দাফনের একদিন পর থানায় ফিরে গোলাপী জানালেন তিনি মরেননি!

Spread the love

রাজশাহীর বাঘার ভুট্টাক্ষেত থেকে সোমবার অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধারের পরদিন তাকে সনাক্ত করা হয় গোলাপি বেগম নামে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক গোরস্থানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দাফন করা হয় তার লাশ। একদিন পর বুধবার (১২ জুন) সকালে গোলাপী বেগম থানায় ফিরে জানালেন তিনি মরেননি। লাশের পরিচয় নিয়ে এ বিভ্রান্তির কারণ, সোমবার ভুট্টা ক্ষেত থেকে যার লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল তার মুখমন্ডল ছিল মবিলে ঝলসানো। গত ২৯ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার পাঁচপাড়া এলাকার বাকপ্রতিবন্ধী মনির হোসেন স্ত্রী গোলাপী বেগম।

 

এ ঘটনায় ১ জুন তার ভাসুর মাজদার রহমান বাঘা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গত সোমবার ভুট্টা ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ একটি কালো বোরকা, এক জোড়া স্যান্ডেল, একটি গুলের কোটা উদ্ধার করে। তবে মবিলে ঝলসানো মুখ থাকায় লাশের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছিল না কেউ। গোলাপীর পরিবারের লোকজন থানায় এসে উদ্ধার করা আলামত দেখে ওই লাশ সনাক্ত করলে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পারিবারিক করবস্থানে লাশ দাফনও করা হয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে আড়ানী রেল স্টেশন থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় পাঁচপাড়া এলাকার বাকপ্রতিবন্ধী মনির হোসেন স্ত্রী গোলাপী বেগমকে। থানায় গিয়ে তিনি জানান, তিনি মরেননি।

 

গোলাপি বেগম বলেন, গত ২৯ মে বুধবার ঈদের আগে তিনি রুস্তমপুর হাটে ৪২ হাজার টাকায় তিনি তার পালিত একটি গরু বিক্রি করেন। এই টাকা নেয়ার জন্য শ^শুরবাড়ির লোকজন তাকে চাপ দিতে থাকে। নিরুপায় হয়ে তিনি পরদিন বিদ্যুৎ বিল দেয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাজশাহীর এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে উঠেন। এরপর ৬ বছরের সন্তান মারুফ হোসেন ও পেটের ৫ মাসের সন্তানের কথা ভেবে বুধবার সকালে রাজশাহী থেকে থেকে তিনি মহানন্দা ট্রেনে আড়ানী স্টেশনে এসে নামেন। এ সময় স্থানীয় কিছু মানুষ তাকে চিনতে পেরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে থানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। গোলাপি বেগমের ভাসুর মাজদার রহমান বলেন, গোলাপী বেগম বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে আমি বাদি হয়ে গত ১ জুন বাঘা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। মৃত ওই নারীর মুখে মবিল মাখানোর কারণে আমরা সঠিকভাবে লাশ চিনতে পারিনি।

 

গোলাপি বেগমের শ^শুর বিচ্ছাদ আলী বলেন, আমার ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় গোলাপি নিজের ইচ্ছা মতো চলাফেরা করে। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের বিভিন্ন কথা শুনতে হয়। ফলে আমরা দেখেও না দেখার ভান করে চলি। এর মধ্যে আমার ছেলে ও নাতীকে রেখে সে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল। তবে ১২ দিন পর তাকে জীবিত পাওয়া গেছে। আমরা খুশি। তবে চকবাউসা গ্রামের লালু প্রামানিকের ভুট্টাক্ষেতে যে লাশ পাওয়া গেছে, সেটা অন্য কারো। গোলাপি বেগম জীবিত ফিরে আসায় তার আত্মীয়-স্বজন খুশি হলেও প্রকৃত লাশের স্বজনরা এখন কান্নায় ভারাক্রান্ত।

 

এখন যে নারীর পরিচয় মিলছে তার নাম দোলেনা বেগম (৩৮)। বাড়ি পাশ্ববর্তী চারঘাট উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামের চারা বটতলায়। তার স্বামীর নাম সুরুজ মিয়া। তিনি উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাক, স্যান্ডেল ও ছবি দেখে পুলিশকে জানিয়েছেন মৃত ওই নারী তাঁর স্ত্রী। গত এক সপ্তাহ আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খুঁজেও তাকে পাননি। দু’দিন আগে চারঘাট থানায় একটি জিডি করেন। সেখান থেকে তথ্য পেয়ে বাঘা থানায় এসে তাঁর স্ত্রীর ছবি দেখে তিনি লাশ সনাক্ত করেন।

 

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসীন আলী জানান, উদ্ধারকৃত লাশটি ভুলভাবে গোলাপী বেগমের বলে সনাক্ত করেছিল তার স্বজনরা। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের পারিবারিক গোরস্থানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দাফনও করা হয় লাশ। মূুলত মবিল দিয়ে মুখ ঝলসানো থাকায় পরিবারের লোকজন লাশ সনাক্ত করতে ভুল করেছিল। এখন লাশের প্রকৃত মালিক পাওয়া গেছে। তিনি কিছু তথ্য ইতোমধ্যে পুলিশকে দিয়েছেন। সে মর্মে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। দু’জন ব্যক্তিকে আটক করতে পারলে সব রহস্য বেরিয়ে আসবে।

 

বাঘা-চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র এএসপি নুরে আলম বলেন, আমরা প্রথমে জেনেছিলোম উদ্ধার হওয়া লাশ আড়ানী পৌর এলাকার পাঁচপাড়া গ্রামের বাকপ্রতিবন্ধী মোমিন এর স্ত্রী গোলাপি’র। কিন্তু বুধবার সকালে গোলাপি নিজ থেকে থানায় হাজির হওয়ায় জানলাম এ লাশটি সুরুজ মিয়ার স্ত্রী দোলেনার। এখন সুরুজ মিয়ার তথ্য মতে পুলিশ অগ্রসর হচ্ছে। আশা করা যায় খুব শিগগির তার হত্যার প্রকৃত রহস্য আমরা উদঘাটন করতে সক্ষম হবো।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করবেন ব্যারিস্টার সুমন (ভিডিও)

» বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলা: আদালতে মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

» ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার অভিযোগ সঠিক নয়: মার্কিন রাষ্ট্রদূত (ভিডিও)

» গলাচিপায় নির্মানাধীনব্রিজের ডাইভার্সন বাধ কেটে দিয়েছে এলাকাবাসী

» মৌলভীবাজারে বন্যা কবলিত এলাকায় বাড়ছে পানি বাহিত রোগ

» বৃদ্ধ নারীকে ৭ টি মামলা দিয়ে হয়রানি, প্রাননাশের হুমকিতে দিশেহারা!

» শিশু ও নারী নির্যাতন এবং যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» রাণীনগরের সেই বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে ৩টি গ্রাম প্লাবিত; পানি বন্দি প্রায় ১৫ হাজার মানুষ

» সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের গলা কেটে পালিয়ে গেলেন নার্স

» ঔষধ কোম্পানী প্রতিনিধিদের সুনির্দিষ্ট নীতিমালাসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৫ই শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দাফনের একদিন পর থানায় ফিরে গোলাপী জানালেন তিনি মরেননি!

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

রাজশাহীর বাঘার ভুট্টাক্ষেত থেকে সোমবার অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধারের পরদিন তাকে সনাক্ত করা হয় গোলাপি বেগম নামে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক গোরস্থানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দাফন করা হয় তার লাশ। একদিন পর বুধবার (১২ জুন) সকালে গোলাপী বেগম থানায় ফিরে জানালেন তিনি মরেননি। লাশের পরিচয় নিয়ে এ বিভ্রান্তির কারণ, সোমবার ভুট্টা ক্ষেত থেকে যার লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল তার মুখমন্ডল ছিল মবিলে ঝলসানো। গত ২৯ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার পাঁচপাড়া এলাকার বাকপ্রতিবন্ধী মনির হোসেন স্ত্রী গোলাপী বেগম।

 

এ ঘটনায় ১ জুন তার ভাসুর মাজদার রহমান বাঘা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গত সোমবার ভুট্টা ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ একটি কালো বোরকা, এক জোড়া স্যান্ডেল, একটি গুলের কোটা উদ্ধার করে। তবে মবিলে ঝলসানো মুখ থাকায় লাশের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছিল না কেউ। গোলাপীর পরিবারের লোকজন থানায় এসে উদ্ধার করা আলামত দেখে ওই লাশ সনাক্ত করলে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পারিবারিক করবস্থানে লাশ দাফনও করা হয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে আড়ানী রেল স্টেশন থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় পাঁচপাড়া এলাকার বাকপ্রতিবন্ধী মনির হোসেন স্ত্রী গোলাপী বেগমকে। থানায় গিয়ে তিনি জানান, তিনি মরেননি।

 

গোলাপি বেগম বলেন, গত ২৯ মে বুধবার ঈদের আগে তিনি রুস্তমপুর হাটে ৪২ হাজার টাকায় তিনি তার পালিত একটি গরু বিক্রি করেন। এই টাকা নেয়ার জন্য শ^শুরবাড়ির লোকজন তাকে চাপ দিতে থাকে। নিরুপায় হয়ে তিনি পরদিন বিদ্যুৎ বিল দেয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাজশাহীর এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে উঠেন। এরপর ৬ বছরের সন্তান মারুফ হোসেন ও পেটের ৫ মাসের সন্তানের কথা ভেবে বুধবার সকালে রাজশাহী থেকে থেকে তিনি মহানন্দা ট্রেনে আড়ানী স্টেশনে এসে নামেন। এ সময় স্থানীয় কিছু মানুষ তাকে চিনতে পেরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে থানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। গোলাপি বেগমের ভাসুর মাজদার রহমান বলেন, গোলাপী বেগম বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে আমি বাদি হয়ে গত ১ জুন বাঘা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। মৃত ওই নারীর মুখে মবিল মাখানোর কারণে আমরা সঠিকভাবে লাশ চিনতে পারিনি।

 

গোলাপি বেগমের শ^শুর বিচ্ছাদ আলী বলেন, আমার ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় গোলাপি নিজের ইচ্ছা মতো চলাফেরা করে। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের বিভিন্ন কথা শুনতে হয়। ফলে আমরা দেখেও না দেখার ভান করে চলি। এর মধ্যে আমার ছেলে ও নাতীকে রেখে সে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল। তবে ১২ দিন পর তাকে জীবিত পাওয়া গেছে। আমরা খুশি। তবে চকবাউসা গ্রামের লালু প্রামানিকের ভুট্টাক্ষেতে যে লাশ পাওয়া গেছে, সেটা অন্য কারো। গোলাপি বেগম জীবিত ফিরে আসায় তার আত্মীয়-স্বজন খুশি হলেও প্রকৃত লাশের স্বজনরা এখন কান্নায় ভারাক্রান্ত।

 

এখন যে নারীর পরিচয় মিলছে তার নাম দোলেনা বেগম (৩৮)। বাড়ি পাশ্ববর্তী চারঘাট উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামের চারা বটতলায়। তার স্বামীর নাম সুরুজ মিয়া। তিনি উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাক, স্যান্ডেল ও ছবি দেখে পুলিশকে জানিয়েছেন মৃত ওই নারী তাঁর স্ত্রী। গত এক সপ্তাহ আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খুঁজেও তাকে পাননি। দু’দিন আগে চারঘাট থানায় একটি জিডি করেন। সেখান থেকে তথ্য পেয়ে বাঘা থানায় এসে তাঁর স্ত্রীর ছবি দেখে তিনি লাশ সনাক্ত করেন।

 

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসীন আলী জানান, উদ্ধারকৃত লাশটি ভুলভাবে গোলাপী বেগমের বলে সনাক্ত করেছিল তার স্বজনরা। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের পারিবারিক গোরস্থানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দাফনও করা হয় লাশ। মূুলত মবিল দিয়ে মুখ ঝলসানো থাকায় পরিবারের লোকজন লাশ সনাক্ত করতে ভুল করেছিল। এখন লাশের প্রকৃত মালিক পাওয়া গেছে। তিনি কিছু তথ্য ইতোমধ্যে পুলিশকে দিয়েছেন। সে মর্মে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। দু’জন ব্যক্তিকে আটক করতে পারলে সব রহস্য বেরিয়ে আসবে।

 

বাঘা-চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র এএসপি নুরে আলম বলেন, আমরা প্রথমে জেনেছিলোম উদ্ধার হওয়া লাশ আড়ানী পৌর এলাকার পাঁচপাড়া গ্রামের বাকপ্রতিবন্ধী মোমিন এর স্ত্রী গোলাপি’র। কিন্তু বুধবার সকালে গোলাপি নিজ থেকে থানায় হাজির হওয়ায় জানলাম এ লাশটি সুরুজ মিয়ার স্ত্রী দোলেনার। এখন সুরুজ মিয়ার তথ্য মতে পুলিশ অগ্রসর হচ্ছে। আশা করা যায় খুব শিগগির তার হত্যার প্রকৃত রহস্য আমরা উদঘাটন করতে সক্ষম হবো।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited