বন্দরে স্থানীয়দের থানা ঘেড়াও ক্রাইমজোনের নামে রাতভর নির্যাতন “সাড়ে ৩ লাখ টাকায় মুক্তি”

Spread the love

বিশেষ প্রতিবেদক:- নারায়ণগঞ্জে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তার কথা থাকলেও না দিয়ে এবার থার্টি ফাস্ট নাইটে উদযাপন করায় সময় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার ১৩ জনকে আটক করে বন্দর থানা পুলিশের ক্রাইম জোনের এসআই আনোয়ার, এএসআই জালাল, রাসেদুল ও ইলিয়াছ হোসেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাহামুদনগর এলাকায়।

 

আটকৃতদের ধামগড় তালতলা এলাকায় ক্রাইমজোনের অফিসে নিয়ে যাওয়ার পরে টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরে ক্রাইমজোনের নামে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর মতো বর্বরতা চালায় অতঃপর আটকৃতদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয় বন্দর থানা পুলিশের ক্রাইম জোনের এসআই আনোয়ার, এএসআই জালাল, রাসেদুল ও ইলিয়াছ হোসেন। নামধারী পুলিশ কর্তৃক নির্যাতিতরা এখন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন হাসপালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

এ খবর মূহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর মুরাদের নেতৃত্বে প্রায় চার শতাধিক এলাকাবাসী বন্দর থানা ঘেরাও করে।

 

সূত্রমতে জানা যায়, ধামগড় তালতলা এলাকায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর মতো টর্চারসেল বানিয়ে এসআই আনোয়ার, এএসআই রাসেদুল ইসলাম, জালাল,ইলিয়াছ হোসেন ওরফে সুন্দর ইলিয়াছ ।

 

বন্দর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাহামুদনগর এলাকা থেকে ১৩ জনকে আটক করে, এসআই আনোয়ার, এএসআই জালাল, রাসেদুল ইসলাম ও ইলিয়াছ হোসেন। তারা সাড়ে ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় বলে শুনেছি।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদ বলেন, মূল ঘটনার সত্যতা কি তা আমি এখনও পর্যন্ত অবগত নই তবে আমার ওয়ার্ডবাসী আমার কাছে সকালে এসে বিষয়টি জানালে আমি তৎক্ষনাৎ তাদের নিয়ে থানায় যায়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) আবুল কালাম এর সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেন সন্ধ্যাই বিষয়টি নিয়ে বসে সঠিক কি ঘটেছিলো তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার করা হবে।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বন্দর থানার উপপরিদর্শক মো.আনোয়ার হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিউজএটুজেড২৪.কমকে জানান, ১৩জনকে আটক করেছি সত্য কিন্তু তাদেরকে কোন মারধর করা হয় নাই এবং তাদের পরিবারের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয় নাই। আটককৃত ১৩ জনের পরিবার ও স্থানীয়রা সকালে থানা ঘেড়াও করেছে কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সকালে থানায় ছিলেন না এবং কিছুই জানেন না বলেই রাগে ক্ষোভে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 

এএসআই জালাল জানান,আমি পুর্বে আনোয়ার স্যারের সাথে কাজ করতাম কিন্তু বর্তমানে এককভাবে কাজ করি এবং ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই।

 

এএসআই রাশেদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেই বিস্তারিত জানতে চাইলে ১ মিনিট পরে ফোন করি বলেই সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, থানা ঘেড়াও হয়েছে এটা মিথ্যা কথা। তবে কাউন্সিলর ৪/৫জন লোক নিয়ে এসেছিলেন আমি তাদের কথা শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত চলছে অভিযোগের সত্যতা পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» দশমিনায় হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ

» শার্শার স্কুলছাত্রী নিপা কৃত্রিম পা লাগাতে নেয়া হবে বিদেশে

» ২০ বছর আগের তুলনায় তুমি এখন আরো ‘হট’ হৃতিককে সাবেক স্ত্রী

» টাঙ্গাইলে ধর্ষিত মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে কাঁদছেন পাকিস্তানি মা

» ঠাকুরগাঁওয়ে শূন্যের ওপর ঘুরলেন বিস্ময়কর নারী!

» জেল থেকে বেরিয়েই চমক দিয়ে নতুন ঘোষণা দিলেন হিরো আলম!

» প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন

» আজ পবিত্র শবেবরাত

» বঙ্গোপসাগরে ইলিশ মৌসুমে অবরোধ বাতিলের দাবিতে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ

» যশোরের শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় চটপটি বিক্রেতা নিহত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

x

আজ রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বন্দরে স্থানীয়দের থানা ঘেড়াও ক্রাইমজোনের নামে রাতভর নির্যাতন “সাড়ে ৩ লাখ টাকায় মুক্তি”

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

বিশেষ প্রতিবেদক:- নারায়ণগঞ্জে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তার কথা থাকলেও না দিয়ে এবার থার্টি ফাস্ট নাইটে উদযাপন করায় সময় বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার ১৩ জনকে আটক করে বন্দর থানা পুলিশের ক্রাইম জোনের এসআই আনোয়ার, এএসআই জালাল, রাসেদুল ও ইলিয়াছ হোসেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাহামুদনগর এলাকায়।

 

আটকৃতদের ধামগড় তালতলা এলাকায় ক্রাইমজোনের অফিসে নিয়ে যাওয়ার পরে টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরে ক্রাইমজোনের নামে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর মতো বর্বরতা চালায় অতঃপর আটকৃতদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয় বন্দর থানা পুলিশের ক্রাইম জোনের এসআই আনোয়ার, এএসআই জালাল, রাসেদুল ও ইলিয়াছ হোসেন। নামধারী পুলিশ কর্তৃক নির্যাতিতরা এখন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন হাসপালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

এ খবর মূহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর মুরাদের নেতৃত্বে প্রায় চার শতাধিক এলাকাবাসী বন্দর থানা ঘেরাও করে।

 

সূত্রমতে জানা যায়, ধামগড় তালতলা এলাকায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর মতো টর্চারসেল বানিয়ে এসআই আনোয়ার, এএসআই রাসেদুল ইসলাম, জালাল,ইলিয়াছ হোসেন ওরফে সুন্দর ইলিয়াছ ।

 

বন্দর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাহামুদনগর এলাকা থেকে ১৩ জনকে আটক করে, এসআই আনোয়ার, এএসআই জালাল, রাসেদুল ইসলাম ও ইলিয়াছ হোসেন। তারা সাড়ে ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় বলে শুনেছি।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদ বলেন, মূল ঘটনার সত্যতা কি তা আমি এখনও পর্যন্ত অবগত নই তবে আমার ওয়ার্ডবাসী আমার কাছে সকালে এসে বিষয়টি জানালে আমি তৎক্ষনাৎ তাদের নিয়ে থানায় যায়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) আবুল কালাম এর সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেন সন্ধ্যাই বিষয়টি নিয়ে বসে সঠিক কি ঘটেছিলো তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার করা হবে।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বন্দর থানার উপপরিদর্শক মো.আনোয়ার হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিউজএটুজেড২৪.কমকে জানান, ১৩জনকে আটক করেছি সত্য কিন্তু তাদেরকে কোন মারধর করা হয় নাই এবং তাদের পরিবারের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয় নাই। আটককৃত ১৩ জনের পরিবার ও স্থানীয়রা সকালে থানা ঘেড়াও করেছে কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সকালে থানায় ছিলেন না এবং কিছুই জানেন না বলেই রাগে ক্ষোভে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 

এএসআই জালাল জানান,আমি পুর্বে আনোয়ার স্যারের সাথে কাজ করতাম কিন্তু বর্তমানে এককভাবে কাজ করি এবং ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই।

 

এএসআই রাশেদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেই বিস্তারিত জানতে চাইলে ১ মিনিট পরে ফোন করি বলেই সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, থানা ঘেড়াও হয়েছে এটা মিথ্যা কথা। তবে কাউন্সিলর ৪/৫জন লোক নিয়ে এসেছিলেন আমি তাদের কথা শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত চলছে অভিযোগের সত্যতা পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited