শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ঈদ করতে এসে বাবা সাথে গোসলে গিয়ে ভাই-বোন নিখোঁজ, ৫ঘন্টা পর লাশ উদ্ধার

মোঃ ওমর ফারুক, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের অন্তর্ভুক্ত নড়িয়া উপজেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে ঈদ করতে গ্রামে গিয়েছিল মো. শরিফ (১৭) ও মাহফুজা আক্তার (১৪)। মামাতো-খালাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দে মেতে ছিল তারা। দুপুরে নানা বাড়িতে সব স্বজনেরা আসবেন। এক সঙ্গে খাবার খাবেন। খাওয়া-দাওয়া শুরুর আগে সব ভাই-বোন মিলে পদ্মায় গোসল করতে নামে তারা। বাকিরা ফিরে আসলেও এই দুজন তলিয়ে যায় পদ্মায়। সবার চোখের সামনে তারা তলিয়ে গেলও কারওরই কিছুই করার ছিল না। ঘটনার প্রায় ৫ ঘণ্টা পরে ডুবুরিরা দুজনের নিথর দেহ তুলে আনেন। ঈদ আনন্দে মেতে থাকা পরিবারটিতে মুহূর্তে নেমে আসে বিষাদের ছায়া।

 

মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দুর্গম পদ্মার চর নওপাড়া মুন্সিকান্দি গ্রামে। পদ্মায় তলিয়ে মারা যাওয়া মো. শরিফ ও মাহফুজা আক্তার ওই গ্রামের আবদুল হক ব্যাপারীর ছেলে। শরিফ ঢাকার মিরপুরের একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আর মাহফুজা মিরপুরের একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী।

 

মঙ্গলবার দুপুরে শরিফ ও মাহফুজা তাদের মামাতো ও খালাতো ভাই বোনদের সঙ্গে পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। দুপুর আড়াইটার দিকে সাঁতার কাটতে গিয়ে দুই ভাইবোন স্রোতের তোড়ে পড়ে। অন্যরা তাদের উদ্ধার করতে চেষ্টা করে। ততক্ষণে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্বজনরা নদীতে তাদের খোঁজাখুঁজি করেন। পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে ডুবুরি এনে তাদের খুঁজে বের করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মুন্সিকান্দি গ্রামের পদ্মা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

শরিফ ও মাহফুজার বাবা আবদুল হক ব্যাপারীর বাড়ি মুন্সিকান্দি গ্রামেই। তিনি ছোটবেলা থেকে ঢাকার মিরপুরে থাকেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি ভাড়া করা বাসায় থাকেন। সিএনজি চালক আবদুল হক রোববার পরিবার নিয়ে শ্বশুর বাড়ি নওপাড়া মুন্সিকান্দিতে আসেন। ওই বাড়ির পাশেই পদ্মা নদী। দুপুরে সন্তানরা যখন পদ্মায় যায় তিনিও তখন তাদের সঙ্গে যান। সন্তানরা বেশি সময় নিয়ে গোসল করায় তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। বাড়ি পৌঁছার আগেই ছেলে মেয়ে স্রোতে ভেসে যাচ্ছে এমন চিৎকার শুনতে পেয়ে দৌড়ে নদীতে যান। ততক্ষণে ছেলে মেয়ে তলিয়ে যায়। নদীতে নেমে ওই স্রোতের মধ্যেই সন্তানদের খুঁজতে থাকেন। ততক্ষণে খবর পেয়ে অন্য স্বজনরাও তাদের খুঁজতে পদ্মায় নামেন।

 

আবদুল হক বলেন,আমি ফেরার সময় তাদের নদী থেকে উঠতে বলেছিলাম। তারা আমার কথা না শুনে নদীতে আনন্দ করার জন্য থেকে যায়। আমি বিরক্ত হয়ে বাড়ির দিকে রওনা হই। আমিতো ভাবতে পারিনি ওরাই আমার সঙ্গে অভিমান করে সারা জীবনের জন্য চলে যাবে।আমিই ওদের নদীতে নিয়ে এসেছিলাম। আমিই ওদের নদীতে বিসর্জন দিয়ে গেলাম। এখন ওদের মাকে কি জবাব দেব? আল্লাহ কেন আমাদের সন্তানদের নিয়ে গেলেন? শরিফ ও মাহফুজার সঙ্গে গোসল করছিল তাদের খালাত বোন রিয়া। সে প্রথম আলোকে জানায়,খালু (আবদুল হক) যখন নদী থেকে ফিরে বাড়ি যাচ্ছিল তখন শরিফ ভাই ও মাহফুজা সাঁতার কাটতে থাকে। হঠাৎ দেখি তারা ভেসে যাচ্ছে। আমি দ্রুত চিৎকার দিয়ে খালুকে ডাকি। খালু আসতে আসতে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। আমাদের চোখের সামনে ভাই-বোন তলিয়ে গেল। কিছুই করতে পারছিলাম না।

 

শরিফ ও মাহফুজার নানা আবদুল হাই দেওয়ান বলেন, ঈদ উপলক্ষে ছেলে-মেয়ে ও তাদের সন্তানরা বাড়িতে এসেছে। বাড়ি আনন্দ উৎসব। দুপুরে রান্না হচ্ছিল। ওরা নদী থেকে ফিরলেই এক সঙ্গে বসে সবার খাবার খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওদের হারিয়ে যাওয়ার খবরটি কেউ মানতে পারছি না। ফুলের মতো দুটি ছেলে-মেয়ে মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে গেল তা কি মেনে নেওয়া যায়? নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ আজগর সোহেল মুন্সি বলেন,পদ্মায় ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যুর ঘটনাটি কেউ মেনে নিতে পারছে না। ওই পরিবার শুধু নয়, গ্রামের মানুষের ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে।

 

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, নওপাড়া চতুর্দিকর পদ্মা নদী দিয়ে বেষ্টিত। অনেক দুর্গম চর। দুই শিক্ষার্থী পদ্মায় ডুবে গেছে এমন খবর পেয়ে ডুবুরি খবর দেওয়া হয়। ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, পরিবার চাইলে তাদের সকল ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» বিলুপ্ত এক সময়ের ঐহিত্যবাহী বাহন পালকি

» মাদারীপুরের কাঠাল বাড়ি-শিমুলিয়া পদ্মা নদীর নৌ-রুটে তীব্র নাব্যতা সংকটে

» ভাষার মিনার গড়ছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির পাঁচ তরুন ভাষাযোদ্ধা

» রাতের আকাশে রং উড়িয়েছে বে-রংয়ের ফানুস বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের প্রবারণা উৎসব শুরু

» পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় বীমা দাবীর টাকা ফেরৎ দিল মেঘনা লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি

» গভীর ষড়যন্ত্র এবং মিথ্যা ও ভিত্তিহীন ফেসবুকে তথ্য প্রকাশের প্রতিবাদে দশমিনায় সংবাদ সম্মেলন

» হরিণাকুন্ডুতে একই পরিবারের সবাই প্রতিবন্ধী, নেই থাকার ঘর

» ৬৬,০০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্ম বিরতি পালন

» প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আবরারের বাবা-মা গণভবনে

» শুধু ছেলেরাই কেন সংসার চালাবে

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৯শে আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ঈদ করতে এসে বাবা সাথে গোসলে গিয়ে ভাই-বোন নিখোঁজ, ৫ঘন্টা পর লাশ উদ্ধার

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

মোঃ ওমর ফারুক, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের অন্তর্ভুক্ত নড়িয়া উপজেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে ঈদ করতে গ্রামে গিয়েছিল মো. শরিফ (১৭) ও মাহফুজা আক্তার (১৪)। মামাতো-খালাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দে মেতে ছিল তারা। দুপুরে নানা বাড়িতে সব স্বজনেরা আসবেন। এক সঙ্গে খাবার খাবেন। খাওয়া-দাওয়া শুরুর আগে সব ভাই-বোন মিলে পদ্মায় গোসল করতে নামে তারা। বাকিরা ফিরে আসলেও এই দুজন তলিয়ে যায় পদ্মায়। সবার চোখের সামনে তারা তলিয়ে গেলও কারওরই কিছুই করার ছিল না। ঘটনার প্রায় ৫ ঘণ্টা পরে ডুবুরিরা দুজনের নিথর দেহ তুলে আনেন। ঈদ আনন্দে মেতে থাকা পরিবারটিতে মুহূর্তে নেমে আসে বিষাদের ছায়া।

 

মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দুর্গম পদ্মার চর নওপাড়া মুন্সিকান্দি গ্রামে। পদ্মায় তলিয়ে মারা যাওয়া মো. শরিফ ও মাহফুজা আক্তার ওই গ্রামের আবদুল হক ব্যাপারীর ছেলে। শরিফ ঢাকার মিরপুরের একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আর মাহফুজা মিরপুরের একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী।

 

মঙ্গলবার দুপুরে শরিফ ও মাহফুজা তাদের মামাতো ও খালাতো ভাই বোনদের সঙ্গে পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। দুপুর আড়াইটার দিকে সাঁতার কাটতে গিয়ে দুই ভাইবোন স্রোতের তোড়ে পড়ে। অন্যরা তাদের উদ্ধার করতে চেষ্টা করে। ততক্ষণে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্বজনরা নদীতে তাদের খোঁজাখুঁজি করেন। পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে ডুবুরি এনে তাদের খুঁজে বের করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মুন্সিকান্দি গ্রামের পদ্মা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

শরিফ ও মাহফুজার বাবা আবদুল হক ব্যাপারীর বাড়ি মুন্সিকান্দি গ্রামেই। তিনি ছোটবেলা থেকে ঢাকার মিরপুরে থাকেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি ভাড়া করা বাসায় থাকেন। সিএনজি চালক আবদুল হক রোববার পরিবার নিয়ে শ্বশুর বাড়ি নওপাড়া মুন্সিকান্দিতে আসেন। ওই বাড়ির পাশেই পদ্মা নদী। দুপুরে সন্তানরা যখন পদ্মায় যায় তিনিও তখন তাদের সঙ্গে যান। সন্তানরা বেশি সময় নিয়ে গোসল করায় তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। বাড়ি পৌঁছার আগেই ছেলে মেয়ে স্রোতে ভেসে যাচ্ছে এমন চিৎকার শুনতে পেয়ে দৌড়ে নদীতে যান। ততক্ষণে ছেলে মেয়ে তলিয়ে যায়। নদীতে নেমে ওই স্রোতের মধ্যেই সন্তানদের খুঁজতে থাকেন। ততক্ষণে খবর পেয়ে অন্য স্বজনরাও তাদের খুঁজতে পদ্মায় নামেন।

 

আবদুল হক বলেন,আমি ফেরার সময় তাদের নদী থেকে উঠতে বলেছিলাম। তারা আমার কথা না শুনে নদীতে আনন্দ করার জন্য থেকে যায়। আমি বিরক্ত হয়ে বাড়ির দিকে রওনা হই। আমিতো ভাবতে পারিনি ওরাই আমার সঙ্গে অভিমান করে সারা জীবনের জন্য চলে যাবে।আমিই ওদের নদীতে নিয়ে এসেছিলাম। আমিই ওদের নদীতে বিসর্জন দিয়ে গেলাম। এখন ওদের মাকে কি জবাব দেব? আল্লাহ কেন আমাদের সন্তানদের নিয়ে গেলেন? শরিফ ও মাহফুজার সঙ্গে গোসল করছিল তাদের খালাত বোন রিয়া। সে প্রথম আলোকে জানায়,খালু (আবদুল হক) যখন নদী থেকে ফিরে বাড়ি যাচ্ছিল তখন শরিফ ভাই ও মাহফুজা সাঁতার কাটতে থাকে। হঠাৎ দেখি তারা ভেসে যাচ্ছে। আমি দ্রুত চিৎকার দিয়ে খালুকে ডাকি। খালু আসতে আসতে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। আমাদের চোখের সামনে ভাই-বোন তলিয়ে গেল। কিছুই করতে পারছিলাম না।

 

শরিফ ও মাহফুজার নানা আবদুল হাই দেওয়ান বলেন, ঈদ উপলক্ষে ছেলে-মেয়ে ও তাদের সন্তানরা বাড়িতে এসেছে। বাড়ি আনন্দ উৎসব। দুপুরে রান্না হচ্ছিল। ওরা নদী থেকে ফিরলেই এক সঙ্গে বসে সবার খাবার খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওদের হারিয়ে যাওয়ার খবরটি কেউ মানতে পারছি না। ফুলের মতো দুটি ছেলে-মেয়ে মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে গেল তা কি মেনে নেওয়া যায়? নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ আজগর সোহেল মুন্সি বলেন,পদ্মায় ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যুর ঘটনাটি কেউ মেনে নিতে পারছে না। ওই পরিবার শুধু নয়, গ্রামের মানুষের ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে।

 

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, নওপাড়া চতুর্দিকর পদ্মা নদী দিয়ে বেষ্টিত। অনেক দুর্গম চর। দুই শিক্ষার্থী পদ্মায় ডুবে গেছে এমন খবর পেয়ে ডুবুরি খবর দেওয়া হয়। ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, পরিবার চাইলে তাদের সকল ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited