শিশু ও নারী নির্যাতন এবং যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

১৯ জুলাই ২০১৯, জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জ (মওলানা আকরাম খাঁ হল) ৩য় তলা, ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মতিউর রহমান লালটুর সঞ্চালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা সম্পর্কে আমরা কমবেশী অবগত আছি। মানব সভ্যতার বিকাশ ও ক্রববর্ধমান উন্নতি সাধিত হলেও আজও আমরা সত্যিকার অর্থে সভ্য মানুষ বলতে যা বুঝাই সে পর্যায়ে উপনিত হতে পারিনি। বর্তমান সমাজের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেই তা প্রতীয়মান হয়। উন্নত বিশ্বের মতো প্রতিদিন আমাদের দেশেও খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও শিশু হত্যার মতো জঘন্য কাজ সংগঠিত হচ্ছে। কিন্তু উন্নত দেশে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হয়ে থাকে। আমাদের দেশে আইন থাকলেও তার সঠিক প্রয়োগ হয় না।

 

সূতরাং সরকারের যেমন দায়িত্ব রয়েছে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিধান, তেমনি জনগণেরও উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক সকল প্রকার অন্যায়, অবিচার, অনাচার, কুশাসন, দুর্নীতি থেকে মুক্তির পথ বের করা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে সকলে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল খালেক বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে মেয়েরাও আজ অনেক এগিয়ে। সমাজের পরিবর্তন হয়েছে। সব কিছুতেই ছেলেদের সাথে পাল্লা দিয়ে মেয়েরাও এগিয়ে চলেছে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিময় দেশ গঠন সম্ভব। নারীর প্রতি নিষ্ঠুরতা, অবজ্ঞা, বৈষম্য এবং সহিংসতার মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম এর মাধ্যমে নারী ও শিশু হত্যা, ধর্ষণ, খুন অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলিজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা উম্মে ওয়ারা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও খুন, ধর্ষণ ও নারী-শিশু হত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ প্রতিটি পরিবার আতঙ্কগ্রস্থ। আমরা সভ্য জাতি হিসেবে দাবি করলেও সভ্য জাতির যে সব বৈশিষ্ট ও পুণাবলি থাকা দরকার, তা আমাদের মধ্যে লোপ পেয়েছে। যে কোন সামাজিক অপরাধ নিন্দনীয় ও জঘন্য কাজ। তবে শুধুমাত্র অপরাধীর শাস্তি দিলেই এসব অপরাধ সমূলে নির্মল হবে এ কথা বলা যাবে না। এ জন্য নৈতিক, ধর্মীয় ও আদর্শিক শিক্ষা ব্যবস্থা পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা দরকার। সামাজিক অবক্ষয় রোধ করতে হলে ছেলে মেয়েদের মানসিক-শারীরিক শিক্ষার বিষয়টি সংযোজন করে এই সব অপরাধ প্রবণতা থেকে মানুষের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে।

 

মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় দুর্নীতি, হত্যা, নারী ও শিশু ধর্ষনের মতো অপরাধ সংঘঠিত হতে পারেনা। বাংলার মানুষ যাতে সুখে, শান্তিতে ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে এর দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। বিচার বিভাগের দীর্ঘসূত্রতা ও বিচারের নামে যেন কোন প্রহসন না ঘটে এটাও দেখা রাষ্টের দায়িত্ব। কোন রকম রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা ধরদের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে জনগণ যাতে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

 

ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন, নারী আমার মা। নারী আমার জীবন সঙ্গী। নারীর আমার আদরের ছোট মেয়ে, যার হাসিতে স্বর্গীয় সুখ অনুভব করি। সেই নারী উপর সহিংশতা বন্ধ করার তিনি উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সিলেবাসে শিক্ষার সংস্কার ও বাস্তবমূখী শিক্ষা সংযোজন করা একান্ত জরুরী। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফীন বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশে উপনিত হয়েছি। কিন্তু সামাজিক অবক্ষয় রোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করা এবং সাম্য ও শান্তির পরিবেশ প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে আমাদের সর্ব অর্জন ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই আসুন সকলে মিলে নিজ নিজ দায়িত্ব কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করি এবং উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ি। সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এ মালেক বলেন, বিজ্ঞানের যেমন সফলতা রয়েছে তেমনই এর অপব্যবহারের মাধ্যমে মানব সভ্যতার ক্ষতিরও কারণ হয়েছে। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা সমাজের অপরাধ প্রবণতাকে অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারি। সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এই জন্য সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। এছাড়াও সম্মিলিতভাবে এই সকল অপরাধ প্রবণতার কারণ নির্ণয় ও প্রতিকারের জন্য গবেষণা অত্যন্ত প্রয়োজন।

 

]এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন, নেপালের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভূইয়া, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কাদের, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দের মধ্যে মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ শহিদুল্লাহ, এড. আবুল কালাম আজাদ, আমজাদ হোসেন কিবরিয়া, সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, রেহান সোবহান, ড. লিয়াকত হোসেন মোড়ল, মোঃ তারেক ইমতিয়াজ, প্রকৌশলী মাইনুল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশালের মহাসিচব) কাজী মোঃ জহিরুল কাইয়ূম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মাওলানা মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন পাঠান, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব শা. ম কাশেম মাসুদ, কোয়ালিটিব ফার্মাসিউটিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» শীতে একটু উষ্ণতা দিতে ঝিনাইদহে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ

» ঝিনাইদহে ৩’শ ৮২ বোতল ফেন্সিডিলসহ মালিক বিহীন প্রাইভেট কার জব্দ

» আড়ংয়ের ট্রায়াল রুমে গোপনে ভিডিও, তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল

» আজহারীর কাছে ইসলাম গ্রহণ করা সেই ১১ জনকে ভারতে ফেরত

» আগৈলঝাড়ায় বিভাগীয় তথ্য অফিসের উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

» মহানবী (সাঃ) আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা: এরদোগান

» কুয়াকাটা সড়কে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু

» রাজধানীতে র‍্যাবের অভিযানে ১৩ রোহিঙ্গা নারী আটক

» জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার

» প্রতিবন্ধী ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ১৪ই মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিশু ও নারী নির্যাতন এবং যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

১৯ জুলাই ২০১৯, জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জ (মওলানা আকরাম খাঁ হল) ৩য় তলা, ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মতিউর রহমান লালটুর সঞ্চালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা সম্পর্কে আমরা কমবেশী অবগত আছি। মানব সভ্যতার বিকাশ ও ক্রববর্ধমান উন্নতি সাধিত হলেও আজও আমরা সত্যিকার অর্থে সভ্য মানুষ বলতে যা বুঝাই সে পর্যায়ে উপনিত হতে পারিনি। বর্তমান সমাজের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেই তা প্রতীয়মান হয়। উন্নত বিশ্বের মতো প্রতিদিন আমাদের দেশেও খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও শিশু হত্যার মতো জঘন্য কাজ সংগঠিত হচ্ছে। কিন্তু উন্নত দেশে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হয়ে থাকে। আমাদের দেশে আইন থাকলেও তার সঠিক প্রয়োগ হয় না।

 

সূতরাং সরকারের যেমন দায়িত্ব রয়েছে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিধান, তেমনি জনগণেরও উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক সকল প্রকার অন্যায়, অবিচার, অনাচার, কুশাসন, দুর্নীতি থেকে মুক্তির পথ বের করা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে সকলে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল খালেক বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে মেয়েরাও আজ অনেক এগিয়ে। সমাজের পরিবর্তন হয়েছে। সব কিছুতেই ছেলেদের সাথে পাল্লা দিয়ে মেয়েরাও এগিয়ে চলেছে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিময় দেশ গঠন সম্ভব। নারীর প্রতি নিষ্ঠুরতা, অবজ্ঞা, বৈষম্য এবং সহিংসতার মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম এর মাধ্যমে নারী ও শিশু হত্যা, ধর্ষণ, খুন অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলিজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা উম্মে ওয়ারা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও খুন, ধর্ষণ ও নারী-শিশু হত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ প্রতিটি পরিবার আতঙ্কগ্রস্থ। আমরা সভ্য জাতি হিসেবে দাবি করলেও সভ্য জাতির যে সব বৈশিষ্ট ও পুণাবলি থাকা দরকার, তা আমাদের মধ্যে লোপ পেয়েছে। যে কোন সামাজিক অপরাধ নিন্দনীয় ও জঘন্য কাজ। তবে শুধুমাত্র অপরাধীর শাস্তি দিলেই এসব অপরাধ সমূলে নির্মল হবে এ কথা বলা যাবে না। এ জন্য নৈতিক, ধর্মীয় ও আদর্শিক শিক্ষা ব্যবস্থা পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা দরকার। সামাজিক অবক্ষয় রোধ করতে হলে ছেলে মেয়েদের মানসিক-শারীরিক শিক্ষার বিষয়টি সংযোজন করে এই সব অপরাধ প্রবণতা থেকে মানুষের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে।

 

মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় দুর্নীতি, হত্যা, নারী ও শিশু ধর্ষনের মতো অপরাধ সংঘঠিত হতে পারেনা। বাংলার মানুষ যাতে সুখে, শান্তিতে ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে এর দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। বিচার বিভাগের দীর্ঘসূত্রতা ও বিচারের নামে যেন কোন প্রহসন না ঘটে এটাও দেখা রাষ্টের দায়িত্ব। কোন রকম রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা ধরদের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে জনগণ যাতে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

 

ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন, নারী আমার মা। নারী আমার জীবন সঙ্গী। নারীর আমার আদরের ছোট মেয়ে, যার হাসিতে স্বর্গীয় সুখ অনুভব করি। সেই নারী উপর সহিংশতা বন্ধ করার তিনি উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সিলেবাসে শিক্ষার সংস্কার ও বাস্তবমূখী শিক্ষা সংযোজন করা একান্ত জরুরী। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফীন বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশে উপনিত হয়েছি। কিন্তু সামাজিক অবক্ষয় রোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করা এবং সাম্য ও শান্তির পরিবেশ প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে আমাদের সর্ব অর্জন ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই আসুন সকলে মিলে নিজ নিজ দায়িত্ব কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করি এবং উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ি। সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এ মালেক বলেন, বিজ্ঞানের যেমন সফলতা রয়েছে তেমনই এর অপব্যবহারের মাধ্যমে মানব সভ্যতার ক্ষতিরও কারণ হয়েছে। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা সমাজের অপরাধ প্রবণতাকে অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারি। সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এই জন্য সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। এছাড়াও সম্মিলিতভাবে এই সকল অপরাধ প্রবণতার কারণ নির্ণয় ও প্রতিকারের জন্য গবেষণা অত্যন্ত প্রয়োজন।

 

]এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন, নেপালের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভূইয়া, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কাদের, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দের মধ্যে মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ শহিদুল্লাহ, এড. আবুল কালাম আজাদ, আমজাদ হোসেন কিবরিয়া, সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, রেহান সোবহান, ড. লিয়াকত হোসেন মোড়ল, মোঃ তারেক ইমতিয়াজ, প্রকৌশলী মাইনুল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশালের মহাসিচব) কাজী মোঃ জহিরুল কাইয়ূম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মাওলানা মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন পাঠান, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব শা. ম কাশেম মাসুদ, কোয়ালিটিব ফার্মাসিউটিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।

 

 

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited