আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস

যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে

আমি বাইব না মোর খেয়াতরী এই ঘাটে।

 

… মানবজনমের অনিবার্য গন্তব্যের কথা ভেবেই কবিগুরু লিখেছিলেন এই গানটি।দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেও তিনি যে বাঙালির হৃদয়ে চিরজীবি রয়ে যাবেন, বেঁচে থাকতেই বোধকরি উপলব্ধি করেছিলেন। তাই বুঝি এ গানের মধ্যেই বলে যান,

তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি

সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি আহা

নতুন নামে ডাকবে মোরে বাঁধবে নতুন বাহুডোরে

আসব যাবো চিরদিনের সেই আমি।

 

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অজস্র সৃষ্টির মধ্য দিয়ে, অনুকরণীয় কর্মের মধ্য দিয়ে মৃত্যুকে জয় করে গেছেন। তাই তো তিনি ধ্রবতারার মতোই উজ্জ্বল রয়েছেন বাঙালির অন্তরের গভীরে। কালের ধূলোতে বিবর্ণ হয়ে গেছে অনেক কিছুই। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এখনও বর্ণিল। বাঙালির প্রতিটি আবেগ আর সূক্ষ্ম অনুভূতির মাঝে সদাজাগ্রত তাঁর সৃষ্টি।

 

আজ ২২ শ্রাবণ (৬ মে) কবিগুরুর ৭৮তম প্রয়াণ দিবস। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের (১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ ) কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে ঘোর বর্ষার দিনে চিরবিদায় নেন বাঙালির প্রাণের এই মানুষটি। ৮০ বছর বয়সে চলে গেলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এ মৃত্যু যেন দেহান্তর মাত্র।

 

দিনটি উপলক্ষে বাংলা একাডেমি, ছায়ানট, শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন আজ রাজধানীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাঁকে স্মরণ করবে। এসব অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে তাঁরই লেখা গান, আবৃত্তি করা হবে তাঁরই কবিতা। মঞ্চে উপস্থাপিত হবে রবীন্দ্রনাট্য, নৃত্য। আরো কত কী আয়োজন, সবই তাঁর সৃষ্টিকে সঙ্গী করেই। হবে নাইবা কেনো?বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অনেক কিছুরই প্রথম রূপকার রবীন্দ্রনাথ। তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য নতুন যুগের সৃষ্টি হয়।

 

বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নের পথিকৃৎ রবিঠাকুর ছোট গল্পেরও জনক। গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, প্রবন্ধে, নতুন নতুন সুরে ও বিচিত্র গানের বাণীতে, দার্শনিক চিন্তাসমৃদ্ধ প্রবন্ধে, এমনকি চিত্রকলায়ও রবীন্দ্রনাথ চিরনবীন-চির অমর। রবীন্দ্রনাথ আজও আমাদের মনমানসিকতা গঠনের, চেতনার উন্মেষের প্রধান অবলম্বন। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ’ নামের বানানটিও আমরা রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে পেয়েছি। বাঙালির যাপিত জীবনাচরণের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গান অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় বাঙালির যাপিত জীবন, ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে যেমন মেলে ধরেছেন, তেমনি বাঙালির চিরদিনের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনারও রূপকার তিনি। এমন কোনো মানবিক অনুভূতি নেই, যা রবীন্দ্রনাথের লেখায় পাওয়া যায় না। তাঁর সম্পর্কে কবি দীনেশ দাশ লিখেছেন, ‘তোমার পায়ের পাতা সবখানে পাতা।’ রবীন্দ্রনাথের বহুমাত্রিক সৃজনশীলতা সাহিত্য ও শিল্পের প্রায় সব কটি শাখাকে স্পর্শ করেছে, সমৃদ্ধ করেছে। শুধু সৃজনশীল সাহিত্য রচনায় নয়, অর্থনীতি, সমাজ, রাষ্ট্র নিয়ে তাঁর ভাবনাও তাঁকে অত্যন্ত উঁচু স্থানে নিয়ে গেছে। সামাজিক উন্নয়ন ও গণশিক্ষার যে তৎপরতা আমরা আজ লক্ষ করি, রবীন্দ্রনাথ সেই সময়ে নওগাঁর পতিসর ও কুষ্টিয়ার শিলাইদহে, পরবর্তীকালে শান্তিনিকেতনে সে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে দেশজ আদর্শলালিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করেন শান্তিনিকেতন।

 

রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তাঁর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সংগীত। ভারতের জাতীয় সংগীতও তাঁরই রচনা। তিনিই একমাত্র কবি, যিনি দুটি দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা।

 

কবিগুরুর আশি বছরের জীবনের পুরোটাই ছিল মানবপ্রীতির জন্য নিবেদিত। এক জীবনে রবীন্দ্রনাথ তো কম দেননি। তিনি দিয়েছেন, পেয়েছেনও অনেক। জীবনের এমন কোনো দিক নেই, যেখানে তিনি আলো ফেলেননি।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক জীবনে সাহিত্যের এমন বিচিত্র বিশ্ব রচনা করেছেন, যা বাংলা ভাষাকে শুধু বিশ্বসাহিত্যের আসরে মহিমান্বিতই করেনি, সমৃদ্ধও করেছে নানাভাবে। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি বাংলা সাহিত্যকে বিরল গৌরব এনে দেয়।

 

কর্মসূচি : বাইশে শ্রাবণ উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজন করেছে একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। যাতে একক বক্তৃতা দেবেন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে একাডেমির আয়োজনে থাকছে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রবীন্দ্র প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে ছায়ানট আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠানের। এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ স্মরণে সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন এবং বেতারেও থাকবে নানা আয়োজন।

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» এস এ গেমস আর্চারিতে দশে দশ বাংলাদেশ

» দশমিনায় দূর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন ও সভা অনুষ্ঠিত

» জরাজীর্ণ বসতঘরে জীবন-যাপন দশমিনায় মিনারা’র

» যশোরের বেনাপোলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিসব-২০১৯ উদযাপন

» যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসনকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে সমাবেশ ও মানববন্ধন

» বিপিএলের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

» জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

» ডাকসু ভিপি নুরের পদত্যাগ চায় ছাত্রলীগের ২৩ নেতা

» গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে রুম্পার কথিত প্রেমিককে

» প্রধানমন্ত্রী আজ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করবেন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৫শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে

আমি বাইব না মোর খেয়াতরী এই ঘাটে।

 

… মানবজনমের অনিবার্য গন্তব্যের কথা ভেবেই কবিগুরু লিখেছিলেন এই গানটি।দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেও তিনি যে বাঙালির হৃদয়ে চিরজীবি রয়ে যাবেন, বেঁচে থাকতেই বোধকরি উপলব্ধি করেছিলেন। তাই বুঝি এ গানের মধ্যেই বলে যান,

তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি

সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি আহা

নতুন নামে ডাকবে মোরে বাঁধবে নতুন বাহুডোরে

আসব যাবো চিরদিনের সেই আমি।

 

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অজস্র সৃষ্টির মধ্য দিয়ে, অনুকরণীয় কর্মের মধ্য দিয়ে মৃত্যুকে জয় করে গেছেন। তাই তো তিনি ধ্রবতারার মতোই উজ্জ্বল রয়েছেন বাঙালির অন্তরের গভীরে। কালের ধূলোতে বিবর্ণ হয়ে গেছে অনেক কিছুই। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এখনও বর্ণিল। বাঙালির প্রতিটি আবেগ আর সূক্ষ্ম অনুভূতির মাঝে সদাজাগ্রত তাঁর সৃষ্টি।

 

আজ ২২ শ্রাবণ (৬ মে) কবিগুরুর ৭৮তম প্রয়াণ দিবস। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের (১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ ) কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে ঘোর বর্ষার দিনে চিরবিদায় নেন বাঙালির প্রাণের এই মানুষটি। ৮০ বছর বয়সে চলে গেলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এ মৃত্যু যেন দেহান্তর মাত্র।

 

দিনটি উপলক্ষে বাংলা একাডেমি, ছায়ানট, শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন আজ রাজধানীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাঁকে স্মরণ করবে। এসব অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে তাঁরই লেখা গান, আবৃত্তি করা হবে তাঁরই কবিতা। মঞ্চে উপস্থাপিত হবে রবীন্দ্রনাট্য, নৃত্য। আরো কত কী আয়োজন, সবই তাঁর সৃষ্টিকে সঙ্গী করেই। হবে নাইবা কেনো?বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অনেক কিছুরই প্রথম রূপকার রবীন্দ্রনাথ। তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য নতুন যুগের সৃষ্টি হয়।

 

বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নের পথিকৃৎ রবিঠাকুর ছোট গল্পেরও জনক। গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, প্রবন্ধে, নতুন নতুন সুরে ও বিচিত্র গানের বাণীতে, দার্শনিক চিন্তাসমৃদ্ধ প্রবন্ধে, এমনকি চিত্রকলায়ও রবীন্দ্রনাথ চিরনবীন-চির অমর। রবীন্দ্রনাথ আজও আমাদের মনমানসিকতা গঠনের, চেতনার উন্মেষের প্রধান অবলম্বন। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ’ নামের বানানটিও আমরা রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে পেয়েছি। বাঙালির যাপিত জীবনাচরণের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গান অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় বাঙালির যাপিত জীবন, ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে যেমন মেলে ধরেছেন, তেমনি বাঙালির চিরদিনের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনারও রূপকার তিনি। এমন কোনো মানবিক অনুভূতি নেই, যা রবীন্দ্রনাথের লেখায় পাওয়া যায় না। তাঁর সম্পর্কে কবি দীনেশ দাশ লিখেছেন, ‘তোমার পায়ের পাতা সবখানে পাতা।’ রবীন্দ্রনাথের বহুমাত্রিক সৃজনশীলতা সাহিত্য ও শিল্পের প্রায় সব কটি শাখাকে স্পর্শ করেছে, সমৃদ্ধ করেছে। শুধু সৃজনশীল সাহিত্য রচনায় নয়, অর্থনীতি, সমাজ, রাষ্ট্র নিয়ে তাঁর ভাবনাও তাঁকে অত্যন্ত উঁচু স্থানে নিয়ে গেছে। সামাজিক উন্নয়ন ও গণশিক্ষার যে তৎপরতা আমরা আজ লক্ষ করি, রবীন্দ্রনাথ সেই সময়ে নওগাঁর পতিসর ও কুষ্টিয়ার শিলাইদহে, পরবর্তীকালে শান্তিনিকেতনে সে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে দেশজ আদর্শলালিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করেন শান্তিনিকেতন।

 

রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তাঁর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সংগীত। ভারতের জাতীয় সংগীতও তাঁরই রচনা। তিনিই একমাত্র কবি, যিনি দুটি দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা।

 

কবিগুরুর আশি বছরের জীবনের পুরোটাই ছিল মানবপ্রীতির জন্য নিবেদিত। এক জীবনে রবীন্দ্রনাথ তো কম দেননি। তিনি দিয়েছেন, পেয়েছেনও অনেক। জীবনের এমন কোনো দিক নেই, যেখানে তিনি আলো ফেলেননি।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক জীবনে সাহিত্যের এমন বিচিত্র বিশ্ব রচনা করেছেন, যা বাংলা ভাষাকে শুধু বিশ্বসাহিত্যের আসরে মহিমান্বিতই করেনি, সমৃদ্ধও করেছে নানাভাবে। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি বাংলা সাহিত্যকে বিরল গৌরব এনে দেয়।

 

কর্মসূচি : বাইশে শ্রাবণ উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজন করেছে একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। যাতে একক বক্তৃতা দেবেন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে একাডেমির আয়োজনে থাকছে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রবীন্দ্র প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে ছায়ানট আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠানের। এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ স্মরণে সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন এবং বেতারেও থাকবে নানা আয়োজন।

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited