ভিসি নাসিরের পদত্যাগ দাবিতে ৬ষ্ঠ দিনেও আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা: উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাস

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : ৬ষ্ঠ দিনেও ভিসি অপসারণের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বাবিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে পঞ্চম দিনের মত বিরামহীন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সাধারন শিক্ষার্থীরা।

 

ভিসি-র পদত্যাগের দাবীতে শিক্ষার্থীদের একটানা প্রায় এক’শ ঘন্টা ব্যাপী বিরামহীন আন্দোলন ইতোমধ্যে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়। এদিকে, আন্দোলনের মুখে গত শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ছাড়েননি। তবে কিছু সংখ্যক ছাত্রী হল ছেড়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে দিন-রাত বিরামহীন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

শনিবার ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে বহিরাগতদের হামলায় ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডীন ও ভিসি’র একান্ত আস্থাভাজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদারবক্স হলের সাবেক প্রোভস্ট বিএনপি-জামাত পন্থী বিতর্কিত শিক্ষক নেতা অধ্যাপক আব্দুর রহিম খানকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, আইন বিভাগের ডীন ও ভিসি’র একান্ত অনুগত অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া ও ম্যানেজমেন্ট স্ট্যাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শামসুল আরেফিন। বিতর্কিত অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম খানকে তদন্ত কমিটির প্রধান করায় নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক সমাজ ও সচেতন মহল।

 

রোববার দুপুর দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারন সম্পাদক মাহবুব আলী খান, গোপালগঞ্জের পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামীলীগ নেতা কাজী লিয়াকত আলী লেকু, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক বদরুল আলম বদর, সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিটু, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, আওয়ামীলীগ নেতা শেখ টুটুল, জেলা যুবলীগের সভাপতি জি এম সাহাবুদ্দিন আজম, সাধারন সম্পাদক এম বি সাইফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হামিদসহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেন। আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করার অনুরোধ করলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।

 

বেলা বাড়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের খন্ড খন্ড মিছিল আর শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী জানান, যে কোন মূল্যে আমরা ভিসির পদত্যাগ চাই। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও আমরা এই নৈতিক ও ন্যায্য আন্দোলন চালিয়ে যাব। এর আগে ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে গত শনিবার বহিরাগতদের হামলায় ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার পর আন্দোলন আরও জোরালো হয়। শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হামলার ঘটনার প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ূন কবীর পদত্যাগ করেন। ক্যাম্পাস উত্তাল থাকায় ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সহকারী প্রক্টর এমদাদুল হকের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শেষ পরিস্থিতি নিয়ে কথা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা আগের মতোই আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চালানো হলেও তারা আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।

 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক শিক্ষার্থী বহিষ্কার করে আলোচনায় চলে আসে বশেমুরবিপ্রবি। এ সময় উঠে আসে উপাচার্যের বিভিন্ন অন্যায় এবং দুর্নীতির বিষয়ও। যার প্রেক্ষিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচাযের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন শুরু করে। ভিসি’র অপসারন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে সচেতন মহল মনে করছেন। কেবল ভিসি’র অপসারনের মধ্য দিয়ে এ অবস্থার নিরসন হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি ফিরে আসবে। বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জামাত-বিএনপির এজেন্ট ভিসি অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনকে অপসারন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে তাদের প্রত্যাশা।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» ঝিনাইদহের স্থানীয় সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ, চরম ভোগান্তীতে যাত্রীরা

» ঝিনাইদহে আলোচিত স্কুলছাত্র সিফাত হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

» হরিণাকুন্ডুতে ৯মামলার আসামি পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসী নিহত

» ইভটিজিংয়ের সাথে আমার পুত্র জড়িত নয় এমনটাই দাবী কওে পিতার সংবাদ সম্মেলন

» গলাচিপায় ৪ জন আহত হওয়ায়! থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

» সাপাহারে তিলনা ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে সাংবাদিক হাফিজুলকে দেখতে চায় তিলনাবাসী

» আগৈলঝাড়া থানার উদ্যোগে বাল্য বিয়ে ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা সভা

» ঘুমের ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে আইসিইউতে ভর্তি এমপি নুসরাত

» ইজিবাইকে দিনরাত কাটানো বাবা-মেয়েকে ঘর দিলেন ডিসি

» মাত্র ১৯ বছরেই ৩ হাজার ৩২৩ জন পুরুষের সঙ্গে

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৪ঠা অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভিসি নাসিরের পদত্যাগ দাবিতে ৬ষ্ঠ দিনেও আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা: উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাস

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : ৬ষ্ঠ দিনেও ভিসি অপসারণের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বাবিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে পঞ্চম দিনের মত বিরামহীন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সাধারন শিক্ষার্থীরা।

 

ভিসি-র পদত্যাগের দাবীতে শিক্ষার্থীদের একটানা প্রায় এক’শ ঘন্টা ব্যাপী বিরামহীন আন্দোলন ইতোমধ্যে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়। এদিকে, আন্দোলনের মুখে গত শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ছাড়েননি। তবে কিছু সংখ্যক ছাত্রী হল ছেড়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে দিন-রাত বিরামহীন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

শনিবার ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে বহিরাগতদের হামলায় ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডীন ও ভিসি’র একান্ত আস্থাভাজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদারবক্স হলের সাবেক প্রোভস্ট বিএনপি-জামাত পন্থী বিতর্কিত শিক্ষক নেতা অধ্যাপক আব্দুর রহিম খানকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, আইন বিভাগের ডীন ও ভিসি’র একান্ত অনুগত অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া ও ম্যানেজমেন্ট স্ট্যাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শামসুল আরেফিন। বিতর্কিত অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম খানকে তদন্ত কমিটির প্রধান করায় নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক সমাজ ও সচেতন মহল।

 

রোববার দুপুর দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারন সম্পাদক মাহবুব আলী খান, গোপালগঞ্জের পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামীলীগ নেতা কাজী লিয়াকত আলী লেকু, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক বদরুল আলম বদর, সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিটু, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, আওয়ামীলীগ নেতা শেখ টুটুল, জেলা যুবলীগের সভাপতি জি এম সাহাবুদ্দিন আজম, সাধারন সম্পাদক এম বি সাইফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হামিদসহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেন। আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করার অনুরোধ করলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।

 

বেলা বাড়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের খন্ড খন্ড মিছিল আর শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী জানান, যে কোন মূল্যে আমরা ভিসির পদত্যাগ চাই। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও আমরা এই নৈতিক ও ন্যায্য আন্দোলন চালিয়ে যাব। এর আগে ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে গত শনিবার বহিরাগতদের হামলায় ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার পর আন্দোলন আরও জোরালো হয়। শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হামলার ঘটনার প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ূন কবীর পদত্যাগ করেন। ক্যাম্পাস উত্তাল থাকায় ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সহকারী প্রক্টর এমদাদুল হকের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শেষ পরিস্থিতি নিয়ে কথা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা আগের মতোই আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চালানো হলেও তারা আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।

 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক শিক্ষার্থী বহিষ্কার করে আলোচনায় চলে আসে বশেমুরবিপ্রবি। এ সময় উঠে আসে উপাচার্যের বিভিন্ন অন্যায় এবং দুর্নীতির বিষয়ও। যার প্রেক্ষিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচাযের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন শুরু করে। ভিসি’র অপসারন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে সচেতন মহল মনে করছেন। কেবল ভিসি’র অপসারনের মধ্য দিয়ে এ অবস্থার নিরসন হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি ফিরে আসবে। বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জামাত-বিএনপির এজেন্ট ভিসি অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনকে অপসারন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে তাদের প্রত্যাশা।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited