গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার অনুমোদন দেন নব্য জেএমবির আধ্যাত্মিক নেতা কাশেম

মো: মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম, ঢাকা:  জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক নব্য জেএমবির আধ্যাত্মিক নেতা এবং জেএমবির (মূল ধারার) একাংশের আমীর মাওলানা আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার অনুমোদন দেন ।

 

এ সময় মনিরুল বলেন, ‘নব্য জেএমবির হামলাগুলোয় বড়হুজুরের অনুমতির প্রয়োজন হয়।জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আবুল কাশেম বড় হুজুর নামেই পরিচিত ছিলেন। আবুল কাশেম নব্য জেএমবিতে বড়হুজুর বলে পরিচিত ছিলেন। তিনি গুলশান হামলাসহ বেশ কয়েকটি হামলার অনুমোদন দিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন।’ শুক্রবার(মার্চ ০৩, ২০১৭) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের জঙ্গিবিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এই তথ্য জানান। আবুল কাশেমকে গ্রেফতারের পর এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

 

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের পর্বতা সেনপাড়া এলাকা থেকে তাকে আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে। মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘নব্য জেএমবির উত্তরাঞ্চলের সামরিক কমান্ডার রাজীব গান্ধি গ্রেফতারের পর তার আবুল কাশেমের বিষয় আমরা জানতে পারি। সে যে ঠিকানা দেয় সেই ঠিকানা অনুযায়ী আমরা দিনাজপুরের একটি মাদ্রাসায় আবুল কাশেমকে খুঁজতে যাই। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। কারণ ওই মাদ্রাসায় প্রিন্সিপাল থাকলেও সে সেখান থেকে প্রায় দেড় বছর আগে পালিয়ে যায়। গত বুধবার বনানী থেকে জঙ্গি নেতা বড় মিজান গ্রেফতার হওয়ার পর আবুল কাশেমের সন্ধান পাই আমরা। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুরের পর্বতা এলাকার একটি দোকানের বিকাশ নম্বরে এক ভক্তের পাঠানো ১৫ হাজার টাকা নিতে এসে সে গ্রেফতার হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম বলেন, তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম। ‘আবুল কাশেম সেন দিনাজপুরের রানীর বন্দর এলাকার একটি মাদ্রাসায় অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন।২০১৪ সালে একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা তার বিষয়ে তথ্য দেয়।২০১৫ সালে নব্য জেএমবির প্রধান নিহত তামিম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক হয় আবুল কাশেমের।বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তিনি মানুষকে জিহাদে উব্দুদ্ধ করতেন।গত দুই/তিন দিন আগে বড় মিজান গ্রেপ্তার হওয়ার পর আমরা তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারি।গত বছর ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২২ জন নিহত হন। এই হামলার পরই নব্য জেএমবির নাম আসে গণমাধ্যমে। জানা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি, ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং ভিন্ন মতাবলম্বীদের হত্যায় জড়িত এই সংগঠনটি।

 

আর্টিজান হামলার পর পর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদের জামাতে হামলার চেষ্টা করে নব্য জেএমবির সদস্যরা। পুলিশ জীবন দিয়ে ঠেকায় সে হামলা চেষ্টা। এরপর পুলিশের পাল্টা অভিযানে ৩০ জনের বেশি জঙ্গি নেতা ও সদস্য নিহত হয়। এদের মধ্যে নব্য জেএমবির প্রধান হিসেবে চিহ্নিত তামিম চৌধুরী, সারোয়ার জাহান, প্রশিক্ষক হিসেবে চিহ্নিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, অন্যতম শীর্ষ নেতা নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরীও রয়েছেন। আর পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন নব্য জেএমবির উত্তরাঞ্চলের কথিত প্রধান রাজীব গান্ধীও। আটক আরও কয়েক জনের কাছ থেকেই পুলিশ আবুল কাশেমের নাম জানতে পারে।

 

এ সময় মনিরুল ইসলাম বলেন, বলেন, আবুল কাশেমকে সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতার জন্য দায়ী হিসেবে চিহ্নিত নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা। ২০১৩ সালে নিহত তামিম চৌধুরীর সঙ্গে নব্য জেএমবি গড়ে তোলেন আবুল কাশেম। তার পরিবারের লোকজন আগে থেকেই জেএমবির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে নব্য জেএমবির মতাদর্শ নিয়ে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমে কোরআন-হাদিসের মনগড়া ধর্মীয় মতবাদ প্রদান করে তিনি দলের নেতাকর্মীদের আরও হিংস্র করে তোলেন তিনি।২০০৯ সালে জেএমবির একাংশের আমির সাঈদুর রহমান গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি বিদ্রোহী হয়ে নব্য জেএমবির আমিরের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।  এ সময় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান বলেন, নব্য জেএমবির প্রধান তামিম চৌধুরী, মারজান, হাতকাটা মাহফুজ, উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডার রাজিব গান্ধী ওরফে জাহাঙ্গীরসহ দলটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ বড় নেতা এই বড় হুজুরের অনুরক্ত ছিলেন। ইতোপূর্বে গ্রেপ্তার কয়েকজন জঙ্গির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। চলছিল। আবুল কাশেম স্বপরিবারে অনেক আগে থেকেই পুরাতন জেএমবির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

 

অবশেষে গতকাল রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান জানান, ‘কথিত বড় হুজুর নব্য জেএমবির সদস্যদের কথিত জিহাদের ব্যাখ্যা,ইসলাম কোরআন-হাদিসের কথা বলে অপব্যাখ্যা দিতো।আজ আদালতে হাজির করে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।’ এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- কাউন্টার টেরোরজিম ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম খান, স্পেশাল অ্যাকশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদার ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী প্রমুখ।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

» পদ্মার বুকে ৩২ পিলার, বসছে আরেক স্প্যান

» কম বয়সে বিয়ে করার ৬টি সুফল

» নাচতে গিয়ে জ্ঞান হারালেন জ্যাকলিন

» বুয়েট শহীদ মিনার থেকে এবার মুছে ফেলা হলো ছাত্রলীগের নাম

» নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে ১৭৯ জন জেলেকে আটক

» শিক্ষা বঞ্চিত জলে ভাসা মান্তা পরিবার গুলো

» নেত্রকোনায় পাগলিটা মা হলেন, বাবা হলো না কেউ

» ফরিদপুর শহরে আবাসিক হোটেল থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ১১ নারী-পুরুষ ধরা

» ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবজাতককে হাসপাতালে রেখে মা উধাও

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১লা কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার অনুমোদন দেন নব্য জেএমবির আধ্যাত্মিক নেতা কাশেম

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

মো: মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম, ঢাকা:  জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক নব্য জেএমবির আধ্যাত্মিক নেতা এবং জেএমবির (মূল ধারার) একাংশের আমীর মাওলানা আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার অনুমোদন দেন ।

 

এ সময় মনিরুল বলেন, ‘নব্য জেএমবির হামলাগুলোয় বড়হুজুরের অনুমতির প্রয়োজন হয়।জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আবুল কাশেম বড় হুজুর নামেই পরিচিত ছিলেন। আবুল কাশেম নব্য জেএমবিতে বড়হুজুর বলে পরিচিত ছিলেন। তিনি গুলশান হামলাসহ বেশ কয়েকটি হামলার অনুমোদন দিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন।’ শুক্রবার(মার্চ ০৩, ২০১৭) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের জঙ্গিবিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এই তথ্য জানান। আবুল কাশেমকে গ্রেফতারের পর এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

 

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের পর্বতা সেনপাড়া এলাকা থেকে তাকে আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে। মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘নব্য জেএমবির উত্তরাঞ্চলের সামরিক কমান্ডার রাজীব গান্ধি গ্রেফতারের পর তার আবুল কাশেমের বিষয় আমরা জানতে পারি। সে যে ঠিকানা দেয় সেই ঠিকানা অনুযায়ী আমরা দিনাজপুরের একটি মাদ্রাসায় আবুল কাশেমকে খুঁজতে যাই। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। কারণ ওই মাদ্রাসায় প্রিন্সিপাল থাকলেও সে সেখান থেকে প্রায় দেড় বছর আগে পালিয়ে যায়। গত বুধবার বনানী থেকে জঙ্গি নেতা বড় মিজান গ্রেফতার হওয়ার পর আবুল কাশেমের সন্ধান পাই আমরা। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুরের পর্বতা এলাকার একটি দোকানের বিকাশ নম্বরে এক ভক্তের পাঠানো ১৫ হাজার টাকা নিতে এসে সে গ্রেফতার হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম বলেন, তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম। ‘আবুল কাশেম সেন দিনাজপুরের রানীর বন্দর এলাকার একটি মাদ্রাসায় অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন।২০১৪ সালে একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা তার বিষয়ে তথ্য দেয়।২০১৫ সালে নব্য জেএমবির প্রধান নিহত তামিম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক হয় আবুল কাশেমের।বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তিনি মানুষকে জিহাদে উব্দুদ্ধ করতেন।গত দুই/তিন দিন আগে বড় মিজান গ্রেপ্তার হওয়ার পর আমরা তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারি।গত বছর ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২২ জন নিহত হন। এই হামলার পরই নব্য জেএমবির নাম আসে গণমাধ্যমে। জানা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি, ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং ভিন্ন মতাবলম্বীদের হত্যায় জড়িত এই সংগঠনটি।

 

আর্টিজান হামলার পর পর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদের জামাতে হামলার চেষ্টা করে নব্য জেএমবির সদস্যরা। পুলিশ জীবন দিয়ে ঠেকায় সে হামলা চেষ্টা। এরপর পুলিশের পাল্টা অভিযানে ৩০ জনের বেশি জঙ্গি নেতা ও সদস্য নিহত হয়। এদের মধ্যে নব্য জেএমবির প্রধান হিসেবে চিহ্নিত তামিম চৌধুরী, সারোয়ার জাহান, প্রশিক্ষক হিসেবে চিহ্নিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, অন্যতম শীর্ষ নেতা নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরীও রয়েছেন। আর পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন নব্য জেএমবির উত্তরাঞ্চলের কথিত প্রধান রাজীব গান্ধীও। আটক আরও কয়েক জনের কাছ থেকেই পুলিশ আবুল কাশেমের নাম জানতে পারে।

 

এ সময় মনিরুল ইসলাম বলেন, বলেন, আবুল কাশেমকে সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতার জন্য দায়ী হিসেবে চিহ্নিত নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা। ২০১৩ সালে নিহত তামিম চৌধুরীর সঙ্গে নব্য জেএমবি গড়ে তোলেন আবুল কাশেম। তার পরিবারের লোকজন আগে থেকেই জেএমবির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে নব্য জেএমবির মতাদর্শ নিয়ে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমে কোরআন-হাদিসের মনগড়া ধর্মীয় মতবাদ প্রদান করে তিনি দলের নেতাকর্মীদের আরও হিংস্র করে তোলেন তিনি।২০০৯ সালে জেএমবির একাংশের আমির সাঈদুর রহমান গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি বিদ্রোহী হয়ে নব্য জেএমবির আমিরের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।  এ সময় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান বলেন, নব্য জেএমবির প্রধান তামিম চৌধুরী, মারজান, হাতকাটা মাহফুজ, উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডার রাজিব গান্ধী ওরফে জাহাঙ্গীরসহ দলটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ বড় নেতা এই বড় হুজুরের অনুরক্ত ছিলেন। ইতোপূর্বে গ্রেপ্তার কয়েকজন জঙ্গির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। চলছিল। আবুল কাশেম স্বপরিবারে অনেক আগে থেকেই পুরাতন জেএমবির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

 

অবশেষে গতকাল রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান জানান, ‘কথিত বড় হুজুর নব্য জেএমবির সদস্যদের কথিত জিহাদের ব্যাখ্যা,ইসলাম কোরআন-হাদিসের কথা বলে অপব্যাখ্যা দিতো।আজ আদালতে হাজির করে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।’ এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- কাউন্টার টেরোরজিম ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম খান, স্পেশাল অ্যাকশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদার ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী প্রমুখ।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited