প্রধানমন্ত্রী আসন্ন ভারত সফর, তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি অনিশ্চিত

Spread the love

আগামী ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দিল্লিতে বৈঠক হতে যাচ্ছে। এই বৈঠকে তিস্তার পানিবন্টন বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে, চুক্তির কোন সম্ভাবনা নেই। এর মধ্যেই ঢাকা ঘুরে গেছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব জয়শংকর। তার ঢাকা সফরের পরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি সফর চূড়ান্ত হয়।

 

এর আগে দু-দুবার এই সফরের তারিখ নির্ধারিত হলেও তা অনুষ্ঠিত হয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৫ সালের মে মাসে ঢাকা সফরে এসেছিলেন। এখন ফিরতি সফরে প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন। তবে এই সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে। এটা এখন মোটামুটিভাবে নিশ্চিত হয়ে গেছে যে এই সফরে তিস্তার পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে না। তবে বাংলাদেশ গঙ্গা ব্যারাজ নিয়ে কথা বলবে এবং এটি নির্মাণে ভারতের সহযোগিতা চাইবে। বর্ষা মৌসুমে পানি ধরে রাখা ও শুষ্ক মৌসুমে তা ব্যবহার করার জন্য এই গঙ্গা ব্যারাজ একটি বড় ভূমিকা পালন করবে।

 

একটি সাময়িক সহযোগিতামূলক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যার বিস্তারিত এখনো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। তিস্তা পানি চুক্তি না হওয়ায়, এ সফর বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুব সফল হবে বলে মনে হয় না! আমাদের জন্য তিস্তার পানি বণ্টনের গুরুত্ব অনেক বেশি। এরই মধ্যে সংবাদপত্রে খবর বেরিয়েছে, লালমনিরহাটের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ কমে এসে দাঁড়িয়েছে ৫০০ কিউসেকে।

 

অথচ নদী রক্ষায় প্রয়োজন হয় এক হাজার কিউসেক। এটা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। এই অগ্রাধিকার যদি নিশ্চিত না হয়, তাহলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে। শুধু নদী বাঁচানোই নয়। সেচ প্রকল্পের জন্যও আমাদের দরকার ন্যূনতম তিন হাজার কিউসেক পানি। সুতরাং তিস্তার পানি বণ্টনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আমাদের নিরাপত্তার সঙ্গে এটা সরাসরি সম্পৃক্ত। আমাদের নীতিনির্ধারকরা যদি বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখেন, তাহলে এ দেশ, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ একটি বড় ধরনের সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক নদী গবেষক ও জাতিসংঘের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক মহাপরিচালক ড. এস আই খান। তিনি বলেন,এই তিস্তার কারণে অদুর ভবিষতে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে। তিস্তায় পানি প্রাপ্তি আমাদের ন্যায্য অধিকার। আন্তর্জাতিক আইন আমাদের পক্ষে।

 

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব আমাদের অধিকার নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তি বা সমর্থন এটা আমাদের বিষয় নয়। আমরা এটি বিবেচনায় নিতে চাই না। আমাদের অধিকার, যা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত, তা নিশ্চিত করবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এখানে বলা ভালো, সিকিম হয়ে ভারতের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি হয়ে পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ারের সমভূমি দিয়ে চিলাহাটি থেকে চার-পাঁচ কিলোমিটার পূর্বে বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার উত্তর খড়িবাড়ীর কাছে ডিমলা উপজেলার ছাতনাই দিয়ে প্রবেশ করেছে তিস্তা নদী। ছাতনাই থেকে এ নদী নীলফামারীর ডিমলা, জলঢাকা, লালমনিরহাট সদর, পাটগ্রাম, হাতীবান্দা, কালীগঞ্জ, রংপুরের কাউনিয়া, পীরগাছা, কুড়িগ্রামের রাজারহাট, উলিপুর হয়ে চিলমারীতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিশেছে। ডিমলা থেকে চিলমারী এ নদীর বাংলাদেশ অংশের মোট ক্যাচমেন্ট এরিয়া প্রায় এক হাজার ৭১৯ বর্গকিলোমিটার। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নদী কমিশন গঠনের পর তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ১৯৮৩ সালের জুলাই মাসে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের এক বৈঠকে তিস্তার পানি বণ্টনে ৩৬ শতাংশ বাংলাদেশ, ৩৯ শতাংশ ভারত এবং ২৫ শতাংশ নদীর জন্য সংরক্ষিত রাখার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

 

কিন্তু কোনো চুক্তি হয়নি। ২০০৭ সালের ২৫, ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ তিস্তার পানির ৮০ শতাংশ দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করে বাকি ২০ শতাংশ নদীর জন্য রেখে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। ভারত সে প্রস্তাবে রাজি হয়নি। এরপর যুক্ত হয় মমতার আপত্তি। বাংলাদেশের কোনো প্রস্তাবের ব্যাপারেই অতীতে মমতার সম্মতি পাওয়া যায়নি। এখানে আরো একটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তিস্তার পানি বণ্টনে সিকিমকে জড়িত করার প্রয়োজন পড়েছে। কেননা সিকিম নিজে উজানে পানি প্রত্যাহার করে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।

 

ফলে তিস্তায় পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে দিনে দিনে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে কৃষকদের কাছে তিস্তার পানির চাহিদা বেশি। সেচকাজের জন্য তাদের প্রচুর পানি দরকার। এটা বরাবরই মমতার জন্য একটি ‘রাজনৈতিক ইস্যু’। সুতরাং মমতা তিস্তা চুক্তি করে বাংলাদেশের পানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করবেন এটা আমার কখনোই বিশ্বাস হয়নি। তাই মমতায় আস্থা রাখা যায় না। এ ক্ষেত্রে আমাদের যা করণীয়, তা হচ্ছে তিস্তার পানি বণ্টনের বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের ওপর ‘চাপ’ অব্যাহত রাখা।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলা: আদালতে মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

» ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার অভিযোগ সঠিক নয়: মার্কিন রাষ্ট্রদূত (ভিডিও)

» গলাচিপায় নির্মানাধীনব্রিজের ডাইভার্সন বাধ কেটে দিয়েছে এলাকাবাসী

» মৌলভীবাজারে বন্যা কবলিত এলাকায় বাড়ছে পানি বাহিত রোগ

» বৃদ্ধ নারীকে ৭ টি মামলা দিয়ে হয়রানি, প্রাননাশের হুমকিতে দিশেহারা!

» শিশু ও নারী নির্যাতন এবং যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» রাণীনগরের সেই বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে ৩টি গ্রাম প্লাবিত; পানি বন্দি প্রায় ১৫ হাজার মানুষ

» সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের গলা কেটে পালিয়ে গেলেন নার্স

» ঔষধ কোম্পানী প্রতিনিধিদের সুনির্দিষ্ট নীতিমালাসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন

» নওগাঁয় অটিজম ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৪ঠা শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী আসন্ন ভারত সফর, তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি অনিশ্চিত

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

আগামী ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দিল্লিতে বৈঠক হতে যাচ্ছে। এই বৈঠকে তিস্তার পানিবন্টন বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে, চুক্তির কোন সম্ভাবনা নেই। এর মধ্যেই ঢাকা ঘুরে গেছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব জয়শংকর। তার ঢাকা সফরের পরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি সফর চূড়ান্ত হয়।

 

এর আগে দু-দুবার এই সফরের তারিখ নির্ধারিত হলেও তা অনুষ্ঠিত হয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৫ সালের মে মাসে ঢাকা সফরে এসেছিলেন। এখন ফিরতি সফরে প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন। তবে এই সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে। এটা এখন মোটামুটিভাবে নিশ্চিত হয়ে গেছে যে এই সফরে তিস্তার পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে না। তবে বাংলাদেশ গঙ্গা ব্যারাজ নিয়ে কথা বলবে এবং এটি নির্মাণে ভারতের সহযোগিতা চাইবে। বর্ষা মৌসুমে পানি ধরে রাখা ও শুষ্ক মৌসুমে তা ব্যবহার করার জন্য এই গঙ্গা ব্যারাজ একটি বড় ভূমিকা পালন করবে।

 

একটি সাময়িক সহযোগিতামূলক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যার বিস্তারিত এখনো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। তিস্তা পানি চুক্তি না হওয়ায়, এ সফর বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে খুব সফল হবে বলে মনে হয় না! আমাদের জন্য তিস্তার পানি বণ্টনের গুরুত্ব অনেক বেশি। এরই মধ্যে সংবাদপত্রে খবর বেরিয়েছে, লালমনিরহাটের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ কমে এসে দাঁড়িয়েছে ৫০০ কিউসেকে।

 

অথচ নদী রক্ষায় প্রয়োজন হয় এক হাজার কিউসেক। এটা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। এই অগ্রাধিকার যদি নিশ্চিত না হয়, তাহলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে। শুধু নদী বাঁচানোই নয়। সেচ প্রকল্পের জন্যও আমাদের দরকার ন্যূনতম তিন হাজার কিউসেক পানি। সুতরাং তিস্তার পানি বণ্টনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আমাদের নিরাপত্তার সঙ্গে এটা সরাসরি সম্পৃক্ত। আমাদের নীতিনির্ধারকরা যদি বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখেন, তাহলে এ দেশ, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ একটি বড় ধরনের সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক নদী গবেষক ও জাতিসংঘের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক মহাপরিচালক ড. এস আই খান। তিনি বলেন,এই তিস্তার কারণে অদুর ভবিষতে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে। তিস্তায় পানি প্রাপ্তি আমাদের ন্যায্য অধিকার। আন্তর্জাতিক আইন আমাদের পক্ষে।

 

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব আমাদের অধিকার নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তি বা সমর্থন এটা আমাদের বিষয় নয়। আমরা এটি বিবেচনায় নিতে চাই না। আমাদের অধিকার, যা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত, তা নিশ্চিত করবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এখানে বলা ভালো, সিকিম হয়ে ভারতের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি হয়ে পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ারের সমভূমি দিয়ে চিলাহাটি থেকে চার-পাঁচ কিলোমিটার পূর্বে বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার উত্তর খড়িবাড়ীর কাছে ডিমলা উপজেলার ছাতনাই দিয়ে প্রবেশ করেছে তিস্তা নদী। ছাতনাই থেকে এ নদী নীলফামারীর ডিমলা, জলঢাকা, লালমনিরহাট সদর, পাটগ্রাম, হাতীবান্দা, কালীগঞ্জ, রংপুরের কাউনিয়া, পীরগাছা, কুড়িগ্রামের রাজারহাট, উলিপুর হয়ে চিলমারীতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিশেছে। ডিমলা থেকে চিলমারী এ নদীর বাংলাদেশ অংশের মোট ক্যাচমেন্ট এরিয়া প্রায় এক হাজার ৭১৯ বর্গকিলোমিটার। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নদী কমিশন গঠনের পর তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ১৯৮৩ সালের জুলাই মাসে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের এক বৈঠকে তিস্তার পানি বণ্টনে ৩৬ শতাংশ বাংলাদেশ, ৩৯ শতাংশ ভারত এবং ২৫ শতাংশ নদীর জন্য সংরক্ষিত রাখার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

 

কিন্তু কোনো চুক্তি হয়নি। ২০০৭ সালের ২৫, ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ তিস্তার পানির ৮০ শতাংশ দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করে বাকি ২০ শতাংশ নদীর জন্য রেখে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। ভারত সে প্রস্তাবে রাজি হয়নি। এরপর যুক্ত হয় মমতার আপত্তি। বাংলাদেশের কোনো প্রস্তাবের ব্যাপারেই অতীতে মমতার সম্মতি পাওয়া যায়নি। এখানে আরো একটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তিস্তার পানি বণ্টনে সিকিমকে জড়িত করার প্রয়োজন পড়েছে। কেননা সিকিম নিজে উজানে পানি প্রত্যাহার করে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।

 

ফলে তিস্তায় পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে দিনে দিনে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে কৃষকদের কাছে তিস্তার পানির চাহিদা বেশি। সেচকাজের জন্য তাদের প্রচুর পানি দরকার। এটা বরাবরই মমতার জন্য একটি ‘রাজনৈতিক ইস্যু’। সুতরাং মমতা তিস্তা চুক্তি করে বাংলাদেশের পানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করবেন এটা আমার কখনোই বিশ্বাস হয়নি। তাই মমতায় আস্থা রাখা যায় না। এ ক্ষেত্রে আমাদের যা করণীয়, তা হচ্ছে তিস্তার পানি বণ্টনের বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের ওপর ‘চাপ’ অব্যাহত রাখা।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited