ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব: জোয়ারে ভাসছে চাড়িপাড়া গ্রাম

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,১১ নভেম্বর।। জোয়ারে পনিতে ভাসছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাড়িপাড়া গ্রাম। এ গ্রামটি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রাবনাবাদ নদীর পাড়ে অবস্থিত। গ্রামের পাশ দিয়ে এক সময় ছিল বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধ। ঝড়-জলোচ্ছাস হলে এ বাঁধটিই এখানকার মানুষজনকে রক্ষা করতো। এখন সে বাঁধটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় এ বাঁধের ক্ষতি হয়। এরপর কয়েকদফা মেরামত করা হয়। তবে রাবনাবাদ নদীর করাল গ্রাসে পুরো বাঁধটিই ধীরে ধীরে ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। বাঁধ না থাকায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে রাবনাবাদ নদীর জোয়ারের পানি অনায়াসে ঢুকে পড়েছে এ গ্রামটিতে। শনি ও রোববারের দু’দফা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে এ গ্রাম। এ গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষ জান-মাল রক্ষায় পাশের তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে উঠেছিল।

 

আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে মানুষজন নিরাপদে থাকতে পারলেও জোয়ারের কারণে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এখানকার মানুষের। স্থানীয় সূত্রে জান গেছে, বেশ কিছু বাড়ি-ঘর জোয়ারের চাপে ভেঙে গেছে। তা ছাড়া রোববার সকালে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ায় অনেকের টিনের ঘরের চালা, কারো বারান্দা, রান্নাঘর, গোয়াল ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকি গ্রামের মানুষজনের চলাচলের ইট বিছানো সড়কটিও বিধ্বস্ত হয়ে গেছে । পানির চাপে এ সড়কের ইট, মাটি ভেঙে নেমে গেছে। এ গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষার একটিমাত্র প্রতিষ্ঠান চাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সবেচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। বিদ্যালয়ের দুটি ভবন রাবনাবাদ নদীর ভাঙনের মুখে পড়েছে। যে কোনো সময় ভবন দুটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আজিজুর রহমান বলেন, ‘সব সময় শঙ্কার মধ্যে থাকি। এই বুঝি ভেঙে পড়লো ভবন। বড় কষ্টের মধ্যে আমরা শিক্ষা দান করছি।’

 

লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, শুধু চাড়িপাড়া গ্রাম নয়। রাবনাবাদ নদীর জোয়ারের পানি এ গ্রাম দিয়ে ঢুকে পাশের বানাতিপাড়া, নয়াকাটা, চৌধুরীপাড়া, নাওয়াপাড়া, ছোট পাঁচ নং, বড় পাঁচ নং ও মুন্সীপাড়া গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। নতুন করে পশুরবুনিয়া গ্রামটিতেও পানি প্রবেশ করেছে। এখানকার ইউপি সদস্য মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘জোয়ারের চাপ বাড়লেই পানিতে ডুবে যায় পুরো গ্রাম। অবস্থাটা এমন হয়েছে এখন প্রতিনিয়ত পানির সাথেই গ্রামের মানুষজনকে বসবাস করতে হচ্ছে।’ গ্রামের বাসিন্দা নুরজাহান বেগম জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কথা শুনে ঘর তালাবদ্ধ করে রেখে গিয়ে ওঠেন পাশের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে। ঝড় শেষ হলে বাড়ি ফিরে দেখেন তাঁর পুরো ঘরটিই বিধ্বস্ত হয়ে মাটির সাথে মিশে আছে। একটি বড় চাম্বল গাছ ঘরটির ওপর পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে।

 

এ গ্রামের আরেক বাসিন্দা হাসান আকন জানান, সে পেশায় জেলে। শনিবার বিকেলে রাবনাবাদ নদীর এক কিনারায় তাঁর নৌকাটি বেঁধে রেখেছিলেন। জোয়ারের তান্ডবে তাঁর ছোট নৌকাসহ জাল, নোঙর পানিতে ভেসে গেছে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তি ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গিয়েছিলেন কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভীন। পথেই দেখা হয় তাঁর সাথে। এ নারী জনপ্রতিনিধি সাংবাদিকদের বললেন, আসলেই এখানের মানুষের কষ্টের কোনো শেষ নেই। সচক্ষে দেখে নিজের কাছেই খারাপ লাগলো। উপজেলা পরিষদ থেকে যতদুর সম্ভব দুর্গত মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা হবে।

 

লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধ না থাকায় ওই গ্রামটিতে জোয়ারের পানি উঠছে আর নামছে। যার কারণে মানুষজনের ক্ষতিটা বেশি হয়েছে। ওই এলাকার জান-মাল রক্ষায় বাঁধটা করা অত্যন্ত জরুরী। না হলে মানুষজন বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হতেই থাকবে।’কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ‘ওই গ্রামটিসহ পাশের আরও কিছু এলাকা থেকে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহন করে নিয়েছে। যেহেতু ওই এলাকাটি এখন পায়রা বন্দরের, সে কারণে ওখানকার যা কিছু উন্নয়ন করার প্রয়োজন তা পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষই করবে।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» আত্রাইয়ে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

» সমুদ্রের মঝে নয়নাভিরাম অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানি।। পাখির কোলাহল আর লাল কাকড়ার লুকোচুরিতে মুখরিত চর বিজয়

» বেনাপোলে শত্রুতা জেরে চাষির ক্ষেতের ফসল আগুনে পুড়ালো দূর্বত্তরা

» বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার-১

» কলাপাড়ায় রোকেয়া দিবস উদযাপন।। পাঁচ জয়ীতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

» কলাপাড়ায় দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালন

» মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক দুর্ণীতি বিরোধী দিবস- ২০১৯ পালিত

» সবুজ সংকেত পেলেই তবে দিবারাত্রির টেস্ট নিয়ে সিদ্ধান্ত

» বাণিজ্যিক কোর্স পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করছে

» মাদক মামলায় সম্রাট-আরমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৫শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব: জোয়ারে ভাসছে চাড়িপাড়া গ্রাম

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,১১ নভেম্বর।। জোয়ারে পনিতে ভাসছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাড়িপাড়া গ্রাম। এ গ্রামটি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রাবনাবাদ নদীর পাড়ে অবস্থিত। গ্রামের পাশ দিয়ে এক সময় ছিল বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধ। ঝড়-জলোচ্ছাস হলে এ বাঁধটিই এখানকার মানুষজনকে রক্ষা করতো। এখন সে বাঁধটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় এ বাঁধের ক্ষতি হয়। এরপর কয়েকদফা মেরামত করা হয়। তবে রাবনাবাদ নদীর করাল গ্রাসে পুরো বাঁধটিই ধীরে ধীরে ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। বাঁধ না থাকায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে রাবনাবাদ নদীর জোয়ারের পানি অনায়াসে ঢুকে পড়েছে এ গ্রামটিতে। শনি ও রোববারের দু’দফা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে এ গ্রাম। এ গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষ জান-মাল রক্ষায় পাশের তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে উঠেছিল।

 

আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে মানুষজন নিরাপদে থাকতে পারলেও জোয়ারের কারণে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এখানকার মানুষের। স্থানীয় সূত্রে জান গেছে, বেশ কিছু বাড়ি-ঘর জোয়ারের চাপে ভেঙে গেছে। তা ছাড়া রোববার সকালে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ায় অনেকের টিনের ঘরের চালা, কারো বারান্দা, রান্নাঘর, গোয়াল ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকি গ্রামের মানুষজনের চলাচলের ইট বিছানো সড়কটিও বিধ্বস্ত হয়ে গেছে । পানির চাপে এ সড়কের ইট, মাটি ভেঙে নেমে গেছে। এ গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষার একটিমাত্র প্রতিষ্ঠান চাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সবেচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। বিদ্যালয়ের দুটি ভবন রাবনাবাদ নদীর ভাঙনের মুখে পড়েছে। যে কোনো সময় ভবন দুটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আজিজুর রহমান বলেন, ‘সব সময় শঙ্কার মধ্যে থাকি। এই বুঝি ভেঙে পড়লো ভবন। বড় কষ্টের মধ্যে আমরা শিক্ষা দান করছি।’

 

লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, শুধু চাড়িপাড়া গ্রাম নয়। রাবনাবাদ নদীর জোয়ারের পানি এ গ্রাম দিয়ে ঢুকে পাশের বানাতিপাড়া, নয়াকাটা, চৌধুরীপাড়া, নাওয়াপাড়া, ছোট পাঁচ নং, বড় পাঁচ নং ও মুন্সীপাড়া গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। নতুন করে পশুরবুনিয়া গ্রামটিতেও পানি প্রবেশ করেছে। এখানকার ইউপি সদস্য মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘জোয়ারের চাপ বাড়লেই পানিতে ডুবে যায় পুরো গ্রাম। অবস্থাটা এমন হয়েছে এখন প্রতিনিয়ত পানির সাথেই গ্রামের মানুষজনকে বসবাস করতে হচ্ছে।’ গ্রামের বাসিন্দা নুরজাহান বেগম জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কথা শুনে ঘর তালাবদ্ধ করে রেখে গিয়ে ওঠেন পাশের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে। ঝড় শেষ হলে বাড়ি ফিরে দেখেন তাঁর পুরো ঘরটিই বিধ্বস্ত হয়ে মাটির সাথে মিশে আছে। একটি বড় চাম্বল গাছ ঘরটির ওপর পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে।

 

এ গ্রামের আরেক বাসিন্দা হাসান আকন জানান, সে পেশায় জেলে। শনিবার বিকেলে রাবনাবাদ নদীর এক কিনারায় তাঁর নৌকাটি বেঁধে রেখেছিলেন। জোয়ারের তান্ডবে তাঁর ছোট নৌকাসহ জাল, নোঙর পানিতে ভেসে গেছে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তি ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গিয়েছিলেন কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভীন। পথেই দেখা হয় তাঁর সাথে। এ নারী জনপ্রতিনিধি সাংবাদিকদের বললেন, আসলেই এখানের মানুষের কষ্টের কোনো শেষ নেই। সচক্ষে দেখে নিজের কাছেই খারাপ লাগলো। উপজেলা পরিষদ থেকে যতদুর সম্ভব দুর্গত মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা হবে।

 

লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধ না থাকায় ওই গ্রামটিতে জোয়ারের পানি উঠছে আর নামছে। যার কারণে মানুষজনের ক্ষতিটা বেশি হয়েছে। ওই এলাকার জান-মাল রক্ষায় বাঁধটা করা অত্যন্ত জরুরী। না হলে মানুষজন বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হতেই থাকবে।’কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ‘ওই গ্রামটিসহ পাশের আরও কিছু এলাকা থেকে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহন করে নিয়েছে। যেহেতু ওই এলাকাটি এখন পায়রা বন্দরের, সে কারণে ওখানকার যা কিছু উন্নয়ন করার প্রয়োজন তা পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষই করবে।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited