বোরো ধান কাটা শ্রমিক সংকট ১ মণ ধানে একজন শ্রমিক

Spread the love

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,বাগেরহাট :বাগেরহাট সহদেশের সব এলাকাতেই প্রায় শুরু হয়ে এসেছে মাঠ থেকে সোনালী ফসল ঘরে তোলার ধুম। ফলে চলতি বোরো মৌসুমের ধান কাটা ও মাড়াই শেষে গোলায় তুলতে এখন ব্যস্ত চাষিরা।এক মণ ধানের দামেও মিলছে না একজন শ্রমিক। ফণির তাণ্ডবে কৃষকরা আধাপাকা ক্ষেতের ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করলেও শ্রমিক সংকটের কারণে তা হয়ে উঠেনি।

 

মাঠে একযোগে ধান কাটা শুরু হওয়ায় এই সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ সাড়ে শ’ ৫থেকে ৬শ’টাকা দরে। অথচ একজন শ্রমিকের দাম হাকানো হচ্ছে সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা।কিছু কিছু এলাকাতে মজুরি আরও বেশি। শ্রমিকের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ক্ষেতের ধান ঘরে তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। গত কয়েকদিনের ঝোড়ো হাওয়ায় মাঠের বেশির ভাগ ধান নুইয়ে পড়াই শ্রমিক লাগছে তুলনামূলক বেশি।বাগেরহাটের ৯ উপজেলার প্রায় এলাকাতেই শুরু হয়ে এসেছে মাঠ থেকে সোনালী ফসল ঘরে তোলার ধুম। ফলে চলতি বোরো মৌসুমের ধান কাটা ও মাড়াই শেষে গোলায় তুলতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষি শ্রমিকের দাম বেশী থাকায় হতাশ চাষিরা, তাদের এই হতাশা পুরো মৌসুম জুড়ে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে শ্রমিক স্বল্পতা ও অতিরিক্ত মজুরি। শ্রমিক সংকট ও মজুরির অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেশের অধিকাংশ এলাকাতেই এখন এক মণ ধানের বাজার মূল্য একজন শ্রমিকের দিনের পারিশ্রমিকের সমান। কিছু কিছু এলাকাতে মজুরি আরও বেশি। এ বিষয়ে স্থানীয় ধান চাষি আলমগীর হোসেন জানান, একজন শ্রমিক তিন বেলা খাওয়া এবং দিন শেষে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা দিতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় একজন শ্রমিকের পেছনে দিন শেষে যে খরচ তা উঠবে বলে মনে হয় না। গত মৌসুমেও শ্রমিক সংকট ও মজুরির হার এমন তীব্র ছিল না। কিন্তু নানা কারণে এবার শ্রমিক সংকট এতো বেশি যে, আগের মৌসুমের তুলনায় দ্বিগুণ পারিশ্রমিকও দিতে হয়েছে কোনো কোনো এলাকায়। শ্রমিক সংকট ও পারিশ্রমিকের এ পার্থক্যের কারণ হিসেবে জানা যায়, এ অঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় একই সময়ে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হওয়ায় শ্রমিক চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকরা প্রয়োজনীয় শ্রমিক পায় না।

 

চার বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন ফকিরহাটে গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, এরমধ্যে আগের ১বিঘা জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। বাকি ধান পেঁকে গিয়েছে অথচ কাটা-মাড়াইয়ের কাজে এলাকায় কোনো শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এই এলাকার শ্রমিকরা সাধারণত সকাল ৭টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কাজ করে থাকে। এখন ভরা বোরো ধান কাটা মৌসুমে এলাকার বাইরে থেকে শ্রমিক এনে তারা দিনভর ধান কাটা মাড়ায় কাজ করে একজন শ্রমিক ৯শ’থেকে হাজার টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে। একই কথা বললেন ফকিরহাটে গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম।

 

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আফতাব উদ্দিন বলেন, এবার বাগেরহাট ৯উপজেলায় ধানের ফলন ভাল হয়েছে। এরইমধ্যে ধান কাটা মাড়াও শুরু হয়েছে। ফণির আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে কৃষকরা তাদের আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করে। এছাড়া মাঠের ধান পেকে যাওয়ায় সবায় একযোগে ধান কাটা শুরু হওয়ায় শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।এ বিষয়ে ফকিরহাটের স্থানীয় ধান চাষী মন্টু জানান, একজন শ্রমিক তিন বেলা খাওয়া এবং দিন শেষে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দিতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় একজন শ্রমিকের পেছনে দিন শেষে যে খরচ তা উঠবে বলে মনে হয়না। গত মৌসুমেও শ্রমিক সংকট ও মজুরির হার এমন তীব্র ছিল না।

 

কিন্তু নানা কারণে এবার শ্রমিক সংকট এতো বেশি যে, আগের মৌসুমের তুলনায় দ্বিগুণ পারিশ্রমিকও দিতে হয়েছে কোনো কোনো এলাকায়। শ্রমিক সংকট ও পারিশ্রমিকের এ অস্বাভাবিকতার কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখো গেলো ব্যতিক্রম বাদে পুরো দেশের চালচিত্র একই রকম। দেশের অধিকাংশ এলাকায় একযোগে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হওয়ায় শ্রমিক সংকট দেখা দেয়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকরা প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাননি। তবে আগাম চাষের এলাকায় এ সমস্যা ছিল না। শ্রমিক সংকটের কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সারাদেশে আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এবং তৈরি হয়েছে গ্রামীণ পর্যায়ে বিভিন্ন খামার, কারখানা ও ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান। সেইসঙ্গে সারাদেশেই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নগরায়ন ও শিল্পায়ন।

 

এছাড়া অধিকাংশ দরিদ্র পরিবারের লোকজন জীবিকার তাগিদে পোশাক কারখানা বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি, শহর এলাকায় রিকশা-ভ্যান, টেম্পু, অটোরিকশা চালনার কাজে যুক্ত হয়েছেন। এ পেশায় উপার্জন বেশি হওয়ায় কৃষি শ্রমিকের জীবনে বেশিরভাগ মানুষই আর ফিরে যেতে চান না। অনেকেই মুরগী খামার, মাছ চাষ, মুদি দোকান করছেন। ফলে দিনকে-দিন কমে গেছে কৃষি শ্রমিক।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় মেয়ের ভর্তির জন্য স্কুলে মা, ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা

» প্রিয়া সাহার বাড়ি ঘেরাও করে তালা দেওয়ার চেষ্টা!

» ফুলবাড়ীতে প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষনকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

» ফুলবাড়ীতে ফলদ বৃক্ষমেলা উদ্বোধন

» যশোরের বেনাপোলে ফেন্সিডিলসহ আটক-১

» শার্শা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু – বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

» রিফাত হত্যা মামলা: মিন্নিকে সহায়তা দিতে ৪০ আইনজীবী যাচ্ছেন বরগুনায়

» ঝিনাইদহের হাসপাতালের বাগানে লাল প্যাকেটের মধ্যে নবজাতকের কান্না

» ভিনদেশী খোলোয়ারদের দেখতে হাজারো দর্শকের ভীড়

» মানুষের বিপদে এরশাদ সবসময় ছুটে গেছেন: সালমা ইসলাম এমপি

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বোরো ধান কাটা শ্রমিক সংকট ১ মণ ধানে একজন শ্রমিক

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,বাগেরহাট :বাগেরহাট সহদেশের সব এলাকাতেই প্রায় শুরু হয়ে এসেছে মাঠ থেকে সোনালী ফসল ঘরে তোলার ধুম। ফলে চলতি বোরো মৌসুমের ধান কাটা ও মাড়াই শেষে গোলায় তুলতে এখন ব্যস্ত চাষিরা।এক মণ ধানের দামেও মিলছে না একজন শ্রমিক। ফণির তাণ্ডবে কৃষকরা আধাপাকা ক্ষেতের ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করলেও শ্রমিক সংকটের কারণে তা হয়ে উঠেনি।

 

মাঠে একযোগে ধান কাটা শুরু হওয়ায় এই সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ সাড়ে শ’ ৫থেকে ৬শ’টাকা দরে। অথচ একজন শ্রমিকের দাম হাকানো হচ্ছে সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা।কিছু কিছু এলাকাতে মজুরি আরও বেশি। শ্রমিকের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ক্ষেতের ধান ঘরে তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। গত কয়েকদিনের ঝোড়ো হাওয়ায় মাঠের বেশির ভাগ ধান নুইয়ে পড়াই শ্রমিক লাগছে তুলনামূলক বেশি।বাগেরহাটের ৯ উপজেলার প্রায় এলাকাতেই শুরু হয়ে এসেছে মাঠ থেকে সোনালী ফসল ঘরে তোলার ধুম। ফলে চলতি বোরো মৌসুমের ধান কাটা ও মাড়াই শেষে গোলায় তুলতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষি শ্রমিকের দাম বেশী থাকায় হতাশ চাষিরা, তাদের এই হতাশা পুরো মৌসুম জুড়ে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে শ্রমিক স্বল্পতা ও অতিরিক্ত মজুরি। শ্রমিক সংকট ও মজুরির অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেশের অধিকাংশ এলাকাতেই এখন এক মণ ধানের বাজার মূল্য একজন শ্রমিকের দিনের পারিশ্রমিকের সমান। কিছু কিছু এলাকাতে মজুরি আরও বেশি। এ বিষয়ে স্থানীয় ধান চাষি আলমগীর হোসেন জানান, একজন শ্রমিক তিন বেলা খাওয়া এবং দিন শেষে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা দিতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় একজন শ্রমিকের পেছনে দিন শেষে যে খরচ তা উঠবে বলে মনে হয় না। গত মৌসুমেও শ্রমিক সংকট ও মজুরির হার এমন তীব্র ছিল না। কিন্তু নানা কারণে এবার শ্রমিক সংকট এতো বেশি যে, আগের মৌসুমের তুলনায় দ্বিগুণ পারিশ্রমিকও দিতে হয়েছে কোনো কোনো এলাকায়। শ্রমিক সংকট ও পারিশ্রমিকের এ পার্থক্যের কারণ হিসেবে জানা যায়, এ অঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় একই সময়ে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হওয়ায় শ্রমিক চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকরা প্রয়োজনীয় শ্রমিক পায় না।

 

চার বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন ফকিরহাটে গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, এরমধ্যে আগের ১বিঘা জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। বাকি ধান পেঁকে গিয়েছে অথচ কাটা-মাড়াইয়ের কাজে এলাকায় কোনো শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এই এলাকার শ্রমিকরা সাধারণত সকাল ৭টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কাজ করে থাকে। এখন ভরা বোরো ধান কাটা মৌসুমে এলাকার বাইরে থেকে শ্রমিক এনে তারা দিনভর ধান কাটা মাড়ায় কাজ করে একজন শ্রমিক ৯শ’থেকে হাজার টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে। একই কথা বললেন ফকিরহাটে গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম।

 

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আফতাব উদ্দিন বলেন, এবার বাগেরহাট ৯উপজেলায় ধানের ফলন ভাল হয়েছে। এরইমধ্যে ধান কাটা মাড়াও শুরু হয়েছে। ফণির আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে কৃষকরা তাদের আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করে। এছাড়া মাঠের ধান পেকে যাওয়ায় সবায় একযোগে ধান কাটা শুরু হওয়ায় শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।এ বিষয়ে ফকিরহাটের স্থানীয় ধান চাষী মন্টু জানান, একজন শ্রমিক তিন বেলা খাওয়া এবং দিন শেষে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দিতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় একজন শ্রমিকের পেছনে দিন শেষে যে খরচ তা উঠবে বলে মনে হয়না। গত মৌসুমেও শ্রমিক সংকট ও মজুরির হার এমন তীব্র ছিল না।

 

কিন্তু নানা কারণে এবার শ্রমিক সংকট এতো বেশি যে, আগের মৌসুমের তুলনায় দ্বিগুণ পারিশ্রমিকও দিতে হয়েছে কোনো কোনো এলাকায়। শ্রমিক সংকট ও পারিশ্রমিকের এ অস্বাভাবিকতার কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখো গেলো ব্যতিক্রম বাদে পুরো দেশের চালচিত্র একই রকম। দেশের অধিকাংশ এলাকায় একযোগে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হওয়ায় শ্রমিক সংকট দেখা দেয়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকরা প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাননি। তবে আগাম চাষের এলাকায় এ সমস্যা ছিল না। শ্রমিক সংকটের কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সারাদেশে আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এবং তৈরি হয়েছে গ্রামীণ পর্যায়ে বিভিন্ন খামার, কারখানা ও ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান। সেইসঙ্গে সারাদেশেই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নগরায়ন ও শিল্পায়ন।

 

এছাড়া অধিকাংশ দরিদ্র পরিবারের লোকজন জীবিকার তাগিদে পোশাক কারখানা বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি, শহর এলাকায় রিকশা-ভ্যান, টেম্পু, অটোরিকশা চালনার কাজে যুক্ত হয়েছেন। এ পেশায় উপার্জন বেশি হওয়ায় কৃষি শ্রমিকের জীবনে বেশিরভাগ মানুষই আর ফিরে যেতে চান না। অনেকেই মুরগী খামার, মাছ চাষ, মুদি দোকান করছেন। ফলে দিনকে-দিন কমে গেছে কৃষি শ্রমিক।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited