ধামইরহাট মঙ্গল খাল পুনঃ খনন হওয়ায় খুশি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির উপকারভোগী কৃষকরা

Spread the love

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ‘মঙ্গল খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ’ এর টেইসই প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি’র মাধ্যমে খাল পুনঃ খনন করা হয়েছে। খাল খনন হওয়ায় উপকৃত হচ্ছেন হাজারো কৃষক ও সমিতির সদস্যরা। পৌনে ১০ কিলোমিটার খালের মধ্যে ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত খাল খনন করা হলেও বাকী খাল পুনঃ খননের দাবী জানিয়েছেন সদস্যরা।

 

জানা গেছে, ধামইরহাটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত মঙ্গল খাল। সর্বশেষ ২০০৪-০৫ সালে খালটি খনন করা হয়। এরপর দীর্ঘ ১৩ বছরে খালটি খনন না করায় পলিজমে ভরাট হয়ে যায়। এতে করে সামান্য পানিতেই খাল উপচে পানি প্রবাহিত হয়ে ফসলি জমি ও বাড়িঘর ডুবে যেতো। এই সমস্যা থেকে উত্তোরনের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) থেকে ‘টেকসই ক্ষুদ্রকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খনন কাজটি করে ‘ধামইরহাট মঙ্গল খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড। মঙ্গল খাল পৌনে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার ঘুকসি খালের মূখ জিরো পয়েন্ট মঙ্গল খালের মূখ থেকে মালাহার গ্রামে ৪ কিলোমিটার খালটি পুনঃ খনন করা হয়। খাল খনন হওয়ায় উপজেলার উমার ইউনিয়নের মঙ্গলকোটা, তালঝাড়ি, বিয়াডাঙ্গা সহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া কৃষকদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে খননকৃত খালের উপড় দিয়ে পারাপাড়ের জন্য কয়েকটি বাঁশের সাঁকোও নির্মান করা হয়েছে।

 

সুন্দ্রা গ্রামের সুবধাভোগী ও কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, দীর্ঘ দিনে খালে পলি জমায় ভরাট হয়ে গেছে খালটি। এতে খাল থেকে পানি উপচে প্রবাহিত হয়ে ফসল ডুবে যায়। এছাড়া বন্যায় বাড়িঘরও ডুবে যায়। গত দুই মাস হলো খালটি খনন করা হয়েছে। এর আগে খালে পানি থাকতো না। আমার ৭ বিঘা জমিতে আবাদ করতে গিয়ে বড়ই সমস্যার মধ্যে পড়তো হতো। কিন্তু খাল খননের পর সুবিধা হয়েছে। এবারে অনাবৃষ্টিতে খাল থেকে সংগৃহিত পানি দিয়ে আউশের আবাদ করতে পারব। সুবিধাভোগী ও কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, বিগত বছরের পানি সংকটে আবাদ করতে কষ্ট হতো। আষাঢ়ের ভরা মৌসুম, এখনও বৃষ্টি নাই। এই খাল থেকে পানি নিয়ে ধানের চারা (বিছন) রোপন করেছি। এছাড়া জমিতে পানি দিয়ে হাল চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই খাল খননের ফলে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি।

 

বিহারীনগর গ্রামের উপকারভোগী সেলিম মাহমুদ রাজু জানান, এবারে খাল পুনঃ খননটি দৃশ্যমান হয়েছে। এই মঙ্গল খালের আওতায় তার ১২ বিঘা জমি আছে। খালটি দির্ঘদিন পর পুনঃ খনন হওয়ায় আমরা অনেক উপকৃত হবো। খালের দুইপারে অনেকটা রাস্তার মতো হচ্ছে। এছাড়া খালের এপাড় থেকে ওপাড়ে যেতে মাঝে মধ্যে বাঁশের সাঁকো তৈরী করে দেয়া হয়েছে। যাতে আমাদের উৎপাদিত ফসল অনায়াসেই ঘরে তুলতে পারি। মঙ্গল খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি নুরুজ্জামান বলেন, উমার ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক এই খাল থেকে সুবিধা ভোগ করবেন। খালের নিকটে যারা বসবাস করেন তারাই বেশি সুবিধা ভোগ করবেন। রবি মৌসুমে খাল থেকে পানি নিয়ে চাষাবাদে সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া নিজেদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে খালে আমরা মাছ চাষ ও হাঁস পালনের উদ্যোগ নিবো। বাকী যে ৬ কিলোমামিটার খাল আছে সেটুকুও যেনো সরকার পুনঃ খনন করে দেন এই দাবী করেন তিনি।

 

সার্ভেয়ার হাসান তৌফিক ইমাম বলেন, ঘুকশি খাল জিরো পয়েন্ট থেকে মঙ্গল খালের প্রথম ২ কিলোমিটার খালের নিচের প্রস্থতা ১৪ ফুট এবং ২ কিলোমিটার শেষ থেকে পরের ১ কিলোঃ ৮শ মিটার পর্যন্ত নিচের প্রস্থতা ১০ ফুট এবং শেষের ২শ মিটার খালের নিচের প্রস্থতা ৬ ফুট পর্যন্ত। এভাবে ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃ খনন করা হয়েছে। খালের গভীরতা জিরো থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ৪/৫ ফুট পর্যন্ত করার নিয়ম। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে প্রস্থতার দিকে খনন একটু বেশি করা হয়েছে। নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা প্রকৌশলী আলী হোসেন বলেন, সমিতির সদস্যরা খাল পুনঃ খননের জন্য একটি রেজুলেশন তৈরী করে আমার কাছে জমা দেন। সেটি নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর দাখিল করা হলে খাল পুনঃ খননের বরাদ্দ আসে। সে প্রেক্ষিতেই খালটি পুনঃ খনন করা হয়।

 

তিনি আরো বলেন, সমিতির ২২ টি শ্রমিক দল চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই খাল পুনঃ খননের কাজ সম্পন্ন করেন। সমিতির ৫২২ জন সদস্য এই কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। খাল পুনঃ খননে স্ক্যাবেটর দিয়ে ৭০ শতাংশ এবং সুবিধাভোগী শ্রমিকদের দিয়ে ৩০ শতাংশ কাজ করা হয়েছে। খাল খননের ফলে ওই এলাকার কৃষির প্রসার ঘটানো, মৎস্য চাষ ও হাঁস পালনসহ অন্যান্য সুবিধা পাবে। এতে করে সমিতির সদস্যের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। এছাড়া বাঁকী যে খাল রয়েছে নতুন করে বরাদ্দ আসলে সেগুলো পুনঃ খনন করা হবে। তবে একটি পক্ষ আমাদের কাছে সুবিধা না পেয়ে কাজের বিষয় নিয়ে নানা গুজব রটিয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন জিএম কাদের

» পটুয়াখালীর গলাচিপায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

» যশোরের শার্শা উপজেলায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

» রাংঙ্গাবালী উপজেলায় বর্জ্রপাতে এক জনের মৃত্যু

» মৎস্য বন্দর মহিপুরে চলছে খাস জমি দখলের মাহোৎসব; যেন দেখার কেউ নেই

» জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ/১৯ উপলক্ষে দশমিনায় সংবাদ সম্মেলন

» কলাপাড়ায় মৎস্য কর্মকর্তার সাথে সংবাদকর্মীদের মতবিনিময়

» মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৫৬ শতাংশ

» ৪১ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

» রিফাত হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ধামইরহাট মঙ্গল খাল পুনঃ খনন হওয়ায় খুশি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির উপকারভোগী কৃষকরা

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ‘মঙ্গল খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ’ এর টেইসই প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি’র মাধ্যমে খাল পুনঃ খনন করা হয়েছে। খাল খনন হওয়ায় উপকৃত হচ্ছেন হাজারো কৃষক ও সমিতির সদস্যরা। পৌনে ১০ কিলোমিটার খালের মধ্যে ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত খাল খনন করা হলেও বাকী খাল পুনঃ খননের দাবী জানিয়েছেন সদস্যরা।

 

জানা গেছে, ধামইরহাটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত মঙ্গল খাল। সর্বশেষ ২০০৪-০৫ সালে খালটি খনন করা হয়। এরপর দীর্ঘ ১৩ বছরে খালটি খনন না করায় পলিজমে ভরাট হয়ে যায়। এতে করে সামান্য পানিতেই খাল উপচে পানি প্রবাহিত হয়ে ফসলি জমি ও বাড়িঘর ডুবে যেতো। এই সমস্যা থেকে উত্তোরনের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) থেকে ‘টেকসই ক্ষুদ্রকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খনন কাজটি করে ‘ধামইরহাট মঙ্গল খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড। মঙ্গল খাল পৌনে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার ঘুকসি খালের মূখ জিরো পয়েন্ট মঙ্গল খালের মূখ থেকে মালাহার গ্রামে ৪ কিলোমিটার খালটি পুনঃ খনন করা হয়। খাল খনন হওয়ায় উপজেলার উমার ইউনিয়নের মঙ্গলকোটা, তালঝাড়ি, বিয়াডাঙ্গা সহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া কৃষকদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে খননকৃত খালের উপড় দিয়ে পারাপাড়ের জন্য কয়েকটি বাঁশের সাঁকোও নির্মান করা হয়েছে।

 

সুন্দ্রা গ্রামের সুবধাভোগী ও কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, দীর্ঘ দিনে খালে পলি জমায় ভরাট হয়ে গেছে খালটি। এতে খাল থেকে পানি উপচে প্রবাহিত হয়ে ফসল ডুবে যায়। এছাড়া বন্যায় বাড়িঘরও ডুবে যায়। গত দুই মাস হলো খালটি খনন করা হয়েছে। এর আগে খালে পানি থাকতো না। আমার ৭ বিঘা জমিতে আবাদ করতে গিয়ে বড়ই সমস্যার মধ্যে পড়তো হতো। কিন্তু খাল খননের পর সুবিধা হয়েছে। এবারে অনাবৃষ্টিতে খাল থেকে সংগৃহিত পানি দিয়ে আউশের আবাদ করতে পারব। সুবিধাভোগী ও কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, বিগত বছরের পানি সংকটে আবাদ করতে কষ্ট হতো। আষাঢ়ের ভরা মৌসুম, এখনও বৃষ্টি নাই। এই খাল থেকে পানি নিয়ে ধানের চারা (বিছন) রোপন করেছি। এছাড়া জমিতে পানি দিয়ে হাল চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই খাল খননের ফলে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি।

 

বিহারীনগর গ্রামের উপকারভোগী সেলিম মাহমুদ রাজু জানান, এবারে খাল পুনঃ খননটি দৃশ্যমান হয়েছে। এই মঙ্গল খালের আওতায় তার ১২ বিঘা জমি আছে। খালটি দির্ঘদিন পর পুনঃ খনন হওয়ায় আমরা অনেক উপকৃত হবো। খালের দুইপারে অনেকটা রাস্তার মতো হচ্ছে। এছাড়া খালের এপাড় থেকে ওপাড়ে যেতে মাঝে মধ্যে বাঁশের সাঁকো তৈরী করে দেয়া হয়েছে। যাতে আমাদের উৎপাদিত ফসল অনায়াসেই ঘরে তুলতে পারি। মঙ্গল খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি নুরুজ্জামান বলেন, উমার ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক এই খাল থেকে সুবিধা ভোগ করবেন। খালের নিকটে যারা বসবাস করেন তারাই বেশি সুবিধা ভোগ করবেন। রবি মৌসুমে খাল থেকে পানি নিয়ে চাষাবাদে সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া নিজেদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে খালে আমরা মাছ চাষ ও হাঁস পালনের উদ্যোগ নিবো। বাকী যে ৬ কিলোমামিটার খাল আছে সেটুকুও যেনো সরকার পুনঃ খনন করে দেন এই দাবী করেন তিনি।

 

সার্ভেয়ার হাসান তৌফিক ইমাম বলেন, ঘুকশি খাল জিরো পয়েন্ট থেকে মঙ্গল খালের প্রথম ২ কিলোমিটার খালের নিচের প্রস্থতা ১৪ ফুট এবং ২ কিলোমিটার শেষ থেকে পরের ১ কিলোঃ ৮শ মিটার পর্যন্ত নিচের প্রস্থতা ১০ ফুট এবং শেষের ২শ মিটার খালের নিচের প্রস্থতা ৬ ফুট পর্যন্ত। এভাবে ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃ খনন করা হয়েছে। খালের গভীরতা জিরো থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ৪/৫ ফুট পর্যন্ত করার নিয়ম। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে প্রস্থতার দিকে খনন একটু বেশি করা হয়েছে। নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা প্রকৌশলী আলী হোসেন বলেন, সমিতির সদস্যরা খাল পুনঃ খননের জন্য একটি রেজুলেশন তৈরী করে আমার কাছে জমা দেন। সেটি নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর দাখিল করা হলে খাল পুনঃ খননের বরাদ্দ আসে। সে প্রেক্ষিতেই খালটি পুনঃ খনন করা হয়।

 

তিনি আরো বলেন, সমিতির ২২ টি শ্রমিক দল চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই খাল পুনঃ খননের কাজ সম্পন্ন করেন। সমিতির ৫২২ জন সদস্য এই কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। খাল পুনঃ খননে স্ক্যাবেটর দিয়ে ৭০ শতাংশ এবং সুবিধাভোগী শ্রমিকদের দিয়ে ৩০ শতাংশ কাজ করা হয়েছে। খাল খননের ফলে ওই এলাকার কৃষির প্রসার ঘটানো, মৎস্য চাষ ও হাঁস পালনসহ অন্যান্য সুবিধা পাবে। এতে করে সমিতির সদস্যের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। এছাড়া বাঁকী যে খাল রয়েছে নতুন করে বরাদ্দ আসলে সেগুলো পুনঃ খনন করা হবে। তবে একটি পক্ষ আমাদের কাছে সুবিধা না পেয়ে কাজের বিষয় নিয়ে নানা গুজব রটিয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited