শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস ও বর্তমান বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

১৮ অক্টোবর শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৮৭ বশির উদ্দিন রোড, কলাবাগান, ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস ও বর্তমান বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহামদ, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, সাবেক ডীন, ফার্মেসী অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রোভিসি, বুয়েট, অধ্যাপক ড. অরুন কুমার গোস্বামী, সাবেক চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. প্রিয়ব্রতপাল, অধ্যাপক অর্থনীতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ড. লিয়াক হোসেন মোড়ল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতিসহ দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীগণ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটি এবং বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহের নেতৃবন্দ।

 

বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় এবং ডা. এস এ মালেক, সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতিত্বে অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহামদ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার শ্রেষ্ঠকেন্দ্র। ছাত্র-ছাত্রীরা জ্ঞান অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। তাদের শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ না হলে দেশ ও জাতির জন্য কিছুই তারা করতে পারে না। শিক্ষাঙ্গণে রাজনীতি থাকবে, জ্ঞান চর্চা হবে, মুক্ত বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে। কিন্তু আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সন্ত্রাস ও অস্ত্রের প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়ে। এটা দেশ ও জাতির জন্য বড় দুর্ভাগ্যের। স্বৈরশাসনের আমলে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার পরিবেশ ছিলনা। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য স্বৈরশাসকরা ছাত্রদেরকে ব্যবহার করতো। হত্যা তখন নিয়মিত ব্যাপার ছিল। শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস থাকবে না এটা দেশবাসীর কাম্য। বর্তমান সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সন্ত্রাস নির্মূলে বদ্ধ পরিকর। মাঝে মাঝে দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা আমাদের সমস্ত অর্জনকে ব্যর্থ করে দেয়। এর থেকে আমাদের অবশ্যই মুক্তি পেতে হবে। তিনি বুয়েটে একজন মেধাবী ছাত্রের হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং এই ধরণের ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই জন্য প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে। তারা বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্র ও হত্যাকান্ড ঘটিয়ে সরকারকে বিপদে ফেলতে চায়। অবশ্যই আওয়ামী লীগকে এই ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতি চলবে তবে অপরাজনীতি বন্ধ হওয়া দরকার। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হলে বিএনপি-জামাত স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি উপকৃত হবে।

 

ড. অরুন কুমার গোস্বামী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হত্যার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। নতুবা আমাদের আগামী নেতৃত্ব মেধাশূন্য হয়ে যাবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। বর্তমান সরকারের শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এই অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে এবং দল-মত নির্বিশেষে দলীয় ও অন্যঅন্য দলের মধ্যে দুর্নীতিবাজ যেই হোকনা কেন তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির বিধান করতে হবে।
ড. প্রিয়ব্রত পাল বলেন, বঙ্গবন্ধু রাজনীতি করেই নেতা হয়েছে। তার রাজনীতির আদর্শ ছিল, দিক নির্দেশনা ছিল এবং দেশ ও জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি রাজনীতি করেছেন। বর্তমানে ছাত্রদের মধ্যে সেই আদর্শ নাই বললেই চলে। তিনি ছাত্রদের প্রকৃত শিক্ষা-অর্জন ¦ং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানান। সকল প্রকার সন্ত্রাস থেকে বিরত থেকে লেখা-পড়ার কাজে আতœনিয়োগ করা উচিত। তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় নজরদারী বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষা পদ্ধতির গুণগত পরিবর্তন আনা দরকার। মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, বর্তমান সরকার নতুন প্রজন্মকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য যুযোপযোগী, বিজ্ঞান সম্মত, কারিগরী শিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তন করেছেন। ছাত্রদের উচিত উপযুক্ত মানুষ হওয়ার জন্য প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করা। তাদের উচিত প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করা। কোন রকম বিশৃঙ্খলা, হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি পরিহার করে আদর্শ ও ন্যায়ের পথ বেছে নেওয়া।

 

সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এ মালেক বলেন, শিক্ষাঙ্গন পবিত্র স্থান। জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার মূল কেন্দ্র। এখানে বিদ্যমান পরিবেশ ভাল থাকলে মানুষ গড়ার কারিগর ছাত্ররা প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে জাতি গঠনে কাজ করতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস নতুন কিছু নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে ছাত্রদের আন্দোলন দমনে আইয়ুব, মুনায়েম সরকার অস্ত্রের ব্যবহার শুরু করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাসদ, বাসদ সৃষ্টি হয়ে শিক্ষা পরিবেশ বিনষ্ট করেছে। স্বৈরাচারী শাসনামলে ছাত্রদেরকে লেখা-পড়া থেকে বিরত রেখে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শাসনামলে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় বিএনপি-জামাত শিবিরের ও জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। অস্ত্রের ঝনঝনানিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বছরের পর বছর সেশন জট লেগেই ছিল। শত শত ছাত্র প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের দ্বারা নিহত হয়েছে। তাদের বিচার আজও হয়নি। তিনি বুয়েটে একজন মেধাবী ছাত্র হত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার জোর দাবি জানান। তিনি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিনে শুভেচ্চা জানান এবং অকাল মৃত্যুতে তার আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» ফেসবুক লাইভে: আমি রাঙ্গার মেয়ে, বাবাকে নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই (ভিডিও)

» ডামুড্যার সিড্যায় ৩৬ নং মধ্য সিড্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বিদায় অনুষ্ঠান

» যাতায়াতের একমাত্র রাস্থা বন্ধ বিপাকে ১৩ পরিবার

» বাগেরহাটে কাড়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণীর বিদায় অনুষ্ঠান

» বরিশালের মেয়ে নায়লা নাঈমের জীবনী আসছে একুশে বইমেলা ২০২০ এ

» জাতীয় মানবাধিকার সমিতির তিতাস উপজেলার কমিটি ঘোষণা

» আগামী রবিবার ১৭ নভেম্বর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু

» দারাজে ১১.১১ ক্যাম্পেইনে প্রথম ঘণ্টায় সাড়ে ৮ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি

» মা গুলতেকিনের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যা বললেন নুহাশ

» বিয়ে করছেন মিয়া খলিফা!

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস ও বর্তমান বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

১৮ অক্টোবর শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৮৭ বশির উদ্দিন রোড, কলাবাগান, ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস ও বর্তমান বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহামদ, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, সাবেক ডীন, ফার্মেসী অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রোভিসি, বুয়েট, অধ্যাপক ড. অরুন কুমার গোস্বামী, সাবেক চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. প্রিয়ব্রতপাল, অধ্যাপক অর্থনীতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ড. লিয়াক হোসেন মোড়ল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতিসহ দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীগণ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটি এবং বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহের নেতৃবন্দ।

 

বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় এবং ডা. এস এ মালেক, সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতিত্বে অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহামদ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার শ্রেষ্ঠকেন্দ্র। ছাত্র-ছাত্রীরা জ্ঞান অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। তাদের শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ না হলে দেশ ও জাতির জন্য কিছুই তারা করতে পারে না। শিক্ষাঙ্গণে রাজনীতি থাকবে, জ্ঞান চর্চা হবে, মুক্ত বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে। কিন্তু আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সন্ত্রাস ও অস্ত্রের প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়ে। এটা দেশ ও জাতির জন্য বড় দুর্ভাগ্যের। স্বৈরশাসনের আমলে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার পরিবেশ ছিলনা। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য স্বৈরশাসকরা ছাত্রদেরকে ব্যবহার করতো। হত্যা তখন নিয়মিত ব্যাপার ছিল। শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস থাকবে না এটা দেশবাসীর কাম্য। বর্তমান সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সন্ত্রাস নির্মূলে বদ্ধ পরিকর। মাঝে মাঝে দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা আমাদের সমস্ত অর্জনকে ব্যর্থ করে দেয়। এর থেকে আমাদের অবশ্যই মুক্তি পেতে হবে। তিনি বুয়েটে একজন মেধাবী ছাত্রের হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং এই ধরণের ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই জন্য প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে। তারা বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্র ও হত্যাকান্ড ঘটিয়ে সরকারকে বিপদে ফেলতে চায়। অবশ্যই আওয়ামী লীগকে এই ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতি চলবে তবে অপরাজনীতি বন্ধ হওয়া দরকার। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হলে বিএনপি-জামাত স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি উপকৃত হবে।

 

ড. অরুন কুমার গোস্বামী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হত্যার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। নতুবা আমাদের আগামী নেতৃত্ব মেধাশূন্য হয়ে যাবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। বর্তমান সরকারের শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এই অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে এবং দল-মত নির্বিশেষে দলীয় ও অন্যঅন্য দলের মধ্যে দুর্নীতিবাজ যেই হোকনা কেন তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির বিধান করতে হবে।
ড. প্রিয়ব্রত পাল বলেন, বঙ্গবন্ধু রাজনীতি করেই নেতা হয়েছে। তার রাজনীতির আদর্শ ছিল, দিক নির্দেশনা ছিল এবং দেশ ও জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি রাজনীতি করেছেন। বর্তমানে ছাত্রদের মধ্যে সেই আদর্শ নাই বললেই চলে। তিনি ছাত্রদের প্রকৃত শিক্ষা-অর্জন ¦ং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানান। সকল প্রকার সন্ত্রাস থেকে বিরত থেকে লেখা-পড়ার কাজে আতœনিয়োগ করা উচিত। তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় নজরদারী বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষা পদ্ধতির গুণগত পরিবর্তন আনা দরকার। মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, বর্তমান সরকার নতুন প্রজন্মকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য যুযোপযোগী, বিজ্ঞান সম্মত, কারিগরী শিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তন করেছেন। ছাত্রদের উচিত উপযুক্ত মানুষ হওয়ার জন্য প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করা। তাদের উচিত প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করা। কোন রকম বিশৃঙ্খলা, হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি পরিহার করে আদর্শ ও ন্যায়ের পথ বেছে নেওয়া।

 

সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এ মালেক বলেন, শিক্ষাঙ্গন পবিত্র স্থান। জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার মূল কেন্দ্র। এখানে বিদ্যমান পরিবেশ ভাল থাকলে মানুষ গড়ার কারিগর ছাত্ররা প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে জাতি গঠনে কাজ করতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস নতুন কিছু নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে ছাত্রদের আন্দোলন দমনে আইয়ুব, মুনায়েম সরকার অস্ত্রের ব্যবহার শুরু করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাসদ, বাসদ সৃষ্টি হয়ে শিক্ষা পরিবেশ বিনষ্ট করেছে। স্বৈরাচারী শাসনামলে ছাত্রদেরকে লেখা-পড়া থেকে বিরত রেখে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শাসনামলে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় বিএনপি-জামাত শিবিরের ও জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। অস্ত্রের ঝনঝনানিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বছরের পর বছর সেশন জট লেগেই ছিল। শত শত ছাত্র প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের দ্বারা নিহত হয়েছে। তাদের বিচার আজও হয়নি। তিনি বুয়েটে একজন মেধাবী ছাত্র হত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার জোর দাবি জানান। তিনি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিনে শুভেচ্চা জানান এবং অকাল মৃত্যুতে তার আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited