ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডের বিচারে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জরুরি

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিক হত্যাকান্ডর প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ বলেছেন, ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডের বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা দেখা যায়। অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাবও কাজ করে। ফলে এসব হত্যাকান্ডের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জরুরি। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিক হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ও অভিমত প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম ট্রাস্ট এ সংবাদ সম্মেলন ও অভিমত প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ তাঁর বলেন, বাঙালির যেমন অনেক গর্বের ইতিহাস আছে, তেমনি অনেক লজ্জারও ইতিহাস আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত যা কিছু হয়েছে, ইমডেননিটি আইন করে এসময়কার সবকিছুকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। ফলে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে এর ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। যাতে কেউ বিচার করতে না পারে। পরবর্তীতে এই কালো আইনটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে জাতীয় সংসদে বাতিল করা হয়। শুধু সংসদে নয়, আইনগতভাবেও এটিকে বাতিল করা হয়েছে। ৫ম সংশোধনীতে উচ্চ আদালত থেকে এই কালো আইনকে বাতিল করা হয়। তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালের কালো আইনটি বাতিলের ফলে এখন বলা যায়, সত্য উদ্ঘাটনে আর কোনো আইনগত বাধা নেই। আমি মনে করি, ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডের বিচারের কোনো বিকল্প নেই। আমরা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার করেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। কাজেই যে ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডগুলোর বিচার হয়নি, সেগুলোরও বিচার করতে হবে।

 

বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যে লিটারেচারগুলো পড়েছি, গবেষণা করেছি কয়েক বছর ধরে, সেখানে দেখেছি আর এখনো দেখছি যে, বিচার প্রক্রিয়া ৩টি উপায়ে হতে পারে। তা হলো, তদন্ত কমিশন গঠন করে, ট্রুথ কমিশন গঠন করে এবং বিচারের মাধ্যমে। তিনি আরো বলেন, জাতির দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের সময় এসেছে সত্যকে স্বীকার করে নেয়ার। রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর আমাদের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে স্থান দিতে হবে। বোয়াফ সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, ৪৪ বছর পর আজ আমরা বীর সেনানী খালেদ মোশাররফসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিক হত্যার বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এটি আমাদের জন্য লজ্জার। কারণ, ৭ নভেম্বরের মুল পরিকল্পনাকারী খুনী জিয়াউর রহমানকে হত্যার অপরাধে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তার ফাঁসি হয়েছে। আর সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিরুদ্ধে, পাকিস্তানীভাবধারায় রাষ্ট্রকে ধ্বংসের বিরুদ্ধে যে খালেদ মোশাররফ রক্তপাতহীন প্রতিবাদ করেছে; সেই খালেদ মোশাররফ ও তাঁর সহকর্মীদের হত্যার বিচার জাতি আজও দেখতে পায়নি।

 

তিঁনি আরও বলেন, একটি ট্রুথ কমিশন গঠন করে খুনী জিয়ার ও কর্নেল তাহেরের ষড়যন্ত্র জাতীকে জানানো উচিত। আগামী প্রজন্মকে ইতিহাস বিকৃতি থেকে বের করতে হলে খালেদ মোশাররফসহ মুক্তিযোদ্ধা ও সকল সৈনিক হত্যার বিচার ও হত্যার নেপথ্যে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, তাদেও মুখোশ উন্মোচন করা সময়ের দাবি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন খালেদ মোশাররফের জ্যেষ্ঠ কন্যা ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহজাবীন খালেদ। তিনি বলেন, আপনারা জানেন, কোন পরিস্থিতিতে কারা, কার ইঙ্গিতে মুক্তিযুদ্ধের লড়াকু সৈনিক খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমকে হত্যা করে। খালেদ মোশাররফ কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত ছিলেন না। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শায়েস্তা করে সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনাই ছিল তার লক্ষ্য।

 

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে একজন বিচার বঞ্চিত ভুক্তভোগী, ২১টি বছর যাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বিচার শুরু করতে, ৩৪ বছর লেগেছে বিচারের রায় কার্যকর করতে। যিনি বিশ্বাস করেন, বিচার চাওয়ার অধিকার সবারই রয়েছে। যিনি বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এবং দেশীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় নিয়ে এসে জাতিকে কিছুটা হলেও কলঙ্কমুক্ত করেছেন। যিনি শত বাধা পেরিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। তিনি নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীদের বিচারের ব্যবস্থা করবেন, সেই আশাই করছি। সংবাদ সম্মেলনে অভিমত প্রকাশ করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা আবু ওসমান চৌধুরীর কন্যা নাসিমা ওসমান প্রমুখ।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» কলাপাড়ায় রান্নার চুলা ভাঙ্গার প্রতিবাদ করায় গৃহবধুকে নির্যাতন

» নওগাঁর আত্রাই ২নং ভোঁ-পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিকী কাউন্সিল অধিবেশন-২০১৯

» ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডশেনের আয়োজনে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত

» ঝিনাইদহে তারেক রহমানের জন্ম-বাষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

» ঝিনাইদহে তৃতীয় দিনের মত চলছে পরিবহণ ধর্মঘট, যাত্রীরা পড়ছেন মহা দুর্ভগে

» মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকছে এরা কারা?

» দুই হাত ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ফাল্গুনী আজ অফিসার

» সুফিয়া কামালের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট

» কলাপাড়ায় চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা

» কলাপাড়ায় আয়কর মেলার উদ্বোধন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডের বিচারে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জরুরি

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিক হত্যাকান্ডর প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ বলেছেন, ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডের বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা দেখা যায়। অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাবও কাজ করে। ফলে এসব হত্যাকান্ডের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জরুরি। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিক হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ও অভিমত প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম ট্রাস্ট এ সংবাদ সম্মেলন ও অভিমত প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ তাঁর বলেন, বাঙালির যেমন অনেক গর্বের ইতিহাস আছে, তেমনি অনেক লজ্জারও ইতিহাস আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত যা কিছু হয়েছে, ইমডেননিটি আইন করে এসময়কার সবকিছুকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। ফলে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে এর ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। যাতে কেউ বিচার করতে না পারে। পরবর্তীতে এই কালো আইনটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে জাতীয় সংসদে বাতিল করা হয়। শুধু সংসদে নয়, আইনগতভাবেও এটিকে বাতিল করা হয়েছে। ৫ম সংশোধনীতে উচ্চ আদালত থেকে এই কালো আইনকে বাতিল করা হয়। তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালের কালো আইনটি বাতিলের ফলে এখন বলা যায়, সত্য উদ্ঘাটনে আর কোনো আইনগত বাধা নেই। আমি মনে করি, ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডের বিচারের কোনো বিকল্প নেই। আমরা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার করেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। কাজেই যে ঐতিহাসিক হত্যাকান্ডগুলোর বিচার হয়নি, সেগুলোরও বিচার করতে হবে।

 

বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যে লিটারেচারগুলো পড়েছি, গবেষণা করেছি কয়েক বছর ধরে, সেখানে দেখেছি আর এখনো দেখছি যে, বিচার প্রক্রিয়া ৩টি উপায়ে হতে পারে। তা হলো, তদন্ত কমিশন গঠন করে, ট্রুথ কমিশন গঠন করে এবং বিচারের মাধ্যমে। তিনি আরো বলেন, জাতির দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের সময় এসেছে সত্যকে স্বীকার করে নেয়ার। রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর আমাদের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে স্থান দিতে হবে। বোয়াফ সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, ৪৪ বছর পর আজ আমরা বীর সেনানী খালেদ মোশাররফসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিক হত্যার বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এটি আমাদের জন্য লজ্জার। কারণ, ৭ নভেম্বরের মুল পরিকল্পনাকারী খুনী জিয়াউর রহমানকে হত্যার অপরাধে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তার ফাঁসি হয়েছে। আর সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিরুদ্ধে, পাকিস্তানীভাবধারায় রাষ্ট্রকে ধ্বংসের বিরুদ্ধে যে খালেদ মোশাররফ রক্তপাতহীন প্রতিবাদ করেছে; সেই খালেদ মোশাররফ ও তাঁর সহকর্মীদের হত্যার বিচার জাতি আজও দেখতে পায়নি।

 

তিঁনি আরও বলেন, একটি ট্রুথ কমিশন গঠন করে খুনী জিয়ার ও কর্নেল তাহেরের ষড়যন্ত্র জাতীকে জানানো উচিত। আগামী প্রজন্মকে ইতিহাস বিকৃতি থেকে বের করতে হলে খালেদ মোশাররফসহ মুক্তিযোদ্ধা ও সকল সৈনিক হত্যার বিচার ও হত্যার নেপথ্যে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, তাদেও মুখোশ উন্মোচন করা সময়ের দাবি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন খালেদ মোশাররফের জ্যেষ্ঠ কন্যা ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহজাবীন খালেদ। তিনি বলেন, আপনারা জানেন, কোন পরিস্থিতিতে কারা, কার ইঙ্গিতে মুক্তিযুদ্ধের লড়াকু সৈনিক খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমকে হত্যা করে। খালেদ মোশাররফ কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত ছিলেন না। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শায়েস্তা করে সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনাই ছিল তার লক্ষ্য।

 

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে একজন বিচার বঞ্চিত ভুক্তভোগী, ২১টি বছর যাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বিচার শুরু করতে, ৩৪ বছর লেগেছে বিচারের রায় কার্যকর করতে। যিনি বিশ্বাস করেন, বিচার চাওয়ার অধিকার সবারই রয়েছে। যিনি বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এবং দেশীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় নিয়ে এসে জাতিকে কিছুটা হলেও কলঙ্কমুক্ত করেছেন। যিনি শত বাধা পেরিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। তিনি নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীদের বিচারের ব্যবস্থা করবেন, সেই আশাই করছি। সংবাদ সম্মেলনে অভিমত প্রকাশ করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা আবু ওসমান চৌধুরীর কন্যা নাসিমা ওসমান প্রমুখ।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited