আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে- জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের র‌্যালী ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মানবাধিকারের মূলনীতি বাংলাদেশ সংবিধানে আছে, বাস্তবে কিছুই নেই – মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান

আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত মানবাধিকারের মূলনীতিগুলিকে বাংলাদেশ সংবিধানে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং নাগরিকের মানবাধিকারের সুরক্ষায় বিভিন্ন বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ মানবাধিকারের মূলনীতিগুলির কিছুই এখন বাস্তবে নেই বলে মন্তব্য করে জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বলেছেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে।’ সংবিধানে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, জনস্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, বিশ্রাম ও চিত্ত বিনোদন এবং সামাজিক নিরাপত্তার মত অর্থনৈতিক ও সামাজিক মানবাধিকারসমূহ এবং নাগরিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সুরক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

অথচ আমরা যারা বাংলাদেশের নাগরিক আছি তারা এই সকল বিধানের সুবিধা কি লাভ করতে পারছি? আজ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছেন, আগামীতে হয়তোবা অন্য কেউ ক্ষমতায় আসবেন। এটাই গণতান্ত্রিক নিয়ম বা রীতিনীতি। ক্ষমতার পলাবদল হবে কিন্তু জনগণের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন হবে না এটা কিসের নীতি? কিসের নিয়ম? আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগে মানবতার র‌্যালী ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আরো বলেন, মানবাধিকার রক্ষা এবং তার উন্নয়নের প্রধান দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র তার প্রশাসন, বিচার ও আইন বিভাগের মাধ্যমে জনগণের মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করবে। অথচ আজ আমাদের ভোটের অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছে। গণগণ আজ তার নাগরিক সকল অধিকার থেকে বঞ্চিত। এইভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবাধিকারের প্রধান ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে। মানবতার মুক্তির দূত হযরত মহানবী (সা.) কর্তৃক মদীনা সনদ ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বে সর্বপ্রথম মানবাধিকারের রূপরেখা ঘোষণা হয়। মদীনা সনদ হচ্ছে পৃথিবীর সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গ লিখিত সংবিধান। এ সনদে মানবাধিকার বিষয়ে মোট ৪৭ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

 

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী মানবাধিকারের বিষয়টি এখন আরো প্রকটভাবে অনুভূত হচ্ছে, যখন আমরা দেখছি যে, মানুষের অধিকারসমূহ আঞ্চলিক যুদ্ধ, সংঘাত, হানাহানির কারণে বার বার লংঘিত হচ্ছে। প্রথমত একটি পরিবার ও সমাজের কর্তারা তাদের অধিনস্থদের অধিকার রক্ষা করবে। দ্বিতীয়ত রাষ্ট্র এবং তৃতীয়ত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকা পালন করে থাকে।

 

জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব খন্দকার মো: মহিউদ্দিন মাহির সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, প্রচার সম্পাদক সালাহউদ্দিন সাকিব সহ জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলন ও আদর্শ নাগরিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» রাজধানীতে র‍্যাবের অভিযানে ১৩ রোহিঙ্গা নারী আটক

» জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার

» প্রতিবন্ধী ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার

» কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

» কলাপাড়ায় স্টুডেন্ড কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত

» কলাপাড়ায় বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্তির চূড়ান্ত বাছাই শেষ

» আগৈলঝাড়ায় স্বাস্থ্য সহকারীদের ৪ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে কর্মবিরতি পালন

» আগৈলঝাড়ায় ভুলে ভরা বিদ্যালয়ের দাওয়াতপত্র: শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ

» আত্রাইয়ে ছাত্র দলের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

» আত্রাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ১২ই মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে- জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের র‌্যালী ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মানবাধিকারের মূলনীতি বাংলাদেশ সংবিধানে আছে, বাস্তবে কিছুই নেই – মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত মানবাধিকারের মূলনীতিগুলিকে বাংলাদেশ সংবিধানে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং নাগরিকের মানবাধিকারের সুরক্ষায় বিভিন্ন বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ মানবাধিকারের মূলনীতিগুলির কিছুই এখন বাস্তবে নেই বলে মন্তব্য করে জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বলেছেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে।’ সংবিধানে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, জনস্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, বিশ্রাম ও চিত্ত বিনোদন এবং সামাজিক নিরাপত্তার মত অর্থনৈতিক ও সামাজিক মানবাধিকারসমূহ এবং নাগরিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সুরক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

অথচ আমরা যারা বাংলাদেশের নাগরিক আছি তারা এই সকল বিধানের সুবিধা কি লাভ করতে পারছি? আজ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছেন, আগামীতে হয়তোবা অন্য কেউ ক্ষমতায় আসবেন। এটাই গণতান্ত্রিক নিয়ম বা রীতিনীতি। ক্ষমতার পলাবদল হবে কিন্তু জনগণের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন হবে না এটা কিসের নীতি? কিসের নিয়ম? আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগে মানবতার র‌্যালী ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আরো বলেন, মানবাধিকার রক্ষা এবং তার উন্নয়নের প্রধান দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র তার প্রশাসন, বিচার ও আইন বিভাগের মাধ্যমে জনগণের মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করবে। অথচ আজ আমাদের ভোটের অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছে। গণগণ আজ তার নাগরিক সকল অধিকার থেকে বঞ্চিত। এইভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবাধিকারের প্রধান ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে। মানবতার মুক্তির দূত হযরত মহানবী (সা.) কর্তৃক মদীনা সনদ ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বে সর্বপ্রথম মানবাধিকারের রূপরেখা ঘোষণা হয়। মদীনা সনদ হচ্ছে পৃথিবীর সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গ লিখিত সংবিধান। এ সনদে মানবাধিকার বিষয়ে মোট ৪৭ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

 

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী মানবাধিকারের বিষয়টি এখন আরো প্রকটভাবে অনুভূত হচ্ছে, যখন আমরা দেখছি যে, মানুষের অধিকারসমূহ আঞ্চলিক যুদ্ধ, সংঘাত, হানাহানির কারণে বার বার লংঘিত হচ্ছে। প্রথমত একটি পরিবার ও সমাজের কর্তারা তাদের অধিনস্থদের অধিকার রক্ষা করবে। দ্বিতীয়ত রাষ্ট্র এবং তৃতীয়ত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকা পালন করে থাকে।

 

জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব খন্দকার মো: মহিউদ্দিন মাহির সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, প্রচার সম্পাদক সালাহউদ্দিন সাকিব সহ জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলন ও আদর্শ নাগরিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited