কর্মসূচি পালনে অনুমতি পায়নি না’গঞ্জ মহানগর বিএনপি

কুয়াকাটা নিউজ:- প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালনের অনুমতি পাননি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি। বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু।

 

তিনি আরও বলেন, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবি সহ কারা অভ্যন্তরে আদালত স্থাপনের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালনের জন্য প্রশাসনের কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি চান। কিন্তু বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে প্রশাসন থেকে তাদেরকে অনুমতি না দেয়ায় কর্মসূচি পালন করতে পারেননি সংগঠনটি।

 

উল্লেখ্য, বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া’র মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবী সহ কারা অভ্যন্তরে আদালত স্থাপনের প্রতিবাদে বুধবার প্রতীকী অনশন কর্মসূচি ঘোষনা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।




বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম (বাবেশিকফো) এর মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

অদ্য ১২/০৯/২০১৮ তারিখ, বুধবার, সকাল ১০ ঘটিকায় বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম (বাবেশিকফো) অবিলম্বে এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণা এবং গত জানুয়ারি মাসে প্রেসক্লাবের সামনে বেসরকারি শিক্ষকদের অনশনকালিন সময়ে ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখি ভাতা প্রদানের ব্যাপারে সরকার প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাব এর ৩য় তলার কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব মো. আব্দুল খালেক।

 

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম (বাবেশিকফো) বিপর্যস্ত শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও প্রান্তিক অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর সন্তানদের শিক্ষার সমান সুযোগ সৃষ্টি ও শিক্ষকদের বঞ্চনা বৈষম্য দূরীকরণে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বিরাজমান অব্যবস্থপনা, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে আমলাদের চরম উদাসীনতা অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার কারণে শিক্ষার এই নিম্নমুখীতা। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্বপ্রথম শিক্ষকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে মর্যাদাশীল করতে হবে।

 

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ৯৭% দায়িত্ব পালন করেন বেসরকারি শিক্ষকগণ। অপরদিকে মাত্র ৩% শিক্ষার দায়িত্ব সরকারি শিক্ষকগণ বহন করেন। শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ স্তর হচ্ছে মাধ্যমিক শিক্ষা। শিক্ষার মূল কারিগর হলেন শিক্ষক সমাজ অথচ সেই শিক্ষকদের বেতন-ভাতা খুবই নগণ্য। শিক্ষকদের এই সামান্য বেতন-ভাতা দিয়ে সারা বছর তার পরিবারের ভরণপোষণ করতে হয় । তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য সত্যিকারের শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হলে সর্বপ্রথম দরকার মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং গুণগত শিক্ষক। শিক্ষকদের আকর্ষণীয় বেতন-ভাতা ও সুযোগ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে মেধাবীদের শিক্ষকতায় আকৃষ্ট করতে হবে। বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন শুধু শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির আন্দোলন নয় – এদেশের অসচ্ছল মানুষের শিক্ষার সমান অধিকারের দাবি, শিক্ষা বঞ্চিত মানুষের ভেতরের জমে থাকা ক্ষোভের আন্দোলন। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক অসচ্ছল। শিক্ষাব্যবস্থা বেসরকারি থাকায় ও শিক্ষা ব্যয় অধিক হওয়ায় আর্থিক দৈন্যতার কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের সন্তানকে শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারছেনা। ফলে সরকারি হিসেবেই প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। এই ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরাই পরবর্তী সময়ে সমাজে নানাবিধ অন্যায়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও বিপথগামী হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম বিগত ১০/০১/১৮ হতে ২৯/০১/১৮ তারিখ পর্যন্ত একনাগাড়ে ২০ দিন যাবত জাতীয় প্রেসক্লাবের রাস্তায় প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে শান্তিপূর্ণ অনশন কর্মসূচি পালন করেছে। অনশনে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাসের প্রেক্ষিতে এবং এস এস সি পরীক্ষার দায়িত্ব পালনে জন্য অনশন স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু বাজেটে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণে সুনির্দিষ্ট কোন বরাদ্দ নেই, এমনকি সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোন ঘোষণাও নেই। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়ন, ইউনেস্কো-আইএলওর সুপারিশ সমূহের বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো-২০১৮ এর বৈষম্যমূলক বিধিবিধান সংশোধন, অনশনে দেয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ও প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে জাতীয়করণের জন্য শিক্ষাখাতে বরাদ্দ রাখার জোর দাবি জানান।

 

তিনি তার বক্তব্যে আশা প্রকাশ করেন যে, মানবতার জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার সমাপনী বাজেট বক্তব্যে জাতীয়করণের লক্ষ্যে বরাদ্দ দিবেন এবং ইতোপূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করবেন। এতদসত্ত্বেও যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জননেত্রী শেখ হাসিনার বাজেট বক্তৃতায় শিক্ষকদের বঞ্চনা ও বৈষম্য নিরসনে জাতীয়করণের কোন সুস্পষ্ট ঘোষণা ও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন না করা হলে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম নিম্নরূপ কর্মসূচি পালন করবে।

 

১। আগামী ২৩/০৯/২০১৮ থেকে ২৫/০৯/২০১৮ পর্যন্ত দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে।

২। ২৭ সেপ্টেম্বর’১৮ বৃহস্পতিবার দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ সম্মেলন শেষে অবিলম্বে এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণা এবং গত জানুয়ারি মাসে প্রেসক্লাবের সামনে বেসরকারি শিক্ষকদের অনশনকালিন সময়ে ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখি ভাতা প্রদানের ব্যাপারে সরকার প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে বেসরকারি শিক্ষকদের অংশগ্রহনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধনে প্রায় সহ¯্রাধিক বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারি অংশগ্রহণ করেন। উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরামের সভাপতি মো. সাইদুল হাসান সেলিম, মহাসচিব মো. আব্দুল খালেক, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি বিপ্লব কান্তি দাস, হারুন অর রশিদ, মো. মোদাচ্ছির আলম, যুগ্ম মহাসচিব জনাব আব্দুল জব্বার, জনাব জি এম শাওন, আব্দুল হালিম, অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব এনামুল ইসলাম মাসুদ সহ কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন জেলা হতে আগত নেতৃবৃন্দ।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি এবিএম রেজাউল হক, যুগ্ম মহাসচিব মো. দেলোয়ার হোসেন খোকন, মো. রেহান উদ্দিন, সৈয়দ শওকতুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান দুলাল, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেলী পারভীন, জহিরুর ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান, মো. নুরুল ইসলাম, মো. শাহজাহান আলম, জ্যোতিষ মজুমদার, এম এ মতিন, মোহাম্মদ গোলাম সাদেক, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান, মোঃ জামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ গোলাম সাদেক, মো. বাসেদ আলী, মো. আব্দুল মতিন, মো. মামুনুর রশিদ, মোহাম্মদ আব্দুল হালিম, এ বি এম মান্নান, আফরোজা খাতুন এবং ঢাকা মহানগরের এবং ঢাকার পাশ্ববর্তী জেলাসমূহের নেতা-কর্মীগণ ।




শার্শায় চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত-২

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: শার্শার ডিহি ইউনিয়ন পৃথক ঘটনায় সন্ত্রাসী মেম্বার সালামকে চাঁদা না দেওয়ায় তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় গুরুতর রক্তাক্ত আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে কামাল হোসেন ও জামাল হোসেন নামে দুই সহোদর, এবং চেয়ারম্যান হোসেন আলী বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে নবীজ উদ্দিন নামে এক ব্যাক্তিকে। গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথক ভাবে শার্শার ডিহি ইউনিয়নে দুটি ঘটনা ঘটে। আহত কামাল ও জামাল শার্শা থানার গোপিনাথপুর বটতলা গ্রামের হাবুল বেপারির ছেলে। এবং নবীছ উদ্দিন পাকশি গ্রামের সুলতান খার ছেলে।

 

নাভারন বুরুজবাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন কামাল ও জামাল হোসেন দুই ভাই জানায় তার বোন তহুরন নেছার জন্য একই গ্রামের আব্বাছের নিকট থেকে ১১ শতক জমি ক্রয় করা হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী মেম্বার জমির মালিক আব্বাছকে জমি লিখে দিতে নিশেধ করে আমাদের বলে হয় ওখান থেকে আমাকে ৪ শতক জমি নয় ১ লাখ টাকা দিতে হবে। আমরা এ টাকা ও জমি দিতে রাজী না হওয়ায় সালাম মেম্বার নিজে ও তার বাহিনীর আকরাম, বাদশা, ছলেমান. সামারুলকে নিয়ে আমাদের উপর অস্ত্র পাতি নিয়ে হামলা চালায়। নিরীহ কামাল ও জামাল বলেন, চোরাচালানি সালাম এভাবে এলাকায় নিরীহ জনগনের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে। তিনি আরো অভিযোগ বলেন আমরা এমপি আফিল সাহেবের লোক তোরা বেনাপোল মেয়রের দল করিস। তোদের নির্বাচনের পর গ্রামে রাখব কিনা তা ভাবছি।

 

অপরদিকে পাকশি গ্রামের নবীছ উদ্দিন বলেন মাঠে খেলা করার সময় একটি ক্রিকেট বল চেয়ারম্যান হোসেনের ভাইয়ের দোকানে পড়লে চেয়ারম্যান ডেকে তার ভাস্তে রনিকে মারপিট করে। এ ঘটনায় সে তার ভাতিজাকে মারার প্রতিবাদ করলে হোসেন চেয়ারম্যান তাকে আটকিয়ে বেধড়ক মারপিট করে সারা শরীর রক্তাক্ত করে দেয়। এলাকায় হোসেন চেয়াম্যান ও তার মেম্বারদের দাপটে সাধারন মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে হোসেন চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ হলে তিনি বলেন আমি তাকে কোন মারধর করিনি। ঘটনার ১ ঘন্টা পর আমি ঘটনাস্থলে যাই। শার্শা থানার ওসি এম মশিউর রহমান বলেন এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ তিনি পান নাই। অভিযোগ পেলে অবশ্যাই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বেনাপোলে র‌্যাব-৬ এর অভিযানে গাজা সহ আটক ১

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোর র‌্যাব ৬ ক্যাম্পের সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে সীমান্তে বারোপোতা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাজাসহ হজরত আলী নামে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে। যশোর র‌্যাব জানান,গোপন সংবাদে জানতে পারি বেনাপোল পোর্ট থানাধীন উত্তর বারোপোতা মোঃ হজরত আলী (৫৫), সাং- উত্তর বারপোতা,থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোর এর বাড়ির সামনে কতিপয় ব্যক্তি মাদক দ্রব্য কেনা-বেচা করিতেছে।

 

ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গত ইং ১১/০৯/২০১৮ তারিখ রাতে হাজির হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী মোঃ হজরত আলী (৫৫), পিতাঃ মৃতঃ- আওলাদ হোসেন, সাং- উত্তর বারপোতা, থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোর’কে হাতে নাতে ধৃত করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীর দেখানো মতে তাহার নিজ ঘরের বারান্দার ভিতরে হইতে নিজ হাতে বাহির করিয়া দেওয়া মতে ০১(এক)টি সাদা পলিথিন প্যাকেটের মধ্যে রক্ষিত গাঁজা, যাহার ওজন পলিথিনসহ ০১(এক) কেজি উদ্ধার করে।

 

ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তাহার উপরোক্ত নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে এবং মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। আসামী দীর্ঘ দিন যাবত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়া মাদক গাঁজা নিজ হেফাজতে রাখিয়া ক্রয়-বিক্রয় করিয়া আসিতেছে। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মাদক মামলা দিয়ে সোপর্দ করা হয়েছে।




ফতুল্লায় ১১শ ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার -১০

নিজস্ব সংবাদদাতা : ফতুল্লা মডেল থানার তিন সিভিল টীমের পুলিশ গত ২৪ ঘন্টায় মাদকের বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১শ ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১০জন মাদক বিক্রেতা ও সেবন কারীকে গ্রেপ্তার করেছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা মডেল থানার এস.আই কাজী এনামুল হক গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে ফতুল্লার গাবতলী এলাকা থেকে ৩ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: ঐ এলাকার হাসান আলীর ছেলে রকি (২৮),মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসেন সাহেদ (৩০),জুট সন্ত্রাসী স¤্রাট (২৭), তাইর আরেক ভাই সুমন (২৫)।

 

এস.আই শাফিউল আলম খান ও তার সংগীয় ফোর্স গত গত ১১ সেপেপ্টম্বর রাতে অভিযান চালিয়ে ২শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দাপাইদ্রাকপুর এলাকা তেকে মো. সোবাহান মিয়ার ছেলে ফারুক (৩৪) কে গ্রেপ্তার করেছে। একই টীম গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় পাগলা শাহী মহল্লা এলাকা থেকে ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মনির হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন (৩০) কে গ্রেপ্তার করেছে।

 

থানার আরেক টীম এস.আই কামরুল হাসান গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: পূর্ব দেলপাড়া এলাকার আ.কাইয়ুমের ছেলে জুম্মান (২৮), জুয়েলের ছেলে তারেক (২০), শহিদুল ইসলামের ছেলে মিলন (৩০), মনিরুল ইসলামের ছেলে পারভেজ (২৫)।

 

এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।




ফতুল্লায় ইস্ট এশিয়ান কক্স (প্রা:) লিমিটেডে ভয়াভহ অগ্নিকান্ড আহত -৩

এ.আর.কুতুবে আলম :- নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পোষ্ট অফিস সড়ক ইস্ট এশিয়ান কক্স (প্রা:) লিমিটেডে ভয়াভহ অগ্নি কান্ড ঘটেছে, গতকাল সকাল ৮টায়। প্রায় আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পরে ফায়ার সাভির্সেসের ১০ টি ইউনিটে আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছে। তবে আগুন লাগার সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানাতে পারেনি মালিক পক্ষ ও ফায়ার সাভির্স ইউনিটের কর্মকর্তারা। এই অগ্নিকান্ডের আগুন নিভাতে গিয়ে কেমিক্যালের গ্যাসে এক শ্রমিক ও তিন ফায়ার সাভির্সের সদস্য গুরুতর ভাবে অসুস্থ্য হয়। আহতরা হলো, ইলেক্ট্রনিক্স মিস্ত্রি মো. মেহেদী , ফায়ার সাভির্স সদস্য মামুনুর রশিদ, শামীম, মাহমুদ।

 

এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা থানাধীন পোষ্ট অফিস সড়ক এলাকায় ইস্ট এশিয়ান কক্স প্রা.লি. এর প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. মোয়াজেম হোসেন । তার এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন যাবৎ পরিচালিত হয়ে আসছে। এখানে প্রায় ৫শ শতাধিক শ্রমিক কাজ করে। এই প্রতিষ্ঠানে গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নাইট শীফট ডিইটি শেষে হয় । অত:পর ডে শীফট ডিউটি শুরু হওয়ার পূর্বে ঐ প্রতিষ্ঠানের গোডাউনে আগুন জ্বলতে দেখেন ্প্রতিষ্ঠানের ইলেক্ট্রনিক্স মিস্ত্রি মো. মেহেদী । এরপর সে সেখানে প্রবেশ করলে কেমিক্যালের গ্যাসে সে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তাকে বেবর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর আশেপাশের প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকএবং ঐ প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা প্রাথমিক ভাবে আগুন নিভানোর জন্য বিভিন্ন উপায় পানি মারে ঐ জ্বলন্ত আগুনে। এরপর নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে ফায়ার সাভির্সেসের মোট ১০ টি ইউনিট এসে আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পড়ে আগুন নিভাতে সক্ষম হয়। মালিক পক্ষের প্রশাসনিক এ্যাডমিন মামুনুর রহমান এবং ফায়ার সাভির্সের সহ কারী পরিচালক দেবাষীশ জানান, এই গোডাউনে কেমিক্যাল, সুতা টায়ার টিউব সহ বিভিন্ন প্রকার মালামাল ছিলো। এখানে দামী কিছু মেশিনও ছিলো তা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসময় শিবু মার্কেট টু পোষ্ট অফিস সড়কটিতে বিভিন্ন প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিলো । এ সময় এই প্রতিষ্ঠানের আশেপাশের মানুষ আগুনের আতঙ্কে বিভিন্ন বাড়ির ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালারা নিরাপদ স্থানে চলে যায়। তাবে এই অগ্নিকান্ডে সূত্রপাতের কারন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।




গায়িকাও ছিলেন নায়িকা অঞ্জু ঘোষ

ঢাকাই সিনেমায় ইতিহাস সৃষ্টি করা নায়িকা অঞ্জু ঘোষ। ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন দুই বাংলাতে। অনেকদিন ধরেই তিনি চলচ্চিত্র থেকে দূরে৷ বর্তমানে থাকছেন কলকাতায়। দীর্ঘ ২২ বছর পর সম্প্রতি এসেছিলেন মাতৃভূমি বাংলাদেশে। তাকে কাছে পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত ছিল চলচ্চিত্রের মানুষরা৷ এদিকে গানের নন্দিত মানুষ হাসান মতিউর রহমান জানালেন, নায়িকা অঞ্জু গায়িকাও ছিলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশও হয়েছিল তার গানের একক এলবাম।

 

১৯৯০ সালে ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময়ে প্রকাশ হয়েছিল তার কণ্ঠের ১২ গানের এলবাম ‘মালিক ছাড়া চিঠি’। বেশ জনপ্রিয় সেই গানগুলো। এমনই তথ্য দিলেন জনপ্রিয় গীতিকার হাসান মতিউর রহমান। মঙ্গলবার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি সেই এলবামের বিস্তারিত জানালেন। তিনি লেখেন, ‘এই সেই অঞ্জু ঘোষ। সবার প্রিয় নায়িকা এবং গায়িকা। জন্ম ফরিদপুরে। বড় হয়েছেন চট্টগ্রামে। প্রথমে যাত্রাপালায়। পরে বড় পর্দায়। ২২ বছর পর আবার এসেছেন নিজের দেশে। ম্যাডামের সাথে আমার কাজের অনেক স্মৃতি।

 

‘বেদের মেয়ে জোসনা’ সুপারহিট হবার পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। ৯০ সালের কথা। বাসার টিঅ্যান্ডটি নম্বরে ফোন। ধরতেই অপর প্রান্ত থেকে বললেন ‘অঞ্জু কথাচিত্র’ থেকে বলছি। আমাদের ম্যাডাম আপনার সাথে একটু কথা বলবেন। সব শুনে বললাম কাল কাকরাইলের অফিসে ১১টায় আসবো। পরদিন সময় মতোই গেলাম। দেখি ম্যাডাম টেবিলে হরেক রকম খাবার সাজিয়ে অপেক্ষা করছেন। ঢুকলাম। ভয়ে ভয়ে। সামনাসামনি এই প্রথম দেখা। দেখেই বললেন, আমাকে কিছু গান লিখে দিতে হবে। আমি গাইবো। শুটিং থেকে ফেরার সময় সেদিন আরিচা ঘাটে শুনি এক মুদি দোকানে একটা গান বাজছে। খবর নিয়ে জানলাম শিল্পী আশরাফ উদাসের ‘হারানো প্রেম’- গান লিখেছেন আপনি ।

 

অনেক ভালো লেগেছে আমার। এই রকম কিছু গান লিখে দিন। লিখবেন আমার উত্তরার বাসায় বসে। দুইটা গাড়ি। একটা আপনার জন্য। যতদিন গান লেখা-রেকর্ডিং শেষ না হয় ততদিন ড্রাইভার আপনার পিছে আঠার মতো লেগে থাকবে। রাজি হলাম। সুর করার জন্য সাথে নিলাম আশরাফ উদাসকে। ছুটির দিনে আশরাফ প্র্যাকটিস করায়। ভালো সম্মানী দেয়। মাঝেমধ্যে যাই। গান লিখি চলে আসি। তার বাসায় যখন তখন ফিল্মের পার্টি আসে। উনাদেরও সময় দেন। আমাকে ম্যাডামের বেডরুমে বিশ্রাম নিতে বলে যান। ওই এক রুমেই শুধু এসি বেডরুমের দেয়ালে খাজা বাবার দরবারের বিরাট ছবি।

 

ম্যাডাম আজমির শরিফের ভক্ত। যতবার রুমে ঢোকেন ততবার মুখে এবং কপালে হাত ছুঁইয়ে বাবাকে সম্মান দেখান। গান লেখা শেষ। মিউজিক করার দায়িত্ব দিলেন ফরিদ আহমেদ ভাইকে। স্টুডিও নিলাম বেইলি রোডের পান্না ভাইয়ের অডিও আর্টে। বাজালেন মানাম ভাই, লিটন ডি কস্টা, মরহুম বারি সিদ্দিকী, মনিরুজ্জামান ভাই। গিটার সেলিম হায়দার ভাই। তবলায় মিলনদা।তিনি আরও লেখেন, রাত ৩টায় শুরু করতাম ভয়েস নেয়া। দিনে ম্যাডাম শুটিং করতেন। একে একে হয়ে গেল ১২ গান। অনেক কাজের মাঝেও কী করে যে গাইলেন! দম ছোট তাই প্রতিটি শব্দ আলাদা করে গাইতে হলো।

 

আমি অবাক হয়ে গেলাম। একদিন আসাদ গেটের মিডনাইট সান রেস্টুরেন্টে মহাআড়ম্বরে হলো ক্যাসেটের মোড়ক উম্মোচন। বসেছিল চলচ্চিত্র অঙ্গনের মিলনমেলা। কে আসেনি ম্যাডামের দাওয়াতে! পরদিন বাজারে এলো আমার ‘চেনাসুর’ থেকে অঞ্জু ঘোষের নিজ কণ্ঠে গাওয়া একটি পূর্ণাঙ্গ গানের এলবাম ‘মালিক ছাড়া চিঠি’৷ এলবামের একটা গান ছিল ‘এইটে আমি ফার্স্ট হইয়া নাইনে উঠছি মাত্র/বইয়ের ভাঁজে হঠাৎ একদিন পাইলাম প্রেমপত্র। -আওয়ার নিউজ




রক্তচোষা শ্রমিক নেতার ভুমিকায় সেলিমগং

কুয়াকাটা নিউজ:- নারায়ণগঞ্জে দাবী আদায়কে পুঁজি করে গামেন্টর্স শ্রমিকের কাছ থেকে নামে-বেনামে রক্তচোষার মতো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে নামধারী শ্রমিক নেতারা।

 

বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে আদমজী ইপিজেডের বেকা নামক একটি রপ্তানীমুখী প্রতিষ্ঠান কর্মরত প্রায় ৪শ’ শ্রমিকের কাছ থেকে জনপ্রতি ১শ’ টাকা করে চাঁদা নেয় আন্দোলনের নামে কথিত শ্রমিক নেতা সেলিম মাহমুদ,জাহাঙ্গীর হোসেন গোলক ও আবু নাঈম ইকবালরা। একদিকে মালিক পক্ষ অন্য দিকে শ্রমিক নেতাদের ঠেলাঠেলিতে অসহায় হয়ে পড়েছে গামেন্টর্স শ্রমিকরা। যার ফলে অসহায়,অমানবিক জীবন যাপন করছে তারা।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক করে একাধীক শ্রমিক বলেন, আমাদের কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে চাঁদা নেয় আন্দোলনের নামে। যদি ১শ’ টাকা করে না দেই তাহলে আমাদের আপদে-বিপদে আসবে না বলে জানান শ্রমিক নেতা সেলিম। আমরা কাজ করি সংসার চালানোর জন্য,কত টাকা বেতন পাই। আবার তাদের আন্দোলন করার জন্য টাকা দিতে হয়। একদিকে মালিকদের অত্যাচার অপর দিকে শ্রমিক নেতা।

 

আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে চাঁদা নিয়েছেন এ বিষয় জানতে চাইলে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, তাদের দাবী আদায়ের জন্য আন্দোলন করবো আমরা, টাকা তো তারাই দিবে। টাকা কি আমরা দিবো। ১শ’ টাকা করে নেয়া হয়েছে কথাটি মিথ্যা,তাদের কাছ থেকে কার্ড বাবদ ১শ’ টাকা করে নেয়া হয়েছে সদস্য হিসেবে। তিনি আরও বলেন,মাথাপ্রতি যে ১০০ টাকা করে নিচ্ছি তা শ্রমিকদের সদস্যপদ লাভের জন্য। আপনাদের সংগঠনে সদস্য সংখ্যা কত,জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমাদের সদস্য সংখ্যা ১০/১২ হাজারের মত। আপনি আন্দোলনের নামেই টাকা নিয়েছেন আমাদের কাছে ভিডিও ফুটেজ ও ভয়েস রেকডিং আছে এ বিষয় জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। এর আগেও বিকেএমইএ থেকে শ্রমিকরা টাকা উত্তোলনের পর তাদের কাছ মাথাপ্রতি ৫০০ টাকা করে নিয়েছেন এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সেলিম বলেন,এত বেশী কথা আপনাদের কাছে বলতে পারবো যদি আপনাদের বেশী প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের অফিসে আসুন সেখানে আমাদের আরো নেতারা আছে তাদের কাছ থেকে বিন্তারিত জেনে নিবেন বলেই শহীদ মিনার থেকে দ্রুত সটকে যান।




চরমপন্থিদের পোস্ট না সরালে গুগল, ফেসবুক ও টুইটারকে জরিমানা

চরমপন্থিদের বিভিন্ন পোস্ট এক ঘণ্টা সময়সীমার মধ্যে না সরালে গুগল, ফেসবুক ও টুইটারকে বিশাল অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে বলে বুধবার জানিয়েছেন ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বাৎসরিক ভাষণে জাঁ-ক্লদ ইয়াঙ্কার বলেন, এক ঘণ্টা ‘সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো একটা সময়সীমা।

 

উগ্রপন্থিদের বিভিন্ন পোস্ট সরিয়ে ফেলার জন্য ইন্টারনেটের বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্চ মাস থেকে তিন মাসের সময়সীমা দেয়া হয়। কিন্তু এরপরও খুব সামান্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করছেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রেগুলেটররা।কর্তৃপক্ষ কোনো কনটেন্ট বা পোস্টকে উস্কানিমূলক এবং চরমপন্থা অলম্বনে উৎসাহ দিচ্ছে বলে চিহ্নিত করলে করলে সেটা অবশ্যই ওয়েব থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে বলেন ইয়াঙ্কার।

 

যেসব নেট ফার্ম এই নিয়ম মানতে পারবেন না তাদেরকে বিশাল অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে। এই জরিমানার পরিমাণ এসব প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক আয়ের চার শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট ও ইইউয়ের সদস্যদেশগুলোর সমর্থন প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে ইন্টারনেট প্লাটফর্মগুলোকে পোস্ট নিয়ন্ত্রণের নতুন ব্যবস্থা করতে হবে।-পরিবর্তন




আলীরটেকে ডাকাতি আহত-১৬ ,নগদ টাকাসহ দেড় লাখ টাকার মালামাল লুট

কুয়াকাটা নিউজ:- নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের ক্রোকেরচরে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদের হামলায় ১৬ জন আহত হয়েছে। আহতরা সবাই ইট ভাটা ও ট্রলার শ্রমিক।

 

বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টা হতে ১ টা পর্যন্ত ডাকাতি সংঘটিত হয়।

 

এলাকাবাসী জানান ডাকাত দল ক্রোকেরচর এলাকার জিবিসি ব্রীক এন্ড কোম্পানী ও ইট ভর্তি ট্রলারে হামলা চালিয়ে ২৩ টি মোবাইল ফোন,নগদ ৫০ হাজার টাকা,২ টি ট্রেপাল ও কাপড় চোপড় নিয়ে যায়।

 

বাধাঁ দিতে গেলে ইট ভর্তি ট্রলার শ্রমিক আব্দুল্লাহ জাফর আলী,সাইদুল,লেবার সরদার কামাল,শাহীন, নুরা,আতিক,মঞ্জুসহ ১৬জন কে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এর মধ্যে নুরাসহ ২ জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়। ডাকাত দল শ্রমিকদের ১৬ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

 

এর আগে দুলাল মিয়ার ইটভাটায় ডাকাত দল প্রথম হানা দিয়ে ইটভাটার শ্রমিক মান্নান মিয়াকে মারধর করে ৩০/৩৫ হাজার টাকা ও ৭ টি মোবাইল ফোন ডাকাতি করে নিয়ে যায়।

 

ডাকাতদের হামলায় আহত মঞ্জু,জাফর আলী,কামাল জানান,আমরা ট্রলারে ইট বোঝাই করে ঘুমিয়ে পড়ি। ভোর হলে ট্রলার ছেড়ে যাব। রাতে সাড়ে ১২ টায় ২ ইঞ্জিন বিশিষ্ট ট্রলার যোগে ১৫/২০ জন ডাকাত অর্তকিত ভাবে হামলা চালায়। নগদ টাকা ও ১৬ টি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। আমাদের পিটিয়ে জখম করে। নুরা সহ ২ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

বুড়িগংঙ্গা নদীর গোপচর মোড়ে প্রায় ডাকাতি ঘটনা ঘটে। ডাকাত দল ডাকাতি করে নির্বিগ্নে চলে গেলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়না বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

 

স্থানীয় ইউপি মেম্বার রওশন আলী বলেন,ডাকাতির কথা শুনেছি। আমি ঢাকায় যাচ্ছি,পরে কথা বলবো।

 

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মুঠোঁফোনে ডাকাতির কথা শুনেননি প্রথমে বললেও পরে বলেন এটা মুন্সিগঞ্জের সীমানায় পড়েছে।