ও সীমা বৌদ্ধ বিহার, ফাতরারবন, লেবুর চর, গঙ্গামতির, কাউয়ার চর, শুটকী পল্লী আর রাখাইন পল্লীতে দেশী-বিদেশী নানা বয়সী পর্যটকদের ক্লান্তিহীন ছুটোছুটি। কেউ কেউ সমুদ্রের তরঙ্গের সাথে নেঁচে গেয়ে উল্লাস করছে। এমন দৃশ্য হাতের মোবাইল দিয়ে নানা ঢংয়ের সেলফি তুলে সাথে সাথে পোস্ট করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। কেউ আবার সৈকতের বালিয়াড়িতে পাতা বেঞ্চে ছাতার নিচে গল্প, গান আর আড্ডায় মেতে রয়েছে। এছাড়া দ্রুতগামী স্পিড বোটগুলো উচ্চ শব্দ করে একের পর এক পর্যটক বোঝাই করে গভীর সমুদ্রে ছুটে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ঘুরে আবার সৈকতের একই স্থানে এসে নোঙ্গর করছে।

শীতের হিমেল পরশ লেগে থাকা ফাগুনের প্রথম দিনে, প্রকৃতির ছোয়ায় দু:খ-বেদনা, ক্লান্তি-শ্রান্তি ভুলে পর্যটকরদের আনন্দ-উম্মাদনায় পুরো সৈকত জুড়ে বিরাজ করছে এক উৎসব মুখর পরিবেশ। এদিকে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় ট্যুরিষ্ট পুলিশের পাশাপাশি মহিপুর থানা পুলিশ ও নৌ-পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে টহল রয়েছে।
স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যাসায়িদের সূত্রে জানা গেছে, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত, সমুদ্রের ঢেউ, লাল কাকড়ার অবাধ বিচরনের জন্য সাগরকন্যা কুয়াকাটা দিনদিন হয়ে উঠেছে পর্যকদের প্রিয় স্থান। রয়েছে উপজাতি রাখাইন সম্প্রদায়ের জীবনাচর ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধন, সুন্দরবনের একাংশ ফাতরার বনের দৃশ্য উপভোগের সুযোগ। যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সারা বছর পর্যকদের আগমনে মুখরিত থাকে। দুরদুরান্ত থেকে ছুটে আসা পর্যটকদের আগমনে রাখাইন মার্কেট, ঝিনুকের দোকান, খাবারঘর, চটপটির দোকানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কেনাকাটার ধুম পরে গেছে। শিক্ষার্থী তামান্ন জানান, এ দিবসটি উৎযাপনের জন্য আমরা এখানে এসেছি। অপরূপ দৃশ্য অসাধারন লেগেছে। অপর শিক্ষার্থী আশা মনি সৈকতে দাঁড়িয়ে বলেন, এখানকার প্রাকৃতিক নৈসর্গিক দৃশ্য দেখে বিমোহিত হয়েছি।

 

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, যাতায়ত ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায়, সার্বিক দিক দিয়ে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের নিরপত্তা ব্যবস্থা ভাল থাকায় প্রতিদিনই পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়ছে। শিকদার রিসোর্ট এন্ড ভিলার জেনারেল ম্যানেজার জয়নাল আবেদীন চোকদার বলেন, যে পরিমান পর্যটকের উপস্থিতি কুয়াকাটায় বাড়ছে সে তুলনায় এখানে হোটেল-মোটেলে সংখ্যা কম। তাছাড়া রাতের সীবিচে আলোর ব্যবস্থা নাই। এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সংঙ্গে দেখা উচিৎ বলে তিনি সাংবদিকদের জানিয়েছেন। কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন পয়েন্টে আমাদের ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» প্রশ্নপত্রে পর্নো তারকার নাম বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

» হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) দুনিয়ার সর্বকালের সেরা মানব : রানী মুখার্জি

» ছাত্রীদেড় প্রস্তাব দেন বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের, ফোনালাপ ফাঁস! (অডিও)

» আমরা বিপদে, বাঁচান! এবার আশ্রয় চেয়ে আর্তি দুই তরুণীর

» আযানের সাথে সাথে শুরু হতো ওসি মোয়াজ্জেমের জন্য চাঁদা আদায়

» নুসরাত হত্যাকাণ্ড: ‘অনেক তথ্য’ দিয়েছেন আসামি কাদের

» তোরা যদি সাফাকে গালি দিস তবে আবার আমি একই কাজ করবো: সেফাতউল্লাহ

» সেফুদাকে ধরিয়ে দিলেই ২ লাখ পুরস্কার!

» নুসরাতকে নিয়ে ছোট ভাই রায়হানের আবেগঘন স্ট্যাটাস!

» নবম শ্রেণির বাংলা প্রশ্নে দুই পর্নো তারকার নাম!

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

x

আজ শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভালবাসা দিবস ও বসন্ত বরনে : পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত কুয়াকাটার সৈকত

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,১৪ ফেব্রুয়ারি।। বসন্তের উথাল-পাথাল উদাসী হাওয়ায়, ফাগুনের রঙ হৃদয়ে ধরে, প্রকৃতির নৈসর্গিক ছোয়া পেতে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সৈকত এখন হাজারো পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত।

 

শান্ত সমুদ্র, রোদেলা বেলাভূমি, ইকোপার্ক, ইলিশ পার্ক, শ্রীমঙ্গল ও সীমা বৌদ্ধ বিহার, ফাতরারবন, লেবুর চর, গঙ্গামতির, কাউয়ার চর, শুটকী পল্লী আর রাখাইন পল্লীতে দেশী-বিদেশী নানা বয়সী পর্যটকদের ক্লান্তিহীন ছুটোছুটি। কেউ কেউ সমুদ্রের তরঙ্গের সাথে নেঁচে গেয়ে উল্লাস করছে। এমন দৃশ্য হাতের মোবাইল দিয়ে নানা ঢংয়ের সেলফি তুলে সাথে সাথে পোস্ট করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। কেউ আবার সৈকতের বালিয়াড়িতে পাতা বেঞ্চে ছাতার নিচে গল্প, গান আর আড্ডায় মেতে রয়েছে। এছাড়া দ্রুতগামী স্পিড বোটগুলো উচ্চ শব্দ করে একের পর এক পর্যটক বোঝাই করে গভীর সমুদ্রে ছুটে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ঘুরে আবার সৈকতের একই স্থানে এসে নোঙ্গর করছে।

শীতের হিমেল পরশ লেগে থাকা ফাগুনের প্রথম দিনে, প্রকৃতির ছোয়ায় দু:খ-বেদনা, ক্লান্তি-শ্রান্তি ভুলে পর্যটকরদের আনন্দ-উম্মাদনায় পুরো সৈকত জুড়ে বিরাজ করছে এক উৎসব মুখর পরিবেশ। এদিকে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় ট্যুরিষ্ট পুলিশের পাশাপাশি মহিপুর থানা পুলিশ ও নৌ-পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে টহল রয়েছে।
স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যাসায়িদের সূত্রে জানা গেছে, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত, সমুদ্রের ঢেউ, লাল কাকড়ার অবাধ বিচরনের জন্য সাগরকন্যা কুয়াকাটা দিনদিন হয়ে উঠেছে পর্যকদের প্রিয় স্থান। রয়েছে উপজাতি রাখাইন সম্প্রদায়ের জীবনাচর ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধন, সুন্দরবনের একাংশ ফাতরার বনের দৃশ্য উপভোগের সুযোগ। যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সারা বছর পর্যকদের আগমনে মুখরিত থাকে। দুরদুরান্ত থেকে ছুটে আসা পর্যটকদের আগমনে রাখাইন মার্কেট, ঝিনুকের দোকান, খাবারঘর, চটপটির দোকানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কেনাকাটার ধুম পরে গেছে। শিক্ষার্থী তামান্ন জানান, এ দিবসটি উৎযাপনের জন্য আমরা এখানে এসেছি। অপরূপ দৃশ্য অসাধারন লেগেছে। অপর শিক্ষার্থী আশা মনি সৈকতে দাঁড়িয়ে বলেন, এখানকার প্রাকৃতিক নৈসর্গিক দৃশ্য দেখে বিমোহিত হয়েছি।

 

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, যাতায়ত ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায়, সার্বিক দিক দিয়ে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের নিরপত্তা ব্যবস্থা ভাল থাকায় প্রতিদিনই পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়ছে। শিকদার রিসোর্ট এন্ড ভিলার জেনারেল ম্যানেজার জয়নাল আবেদীন চোকদার বলেন, যে পরিমান পর্যটকের উপস্থিতি কুয়াকাটায় বাড়ছে সে তুলনায় এখানে হোটেল-মোটেলে সংখ্যা কম। তাছাড়া রাতের সীবিচে আলোর ব্যবস্থা নাই। এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সংঙ্গে দেখা উচিৎ বলে তিনি সাংবদিকদের জানিয়েছেন। কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন পয়েন্টে আমাদের ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited