কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির পথে বাবুই পাখি

Spread the love

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: বিলুপ্তির পথে বাবুই পাখি। ‘বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই- কুঁড়ে ঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই। আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে। বাবুই পাখির বাসা যেমন দৃষ্টিনন্দন তেমনি মজবুত। পাঠ্য বইয়ে শিক্ষার্থীরা বাবুই পাখি ও বাবুই পাখির শিল্পনিপুণতার কথা জানতে পারলেও বাবুই পাখির অস্তিত্বই যে আজ হুমকির মুখে। ‘বাবুই পাখির বাসা শৈল্পিক নিদর্শন, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক ও স্বাবলম্বী হওয়ার উৎসাহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেলেও কালের বিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ বাবুই পাখি ও বাবুই পাখির বাসাই আমরা হারাতে বসেছি। দেশের বিভিন্ন জনপদেই প্রায় বিলুপ্তির পথে প্রকৃতির বয়নশিল্পী বাবুই পাখি ও তার বাসা।

 

আগের মতো এখন আর প্রকৃতিপ্রেমীদেরও চোখে পড়েনা বাবুই পাখি, চোখে পড়েনা বাবুই পাখির তৈরি দৃষ্টিনন্দন ছোট্ট বাসা ও বাসা তৈরির নয়নাভিরাম নৈসর্গিক দৃশ্য। চমৎকার বুনটের ঝুড়ির মতো বাসা তৈরির জন্য পাখিটি সুপরিচিত। এজন্য বাবুই পাখিকে অনেকে তাঁতি পাখিও বলে। ঝুলন্ত বাসার সুড়ঙ্গ পথ বেশ আঁকাবাঁকা। পৃথিবীতে ১১৭ প্রজাতির বাবুই পাখি রয়েছে এর মধ্যে বাংলাদেশে রয়েছে তিন প্রজাতির (দেশি বাবুই, দাগি বাবুই ও বাংলা বাবুই ) পাখি। প্রজননঋতু ছাড়া অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী পাখির কালো কালো দাগসহ পিঠ হয় তামাটে বর্ণের, নিচের দিকে দাগ নেই, শুধুই তামাটে। ঠোঁট পুরু মোচাকার, লেজ চৌকা, প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির পিঠ হয় গাঢ় বাদামি। হলুদ বুকের উপরের দিক ফ্যাকাশে। দেশের সর্বত্র বিস্তৃত। প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির মাথার চাঁদি উজ্জ্বল সোনালী-হলুদ, গলা সাদা এবং তা একটি কালো ডোরা দ্বারা নিচের তামাটে-সাদা রঙের অংশ থেকে পৃথক। অন্য সময় স্ত্রী ও পুরুষ পাখির চাঁদি পিঠের পালকের মতোই বাদামি।

 

বুকের কালো ডোরা ততটা স্পষ্ট নয়। প্রকট ভ্রূরেখা, কানের পেছনে একটি ফোঁটা। এরা দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত। বুক তামাটে, তাতে স্পষ্ট দাগ। প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির মাথার চাঁদি হলুদ, স্ত্রী পাখি ও পুরুষ পাখিতে তা অন্য ঋতুতে বাদামি। এরা দেশের সর্বত্র বিস্তৃত। বাবুই পাখির বাসা দেখতে একদম উল্টানো কলসির মতো। বাসা বানাবার জন্য বাবুই পাখি খুব পরিশ্রম করে। ঠোঁট দিয়ে ঘাসের আস্তরণ সারায়। সাধারণত তালপাতা, ঝাউ, খড়, ও কাশবনের লতাপাতা দিয়েই বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা বাঁধে। উঁচু তালগাছে বাঁধা খড়কুটোর সেই বাসা দেখতে বেশ আকর্ষণীয় ও মজবুত হয় এবং প্রবল ঝড়েও তা পড়ে না। বাবুই পাখির শক্ত বুননের বাসা শিল্পের অনন্য সৃষ্টি। যা একজন মানুষের কাছে সহজে টেনে ছেঁড়া সম্ভব না। বাসা তৈরির শুরুতে বাসায় দুটি নিম্নমুখী গর্ত থাকলেও পরে একদিক বন্ধ করে বাবুই পাখিরা তাতে ডিম রাখার জায়গা তৈরি করে। অপর দিকটি লম্বা করে তৈরি করে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ। বাবুই পাখি বাসা তৈরি করার পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পছন্দ হলে পুরুষ বাবুই পাখি স্ত্রী বাবুই পাখিকে সাথী বানানোর জন্য ভাব-ভালোবাসা নিবেদন করে এবং বাসা তৈরির কাজ অর্ধেক হতেই স্ত্রী বাবুইকে তার বাসা দেখায়।

 

কারণ বাসা পছন্দ হলেই কেবল এদের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। স্ত্রী বাবুই পাখির বাসা পছন্দ হলে বাকি কাজ শেষ করতে পুরুষ বাবুই পাখির সময় লাগে মাত্র চার থেকে পাঁচদিন। পুরুষ বাবুই পাখি এক মৌসুমে প্রায় পাঁচ ছয়টি বাসা তৈরি করতে পারে। স্ত্রী বাবুই পাখির প্রেরণায় পুরুষ বাবুই পাখি মনের আনন্দে শিল্পসম্মত ও নিপুণভাবে বিরামহীন বাসা তৈরির কাজ শেষ করে। তবে প্রেমিক বাবুই পাখি যতই ভাব-ভালোবাসা প্রকাশ করুক না কেন, প্রেমিকা বাবুই পাখির ডিম দেওয়ার সাথে সাথেই প্রেমিক বাবুই পাখি আবার খুঁজতে থাকে অন্য সঙ্গী। বাবুই পাখি সাধারণত খুটে খুটে বিভিন্ন ধরনের বীজ, ধান, ভাত, পোকা, ঘাস, ছোট উদ্ভিদের পাতা, ফুলের মধু-রেণু ইত্যাদি খেয়ে জীবনধারণ করে।

 

একসময় দেশের বিভিন্ন জনপদে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সারি সারি উঁচু তালগাছের পাতার সঙ্গে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা দেখা যেত। কালের বিবর্তনে এখন তা আর সচরাচর চোখে পড়ে না। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখি ও তাদের নিজের তৈরি বাসা আজ বিলুপ্তপ্রায়। এছাড়াও অনেক অসচেতন মানুষ এদের বাসা ভেঙে ফেলে আর একারণেও এদের সংখ্যা রহস্যজনকভাবে কমে গেছে। আগে গ্রামগঞ্জের তাল, নারিকেল, খেজুর ও সুপারি গাছে প্রচুর বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ত। দেশের বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় বাবুই পাখি ও বাবুই পাখির বাসা এখন বিলুপ্তির পথে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ঝালকাঠিতে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে আমনের বীজ বিতরন

» “ন্যাশনাল সার্ভিস ১ম-৪র্থ পর্বের কর্মীদের পুনরায় নিয়োগ এবং চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধি করে স্থায়ী কর্মসংস্থান প্রদানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ও ৭ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে” মানববন্ধন

» যশোরের বেনাপোল দৌলতপুর সীমান্তে ফেন্সিডিল মহিলাসহ আটক-২

» শার্শা থানার এসআই মামুন লুঙ্গী,গেঞ্জি পড়ে ছদ্ববেশে খুনের আসামীকে গ্রেফতার করলেন

» চলতি বাজেটে মুঠোফোনে বর্ধিত কর বাতিলের দাবিতে গণসমাবেশ

» রংপুরে ঘুষ নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিককে পেটাল পুলিশ, ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

» প্রসূতির অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে হাইকোর্টে রিট

» দুদক দুর্নীতিমুক্ত ও সক্রিয় হলে বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে: দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন

» দেশের মানুষ কষ্ট পেলে আমার বাবার আত্মা কষ্ট পাবে

» যে কারণে বিশ্বকাপে আলো ছড়িয়েই যাচ্ছেন সাকিব

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১১ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির পথে বাবুই পাখি

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: বিলুপ্তির পথে বাবুই পাখি। ‘বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই- কুঁড়ে ঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই। আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে। বাবুই পাখির বাসা যেমন দৃষ্টিনন্দন তেমনি মজবুত। পাঠ্য বইয়ে শিক্ষার্থীরা বাবুই পাখি ও বাবুই পাখির শিল্পনিপুণতার কথা জানতে পারলেও বাবুই পাখির অস্তিত্বই যে আজ হুমকির মুখে। ‘বাবুই পাখির বাসা শৈল্পিক নিদর্শন, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক ও স্বাবলম্বী হওয়ার উৎসাহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেলেও কালের বিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ বাবুই পাখি ও বাবুই পাখির বাসাই আমরা হারাতে বসেছি। দেশের বিভিন্ন জনপদেই প্রায় বিলুপ্তির পথে প্রকৃতির বয়নশিল্পী বাবুই পাখি ও তার বাসা।

 

আগের মতো এখন আর প্রকৃতিপ্রেমীদেরও চোখে পড়েনা বাবুই পাখি, চোখে পড়েনা বাবুই পাখির তৈরি দৃষ্টিনন্দন ছোট্ট বাসা ও বাসা তৈরির নয়নাভিরাম নৈসর্গিক দৃশ্য। চমৎকার বুনটের ঝুড়ির মতো বাসা তৈরির জন্য পাখিটি সুপরিচিত। এজন্য বাবুই পাখিকে অনেকে তাঁতি পাখিও বলে। ঝুলন্ত বাসার সুড়ঙ্গ পথ বেশ আঁকাবাঁকা। পৃথিবীতে ১১৭ প্রজাতির বাবুই পাখি রয়েছে এর মধ্যে বাংলাদেশে রয়েছে তিন প্রজাতির (দেশি বাবুই, দাগি বাবুই ও বাংলা বাবুই ) পাখি। প্রজননঋতু ছাড়া অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী পাখির কালো কালো দাগসহ পিঠ হয় তামাটে বর্ণের, নিচের দিকে দাগ নেই, শুধুই তামাটে। ঠোঁট পুরু মোচাকার, লেজ চৌকা, প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির পিঠ হয় গাঢ় বাদামি। হলুদ বুকের উপরের দিক ফ্যাকাশে। দেশের সর্বত্র বিস্তৃত। প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির মাথার চাঁদি উজ্জ্বল সোনালী-হলুদ, গলা সাদা এবং তা একটি কালো ডোরা দ্বারা নিচের তামাটে-সাদা রঙের অংশ থেকে পৃথক। অন্য সময় স্ত্রী ও পুরুষ পাখির চাঁদি পিঠের পালকের মতোই বাদামি।

 

বুকের কালো ডোরা ততটা স্পষ্ট নয়। প্রকট ভ্রূরেখা, কানের পেছনে একটি ফোঁটা। এরা দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত। বুক তামাটে, তাতে স্পষ্ট দাগ। প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির মাথার চাঁদি হলুদ, স্ত্রী পাখি ও পুরুষ পাখিতে তা অন্য ঋতুতে বাদামি। এরা দেশের সর্বত্র বিস্তৃত। বাবুই পাখির বাসা দেখতে একদম উল্টানো কলসির মতো। বাসা বানাবার জন্য বাবুই পাখি খুব পরিশ্রম করে। ঠোঁট দিয়ে ঘাসের আস্তরণ সারায়। সাধারণত তালপাতা, ঝাউ, খড়, ও কাশবনের লতাপাতা দিয়েই বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা বাঁধে। উঁচু তালগাছে বাঁধা খড়কুটোর সেই বাসা দেখতে বেশ আকর্ষণীয় ও মজবুত হয় এবং প্রবল ঝড়েও তা পড়ে না। বাবুই পাখির শক্ত বুননের বাসা শিল্পের অনন্য সৃষ্টি। যা একজন মানুষের কাছে সহজে টেনে ছেঁড়া সম্ভব না। বাসা তৈরির শুরুতে বাসায় দুটি নিম্নমুখী গর্ত থাকলেও পরে একদিক বন্ধ করে বাবুই পাখিরা তাতে ডিম রাখার জায়গা তৈরি করে। অপর দিকটি লম্বা করে তৈরি করে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ। বাবুই পাখি বাসা তৈরি করার পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পছন্দ হলে পুরুষ বাবুই পাখি স্ত্রী বাবুই পাখিকে সাথী বানানোর জন্য ভাব-ভালোবাসা নিবেদন করে এবং বাসা তৈরির কাজ অর্ধেক হতেই স্ত্রী বাবুইকে তার বাসা দেখায়।

 

কারণ বাসা পছন্দ হলেই কেবল এদের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। স্ত্রী বাবুই পাখির বাসা পছন্দ হলে বাকি কাজ শেষ করতে পুরুষ বাবুই পাখির সময় লাগে মাত্র চার থেকে পাঁচদিন। পুরুষ বাবুই পাখি এক মৌসুমে প্রায় পাঁচ ছয়টি বাসা তৈরি করতে পারে। স্ত্রী বাবুই পাখির প্রেরণায় পুরুষ বাবুই পাখি মনের আনন্দে শিল্পসম্মত ও নিপুণভাবে বিরামহীন বাসা তৈরির কাজ শেষ করে। তবে প্রেমিক বাবুই পাখি যতই ভাব-ভালোবাসা প্রকাশ করুক না কেন, প্রেমিকা বাবুই পাখির ডিম দেওয়ার সাথে সাথেই প্রেমিক বাবুই পাখি আবার খুঁজতে থাকে অন্য সঙ্গী। বাবুই পাখি সাধারণত খুটে খুটে বিভিন্ন ধরনের বীজ, ধান, ভাত, পোকা, ঘাস, ছোট উদ্ভিদের পাতা, ফুলের মধু-রেণু ইত্যাদি খেয়ে জীবনধারণ করে।

 

একসময় দেশের বিভিন্ন জনপদে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সারি সারি উঁচু তালগাছের পাতার সঙ্গে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা দেখা যেত। কালের বিবর্তনে এখন তা আর সচরাচর চোখে পড়ে না। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখি ও তাদের নিজের তৈরি বাসা আজ বিলুপ্তপ্রায়। এছাড়াও অনেক অসচেতন মানুষ এদের বাসা ভেঙে ফেলে আর একারণেও এদের সংখ্যা রহস্যজনকভাবে কমে গেছে। আগে গ্রামগঞ্জের তাল, নারিকেল, খেজুর ও সুপারি গাছে প্রচুর বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ত। দেশের বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় বাবুই পাখি ও বাবুই পাখির বাসা এখন বিলুপ্তির পথে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited