শরীয়তপুরের গোসাইরহাট মেঘনার চরে মহিষের খামার

Spread the love

মোঃ ওমর ফারুক: শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় মেঘনা নদীর চরে মহিষের খামার গড়ে তোলা হয়েছে। চরে বিস্তীর্ণ চারণভূমি রয়েছে। তাই চরগুলো মহিষ পালন করার আদর্শ জায়গা। তবে দেরিতে হলেও চরে মহিষের খামার গড়ে তোলায় নতুন সম্ভাবনার উন্মোচন হয়েছে। গোসাইরহাটের কোদালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কোদালপুর এলাকায় খামার করা হয়েছে। দুটি খামারে ৮০০ মহিষ লালনপালন করা হচ্ছে। লক্ষ্মীপুরের আটজন খামারি ওই দুটি খামার করেছেন।

 

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের খামারিরা শুধু গরু ও ছাগল লালনপালন করতেন। জেলায় চার লাখ গবাদিপশু লালনপালন করা হয়। গত বছর লক্ষ্মীপুর জেলার কয়েকজন খামারি মিলে গোসাইরহাট উপজেলার মেঘনা নদীর একটি চরে দুটি খামার গড়ে তোলেন। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুবোধ কুমার দাস বলেন, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে পদ্মা ও মেঘনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। ওই দুটি নদীতে বিভিন্ন স্থানে ছোট–বড় অন্তত ২৫টি চর রয়েছে। যেখানে কয়েক হাজার একর চারণভূমি রয়েছে। আর নদীর চরগুলো মহিষ পালন করার আদর্শ জায়গা। এত দিন কেন খামারিরা চরে মহিষ পালন শুরু করেননি, তা তিনি বলতে পারেন না। তবে এসব চরে মহিষের লালনপালনে খরচ খুব কম। প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকেও সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

 

লক্ষ্মীপুর জেলার সাহেবের চর এলাকার বাসিন্দা আকুব আলী সরদার গত বছর ৪৫০টি মহিষ নিয়ে একটি খামার গড়ে তোলেন। ওই খামারের ৭০টি মহিষ দুধ দেয়। ওই দুধ নোয়াখালীতে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দামে বিক্রি করা হয়। আকুব আলী বলেন, ‘আমি ওই চরের কিছু জমি ভাড়া নিয়ে খামারটি করেছি। স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ীরা খামার থেকে মহিষ কিনে নিচ্ছেন। আর কিছু মহিষ দুধ দিচ্ছে, তা নোয়াখালীতে বিক্রি করছেন। দুধ নৌপথে নোয়াখালী পাঠানো হয়।’ আরেক খামারি জাকির হোসেন বলেন, এখানে বিচরণভূমি অনেক। লাভজনক হওয়ায় লক্ষ্মীপুর থেকে এসে খামার করেছেন। কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, মহিষের খামারটি হওয়ায় ভালো হয়েছে। স্থানীয় খামারিরা উদ্যোগী হলে তাঁদের সব ধরনের সহায়তা করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ফেনী জেলা কারাগারে মা হলেন নুসরাত হত্যার আসামি কামরুন নাহার মনি

» উত্তরায় ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে: মেয়র আতিকুল ইসলাম

» যেখানে পাওয়া যাবে ১০০ টাকায় ফাইনালের টিকিট

» অসুস্থ এন্ড্রু কিশোরকে দেখতে গেলেন ওমর সানী

» ক্যাসিনোর টাকা গ্রামের মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের আহ্বান ব্যারিস্টার সুমনের

» নিরাপত্তা চেয়ে সিলেটের অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের জিডি

» টানা ৪ দিন অনশনের পর প্রেমিকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে

» কলাপাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরন ও রিপোর্টার্স ইউনিটিতে কম্পিউটার বিতরন

» নওগাঁয় গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা প্রেমিকের, অজ্ঞান প্রেমিকা

» গ্রেফতার হওয়ার পরেও র‌্যাবকে ১০ কোটির অফার দেন জি কে শামীম

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৭ই আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট মেঘনার চরে মহিষের খামার

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

মোঃ ওমর ফারুক: শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় মেঘনা নদীর চরে মহিষের খামার গড়ে তোলা হয়েছে। চরে বিস্তীর্ণ চারণভূমি রয়েছে। তাই চরগুলো মহিষ পালন করার আদর্শ জায়গা। তবে দেরিতে হলেও চরে মহিষের খামার গড়ে তোলায় নতুন সম্ভাবনার উন্মোচন হয়েছে। গোসাইরহাটের কোদালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কোদালপুর এলাকায় খামার করা হয়েছে। দুটি খামারে ৮০০ মহিষ লালনপালন করা হচ্ছে। লক্ষ্মীপুরের আটজন খামারি ওই দুটি খামার করেছেন।

 

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের খামারিরা শুধু গরু ও ছাগল লালনপালন করতেন। জেলায় চার লাখ গবাদিপশু লালনপালন করা হয়। গত বছর লক্ষ্মীপুর জেলার কয়েকজন খামারি মিলে গোসাইরহাট উপজেলার মেঘনা নদীর একটি চরে দুটি খামার গড়ে তোলেন। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুবোধ কুমার দাস বলেন, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে পদ্মা ও মেঘনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। ওই দুটি নদীতে বিভিন্ন স্থানে ছোট–বড় অন্তত ২৫টি চর রয়েছে। যেখানে কয়েক হাজার একর চারণভূমি রয়েছে। আর নদীর চরগুলো মহিষ পালন করার আদর্শ জায়গা। এত দিন কেন খামারিরা চরে মহিষ পালন শুরু করেননি, তা তিনি বলতে পারেন না। তবে এসব চরে মহিষের লালনপালনে খরচ খুব কম। প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকেও সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

 

লক্ষ্মীপুর জেলার সাহেবের চর এলাকার বাসিন্দা আকুব আলী সরদার গত বছর ৪৫০টি মহিষ নিয়ে একটি খামার গড়ে তোলেন। ওই খামারের ৭০টি মহিষ দুধ দেয়। ওই দুধ নোয়াখালীতে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দামে বিক্রি করা হয়। আকুব আলী বলেন, ‘আমি ওই চরের কিছু জমি ভাড়া নিয়ে খামারটি করেছি। স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ীরা খামার থেকে মহিষ কিনে নিচ্ছেন। আর কিছু মহিষ দুধ দিচ্ছে, তা নোয়াখালীতে বিক্রি করছেন। দুধ নৌপথে নোয়াখালী পাঠানো হয়।’ আরেক খামারি জাকির হোসেন বলেন, এখানে বিচরণভূমি অনেক। লাভজনক হওয়ায় লক্ষ্মীপুর থেকে এসে খামার করেছেন। কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, মহিষের খামারটি হওয়ায় ভালো হয়েছে। স্থানীয় খামারিরা উদ্যোগী হলে তাঁদের সব ধরনের সহায়তা করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited