আশুলিয়ায় নারী পুলিশের আত্মহত্যায় সহকর্মী গ্রেফতার,রিমান্ড মঞ্জুর

Spread the love

মো:জাকির,আশুলিয়া প্রতিনিধি: আশুলিয়ায় নারী পুলিশ সদস্যকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে সহকর্মী প্রেমিক পুলিশ সদস্য জিয়াউর রহমান জিয়ার বিরুদ্ধে নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার প্রমাণ পাওয়ায় জিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এদিকে বুধবার রাতেই আশুলিয়া থানায় মৃত নারী পুলিশ সদস্য সাবিনা ইয়াসমিনের বড় ভাই নজরুল ইসলাম লিটন বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে জিয়াউর রহমান জিয়াকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন।

ঐদিন রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিয়াউর রহমানকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে আটক করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কনেস্টবল জিয়াকে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আশুলিয়া থানায় পাঠিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে আশুলিয়া থানা নারী কনেস্টবল সাবিনা ইয়াসমিন থানার মহিলা পুলিশ ব্যারাকের ৫ম তলায় তার কক্ষ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আত্মহত্যার পূর্বে সাবিনা স্টাফ কলেজ-এর একটি প্যাডে লিখে গেছেন ‘আশুলিয়া থানার ড্রাইভার কনেস্টবল (নং-৮৮১) জিয়াউর রহমানের জন্যে আমি মৃত্যুবরণ করলাম। জিয়া আমার সব কেড়ে নিয়েছে।’ ওইদিন বুধবার রাতে সাবিনার বড় ভাই নজরুল ইসলাম লিটন বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ৯ক ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৯।

মামলার এজাহারে লিটন বলেন, সাবিনা তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদেরকে জিয়াউর রহমানের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা শীঘ্রই বিয়ে করবে বলে জানিয়েছিল। এছাড়া কয়েকদিন পূর্বে জিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে সে আরো জানিয়েছিল, কনেস্টবল জিয়া ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানাধীন বাকাইল গ্রামের এনামুল হকে ছেলে। জিয়া বিবাহিত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। সে সাবিনাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়েও বিয়ে না মিথ্যা কথা বলে সাবিনার সাথে প্রতারণা করেছে। বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় প্রায়ই সাবিনা মন খারাপ করে থাকত।

জিয়া প্ররোচনামূলকভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সাবিনার সাথে প্রতারনা করায় সে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করেছেন।
জানতে চাইলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিনুল কাদির বলেন, ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করবেন উপ-পরিদর্শক মফিদুল ইসলাম।
ওদিকে নারী পুলিশ কনেস্টবল সাবিনা ইয়াসমিন আত্মহত্যার প্ররোচনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে ৩ সদস্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে এ কমিটি তাদের রিপোর্ট পেশ করবেন।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলো-ঢাকা জেলা সহকারি পুলিশ সুপার (সার্কেল) নাজমুল হাসান ফিরোজ ও আশুলিয়া থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আকবর আলী খান।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিনুল কাদীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মৃত সাবিনার ভাই থানায় এসে জিয়াকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া গতকাল বুধবার জিয়াকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আত্মহত্যা প্ররোচনায় দেওয়ার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। সে প্রেক্ষিতে জিয়াকে চাকুরি থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সাবিনা এবছরের শুরুতে আশুলিয়া থানায় কাজে যোগদান করেন। এরপর থেকেই পুলিশ সদস্য জিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সাবিনার। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাবিনার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়। কয়েকদিন আগে জিয়া বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক বিষয়টি জানতে পারে সাবিনা। তারপর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পরে। পরে বুধবার দুপুরে প্রেমে প্রতরনা শিকার হয়ে আশুলিয়া থানার ব্যারাকের পঞ্চমতলায় নিজ কক্ষে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

পরে সহকর্মীরা সাবিনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে। পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। এসময় সাবিনার কক্ষ থেকে মৃত্যুর জন্য জিয়াকে দায়ী করে একটি চিরকুট লিখে যায়। এরপর পুলিশ সদস্য জিয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া যায়। এতে তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» গলাচিপায় ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে পাঠদান

» কলাপাড়ায় গাঁজা সহ ব্যবসায়ী আটক

» এবার হাসপাতালে যাওয়ার পথে নার্সকে কুপিয়ে হত্যা

» গাছের সাথে বেঁধে গৃহবধূকে নির্যাতন

» খুনির সঙ্গে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির ‘সম্পর্কের তথ্য’ ফাঁস

» দশমিনা-উলানিয়া সড়কের কারপিটিংপিচ উঠে খানা খন্দের সৃষ্টি

» দশমিনায় চাঁই ব্যবহারের ফলে: গল্পেরমত থেকে যাবে দেশী প্রজাতির মাছ

» কলাপাড়ায় গৃহবধু হত্যা মামলায় শ্বশুড় গ্রেফতার

» সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোলের প্রচার সম্পাদক রাসেলের উপর প্রাননাশের হুমকিতে থানায় জিডি

» কেরোসিনের চুলা বিস্ফোরণে তিন ছাত্রী দগ্ধ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় নারী পুলিশের আত্মহত্যায় সহকর্মী গ্রেফতার,রিমান্ড মঞ্জুর

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

মো:জাকির,আশুলিয়া প্রতিনিধি: আশুলিয়ায় নারী পুলিশ সদস্যকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে সহকর্মী প্রেমিক পুলিশ সদস্য জিয়াউর রহমান জিয়ার বিরুদ্ধে নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার প্রমাণ পাওয়ায় জিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এদিকে বুধবার রাতেই আশুলিয়া থানায় মৃত নারী পুলিশ সদস্য সাবিনা ইয়াসমিনের বড় ভাই নজরুল ইসলাম লিটন বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে জিয়াউর রহমান জিয়াকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন।

ঐদিন রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিয়াউর রহমানকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে আটক করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কনেস্টবল জিয়াকে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আশুলিয়া থানায় পাঠিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে আশুলিয়া থানা নারী কনেস্টবল সাবিনা ইয়াসমিন থানার মহিলা পুলিশ ব্যারাকের ৫ম তলায় তার কক্ষ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আত্মহত্যার পূর্বে সাবিনা স্টাফ কলেজ-এর একটি প্যাডে লিখে গেছেন ‘আশুলিয়া থানার ড্রাইভার কনেস্টবল (নং-৮৮১) জিয়াউর রহমানের জন্যে আমি মৃত্যুবরণ করলাম। জিয়া আমার সব কেড়ে নিয়েছে।’ ওইদিন বুধবার রাতে সাবিনার বড় ভাই নজরুল ইসলাম লিটন বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ৯ক ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৯।

মামলার এজাহারে লিটন বলেন, সাবিনা তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদেরকে জিয়াউর রহমানের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা শীঘ্রই বিয়ে করবে বলে জানিয়েছিল। এছাড়া কয়েকদিন পূর্বে জিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে সে আরো জানিয়েছিল, কনেস্টবল জিয়া ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানাধীন বাকাইল গ্রামের এনামুল হকে ছেলে। জিয়া বিবাহিত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। সে সাবিনাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়েও বিয়ে না মিথ্যা কথা বলে সাবিনার সাথে প্রতারণা করেছে। বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় প্রায়ই সাবিনা মন খারাপ করে থাকত।

জিয়া প্ররোচনামূলকভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সাবিনার সাথে প্রতারনা করায় সে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করেছেন।
জানতে চাইলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিনুল কাদির বলেন, ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করবেন উপ-পরিদর্শক মফিদুল ইসলাম।
ওদিকে নারী পুলিশ কনেস্টবল সাবিনা ইয়াসমিন আত্মহত্যার প্ররোচনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে ৩ সদস্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে এ কমিটি তাদের রিপোর্ট পেশ করবেন।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলো-ঢাকা জেলা সহকারি পুলিশ সুপার (সার্কেল) নাজমুল হাসান ফিরোজ ও আশুলিয়া থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আকবর আলী খান।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিনুল কাদীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মৃত সাবিনার ভাই থানায় এসে জিয়াকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া গতকাল বুধবার জিয়াকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আত্মহত্যা প্ররোচনায় দেওয়ার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। সে প্রেক্ষিতে জিয়াকে চাকুরি থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সাবিনা এবছরের শুরুতে আশুলিয়া থানায় কাজে যোগদান করেন। এরপর থেকেই পুলিশ সদস্য জিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সাবিনার। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাবিনার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়। কয়েকদিন আগে জিয়া বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক বিষয়টি জানতে পারে সাবিনা। তারপর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পরে। পরে বুধবার দুপুরে প্রেমে প্রতরনা শিকার হয়ে আশুলিয়া থানার ব্যারাকের পঞ্চমতলায় নিজ কক্ষে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

পরে সহকর্মীরা সাবিনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে। পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। এসময় সাবিনার কক্ষ থেকে মৃত্যুর জন্য জিয়াকে দায়ী করে একটি চিরকুট লিখে যায়। এরপর পুলিশ সদস্য জিয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া যায়। এতে তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited