জাবি শিক্ষার্থী ফিরোজকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

Spread the love
জাবি প্রতিনিধি : সাগর কর্মকার : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের(৪৬ তম অাবর্তন) শিক্ষার্থী মো. ফিরোজ হোসাইন সোরাইসিস আর্থ্রাইটিস’ ও ‘সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস’ নামক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনের সাথে লড়াই করছেন। গ্রামের বাড়ি নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায়। রংপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি তে জিপিএ-ফাইভ পেয়ে পাস করেছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোগের শুরুটা কয়েক বছর আগে। ১৪ মে ২০১৪ সালে দেহে রোগের উপস্থিতি বুঝতে পেরে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শফিকুল ইসলাকে দেখানো হয়। নানা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায় এই রোগটির কথা। কিছুদিন ঔষুধ খেয়ে সুস্থ থাকলেও ২০১৪ সালের শেষের দিকে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন ফিরোজ। তখন নেওয়া হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রোগের জটিলতা দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় গুলশান ল্যাব এইড হাসপাতালে। অর্থোপেডিক্স-এর ডা. এহসানুল রাব্বির চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যায় তিনি।
অবস্থা অাবার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. হাবিবুর রহমানকে (ফিজিক্যাল মেডিসিন) দেখানো হয়। রোগের তেমন উন্নতি না হওয়ার চলে আসেন ঢাকার আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ডা. নজরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেন। তার দুবছর পর ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. মিনহাজ রহিম চৌধুরীকে দেখানো হয়। এরপর প্রতি মাসে গ্রহণ করতে থাকেন ভ্যাক্সিন বায়োলজিক্স। প্রতিটি বায়োলজিক্স-এ খরচ পরে ১০ হাজার টাকা। এ সময় আবার স্বাভাবিক হতে থাকেন তিনি।
২০১৭ সালের দিকে ২য় বার দুই মাসের প্রস্তুতিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চান্সও হয় জাবির উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে। সময়টা বেশ ভালোই যাচ্ছিল তখন। কিন্তু উচ্চমূল্যের ওষুধের ব্যয়ভার বহন করতে পারছিল না তার পরিবার। ফলে ওষুধ খাওয়া প্রায় ছেড়ে দেন তিনি। বছর খানেক কিছুটা ভালো থাকার পর আবার সেই আগের অবস্থা। এরপর ডা. এ টি এম আসাদুজ্জামান, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. সৈয়দ আতিকুল হক (গ্রিনলাইফ), অধ্যাপক ডা. মিনহাজ রহিম চৌধুরীকে দেখানো হয়। প্রতি মাসে তার ভ্যাক্সিন (বায়োলজিক্স) বাবদ খরচ লাগতে শুরু করে প্রায় ২৫০০০ টাকা। কিন্তু এই ওষুধে তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা। তাই নতুন ভ্যাক্সিন (বায়োলজিক্স) ডোজ নিতে হবে তাকে। প্রথম মাসে লাগবে ৩,৫০,০০০ টাকা। এরপর প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকায় চলবে চিকিৎসা। প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা দরকার ভ্যাক্সিনের ডোজটা কমপ্লিট করার জন্য, কিন্তু তার বিধবা মায়ের পক্ষে এই অর্থের জোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই ছেলের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের নিকট হাত বাড়িয়েছেন তার মা ও তার বন্ধুরা।
বর্তমানে ফিরোজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসারত অবস্থায় আছেন। কেবলমাত্র আমাদের সকলের সহযোগিতায় আর ডাক্তারদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় পারে ফিরোজকে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে।
ফিরোজের জন্যে সাহায্য পাঠাতে পারেন : বিকাশ : শুভ – 01763191504 আসিফ- 01781399199
রকেট : শুভ- 017631915048, আসিফ – 015212429874
অগ্রণী ব্যাংক : অ্যাকাউন্ট নাম : আফরোজা আক্তার সুরভী, অ্যাকাউন্ট নাম্বার- 0200011536673, অগ্রণী ব্যাংক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» বেনাপোল চেকপোস্ট নারীর ব্যাগে মিলল ৪০ হাজার ডলার ও ১৩ লাখ রুপি

» বাংলাদেশের নতুন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো

» প্রতিদিনের কথা এবং দৈনিক আলোকিত সকাল এ প্রকাশিত রেলওয়ে পুলিশ সম্পর্কিত সংবাদটি ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট

» ফুলবাড়ীতে কর্মক্ষেত্রে ফিরা মানুষের বিড়ম্বনা রেলের টিকি সোনার হরিণ

» আর কতো বাবা’রা প্যারালাইসিস হলে এই রাস্তাটা ঠিক হবে ?

» ঈদের ছুটি কাটিয়ে রাংঙ্গাবালী থেকে ভোগান্তি ছাড়াই নৌপথে ঢাকা ফিরছেন কর্মঠ মানুষেরা

» মিরপুরের চলন্তিকা বস্তিতে বস্তির আগুনে ৩ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

» কবুতর পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা দশম শ্রেণীর ছাত্র রূপঙ্কর চৌধুরী

» সেভ দ্য রোড ও অনলাইন প্রেস ইউনিটির উদ্যেগে বন্যাদূর্গত পরিবারকে ত্রাণ প্রদান

» কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ১৭তম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জাবি শিক্ষার্থী ফিরোজকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love
জাবি প্রতিনিধি : সাগর কর্মকার : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের(৪৬ তম অাবর্তন) শিক্ষার্থী মো. ফিরোজ হোসাইন সোরাইসিস আর্থ্রাইটিস’ ও ‘সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস’ নামক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনের সাথে লড়াই করছেন। গ্রামের বাড়ি নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায়। রংপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি তে জিপিএ-ফাইভ পেয়ে পাস করেছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোগের শুরুটা কয়েক বছর আগে। ১৪ মে ২০১৪ সালে দেহে রোগের উপস্থিতি বুঝতে পেরে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শফিকুল ইসলাকে দেখানো হয়। নানা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায় এই রোগটির কথা। কিছুদিন ঔষুধ খেয়ে সুস্থ থাকলেও ২০১৪ সালের শেষের দিকে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন ফিরোজ। তখন নেওয়া হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রোগের জটিলতা দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় গুলশান ল্যাব এইড হাসপাতালে। অর্থোপেডিক্স-এর ডা. এহসানুল রাব্বির চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যায় তিনি।
অবস্থা অাবার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. হাবিবুর রহমানকে (ফিজিক্যাল মেডিসিন) দেখানো হয়। রোগের তেমন উন্নতি না হওয়ার চলে আসেন ঢাকার আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ডা. নজরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেন। তার দুবছর পর ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. মিনহাজ রহিম চৌধুরীকে দেখানো হয়। এরপর প্রতি মাসে গ্রহণ করতে থাকেন ভ্যাক্সিন বায়োলজিক্স। প্রতিটি বায়োলজিক্স-এ খরচ পরে ১০ হাজার টাকা। এ সময় আবার স্বাভাবিক হতে থাকেন তিনি।
২০১৭ সালের দিকে ২য় বার দুই মাসের প্রস্তুতিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চান্সও হয় জাবির উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে। সময়টা বেশ ভালোই যাচ্ছিল তখন। কিন্তু উচ্চমূল্যের ওষুধের ব্যয়ভার বহন করতে পারছিল না তার পরিবার। ফলে ওষুধ খাওয়া প্রায় ছেড়ে দেন তিনি। বছর খানেক কিছুটা ভালো থাকার পর আবার সেই আগের অবস্থা। এরপর ডা. এ টি এম আসাদুজ্জামান, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. সৈয়দ আতিকুল হক (গ্রিনলাইফ), অধ্যাপক ডা. মিনহাজ রহিম চৌধুরীকে দেখানো হয়। প্রতি মাসে তার ভ্যাক্সিন (বায়োলজিক্স) বাবদ খরচ লাগতে শুরু করে প্রায় ২৫০০০ টাকা। কিন্তু এই ওষুধে তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা। তাই নতুন ভ্যাক্সিন (বায়োলজিক্স) ডোজ নিতে হবে তাকে। প্রথম মাসে লাগবে ৩,৫০,০০০ টাকা। এরপর প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকায় চলবে চিকিৎসা। প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা দরকার ভ্যাক্সিনের ডোজটা কমপ্লিট করার জন্য, কিন্তু তার বিধবা মায়ের পক্ষে এই অর্থের জোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই ছেলের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের নিকট হাত বাড়িয়েছেন তার মা ও তার বন্ধুরা।
বর্তমানে ফিরোজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসারত অবস্থায় আছেন। কেবলমাত্র আমাদের সকলের সহযোগিতায় আর ডাক্তারদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় পারে ফিরোজকে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে।
ফিরোজের জন্যে সাহায্য পাঠাতে পারেন : বিকাশ : শুভ – 01763191504 আসিফ- 01781399199
রকেট : শুভ- 017631915048, আসিফ – 015212429874
অগ্রণী ব্যাংক : অ্যাকাউন্ট নাম : আফরোজা আক্তার সুরভী, অ্যাকাউন্ট নাম্বার- 0200011536673, অগ্রণী ব্যাংক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited