বেপরোয়া সোর্স নাসিরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মাসদাইরের সাধারন জনগন

Spread the love

বিশেষ প্রতিবেদক: নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন মাসদাইর বাজার ও আশপাশ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের পরমবন্ধু ও নিরীহদের জন্য আতংকের এক নাম মো.নাসির হোসেন ওরফে কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির। এক সময়ে মাসদাইর বাজারে কসাই দোকানের দিনমজুর কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির বর্তমানে পুলিশের ছত্রছায়ায় এতটাই বেপরোয়া গতিতে চলাচল করছে যে, পুলিশের সোর্স হওয়ার সুবাদে স্থানীয় সাধারন মানুষকে পুলিশী হয়রানী করা ছাড়াও তার প্রত্যক্ষ মদদে মাসদাইর বাজার সংলগ্ন রোকেয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও আশপাশে প্রকাশ্যেই মাদকের হাট বসছে রাত-দিনব্যাপী।

 

সরেজমিনে ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, ডিবি পুলিশের হাতে ক্রুসফায়ারে নিহত গলাচিপা মাসদাইর এলাকার শীর্ষ মাদক স¤্রাট বন্ধুক শাহীনের কথিত মামা পরিচয়দানকারী কসাই নাসির মুলচালিকা শক্তি হলো সে থানা ও ডিবি পুলিশের সোর্স। নাসিরের নিজ মেয়ে সালমা,দুই ছেলে সেলিম ও রাসেলকে দিয়েই বিভিন্ন স্পটে ইয়াবা সরবরাহ করে থাকে। রোকেয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ইনডেক্স হাউজিং ও শাহীন ক্যাডেট স্কুলের গলির প্রবেশ মুখ থেকে শুরু করে শেষ মাথা পর্যন্ত রিক্সা গ্যারেজগুলোতে জমজমাট ইয়াবার আসর জমায় নাসির ছেলেমেয়ে ও সহযোগিরা। ইনডেক্স হাইজংয়ের বাউন্ডারীর ভেতরে সর্বক্ষন কসাই নাসির ছোট ছেলে রাসেল,সম্বলের ছেলে পাবেল,নেপালের ছেলে চুবি,সাজাহানের ছেলে আসাদগংরা তাদের দেহের বিভিন্ন অংশে লুকিয়ে রেখে ইয়াবা বিক্রি করছে হরহামেশা।

 

ফতুল্লা মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের চিহিৃত সোর্স কসাই নাসিরের কারনে মাসদাইর ও আশপাশ এলাকাতে উল্লেখযোগ্য কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে প্রশাসনের কর্তাবাবুরা। কারন খুজে জানা যায়,সে সোর্সের কাজ করে বলে পুলিশের আগমনী বার্তাটুকু তার কাছে দ্রুত পৌছে যায় অন্য সোর্সের মাধ্যমে। পুলিশী অভিযানে মাসদাইর ও আশপাশ থেকে পুলিশ যদিও কোন আসামী ধরে থাকে সেগুলো শুধুমাত্র মাদক সেবনকারী। যদি মাঝে-মধ্যে কোন মাদক বিক্রেতাকে পুলিশ ধরে থাকে তাহলে সোর্স নাসিরের তত্তবধানে উৎকোচের বিনিময়ে ছাড়িয়ে রাখেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, ইনডেক্স হাউজিংয়ের গলির শেষ মাথায় জলিলের রিক্সার গ্যারেজসহ বাকী গ্যারেজগুলো লুডু ও প্লেইং কার্ড খেলাকে মুলত সবাইকে দেখিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক বিক্রি করছে। তারা আরো জানান,গত সপ্তাহে ডিবি পুলিশের একটি টিম কসাই নাসিরের মেয়ে সালমা ছেলে সেলিমকে ধরে নিয়ে গেলেও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে আনেন কসাই নাসির। গত রবিবার (১৯ নভেম্বর)রাতে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম সহিদ ওরফে লম্বা সহিদ,সম্বলসহ ২/৩জনকে ধরে নিয়ে গেলেও রাত পোহানোর আাগেই কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির পুলিশকে অর্থের বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে।

 

কসাই নাসির তার মাদক বিক্রি নিয়ন্ত্রনে রাখতে ৮/১০ বছর বয়সী বাচ্চাগুলোকেও মাদক বিক্রিতে মাঠে নামিয়েছে যা রীতিমত অবাক হওয়ার মত! কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির থানা পুলিশের সোর্স হওয়াতে পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় নাকি পুরো পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে এমনটাই দাবী স্থানীয় বাসিন্দাদের। পুলিশের সাথে দহরম সর্ম্পক থাকার সুবাদে তার অনুগতদেরকে পুলিশ আটক করে না। যদিও মাঝে মধ্যে ভুলবশত ধরে ফেলে তাহলে সোর্স নাসিরের সহযোগিতায় উৎকোচের বিনিময়ে দ্রুত ছাড়া পেয়ে যায়।

 

দু’পাশে দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও সেখানে কোন নজর নেই কসাই নাসিরগংদের। একদিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জন করতে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে আসছে অপর দিকে সোর্স নাসির ওরফে কসাই নাসিরের মাদকের স্পটে বিভিন্ন বয়সী ব্যক্তিরা ইয়াবা সংগ্রহ করতে আসছে যা রীতিমত প্রতিটি শিক্ষার্থীরা দু’চোখে দেখতে পারছে। যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ধাবিত করে কসাই নাসির ওরফে সোর্স মাসদাইর পতেঙ্গা এলাকাতে বিশাল ফ্লাট ভাড়া নিয়ে আয়েশী জীবন-যাপন করছেন বলে জানান অনেকে।

 

আশরাফুল নামে রোকেয়া স্কুলের ৮ম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী জানান,একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে প্রকাশ্যে কিভাবে মাদক বিক্রি হয় তা আমার বোধগম্য হয়না। আমরা স্কুলে শিক্ষা নিতে এসে এখানে যেখানে মাদকের উপদ্রব দেখি তাতে ভবিষ্যতে আমরাও সম্পৃক্ত হয়ে পড়তে পারি। তাই পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করবো যতদ্রুত সম্ভব হয় এখান থেকে যেন মাদক বিক্রি দ্রুত নির্মুলের ব্যবস্থা নেন। শাহীন ক্যাডেট স্কুলের ২য় শ্রেনীতে পড়–য়া এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমরা কোন রাজ্যে বসবাস করছি তা বলতে পারবোনা। তবে এতটুকু বলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে মাদকের ছড়াছড়ি এটা কোন সমাজে কারো কাছে কাম্য নয়।বাচ্চাকে ভর্তি করিয়ে ছিলাম কিন্তু এর আশপাশে মাদকের যে ভয়াবহতা তাতে মনে আমাদের সন্তানরা শিক্ষা গ্রহনের পাশাপাশি মাদকটিও দ্রুত গ্রহন করে নেবে তাই প্রশাসনের কাছে মিনতি করে বলতে চাই অন্তত আগামীর বাংলাদেশের কর্নধার (যুবসমাজকে) বাচাতে চাইলে দ্রুত মাদক বিক্রেতাদেরকে আইনের আওতায় নিন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সহায়তা করুন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকেই বলেন, পুলিশের সোর্স বলেই কি নাসির এতটা বেপরোয়া,ওর এত ক্ষমতার উৎস কি শুধুই পুলিশ ? একজন ব্যক্তির জন্য আমাদের পুরো যুব সমাজটি ধ্বংসের মুখে পড়বে তা হতে পারেনা। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন,নাসিরতো পুলিশের সোর্স। পুলিশকি আমাদের কথা শুনবে নাকি ওর ( নাসির) কথা শুনবে আপনিই বলুন। আমরা পুলিশের উর্ধঃতন কর্মকর্তাদেরকে বলতে চাই আপনারা দেশ ও দেশের যুব সমাজকে বাচাঁতে যে উদ্দ্যেগ নিয়ে নিয়েছেন তা অবশ্যই মহতি উদ্দ্যেগ কিন্তু আপনাদেরকে সহযোগিতাকারী সোর্সরাই যদি মাদকের স্পট চালায় সেক্ষেত্রে মাদকের ভয়াবহতা কোন প্রকারের নির্মুল করা সম্ভব না।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের সন্তানদের মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে নাসির ওরফে কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির,তার মেয়ে সালমা,ছেলে সেলিম,রাসেলগংদের মাদকের সা¤্রাজ্য বন্ধ করতে এবং এদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেয়ার জন্য র‌্যাব-১১ ও পুলিশ সুপারের সদস্য হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» কোটালীপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান

» বিয়ে করে নতুন বউ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলো ধর্ষক পথে গ্রেফতার

» চলে গেলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক মাহফুজ উল্লাহ

» শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলা: সারাদেশে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

» নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা, সেই মনি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

» ব্রুনাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

» শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৮

» দশমিনায় হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ

» শার্শার স্কুলছাত্রী নিপা কৃত্রিম পা লাগাতে নেয়া হবে বিদেশে

» ২০ বছর আগের তুলনায় তুমি এখন আরো ‘হট’ হৃতিককে সাবেক স্ত্রী

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

x

আজ রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বেপরোয়া সোর্স নাসিরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মাসদাইরের সাধারন জনগন

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

বিশেষ প্রতিবেদক: নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন মাসদাইর বাজার ও আশপাশ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের পরমবন্ধু ও নিরীহদের জন্য আতংকের এক নাম মো.নাসির হোসেন ওরফে কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির। এক সময়ে মাসদাইর বাজারে কসাই দোকানের দিনমজুর কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির বর্তমানে পুলিশের ছত্রছায়ায় এতটাই বেপরোয়া গতিতে চলাচল করছে যে, পুলিশের সোর্স হওয়ার সুবাদে স্থানীয় সাধারন মানুষকে পুলিশী হয়রানী করা ছাড়াও তার প্রত্যক্ষ মদদে মাসদাইর বাজার সংলগ্ন রোকেয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও আশপাশে প্রকাশ্যেই মাদকের হাট বসছে রাত-দিনব্যাপী।

 

সরেজমিনে ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, ডিবি পুলিশের হাতে ক্রুসফায়ারে নিহত গলাচিপা মাসদাইর এলাকার শীর্ষ মাদক স¤্রাট বন্ধুক শাহীনের কথিত মামা পরিচয়দানকারী কসাই নাসির মুলচালিকা শক্তি হলো সে থানা ও ডিবি পুলিশের সোর্স। নাসিরের নিজ মেয়ে সালমা,দুই ছেলে সেলিম ও রাসেলকে দিয়েই বিভিন্ন স্পটে ইয়াবা সরবরাহ করে থাকে। রোকেয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ইনডেক্স হাউজিং ও শাহীন ক্যাডেট স্কুলের গলির প্রবেশ মুখ থেকে শুরু করে শেষ মাথা পর্যন্ত রিক্সা গ্যারেজগুলোতে জমজমাট ইয়াবার আসর জমায় নাসির ছেলেমেয়ে ও সহযোগিরা। ইনডেক্স হাইজংয়ের বাউন্ডারীর ভেতরে সর্বক্ষন কসাই নাসির ছোট ছেলে রাসেল,সম্বলের ছেলে পাবেল,নেপালের ছেলে চুবি,সাজাহানের ছেলে আসাদগংরা তাদের দেহের বিভিন্ন অংশে লুকিয়ে রেখে ইয়াবা বিক্রি করছে হরহামেশা।

 

ফতুল্লা মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের চিহিৃত সোর্স কসাই নাসিরের কারনে মাসদাইর ও আশপাশ এলাকাতে উল্লেখযোগ্য কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে প্রশাসনের কর্তাবাবুরা। কারন খুজে জানা যায়,সে সোর্সের কাজ করে বলে পুলিশের আগমনী বার্তাটুকু তার কাছে দ্রুত পৌছে যায় অন্য সোর্সের মাধ্যমে। পুলিশী অভিযানে মাসদাইর ও আশপাশ থেকে পুলিশ যদিও কোন আসামী ধরে থাকে সেগুলো শুধুমাত্র মাদক সেবনকারী। যদি মাঝে-মধ্যে কোন মাদক বিক্রেতাকে পুলিশ ধরে থাকে তাহলে সোর্স নাসিরের তত্তবধানে উৎকোচের বিনিময়ে ছাড়িয়ে রাখেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, ইনডেক্স হাউজিংয়ের গলির শেষ মাথায় জলিলের রিক্সার গ্যারেজসহ বাকী গ্যারেজগুলো লুডু ও প্লেইং কার্ড খেলাকে মুলত সবাইকে দেখিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক বিক্রি করছে। তারা আরো জানান,গত সপ্তাহে ডিবি পুলিশের একটি টিম কসাই নাসিরের মেয়ে সালমা ছেলে সেলিমকে ধরে নিয়ে গেলেও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে আনেন কসাই নাসির। গত রবিবার (১৯ নভেম্বর)রাতে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম সহিদ ওরফে লম্বা সহিদ,সম্বলসহ ২/৩জনকে ধরে নিয়ে গেলেও রাত পোহানোর আাগেই কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির পুলিশকে অর্থের বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে।

 

কসাই নাসির তার মাদক বিক্রি নিয়ন্ত্রনে রাখতে ৮/১০ বছর বয়সী বাচ্চাগুলোকেও মাদক বিক্রিতে মাঠে নামিয়েছে যা রীতিমত অবাক হওয়ার মত! কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির থানা পুলিশের সোর্স হওয়াতে পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় নাকি পুরো পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে এমনটাই দাবী স্থানীয় বাসিন্দাদের। পুলিশের সাথে দহরম সর্ম্পক থাকার সুবাদে তার অনুগতদেরকে পুলিশ আটক করে না। যদিও মাঝে মধ্যে ভুলবশত ধরে ফেলে তাহলে সোর্স নাসিরের সহযোগিতায় উৎকোচের বিনিময়ে দ্রুত ছাড়া পেয়ে যায়।

 

দু’পাশে দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও সেখানে কোন নজর নেই কসাই নাসিরগংদের। একদিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জন করতে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে আসছে অপর দিকে সোর্স নাসির ওরফে কসাই নাসিরের মাদকের স্পটে বিভিন্ন বয়সী ব্যক্তিরা ইয়াবা সংগ্রহ করতে আসছে যা রীতিমত প্রতিটি শিক্ষার্থীরা দু’চোখে দেখতে পারছে। যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ধাবিত করে কসাই নাসির ওরফে সোর্স মাসদাইর পতেঙ্গা এলাকাতে বিশাল ফ্লাট ভাড়া নিয়ে আয়েশী জীবন-যাপন করছেন বলে জানান অনেকে।

 

আশরাফুল নামে রোকেয়া স্কুলের ৮ম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী জানান,একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে প্রকাশ্যে কিভাবে মাদক বিক্রি হয় তা আমার বোধগম্য হয়না। আমরা স্কুলে শিক্ষা নিতে এসে এখানে যেখানে মাদকের উপদ্রব দেখি তাতে ভবিষ্যতে আমরাও সম্পৃক্ত হয়ে পড়তে পারি। তাই পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করবো যতদ্রুত সম্ভব হয় এখান থেকে যেন মাদক বিক্রি দ্রুত নির্মুলের ব্যবস্থা নেন। শাহীন ক্যাডেট স্কুলের ২য় শ্রেনীতে পড়–য়া এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমরা কোন রাজ্যে বসবাস করছি তা বলতে পারবোনা। তবে এতটুকু বলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে মাদকের ছড়াছড়ি এটা কোন সমাজে কারো কাছে কাম্য নয়।বাচ্চাকে ভর্তি করিয়ে ছিলাম কিন্তু এর আশপাশে মাদকের যে ভয়াবহতা তাতে মনে আমাদের সন্তানরা শিক্ষা গ্রহনের পাশাপাশি মাদকটিও দ্রুত গ্রহন করে নেবে তাই প্রশাসনের কাছে মিনতি করে বলতে চাই অন্তত আগামীর বাংলাদেশের কর্নধার (যুবসমাজকে) বাচাতে চাইলে দ্রুত মাদক বিক্রেতাদেরকে আইনের আওতায় নিন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সহায়তা করুন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকেই বলেন, পুলিশের সোর্স বলেই কি নাসির এতটা বেপরোয়া,ওর এত ক্ষমতার উৎস কি শুধুই পুলিশ ? একজন ব্যক্তির জন্য আমাদের পুরো যুব সমাজটি ধ্বংসের মুখে পড়বে তা হতে পারেনা। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন,নাসিরতো পুলিশের সোর্স। পুলিশকি আমাদের কথা শুনবে নাকি ওর ( নাসির) কথা শুনবে আপনিই বলুন। আমরা পুলিশের উর্ধঃতন কর্মকর্তাদেরকে বলতে চাই আপনারা দেশ ও দেশের যুব সমাজকে বাচাঁতে যে উদ্দ্যেগ নিয়ে নিয়েছেন তা অবশ্যই মহতি উদ্দ্যেগ কিন্তু আপনাদেরকে সহযোগিতাকারী সোর্সরাই যদি মাদকের স্পট চালায় সেক্ষেত্রে মাদকের ভয়াবহতা কোন প্রকারের নির্মুল করা সম্ভব না।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের সন্তানদের মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে নাসির ওরফে কসাই নাসির ওরফে সোর্স নাসির,তার মেয়ে সালমা,ছেলে সেলিম,রাসেলগংদের মাদকের সা¤্রাজ্য বন্ধ করতে এবং এদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেয়ার জন্য র‌্যাব-১১ ও পুলিশ সুপারের সদস্য হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited