সেতুর অভাবে দশমিনায় চরম দুর্ভোগ

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা।। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী মনিরা আক্তার সেুর অভাবে চরম দুর্ভোগে স্কুলে যেতে হয় ছোট্ট খেয়ানৌকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এলাকার জমির মৃধা বাজার এলাকার সেতুটি ভেঙে পড়ায় এই দুর্ভোগ।

 

শুধু মনিরার মতো শিক্ষার্থীরাই নয়, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ইউনিয়নটি দুই ভাগে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর বালুবোঝাই একটি কার্গোর ধাক্কায় সেতুর মাঝখানের অংশ ভেঙে গেলে চার শিশুসহ পাঁচজন নদীতে পড়ে যায়। চারজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নুরসাত জাহান (৫) নামের একটি শিশু নিখোঁজ থাকে। পাঁচ দিন পর নুরসাতের মরদেহ ভেসে ওঠে। বালুবোঝাই কার্গোটিও ঘটনাস্থলে ডুবে রয়েছে। এখনো সেতুটি মেরামত কিংবা নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

 

ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সূত্র জানায়, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে সুতাবড়িয়া শাখানদী। নদীর পূর্ব পারে মরদানা, গরম আলী, জাফরাবাদ, খারিজা বেতাগীর একাংশ ও তফালবাড়িয়ার একাংশ। পশ্চিম পারে রামবল্লভ, দাবাড়ি, চিংগরিয়া, চন্দ্রাবাজ এবং খারিজা বেতাগী ও তফালবাড়িয়ার একাংশ। এই ১১ গ্রামের বাসিন্দাদের সহজ যোগাযোগ সংযোগ ছিল জমির মৃধা বাজার এলাকার খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন সেতুটি।

 

এলজিইডি দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় জানায়, উপজেলার ঠাকুরের হাটসংলগ্ন পরিত্যক্ত লোহার সেতুটি সরিয়ে এনে বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের জমির মৃধা বাজার এলাকায় স্থাপন করা হয়েছিল। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এই সেতু স্থাপন করতে ব্যয় হয় ১০ লাখ টাকা। লোহার বিমের ওপর আরসিসি কংক্রিট ঢালাই প্লেট বসানো ১৫০ ফুট লম্বার এই সেতুর মাঝখানে প্রায় ২৫ ফুট অংশ ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। গত সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট্ট ডিঙিনৌকায় শিক্ষার্থীরা নদী পার হচ্ছে। তারা নদীর পূর্ব পারের বাসিন্দা ও পশ্চিম পারের খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) হিরন আহমেদ বলেন, নদীর পশ্চিম পারে খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩২০ জন শিক্ষার্থী ও খারিজা বেতাগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ১৫০ শিক্ষার্থী নদীর পূর্ব পারের বাসিন্দা। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার কমে গেছে। সেতুটি যখন ভেঙে পড়েছিল, তখন একটি শিশু মারাও গিয়েছিল। এখন শিক্ষার্থীরা ছোট্ট খেয়ানৌকায় পারাপার হচ্ছে। এতে সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয় শিক্ষার্থী ও লোকজনকে।

 

স্কুল থেকে দক্ষিণ দিকে একটু হেঁটে জমির মৃধা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, খারিজা বেতাগী কমিউনিটি ক্লিনিক। একজন রোগী সেখানে সেবা নিচ্ছেন। ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার ফারিয়া সুলতানা বলেন, এখানে আগে অনেক রোগী আসতেন। সেতুটি ভেঙে পড়ার পর এখন নদীর পূর্ব পারের নারী-শিশু রোগী কমই আসছে। বাজারের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর মেলকার বলেন, সেতুটি ভেঙে পড়ার পর ব্যবসা-বাণিজ্যে ভাটা পড়েছে। ওই পাড়ের লোকজন উপজেলা সদরে চলে যাচ্ছে। বেতাগি সানকিপুর ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ মহিবুল আলম বলেন, সেতুটি ভাঙার পর ইউনিয়নটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নতুন একটি সেতুর জন্য এলজিইডি কার্যালয়ে বারবার অনুরোধ জানানো হলেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

 

দশমিনা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দিন পালোয়ান বলেন, ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সংযোগ সেতুর। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মানুষের চলাচলের জন্য পুরোনো এই লোহার সেতুটি এখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। কারণ, এই সেতুটি শুধু ওই ইউনিয়নই নয়, পাশ্ববর্তী গলাচিপা উপজেলার সঙ্গে সড়কপথে সহজ যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখন আর সেখানে লোহার সেতু নির্মাণ সঠিক হবে না। এ ছাড়া সেতুর স্থানে নদীভাঙন, তাই স্থান পরিবর্তন করে আরসিসি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» রাজধানীতে র‍্যাবের অভিযানে ১৩ রোহিঙ্গা নারী আটক

» জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার

» প্রতিবন্ধী ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার

» কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

» কলাপাড়ায় স্টুডেন্ড কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত

» কলাপাড়ায় বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্তির চূড়ান্ত বাছাই শেষ

» আগৈলঝাড়ায় স্বাস্থ্য সহকারীদের ৪ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে কর্মবিরতি পালন

» আগৈলঝাড়ায় ভুলে ভরা বিদ্যালয়ের দাওয়াতপত্র: শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ

» আত্রাইয়ে ছাত্র দলের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

» আত্রাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ১২ই মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সেতুর অভাবে দশমিনায় চরম দুর্ভোগ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা।। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী মনিরা আক্তার সেুর অভাবে চরম দুর্ভোগে স্কুলে যেতে হয় ছোট্ট খেয়ানৌকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এলাকার জমির মৃধা বাজার এলাকার সেতুটি ভেঙে পড়ায় এই দুর্ভোগ।

 

শুধু মনিরার মতো শিক্ষার্থীরাই নয়, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ইউনিয়নটি দুই ভাগে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর বালুবোঝাই একটি কার্গোর ধাক্কায় সেতুর মাঝখানের অংশ ভেঙে গেলে চার শিশুসহ পাঁচজন নদীতে পড়ে যায়। চারজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নুরসাত জাহান (৫) নামের একটি শিশু নিখোঁজ থাকে। পাঁচ দিন পর নুরসাতের মরদেহ ভেসে ওঠে। বালুবোঝাই কার্গোটিও ঘটনাস্থলে ডুবে রয়েছে। এখনো সেতুটি মেরামত কিংবা নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

 

ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সূত্র জানায়, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে সুতাবড়িয়া শাখানদী। নদীর পূর্ব পারে মরদানা, গরম আলী, জাফরাবাদ, খারিজা বেতাগীর একাংশ ও তফালবাড়িয়ার একাংশ। পশ্চিম পারে রামবল্লভ, দাবাড়ি, চিংগরিয়া, চন্দ্রাবাজ এবং খারিজা বেতাগী ও তফালবাড়িয়ার একাংশ। এই ১১ গ্রামের বাসিন্দাদের সহজ যোগাযোগ সংযোগ ছিল জমির মৃধা বাজার এলাকার খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন সেতুটি।

 

এলজিইডি দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় জানায়, উপজেলার ঠাকুরের হাটসংলগ্ন পরিত্যক্ত লোহার সেতুটি সরিয়ে এনে বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের জমির মৃধা বাজার এলাকায় স্থাপন করা হয়েছিল। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এই সেতু স্থাপন করতে ব্যয় হয় ১০ লাখ টাকা। লোহার বিমের ওপর আরসিসি কংক্রিট ঢালাই প্লেট বসানো ১৫০ ফুট লম্বার এই সেতুর মাঝখানে প্রায় ২৫ ফুট অংশ ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। গত সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট্ট ডিঙিনৌকায় শিক্ষার্থীরা নদী পার হচ্ছে। তারা নদীর পূর্ব পারের বাসিন্দা ও পশ্চিম পারের খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) হিরন আহমেদ বলেন, নদীর পশ্চিম পারে খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩২০ জন শিক্ষার্থী ও খারিজা বেতাগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ১৫০ শিক্ষার্থী নদীর পূর্ব পারের বাসিন্দা। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার কমে গেছে। সেতুটি যখন ভেঙে পড়েছিল, তখন একটি শিশু মারাও গিয়েছিল। এখন শিক্ষার্থীরা ছোট্ট খেয়ানৌকায় পারাপার হচ্ছে। এতে সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয় শিক্ষার্থী ও লোকজনকে।

 

স্কুল থেকে দক্ষিণ দিকে একটু হেঁটে জমির মৃধা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, খারিজা বেতাগী কমিউনিটি ক্লিনিক। একজন রোগী সেখানে সেবা নিচ্ছেন। ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার ফারিয়া সুলতানা বলেন, এখানে আগে অনেক রোগী আসতেন। সেতুটি ভেঙে পড়ার পর এখন নদীর পূর্ব পারের নারী-শিশু রোগী কমই আসছে। বাজারের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর মেলকার বলেন, সেতুটি ভেঙে পড়ার পর ব্যবসা-বাণিজ্যে ভাটা পড়েছে। ওই পাড়ের লোকজন উপজেলা সদরে চলে যাচ্ছে। বেতাগি সানকিপুর ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ মহিবুল আলম বলেন, সেতুটি ভাঙার পর ইউনিয়নটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নতুন একটি সেতুর জন্য এলজিইডি কার্যালয়ে বারবার অনুরোধ জানানো হলেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

 

দশমিনা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দিন পালোয়ান বলেন, ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সংযোগ সেতুর। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মানুষের চলাচলের জন্য পুরোনো এই লোহার সেতুটি এখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। কারণ, এই সেতুটি শুধু ওই ইউনিয়নই নয়, পাশ্ববর্তী গলাচিপা উপজেলার সঙ্গে সড়কপথে সহজ যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখন আর সেখানে লোহার সেতু নির্মাণ সঠিক হবে না। এ ছাড়া সেতুর স্থানে নদীভাঙন, তাই স্থান পরিবর্তন করে আরসিসি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited