ভারত থেকে পুশইন বন্ধ ও রোহিঙ্গা ফেরত নেয়ার দাবিতে উন্মুক্ত সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

ভারতের পুশইন বন্ধ ও মায়ানমারের রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার দাবিতে এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ভারত ও মায়ানমারের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্মারকলিপি দেবার পর ঢাকাস্থ ভারতের হাইকমিশনের স্মারকলিপি দিতে গেলে ভারতীয় হাইকমিশন আমাদের স্মারকলিপি গ্রহণ না করে উল্টো আমাদের ৩ জনকে গুলশান থানা পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গুলশান থানায় ভারতীয় হাই কমিশনের ২জন কর্মকর্তা আমাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, আমরা জানি না বাংলাদেশের কোন আইনে ও কোন কূটনৈতিক বিধিতে থানায় এসে কোন বিদেশী বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কিনা? আমরা বাংলাদেশের আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ভারতীয় হাইকমিশনকে স্মারকলিপি দেবার পূর্বে আমরা ডিএমপি পুলিশ কমিশনারকে গত ৩০ নভেম্বর ২০১৯ইং পত্র প্রেরণ পূর্বক অবহিত করেছিলাম। দেশের যেকোন পরিস্থিতিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করে থাকি। ভারত-মায়ানমার আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। সেই সুবাদে এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিলাম।

 

আপনারা নিশ্চয় জানেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ভারতের সহযোগিতায় আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। বাংলাদেশ ৫৬ হাজার বর্গমাইল। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বসবাস। আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা বেশি। যা পৃথিবীর অন্য দেশের তুলনায় বিরল। নিজ দেশের জনসংখ্যার তুলনায় সম্পদ সীমিত। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হচ্ছে। তার উপর মায়ানমার ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। রোহিঙ্গারা মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং সামাজিক নানা রকমের অপকর্মের সাথে তারা জড়িয়ে পড়ছে। যা বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

 

গত কয়েকদিন যাবত পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে দলে দলে মানুষ বাংলাদেশে ঢুকছে। যা বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করছে এবং আমরাও সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই পুশইন এর আতঙ্ক ও উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আমরা আশা করি, ভারত এবং মায়ানমার বাংলাদেশ শতবছরের ভৌগলিক-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। এখন উভয় দেশ স্বাধীন হলেও আত্মীয়-বন্ধুত্ব সম্পর্ক অটুট আছে। আমরা আশা করি, আপনাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিজেরা সমাধান করবেন এবং ভারতের আতঙ্কিত জনগণকে বাংলাদেশে পুশইন বন্ধ করবেন। রোহিঙ্গা ফেরত নিতে মায়ানমারের উপর চাপ দিয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবেন।

 

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ নয়ন, ফরিদ আহমেদ, আবু তৈয়ব, আল-আমিন রাজু, জিয়াউর রহমান জয়, আইনুল হক, রাজু আহমেদ খান, কবি মফিজুল ইসলাম, সৌরব আহমেদ, আতিকুর রহমান, ফরিদ আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক, নাহিদ রহমান পুতুল প্রমুখ। বক্তারা বলেন অভিলম্বে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন বন্ধ করতে হবে। বক্তারা ভারতীয় কূটনৈতিক অভিযোগে গুলশান থানায় বাংলাদেশী নাগরিকদের আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তীব্র নিন্দা জানান।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার গড়ে দিলেন চেয়ারম্যান

» গোপালগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বেত ও বাঁশের তৈরী চারুশিল্প

» বাংলাদেশিদের ‘যৌন অতৃপ্ত’ বললেন প্রিয়তী

» দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা

» ফের ঝড় তুলেছেন সানি লিওন (ভিডিও সহ)

» বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে তুরাগ তীরে লাখো মুসল্লির ভিড়

» শৈলকুপার কুমার নদীর নাগিরাট ঘাটে একটি ব্রীজের অভাবে ৫০ গ্রামের মানুষের দূর্ভোগ

» মিথ্যা ও হয়রানীমুলক মামলার সুষ্ট তদন্তপূর্বক সু-বিচার পেতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

» দেশব্যাপী নারী-শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

» যুবলীগের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী গণসংযোগ ও সভা অনুষ্ঠিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ৫ই মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভারত থেকে পুশইন বন্ধ ও রোহিঙ্গা ফেরত নেয়ার দাবিতে উন্মুক্ত সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

ভারতের পুশইন বন্ধ ও মায়ানমারের রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার দাবিতে এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ভারত ও মায়ানমারের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্মারকলিপি দেবার পর ঢাকাস্থ ভারতের হাইকমিশনের স্মারকলিপি দিতে গেলে ভারতীয় হাইকমিশন আমাদের স্মারকলিপি গ্রহণ না করে উল্টো আমাদের ৩ জনকে গুলশান থানা পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গুলশান থানায় ভারতীয় হাই কমিশনের ২জন কর্মকর্তা আমাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, আমরা জানি না বাংলাদেশের কোন আইনে ও কোন কূটনৈতিক বিধিতে থানায় এসে কোন বিদেশী বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কিনা? আমরা বাংলাদেশের আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ভারতীয় হাইকমিশনকে স্মারকলিপি দেবার পূর্বে আমরা ডিএমপি পুলিশ কমিশনারকে গত ৩০ নভেম্বর ২০১৯ইং পত্র প্রেরণ পূর্বক অবহিত করেছিলাম। দেশের যেকোন পরিস্থিতিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করে থাকি। ভারত-মায়ানমার আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। সেই সুবাদে এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিলাম।

 

আপনারা নিশ্চয় জানেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ভারতের সহযোগিতায় আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। বাংলাদেশ ৫৬ হাজার বর্গমাইল। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বসবাস। আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা বেশি। যা পৃথিবীর অন্য দেশের তুলনায় বিরল। নিজ দেশের জনসংখ্যার তুলনায় সম্পদ সীমিত। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হচ্ছে। তার উপর মায়ানমার ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। রোহিঙ্গারা মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং সামাজিক নানা রকমের অপকর্মের সাথে তারা জড়িয়ে পড়ছে। যা বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

 

গত কয়েকদিন যাবত পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে দলে দলে মানুষ বাংলাদেশে ঢুকছে। যা বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করছে এবং আমরাও সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই পুশইন এর আতঙ্ক ও উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আমরা আশা করি, ভারত এবং মায়ানমার বাংলাদেশ শতবছরের ভৌগলিক-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। এখন উভয় দেশ স্বাধীন হলেও আত্মীয়-বন্ধুত্ব সম্পর্ক অটুট আছে। আমরা আশা করি, আপনাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিজেরা সমাধান করবেন এবং ভারতের আতঙ্কিত জনগণকে বাংলাদেশে পুশইন বন্ধ করবেন। রোহিঙ্গা ফেরত নিতে মায়ানমারের উপর চাপ দিয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবেন।

 

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ নয়ন, ফরিদ আহমেদ, আবু তৈয়ব, আল-আমিন রাজু, জিয়াউর রহমান জয়, আইনুল হক, রাজু আহমেদ খান, কবি মফিজুল ইসলাম, সৌরব আহমেদ, আতিকুর রহমান, ফরিদ আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক, নাহিদ রহমান পুতুল প্রমুখ। বক্তারা বলেন অভিলম্বে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন বন্ধ করতে হবে। বক্তারা ভারতীয় কূটনৈতিক অভিযোগে গুলশান থানায় বাংলাদেশী নাগরিকদের আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তীব্র নিন্দা জানান।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited