মালিঙ্গার বিদায়ী ম্যাচে ৯১ রানের হার টাইগারদের

ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে লাসিথ মালিঙ্গার বিদায়ী ম্যাচে হেরে গেল বাংলাদেশ। শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩১৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায় টাইগাররা। সেই অবস্থা থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে খেলায় ফেরান মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমান রুম্মন। তাদের ১১১ রানের অনবদ্য জুটিতে একটা সময়ে ৪ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৫০ রান। খেলার এমন অবস্থায় টাইগার সমর্থকদের অনেকেই জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

 

এরপর আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়। ২৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট পড়ে গেলে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় বাংলাদেশ। ৫৬ বলে সাত চারের সাহায্যে ৬০ রান করে ফেরেন সাব্বির। মুশফিকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ডি সিলভার বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৮৭ রানে ৭ উইকেট পড়ে গেলে মনোবল হারিয়ে ফেলেন দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া মুশফিকুর রহিমও। নুয়ান প্রদীপের বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন বাংলাদেশ দলের এ নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান। ৮৬ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬৭ রান করে বিদায় নেন মুশফিক। মাত্র এক রানের ব্যবধানে ফেরেন শফিউল ইসলাম। ইনিংসের শেষ দিকে মারমুখি ব্যাটিং করে পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমান মোস্তাফিজুর রহমান। এই কাটারমাস্টার শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মালিঙ্গার তৃতীয় শিকার হলে ২২৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

 

শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩১৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই আউট হন টাইগার অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ইনিংসের প্রথম ওভারে মালিঙ্গার বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবালকে খুব নার্ভাসই মনে হয়েছে। উইকেটে রীতিমতো কাঁপা কাঁপি করছিলেন তিনি। ওভারের পঞ্চম বলটি কোনো রকমে ঠেকাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু মালিঙ্গার করা বলটি তামিমের ব্যাটের ফাঁক গলে লেগ স্ট্যাম্পে গিয়ে আঘাত হানে। শূন্য রানে বোল্ড হয়ে ফেরেন তামিম। দলীয় ৭.৩ ওভারে ৩০ রানে নুয়ান প্রদীপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নামা মোহাম্মদ মিঠুন। প্রস্তুতি ম্যাচে ৯১ রান করা এ উইকেটেকিপার ব্যাটসম্যান ২১ বলে ১০ রানে ফেরেন।

 

এরপর কোনো রান যোগ করার আগেই মালিঙ্গার বলে স্ট্যাম্প উড়ে যায় সৌম্য সরকারের। ২২ বলে ১৫ রান করেন তিনি। ৩০ রানে ৩ উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। লাহিরু কুমারার বাউন্সি বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সীমানার ঠিক কাছাকাছি ক্যাচে পরিণত হন রিয়াদ। তার বিদায়ে ১১.৫ ওভারে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ দল।শুক্রবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক শ্রীলংকা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। ৩২ মাস পর দলে ফিরেই শুভ সূচনা এনে দেন শফিউল ইসলাম। তার বলে ফাস্ট স্লিপে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন লংকান ওপেনার অভিস্কা ফার্নান্দো। দলীয় ১০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে শ্রীলংকার।

 

ভালো শুরুর রেশ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে দিমুথ করুনারত্নের সঙ্গে জুটি গড়ে তোলেন কুশাল পেরেরা। তাদের জুটিতে প্রথম ১০ ওভারে শ্রীলংকা করে ১ উইকেটে ৭৭ রান। টাইগার বোলারদের তুলোধুনো করে এই জুটিতে তারা যোগ করেন ৯৭ রান। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার অফ স্পিনে ফাইন লেগে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন লংকান অধিনায়ক করুনারত্নে। তার আগে ৩৭ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।তার বিদায়ে ১৫ ওভারে ১০৭ রানে দুই উইকেট হারায় শ্রীলংকা।

 

এরপর কুশল মেন্ডিসকে সঙ্গে নিয়ে ফের ১০০ রানের জুটি গড়েন পেরেরা। এই জুটিতেই ৮২ বলে শতরানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। নিয়মিত বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যাওয়া এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানকে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৯৯ বলে ১৭টি চার ও এক ছক্কায় ১১১ রান করেন পেরেরা। অনবদ্য ব্যাটিং করে ফিফটির পথেই ছিলেন কুশল মেন্ডিস। তাকে মুশফিকের ক্যাচে পরিণত করেন রুবেল হোসেন। ৪৯ বলে ৪৩ রান করে ফেরেন মেন্ডিস। তার বিদায়ে ৩৪ ওভারে ২১২ রানে ৪ উইকেট হারায় শ্রীলংকা।

 

এরপর ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও লাহিরু থিরিমান্নে। ৩০ বলে ২৫ রান করা থিরিমান্নেকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে ব্যাটিং চালিয়ে যান ম্যাথিউস। ইনিংস শেষ হওয়ার ৯ বল আগে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মোস্তাফিজের বলে সাব্বিরের ক্যাচে পরিণত হন লংকান সাবেক অধিনায়ক ম্যাথিউস। তার আগে ৫২ বলে তিন চারে ৪৮ রান করেন তিনি।

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» নবীগঞ্জের সিএনজি চালক মামুনের লাশ জগন্নাথপুর থেকে উদ্ধার

» ফতুল্লায় শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মদিন পালন

» গোসাইরহাটে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে কথিত দুই সাংবাদিক আটক

» শিক্ষামন্ত্রীর অনুরোধে অনশন কর্মসূচি স্থগিত

» বিশ লাখের ডাস্টবিন, তবুও বিষাক্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

» তুহিন হত্যাকাণ্ড, রিমান্ড শেষে বাবা-চাচাসহ ৩ জনকে জেলে প্রেরণ

» নিষেধ উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দশমিনার নদীতে মাছ শিকারে

» চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি রাজনগরে ব্যবসায়ীকে মামলা দিয়ে হয়রানি

» গলাচিপায় ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

» বিজিবি’র হাতে আটক ভারতীয় সেই জেলে কারাগারে

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মালিঙ্গার বিদায়ী ম্যাচে ৯১ রানের হার টাইগারদের

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে লাসিথ মালিঙ্গার বিদায়ী ম্যাচে হেরে গেল বাংলাদেশ। শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩১৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায় টাইগাররা। সেই অবস্থা থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে খেলায় ফেরান মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমান রুম্মন। তাদের ১১১ রানের অনবদ্য জুটিতে একটা সময়ে ৪ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৫০ রান। খেলার এমন অবস্থায় টাইগার সমর্থকদের অনেকেই জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

 

এরপর আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়। ২৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট পড়ে গেলে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় বাংলাদেশ। ৫৬ বলে সাত চারের সাহায্যে ৬০ রান করে ফেরেন সাব্বির। মুশফিকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ডি সিলভার বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৮৭ রানে ৭ উইকেট পড়ে গেলে মনোবল হারিয়ে ফেলেন দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া মুশফিকুর রহিমও। নুয়ান প্রদীপের বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন বাংলাদেশ দলের এ নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান। ৮৬ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬৭ রান করে বিদায় নেন মুশফিক। মাত্র এক রানের ব্যবধানে ফেরেন শফিউল ইসলাম। ইনিংসের শেষ দিকে মারমুখি ব্যাটিং করে পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমান মোস্তাফিজুর রহমান। এই কাটারমাস্টার শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মালিঙ্গার তৃতীয় শিকার হলে ২২৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

 

শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩১৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই আউট হন টাইগার অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ইনিংসের প্রথম ওভারে মালিঙ্গার বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবালকে খুব নার্ভাসই মনে হয়েছে। উইকেটে রীতিমতো কাঁপা কাঁপি করছিলেন তিনি। ওভারের পঞ্চম বলটি কোনো রকমে ঠেকাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু মালিঙ্গার করা বলটি তামিমের ব্যাটের ফাঁক গলে লেগ স্ট্যাম্পে গিয়ে আঘাত হানে। শূন্য রানে বোল্ড হয়ে ফেরেন তামিম। দলীয় ৭.৩ ওভারে ৩০ রানে নুয়ান প্রদীপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নামা মোহাম্মদ মিঠুন। প্রস্তুতি ম্যাচে ৯১ রান করা এ উইকেটেকিপার ব্যাটসম্যান ২১ বলে ১০ রানে ফেরেন।

 

এরপর কোনো রান যোগ করার আগেই মালিঙ্গার বলে স্ট্যাম্প উড়ে যায় সৌম্য সরকারের। ২২ বলে ১৫ রান করেন তিনি। ৩০ রানে ৩ উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। লাহিরু কুমারার বাউন্সি বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সীমানার ঠিক কাছাকাছি ক্যাচে পরিণত হন রিয়াদ। তার বিদায়ে ১১.৫ ওভারে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ দল।শুক্রবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক শ্রীলংকা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। ৩২ মাস পর দলে ফিরেই শুভ সূচনা এনে দেন শফিউল ইসলাম। তার বলে ফাস্ট স্লিপে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন লংকান ওপেনার অভিস্কা ফার্নান্দো। দলীয় ১০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে শ্রীলংকার।

 

ভালো শুরুর রেশ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে দিমুথ করুনারত্নের সঙ্গে জুটি গড়ে তোলেন কুশাল পেরেরা। তাদের জুটিতে প্রথম ১০ ওভারে শ্রীলংকা করে ১ উইকেটে ৭৭ রান। টাইগার বোলারদের তুলোধুনো করে এই জুটিতে তারা যোগ করেন ৯৭ রান। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার অফ স্পিনে ফাইন লেগে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন লংকান অধিনায়ক করুনারত্নে। তার আগে ৩৭ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।তার বিদায়ে ১৫ ওভারে ১০৭ রানে দুই উইকেট হারায় শ্রীলংকা।

 

এরপর কুশল মেন্ডিসকে সঙ্গে নিয়ে ফের ১০০ রানের জুটি গড়েন পেরেরা। এই জুটিতেই ৮২ বলে শতরানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। নিয়মিত বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যাওয়া এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানকে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৯৯ বলে ১৭টি চার ও এক ছক্কায় ১১১ রান করেন পেরেরা। অনবদ্য ব্যাটিং করে ফিফটির পথেই ছিলেন কুশল মেন্ডিস। তাকে মুশফিকের ক্যাচে পরিণত করেন রুবেল হোসেন। ৪৯ বলে ৪৩ রান করে ফেরেন মেন্ডিস। তার বিদায়ে ৩৪ ওভারে ২১২ রানে ৪ উইকেট হারায় শ্রীলংকা।

 

এরপর ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও লাহিরু থিরিমান্নে। ৩০ বলে ২৫ রান করা থিরিমান্নেকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে ব্যাটিং চালিয়ে যান ম্যাথিউস। ইনিংস শেষ হওয়ার ৯ বল আগে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মোস্তাফিজের বলে সাব্বিরের ক্যাচে পরিণত হন লংকান সাবেক অধিনায়ক ম্যাথিউস। তার আগে ৫২ বলে তিন চারে ৪৮ রান করেন তিনি।

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited