মহিপুর বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

কুয়াকাটা: পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার থানা মহিপুর বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)’র ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মহিপুর থানা কমিটির উদ্যোগে রোববার সকাল ১০টার দিকে মহিপুর এস আর ও এস বি এস লিঃ অফিস থেকে এক বর্নাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়েছে। র‌্যালীটি মহিপুর থানা শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে যথা স্থানে এসে শেষ হয়।

 

পরে এ লক্ষ্যে সমিতির কার্যালয় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম মহিপুর থানা শাখার সভাপতি এ এম মিজানুর রহমান বুলেট। প্রধান অতিথি ছিলেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আঃ করিম।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পরিদর্শক মোঃ মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, মহিপুর থানার উপ পরিদর্শক মোঃ হাফিজুর রহমান, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব সভাপতি নাসির উদ্দিন বিপ্লব, সাবেক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুয়ার, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু, মহিপুর এস আর ও এস বি এস লিঃ’র সভাপিত শাহী সরোয়ার প্রমুখ।

 

সভা শেষে কেক কেটে ৫বছর পূর্তির শুভ সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম মহিপুর থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন।




আজ ১৬ জুলাই বাঙালি’র ইতিহাসে আরেক কলংকিত দিন : যুবলীগ চেয়ারম্যান

আজ ১৬/০৭/২০১৭ইং রোজ রবিবার বিকাল ৪.০০ টায় রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার গ্রেফতার দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও যুবলীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম যুবলীগ চেয়ারম্যানকে সব্যসাচী রাজনীতিবীদ আখ্যায়িত করে যুবলীগের কর্মকান্ডের প্রশাংসা করেন।

 

তিনি আরও বলেন-রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে সেদিন অবৈধভাবে গ্রেফতার করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথ বন্ধ করতে চেয়েছিল তৎকালীন ইয়াজউদ্দিন-ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিন সরকার। কিন্তু সেদিন তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনের মুখে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন-বাংলাদেশের মানুষ এখন আর খালি পেটে, খালি গায়ে থাকে না। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১৩ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। আগামী নির্বাচনে যুবলীগ নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করার আহ্বান। তিনি আরও বলেন- আমরা ব্যক্তিগত ভাবে কি পেলাম-কি পেলাম না সেটা বড় কথা নয়। আগামী নির্বাচনে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বি-নির্মাণের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান।

 

সভাপতির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন- ১৬ জুলাই বাঙালি’র ইতিহাসে আরেক কলংকিত দিন। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তার সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায়। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা বলেছেন বাংলাদেশকে যখন আমি দরিদ্রমুক্ত, ক্ষুদামুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পরব, সম্ভাবত তখন’ই আমি বলতে পারব, আমি গর্বিত। তিনি আরও বলেন- আজ থেকে ঠিক বছর দশেক আগের সেই দিনটিকে কলঙ্কিত করার দুঃসাহস দেখিয়ে তারা কেবল দেশে অশান্তির আগুনই জ্বালিয়ে ছিল না, সেই সঙ্গে নিজেদের পতনের সুড়ঙ্গও প্রশস্ত করে ফেলেছিল। তিনি বলেন- এদের মদদ দিয়েছিল- সুশীল সমাজ, যারা তাদের দীর্ঘদিনের লালিত জিঘাংসা চরিতার্থ করতে মাইনাস টু ফর্মুলা দিয়ে ড. ইউসুস বা তৃতীয় শক্তিকে ক্ষমতায় বসিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল।

 

যার জন্য দেশে অশান্তি বিরাজ করছিল-সেই মেডাম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছিল-শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের দুই মাস পর এবং বেগম খালেদা জিয়া সৌদি আরব চলে যেতে সম্মত হয়েছিল চিরতরে। তিনি আরও বলেন- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত রিচার্ড ও ব্রিয়েনের লেখা উইমেন প্রেসিডেন্টস অ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার্স নামের বইটির প্রচ্ছদে উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ছবি। বইটিতে তুলে ধরা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তাঁর সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায়। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা বলেছেন- বাংলাদেশকে যখন আমি দারিদ্রমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব, সম্ভাবত তখন’ই আমি বলতে পারব, আমি গর্বিত। তিনি আরও বলেন- রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নায়, সারা বিশ্বের মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। তাই তো জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান বলেছেন- শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্ব মানবতার জন্য অনন্য এবং প্রয়োজনীয়। তিনি বিশ্ব মানবতার কণ্ঠসর।

 

আরও বক্তব্য রাখেন, যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য সহিদ সেরনিয়াবাত, মজিবুর রহমান চৌধুরী, মোঃ ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরন, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, মোঃ আতাউর রহমান, এডভোকেট বেলাল হোসাইন, অধ্যাপক এবিএম আমজাদ হোসেন, মো. আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম শাহীন, সুব্রত পাল, সম্পাদক মন্ডলির সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার, মোহাম্মদ ইসলাম, শ্যমল কুমার রায়, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাঈনুল হোসেন খান নিখিল, সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দক্ষিন যুবলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইনউদ্দিন রানা,  ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন স্বপন, আনোয়ার ইকবাল সান্টু, নাজমুল হোসেন টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল, সারোয়ার হোসেন বাবু, মাকসুদুর রহমান, কাজী ইব্রাহিম খলিল মারুফ, দফতর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান যুগ্ম-তাসভীরুল হক অনু, সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক বিশ্বাস, শাহাদাত হোসেন সেলিম, সেলিম মৃধা প্রমুখ।

 

আলোচনা সভায় সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুজ্জামান বাবুল এর মৃত্যুতে যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।




আলোকিত বন্ধুফোরামের বরগুনায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

বরগুনা: মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুন্দর সমাজ ও দেশ গড়ার প্রত্যয় আলোকিত বন্ধু ফোরাম গঠনের লক্ষ্যে রবিবার সকাল ১০ টায় বরগুনায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

দীপ্ত টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহ্ আলীর আয়োজনে এসভায় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক দিনকাল ও দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ ইফতেখার শাহীন, দৈনিক আমাদের কন্ঠ ও মিলেনিয়াম টিভির জেলা প্রতিনিধি মোঃ আসাদুজ্জামান, জাতিয় মানবধিকার সংস্থা (ইডাফ) এর সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন শুভ, সমকালনিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম এর সহ-নির্বাহী সম্পাদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মেহেদী, মোঃ জুয়েল সিকদার, মোঃ শাহীন, মোঃ হৃদয়, মোঃ ইলিয়াস হোসেন, মোঃ আবু ছালেহ, মোঃ শাওন, মোঃ জহির রায়হান, মোঃ রাজু হাওলাদার ও মোঃ সোহাগ হাফিজসহ আরো অনেকে।

 

এ সময় তারা বলেন, আমরা এ দেশের দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের পাশে থেকে স্বেচ্ছা-শ্রমে সব সময় কাজ করে যাবো। এমনকি মাদক, জঙ্গিবাদ, বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো।




লন্ডনে খালেদা জিয়া, স্বাগত জানালেন বিপুল নেতাকর্মী

চিকিৎসা নিতে লন্ডন পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। সেখানে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ার‌ম্যান তারেক রহমানসহ বিপুল পরিমান  নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানান। রোববার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে খালেদা জিয়া লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

পরে তারেক রহমান নিজে গাড়ি চালিয়ে মা খালেদা জিয়াকে নিয়ে কিংসটন এলাকায় বাসার উদ্দেশে রওনা হন। বাসায় যাওয়ার আগে টার্মিনালে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন খালেদা জিয়া। এসময় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, বিএনপি নেতা এম.এ. সালাম, যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি এম.এ. মালেক, সেক্রেটারি কয়সার এম. আহমেদ, জনাব আব্দুল হামিদ চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, শাহীদুল ইসলাম মামুন, মিজবাহুজ্জামান সুহেল, খায়রুজ্জামান খসরু, রহিম উদ্দীন, ডালিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় এমিরেটাস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের পথে হযরত শাহজালাল (র.) বিমানবন্দর থেকে রওনা হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর এলাকায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী দলীয় প্রধানকে বিদায় জানান। খালেদা জিয়াকে বিদায় জানাতে বিকাল থেকে বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। এতে টার্মিনালে  যেতে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধার মুখে পড়েন। খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে লন্ডন গেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার ও গৃহকর্মী ফাতেমা আখতার।

 

এছাড়া শুক্রবার দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঢাকা থেকে এবং ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ব্যাংকক থেকে লন্ডন গেছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকারও লন্ডনে যাওয়ার কথা রয়েছে। রাত সোয়া ৭টায় ভিআইপি গেট দিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন খালেদা জিয়া। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদায় জানান।

 

ভিআইপি টার্মিনালের বাইরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার  মোশাররফ  হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সিনিয়র নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, মীর মোহাম্মদ নাছির, আবদুল মান্নান, আবদুস সালাম, শামসুজ্জামান দুদু, আমানউল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, কবির মুরাদ, রুহুল কবির রিজভী, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সানাউল্লাহ মিয়া, নাজিমউদ্দিন আলম, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তাইফুল ইসলাম টিপু, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, শাম্মী আখতার, কাজী আবুল বাশার প্রমুখ নেতা দলের প্রধানকে বিদায় জানান। বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নেতাকর্মীদের আটকিয়ে দেয় পুলিশ। খিলক্ষেতের হোটেল লা ম্যারিডিয়ান থেকে শুরু করে বিমানবন্দরের প্রবেশপথ পর্যন্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী খালেদা জিয়াকে হাত নেড়ে বিদায় জানান। বনানী থেকে নেতাকর্মীদের ভিড় ডিঙিয়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর এগিয়ে নিতে নিরাপত্তা কর্মীদের প্রচণ্ড বেগ পেতে হয়।

 

খালেদা জিয়াকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দর এলাকায় আরও উপস্থিত হন বিএনপি নেতা খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মাহবুবুল হাসান ভূঁইয়া পিঙ্কু, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, ইয়াসীন আলী, রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান, মুন্সি বজলুল বাছিদ আনজু, আহসানউল­াহ হাসান, আক্তার হোসেন। এছাড়া আতিকুল ইসলাম মতিন, জয়নাল আবেদীন রতন চেয়ারম্যান, কাজী হযরত আলী, একেএম মোয়াজ্জেম হোসেন, মাসুদ খান, নবী সোলায়মান, রবিউল আউয়াল, আনম সাইফুল ইসলাম, আলী রেজাউল রহমান রিপন, এজিএম সামসুল হক, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, খতিবুর রহমান খোকন, সোহেল রহমান, রফিকুল ইসলাম রাসেল শাহদত চৌধুরীসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী।




রামপালের কয়লা পরিবহনের জন্য ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি সই

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট অফিস:  বাগেরহাটেশিগগিরই দৃশ্যমান হচ্ছে কয়লা ভিত্তিক রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প। এ লক্ষ্যে  ওই প্রকল্পে কয়লা পরিবহনের জন্য নৌপথ সচল রাখতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা ১১ টায় মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে দু’দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়। চুক্তি হওয়া এ ড্রেজিং প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১’শ ১৯ কোটি টাকা। মংলা বন্দর জেটি থেকে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার এ নৌপথটি ভারতের “ড্রেজিং কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড” নামে প্রতিষ্ঠানটি এ কাজ করবেন বলে জানা গেছে।

 

ড্রেজিং চুক্তিতে ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সে দেশের ডেপুটি হাই কমিশনার দিবাঞ্জন রায় ও ভারতের ড্রেজিং কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শ্রী রাজেস ত্রিপথি। ওদিকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান, প্রকল্প কর্মকর্তা শওকত আলীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে তারা মংলা বন্দর জেটি থেকে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটারের নৌপথ ড্রেজিংয়ের যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

 

পরে সাংবাদিকদের বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার দিবাঞ্জন রায় বলেন, তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পটির জন্য কয়লা পরিবহন অত্যান্ত জরুরী। সে ক্ষেত্রে নৌপথটি সচল রাখতে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, এই ড্রেজিং কার্যক্রমে তাদের প্রতিষ্ঠান “ড্রেজিং কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড” ভাল কাজ করবেন। এই প্রজেক্টের কাজ শেষ হলেই বাংলাদেশে ভারত আরো বিনিয়োগ করবে বলেও তিনি জানান।

 

মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান বলেন, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পে কয়লা পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি সচল রাখতে তারা এই উদ্যোগ নেন। এ নৌপথটি সচল হলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা পরিবহনসহ বন্দরে বড় বড় জাহাজেরও আগমন হবে এবং বন্দরের আয়ও বাড়বে। তিনি বলেন, আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি হলো। আগামী মাসে এই ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এ কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

 

উল্লেখ্য এর আগে গত ২০১০ সালে ভারতের সাথে রামপালে ১৩’শ ২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের চুক্তি হয়। সেখানে অবকাঠামোসহ অনেক গুরুত্ব পূর্ণ স্থাপনার কাজ প্রায় শেষের পথে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।




বাগেরহাটে প্রবর্তনের বলিষ্ট ভূমিকায় অর্ধশতাধিক বেকার আজ স্বাবলম্বী

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট অফিস: বাগেরহাটের ফকিরহাটে প্রর্বতন সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড এর বলিষ্ঠ ভূমিকার করনে অর্ধশতাধিক বেকার যুবক তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। নতুন নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহন ও তা বাস্তাবায়ন করার ফলে বেকার নামক যন্ত্রনা হতে অনেকে মুক্তি পেয়ে আলোকিত জীবন গড়তে সক্ষম হয়েছেন।

 

প্রতিটি সমিতি যদি সমাজের উন্নয়নে এই ধরনের মহতী উদ্যোগ গ্রহন করতেন তাহলে বেকার সমস্যা অনেকাংশে দুর করা সম্ভাব হতো। জানা গেছে, উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়নে গুটি কয়েক বেকার যুবক সমবায় অধিদপ্তর হতে একটি অনুমতি নিয়ে ভাংগনপাড় বাজারে প্রর্বতন সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড নামের একটি সমিতি চালু করেন। শুরু হতে তারা এলাকার বেকার যুবকদের খুজে খুজে বের করে তাদেরকে স্বল্প সুদে মৎস্য ও পল্টি মুরগীর চাষ করার জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করেন। পরবর্তীতে ভ্যান রিক্সা ক্রয় এমনকি চায়ের দোকান করার জন্য স্বল্প সুদে ঋণ বিতরন করেন।

 

সেই ঋণ নিয়ে অনেক বেকার যুবক এখন অনেক স্বাবলম্বী হয়েছে। পংকজ বাছাড়, সুমন কুমার ঘোষ, রিপন ব্যানার্জী ও মিঠুন শেখ সহ একাধিক বেকার যুবক জানান, তারা বেকার জীবন যাপন করায় বাড়িতে সর্ব সময় ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। সেই দুর্বিসহ জীবন হতে মুক্তি পেতে তারা কয়েকজনে মিলে উপরোক্ত সমিতির কার্যালয়ে হাজির হয়। সমিতির কর্মকর্তারা তাদেরকে কোন শর্ত ছাড়াই ২০হাজার টাকা ঋণ দিয়ে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছেন। যে অর্থ পেয়ে তারা বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যাবসায় নিজেদের নিয়োজিত করে আজ তারা অনেক স্বাবলম্বী হয়েছেন।

 

সমিতির সাধারন সম্পাদক শুভেন্দু রায় চৌধুরী এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, উপরোক্ত বিষয়টি বাস্তবায়ন ছাড়াও তারা স্বল্প সুদে অসহায় দুঃস্থ ও গরীবদের মাঝে শো-রুম করে বিভিন্ন সাংসারিক সমগ্রী বিক্রয় করেই চলেছেন। এছাড়া বেকার যুবকদের সমিতির লাভাংশ অর্থের অংশ হতে পুকুর জলাশয়ে মাছ ছাড়ার জন্য স্বল্প সুদে ঋণ বিতরন করে তাদেরকে স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন।




বাগেরহাটে বর্ষিয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, মুক্তিযোদ্ধা বাঙ্কার বাবুল মারা গেছেন

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট অফিস: বাগেরহাটের শরণখোলার কৃতি সন্তান, বর্ষিয়ান রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা একে এম মনিরুজ্জামান বাবুল ওরফে বাঙ্কার বাবুল মারা গেছেন (ইন্নাল্লিাহি…..রাজিউন)। গতকাল রবিবার সকাল ৯টা ২৫মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই স্ত্রী, চার ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।

 

শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের মরহুম মফিজ উদ্দিন জমাদ্দারের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান বাবুল ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে একনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৭২ সালে শরণখোলা উপজেলা ছাত্রলীগের (তৎকালিন থানা ছাত্রলীগ) সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন থেকেই তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি ডাকসু’র সিনেট সদস্য, কেন্দ্রিয় যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক ও কৃষকলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ মনিরুজ্জামান বাবুল উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকা’র পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।

 

মনিরুজ্জামান বাবুলের বড়ভাই শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জমাদ্দার জানান, দুপুর ২টায় ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের কেন্দ্রিয় জামে মসজিদে প্রথম এবং বিকেল সাড়ে চারটায় প্রশিকা কার্যালয়ে বাবুলের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজাতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় উপ-কমিটির সহসম্পাদক মিজানুর রহমান জনি, বাগেরহাট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা কাজী মনিরুজ্জামান মনির, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হক হায়দারসহ ডাকসু ও ঢাবি’র সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকাস্থ শরণখোলা-মোরেলগঞ্জের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তার আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

 

রাতেই ঢাকা থেকে বাবুলের মরদেহ তার জন্মস্থান শরণখোলায় নিয়ে যাওয়া হবে। আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায় শরণখোলার কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে উত্তর রাজাপুরস্থ পারিবাকি কবরস্তানে তাকে দাফন করা হবে।শরণখোলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এম এ খালেক খান জানান, মনিরুজ্জামান বাবুল কেন্দ্রিয় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৬ জুলাই শরণখোলা থানা রাজাকার ক্যাম্প আক্রমনের সময় সম্মুখযুদ্ধে রাজাকারের গুলিতে তিনি বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।




দেশের মান : মোঃ কামারুজ্জামান সানিল

দেশের মান:
মোঃ কামারুজ্জামান সানিল
একাত্তরে দিলাম রক্ত
স্বাধীনতার জন্য,
রেখেছি মোরা দেশের মান
জীবন হলো ধন্য।

 

রক্ত দিয়ে লিখে দিলাম
বাংলাদেশের নাম,
রাখবো ধরে দেশের মান
করবো না বদনাম।




বাইতুল ইজ্জতে বিজিবির ৯০ তম ব্যাচ রিক্রুটদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ

মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একমাত্র প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান “বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজ” বায়তুল ইজ্জতে ৯০তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং অভিবাদন প্রহণ করেন বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মা। এ সময়ে  বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসেন প্রধান অতিথির সঙ্গে অভিবাদন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধান অতিথি বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মা তাঁর বক্তৃতায় গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি আরো শ্রদ্ধা জানান আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহীদদেরকে। তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের শহীদ বীর   শ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ, শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নুর মোহাম্মদ শেখ এবং মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের জন্য এ বাহিনীর  আটজন বীর উত্তম, ৩২ জন বীর বিক্রম এবং ৭৭ জন বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিতদেরও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

 

তিনি বিজিবিকে একটি দক্ষ, চৌকষ এবং প্রশিক্ষিত বাহিনী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, একটি বলিষ্ঠ ও দক্ষ বাহিনী গড়ে তোলার জন্য সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন কঠোর প্রশিক্ষণ, সৎ চরিত্র, মানসিক দৃঢ়তা, অধ্যবসায়, শৃঙ্খলাবোধ এবং সঠিক নেতৃত্ব।
তিনি সৈনিক জীবনে আনুগত্য, শৃঙ্খলা, ধর্মীয় বিশ্বাস, মানবিক এবং নৈতিক মূল্যবোধের অনুশীলনের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি সকলকে সর্বদা উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আদেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আনুগত্যশীল থাকার এবং নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বসুলভ মনোভাব বজায় রাখার উপদেশ দেন ।

 

নবীন সৈনিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন শৃঙ্খলা হচ্ছে সৈনিকের মূল পরিচিতি। আদেশ ও কর্তব্য পালনে যে কখনো পিছপা হয় না সেই প্রকৃত সৈনিক। সততা, বুদ্ধিমত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, আনুগত্য, তেজ ও উদ্দীপনা একটি বাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতার মাপকাঠি। নবীন সৈনিকদের দৃপ্ত পদক্ষেপ আজকের এই সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তারই প্রতিফলন হয়েছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। আজকের এ মহতী অনুষ্ঠানে নবীন সৈনিকদেরকে নতুন জীবনে পদার্পনের শুভ লগ্নে প্রধান অতিথি সকলকে নতুন জীবনে স্বাগত জানিয়েছেন।

 

তিনি নবীন নারী সৈনিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মহিয়সী নারীদের অংশগ্রহণ, অবদান ও আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়। আজ নারীরা বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যথাযথ যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন। তিনি বিজিবিতে অন্তর্ভূক্ত নবীণ নারী সৈনিকদের জীবন গড়ার দৃপ্ত শপথে বলীয়ান হয়ে কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য বিজিবি সদস্যে পরিণত হওয়ার আহবান জানান। প্রধান অতিথি ৯০তম রিক্রুট ব্যাচের ৪৩৩ জন নবীন সৈনিকদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক প্রথম স্থান অর্জনকারী ও সর্ববিষয়ে শ্রেষ্ঠ নবীন সৈনিকের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। তিনি শ্রেষ্ঠ নবীন সৈনিক নম্বর ১০৩০৯৪ সিপাহী (জিডি) পাপিয়া আক্তারকে অভিনন্দন জানান।

 

তাছাড়া জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য তিনি বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজের কমান্ড্যান্ট, সকল অফিসার এবং অন্যান্য সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ  জানান। এছাড়া চট্টগ্রাম অঞ্চলের সামরিক ও বিজিবির উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, বোমাং সার্কেলের  সম্মানিত রাজা প্রকৌশলী উচ প্রু চৌধুরীসহ গণ্যমান্য,স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং নবীন সৈনিকদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত থেকে এ সমাপনী কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন। কুচকাওয়াজের প্যারেড কমান্ডার ছিলেন মেজর এ টি এম আহসান হাবীব এবং প্যারেড এ্যাডজুটেন্ট সহকারী পরিচালক মো. শাহাদত হোসেন।

 

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের আগস্টে বিএসএফের আমন্ত্রণে বিএসএফ প্রশিক্ষণ একাডেমীতে প্রধান অতিথি হিসেবে তাদের প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন বিজিবির তৎকালীন মহাপরিচালক। এরই ধাবাহিকতায় দু’দেশের বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ এবার বিএসএফ মহাপরিচালক আমন্ত্রিত হয়ে বিজিবি প্রশিক্ষণ সেন্টারে সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করলেন।




জনগণ এখন নেতাদের কাজ দেখতে চায়, ভাষন ও আশ্বাসবানী নয় : ডালিয়া লিয়াকত

হাবিবুর রহমান: নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকার সহধর্মীনি ডালিয়া লিয়াকত রোববার (১৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে মাহমুদা আক্তারকে আহ্বায়ক ও সাথি আক্তারকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছেন।

 

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ডালিয়া লিয়াকত বলেন, আধুনিকতার ছোঁয়ায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে গেছে। মানুষ এখন অনেক সচেতন। তাই তারা আগের মত নেতাদের বড় বড় আশ্বাসবানী আর ভাষন পছন্দ করে না। এজন্যই আমার স্বামী সোনারগাঁয়ের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা দিনরাত কঠোর পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে সেবামূলক কাজ করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। আর তার নির্দেশে সেবামূলক আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমরা উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে দরিদ্র ও অসহায় নারীদের সহায়তার পাশাপাশি নারী উন্নয়ণ, অধিকার আদায় ও নারীদের স্বাবলম্বী করতে ২১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় মহিলা পার্টির ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে যাচ্ছি। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যে নিজ নিজ ওয়ার্ডে সেবামূলক কাজ শুরু করেছেন।

 

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় মহিলা মেম্বার মোর্শেদা বেগমের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান জাহানারা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা ইসলাম ফেন্সী, জাতীয় মহিলা পার্টির নেত্রী মাহমুদা আক্তার, সাথি আক্তার, পিয়ারা বেগম, শাহিদা বেগম, মুনিয়া বেগম প্রমুখ।

 

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টি নেতা আনিসুর রহমান রানা, পিরোজপুর ইউপির ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা যুব সংহতি নেতা মাসুদ রানাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।