সংবাদ প্রকাশিত পর থেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন অনেকে

Spread the love

এম এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ কলাপাড়ায় বিনা চিকিৎসায় এক সন্তান মৃত্যু শয্যায় আরেক সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ এমন শিরোনামে দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি দক্ষিণঞ্চলের সাহসী কলমসৈনিক মেজবাহউদ্দিন মাননু।

 

তারপর থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তিগণ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সহধর্মীনি মোসাম্মৎ সুরাইয়া নাসরিন নগদ ১০ হাজার টাকা এবং তার মেয়ে স্কুলের সকল খরচা বহন করার আশ্বাস দেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলাপাড়া পৌর শহরে এতিমখানা এলাকারস্থ নিজ বাসায় অসহায় শেফালী ও তার দুই সন্তানদের হাতে এই নগদ টাকা প্রদান করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এস এম রাকিবুল আহসান, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি এস কে রঞ্জন, সহ-সম্পাদক রাসেল মোল্লা, সদস্য এস এম হারুন-অর-রশিদ মুক্তা, কলাপাড়া পৌর শহর যুবলীগ সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ যুবরাজ, আপন নিউজের সম্পাদক এস এম আলমগীর হোসেন ও কলাপাড়া বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ। মোসাম্মৎ সুরাইয়া নাসরিন বলেন, দৈনিক জনকণ্ঠ ও অনলাইন পোর্টাল আপন নিউজ এ সংবাদটি দেখে তাদের সাথে যোগাযোগ করি। তারপর বাসায় এনে এই সামান্য কিছু টাকা প্রদান করি এবং তার মেয়ে যদি স্কুলে পড়তে চায় তাহলে পড়াশোনায় যত যাবতীয় খরচা আমি বহন করতে চাই। জনকণ্ঠ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত পর থেকেই এই অসহায় পরিবারটি সাহায্যের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন কলাপাড়া বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

 

উল্লেখ্য রিপোর্টটি ছিল, অথৈ সাগরের ¯্রােতে দলছুট কচুরিপানার মতো ভাসছে শেফালী বেগমের সংসার। কূল-কিনার খুঁজে পাচ্ছেন না। জানা নেই গন্তব্য। দেড় বছর আগে ঘাতক ব্যধি কেড়ে নেয় সংসারের বোঝা বওয়া মানুষ স্বামী আবুল কালামকে। অসহায় শেফালী দুই সন্তান নিয়ে মানুষের কাছে চেয়ে চিন্তে, ঝিয়ের কাজ করে জীবিকার চাকা ঠেলছিলেন। ভাগ্য বড় নির্মম। ছোট্ট ছেলে ওমর ফারুকও মরনব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। সহায়-সম্বল খুইয়ে ঢাকা ন্যাশনাল শিশু হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করায়। ধরা পড়ে শিশু ফারুকের বাল্ব নষ্ট। চিকিৎসায় এই মুহুর্তে অন্তত দুই লাখ টাকা প্রয়োজন। ক্লাশ থ্রি পড়া ফারুক এখন বিছানায় শয্যাশায়ী। চিকিৎসা বন্ধ। ওষুধও চালাতে পারছেনা ঠিকমতো। অর্থাভাবে মেয়ে অষ্টম শ্রেণি পড়–য়া রিয়ামনির লেখাপড়া বন্ধ। শেফালী এখন বাড়ি বেতমোড় স্কুল এলাকা ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে কলপাড়া পৌরশহরে। যেন দুঃখের সাতকাহন। চরম অসহায় বিধবা এ মহিলা দুই সন্তান নিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দু’চোখে সব অন্ধকার দেখছেন।

 

ছেলের মৃত্যু শঙ্কা, মেয়ের লেখাপড়সহ খাবার যোগাড়ে অনিশ্চয়তায় শেফালীর কাছে পৃথিবীর সবকিছু এখন অর্থহীন মনে হয়। চোখের পানিতে বুক ভাসায়। বিনিদ্র রজনী কাটে, শুধু অনিশ্চিত ভবিষতের পরিণতি ভেবে কাহিল হয়ে পড়েছেন। আশ্রয় নিয়েছেন এক আত্মীয়ের বাসায়। ওই মহানুভব মানুষটিও মাছ বিক্রি করে কোনমতে সংসারের চাকা ঠেলছেন। তারপও নিজের সন্তানের মতো আগলে রাখছেন এদেরকে। তিনি মানবতার সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছেন। কিন্তু সঙ্গতি নেই ওদের চিকিৎসা কিংবা লেখাপড়ার খরচ যোগানোর। অবলম্বন হিসেবে যাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখছিলেন শেফালী এখন সেই সন্তানদের ভবিষ্যত চরম অনিশ্চয়তায়। তাই পথ হাতড়ে কূল-কিনার পাচ্ছেন না। কলাপাড়া শহরের পানিউন্নয়ন বোর্ডের পেছনের সড়কটির পাশেই ছোট্ট টিনশেড ঘরের একটি চৌকির ওপর বসবাস শেফালির।

 

ছোট্ট ওমর ফারুককে জিজ্ঞেস করতেই বিছানা থেকে উঠে বলল, ভাল আছে। ছোট্ট মুখাবয়বে এক চিলতে মৃদু হাসির চেষ্টা। হাসি নয়, যেন শুকনো ঠোটের সঙ্গে ঠোটের পরশ। ডাকতেই রিয়ামনি হাজির। লেখাপড়ার কী হবে ? উত্তর নেই। জানায়, বাসায় বই পড়ছে। সুযোগ থাকলে স্কুলে গিয়ে পরীক্ষা দেবে। তবে অংক পারছে না। কার কাছে যাবে। কার কাছে শিখবে। পাল্টা প্রশ্ন জুড়ে দেয়। মা শেফালির জানা নেই এসবের কোন উত্তর। নিজে দৌড়ান কাজের সন্ধানে। সন্তানের দুরাবস্থায় দু’চোখ ঝাপসা হয়ে যায়। ছলছল চোখে শুধু একটাই কথা, ‘ আমি এহন কী করমু।’ আদরের ছোট্ট ছেলেটার চিকিৎসার কী হবে। কোথায় গিয়ে দাড়াবে। এমনসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে শেফালি দিশেহারা হয়ে যায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন জিএম কাদের

» পটুয়াখালীর গলাচিপায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

» যশোরের শার্শা উপজেলায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

» রাংঙ্গাবালী উপজেলায় বর্জ্রপাতে এক জনের মৃত্যু

» মৎস্য বন্দর মহিপুরে চলছে খাস জমি দখলের মাহোৎসব; যেন দেখার কেউ নেই

» জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ/১৯ উপলক্ষে দশমিনায় সংবাদ সম্মেলন

» কলাপাড়ায় মৎস্য কর্মকর্তার সাথে সংবাদকর্মীদের মতবিনিময়

» মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৫৬ শতাংশ

» ৪১ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

» রিফাত হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সংবাদ প্রকাশিত পর থেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন অনেকে

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

এম এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ কলাপাড়ায় বিনা চিকিৎসায় এক সন্তান মৃত্যু শয্যায় আরেক সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ এমন শিরোনামে দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি দক্ষিণঞ্চলের সাহসী কলমসৈনিক মেজবাহউদ্দিন মাননু।

 

তারপর থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তিগণ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সহধর্মীনি মোসাম্মৎ সুরাইয়া নাসরিন নগদ ১০ হাজার টাকা এবং তার মেয়ে স্কুলের সকল খরচা বহন করার আশ্বাস দেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলাপাড়া পৌর শহরে এতিমখানা এলাকারস্থ নিজ বাসায় অসহায় শেফালী ও তার দুই সন্তানদের হাতে এই নগদ টাকা প্রদান করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এস এম রাকিবুল আহসান, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি এস কে রঞ্জন, সহ-সম্পাদক রাসেল মোল্লা, সদস্য এস এম হারুন-অর-রশিদ মুক্তা, কলাপাড়া পৌর শহর যুবলীগ সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ যুবরাজ, আপন নিউজের সম্পাদক এস এম আলমগীর হোসেন ও কলাপাড়া বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ। মোসাম্মৎ সুরাইয়া নাসরিন বলেন, দৈনিক জনকণ্ঠ ও অনলাইন পোর্টাল আপন নিউজ এ সংবাদটি দেখে তাদের সাথে যোগাযোগ করি। তারপর বাসায় এনে এই সামান্য কিছু টাকা প্রদান করি এবং তার মেয়ে যদি স্কুলে পড়তে চায় তাহলে পড়াশোনায় যত যাবতীয় খরচা আমি বহন করতে চাই। জনকণ্ঠ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত পর থেকেই এই অসহায় পরিবারটি সাহায্যের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন কলাপাড়া বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

 

উল্লেখ্য রিপোর্টটি ছিল, অথৈ সাগরের ¯্রােতে দলছুট কচুরিপানার মতো ভাসছে শেফালী বেগমের সংসার। কূল-কিনার খুঁজে পাচ্ছেন না। জানা নেই গন্তব্য। দেড় বছর আগে ঘাতক ব্যধি কেড়ে নেয় সংসারের বোঝা বওয়া মানুষ স্বামী আবুল কালামকে। অসহায় শেফালী দুই সন্তান নিয়ে মানুষের কাছে চেয়ে চিন্তে, ঝিয়ের কাজ করে জীবিকার চাকা ঠেলছিলেন। ভাগ্য বড় নির্মম। ছোট্ট ছেলে ওমর ফারুকও মরনব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। সহায়-সম্বল খুইয়ে ঢাকা ন্যাশনাল শিশু হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করায়। ধরা পড়ে শিশু ফারুকের বাল্ব নষ্ট। চিকিৎসায় এই মুহুর্তে অন্তত দুই লাখ টাকা প্রয়োজন। ক্লাশ থ্রি পড়া ফারুক এখন বিছানায় শয্যাশায়ী। চিকিৎসা বন্ধ। ওষুধও চালাতে পারছেনা ঠিকমতো। অর্থাভাবে মেয়ে অষ্টম শ্রেণি পড়–য়া রিয়ামনির লেখাপড়া বন্ধ। শেফালী এখন বাড়ি বেতমোড় স্কুল এলাকা ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে কলপাড়া পৌরশহরে। যেন দুঃখের সাতকাহন। চরম অসহায় বিধবা এ মহিলা দুই সন্তান নিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দু’চোখে সব অন্ধকার দেখছেন।

 

ছেলের মৃত্যু শঙ্কা, মেয়ের লেখাপড়সহ খাবার যোগাড়ে অনিশ্চয়তায় শেফালীর কাছে পৃথিবীর সবকিছু এখন অর্থহীন মনে হয়। চোখের পানিতে বুক ভাসায়। বিনিদ্র রজনী কাটে, শুধু অনিশ্চিত ভবিষতের পরিণতি ভেবে কাহিল হয়ে পড়েছেন। আশ্রয় নিয়েছেন এক আত্মীয়ের বাসায়। ওই মহানুভব মানুষটিও মাছ বিক্রি করে কোনমতে সংসারের চাকা ঠেলছেন। তারপও নিজের সন্তানের মতো আগলে রাখছেন এদেরকে। তিনি মানবতার সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছেন। কিন্তু সঙ্গতি নেই ওদের চিকিৎসা কিংবা লেখাপড়ার খরচ যোগানোর। অবলম্বন হিসেবে যাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখছিলেন শেফালী এখন সেই সন্তানদের ভবিষ্যত চরম অনিশ্চয়তায়। তাই পথ হাতড়ে কূল-কিনার পাচ্ছেন না। কলাপাড়া শহরের পানিউন্নয়ন বোর্ডের পেছনের সড়কটির পাশেই ছোট্ট টিনশেড ঘরের একটি চৌকির ওপর বসবাস শেফালির।

 

ছোট্ট ওমর ফারুককে জিজ্ঞেস করতেই বিছানা থেকে উঠে বলল, ভাল আছে। ছোট্ট মুখাবয়বে এক চিলতে মৃদু হাসির চেষ্টা। হাসি নয়, যেন শুকনো ঠোটের সঙ্গে ঠোটের পরশ। ডাকতেই রিয়ামনি হাজির। লেখাপড়ার কী হবে ? উত্তর নেই। জানায়, বাসায় বই পড়ছে। সুযোগ থাকলে স্কুলে গিয়ে পরীক্ষা দেবে। তবে অংক পারছে না। কার কাছে যাবে। কার কাছে শিখবে। পাল্টা প্রশ্ন জুড়ে দেয়। মা শেফালির জানা নেই এসবের কোন উত্তর। নিজে দৌড়ান কাজের সন্ধানে। সন্তানের দুরাবস্থায় দু’চোখ ঝাপসা হয়ে যায়। ছলছল চোখে শুধু একটাই কথা, ‘ আমি এহন কী করমু।’ আদরের ছোট্ট ছেলেটার চিকিৎসার কী হবে। কোথায় গিয়ে দাড়াবে। এমনসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে শেফালি দিশেহারা হয়ে যায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited