বিশ্ববাসীর কাছে মুক্তিযুদ্ধের চিত্র তুলে ধরেছিলেন সারাহ বেগম কবরী

Spread the love

জনপ্রিয় ও খ্যাতিমান অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক সারাহ বেগম কবরী ১৯৭১ সালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন পাকসেনাদের বিরুদ্ধে। তিনি সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৬ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়ে এই সংগঠনের মাধ্যমে এদেশের বুদ্ধিজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক, সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

 

চট্টগ্রামে জন্ম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব কবরীর। এরপর থেকে ধীরে ধীরে টেলিভিশন এবং সিনেমা জগতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ১৯ এপ্রিল পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান তিনি। সেখান থেকে ভারত পাড়ি দেন। বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন একজন শিল্পী হিসেবে।

 

এসময় রাজনৈতিক অঙ্গনের সাথে কোন সম্পর্ক না থাকলেও একজন শিল্পী হিসাবে কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন সেসম্পর্কে ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘তখন তো আমি আওয়ামী লীগের কিংবা কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলাম না। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে, সাধারণ মানুষ, একজন অভিনেত্রী এবং শিল্পী হিসেবে মানবতা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাবা, মা, ভাই-বোন, সম্পদ, লোভ-লালসা সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন এবং জনসম্মুখে কাঁদছিলেন এজন্য যে পাকিস্তানি বাহিনী যেভাবে হত্যা-নির্যাতন চালাচ্ছিল আমাদের দেশের মানুষের উপর তার হাত থেকে যেন আমার দেশের মানুষ অতি দ্রুত রক্ষা পায়। সেজন্য আমি মানুষের কাছে, বিশ্ববাসীর কাছে যে আহ্বান জানিয়েছিলাম আকাশবাণী কলিকাতা থেকে তার বক্তব্য ২৮ মার্চ প্রচারিত হয়।

 

কলকাতা গিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। এসময়ের একটি স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে কবরী বলেন, ‘‘সেখানে একটি অনুষ্ঠান হয়। আমি বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছিলাম। সেখানে আমি তুলে ধরি, কীভাবে আমি আমার মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন সবাইকে ছেড়ে এক কাপড়ে একেবারে কপর্দকহীন অবস্থায় সেখানে পালিয়ে যায়। সেটা বলতে বলতে আমি বিশ্ববাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন করি যেন আমার দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য, আমার মা-বোনকে বাঁচানোর জন্য। তারপর আমি কাঁদতে কাঁদতে জ্ঞানহারা হয়ে পড়ি। আর কিছুই জানিনা।

 

বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ভারত যে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল সেটা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করেন সারাহ বেগম কবরী। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় সেসময়ের জনপ্রিয় বড় মাপের সংগীত পরিচালক, সংগীত শিল্পী ও অভিনয় শিল্পীদের সাথে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সভা-সমাবেশ ও অনুষ্ঠান করেছেন তিনি। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ ও পোশাক সংগ্রহ করতেন তাঁরা। বিশ্ববাসীর কাছে সহায়তার আহ্বান সম্বলিত কবরীর বিখ্যাত ভাষণ ভারতের ‘আকাশবাণী’ থেকে মাঝে মাঝেই বাজানো হতো। তাঁর এই ভাষণ তাঁর মা-বাবাসহ বাংলাদেশের অনেক মুক্তিকামী মানুষ এবং মুক্তিযোদ্ধারাও শুনেছিলেন।

 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবারও চলচ্চিত্র জগতে মনোনিবেশ করেন সারাহ বেগম কবরী। সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং’ ছবির নায়িকা হিসেবে অভিনয় জীবনের শুরু কবরীর। এরপর থেকে প্রায় একশ’টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এগুলোর মধ্যে হীরামন, ময়নামতি, চোরাবালি, পারুলের সংসার, বিনিময়, আগন্তুক’সহ জহির রায়হানের তৈরি উর্দু ছবি ‘বাহানা’ এবং ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ছবি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উল্লেখযোগ্য। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। যুক্ত রয়েছেন অসংখ্য নারী অধিকার ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের সাথে।

 

সারাহ বেগম কবরী ‘‘দেশের জন্য লড়াই করতে পেরেছিলেন বলে আমি গর্ববোধ করেন। এছাড়া তার দুই ছোট্ট শিশুও সেসময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এটাই তার সবচেয়ে গর্ব ও সার্থকতার বিষয়। এখন তার উপলব্ধি হয় যে, মানুষকে তো মরতেই হবে। তাই এমন কিছু করেই মরা ভালো। তাই তার এখন মরতেও দ্বিধা নেই। যাহোক, আজও তিনি বাংলাদেশের সাবেক সাংসদ হয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকারের জন্য। তবে তিনি যেহেতু একজন মুক্তিযোদ্ধা। যেই সাহসের সাথে লড়াকু সৈনিক হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছিলেন যুদ্ধক্ষেত্রে তার তুলনায় বর্তমান লড়াই তো তেমন কিছুই না। তাই এই লড়াইয়েও জয়ী হবেন বলে সেই প্রত্যাশা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ঔষধ কোম্পানী প্রতিনিধিদের সুনির্দিষ্ট নীতিমালাসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন

» নওগাঁয় অটিজম ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

» ডামুড্যায় সেচ্ছাসেবী সংগঠন জয়ন্তীর পক্ষ থেকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই বিতরণ

» বেনাপোল কাগজপুকুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

» ঝিনাইদহের শৈলকুপা ১ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা

» সব রেকর্ড ভেঙেছে যমুনা-তিস্তার পানি, পানিবন্দি ৫ লাখ মানুষ

» প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি সফরে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ

» বরগুনায় রিফাত হত্যা: রিশান ফরাজীর ৫ দিনের রিমান্ড

» যথেষ্ট ত্রাণ মজুদ আছে বর্ন্যাত কেউ বাদ যাবেনা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

» এমপি খোকার নেতৃত্বে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির এরশাদের কবর জিয়ারত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৪ঠা শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাসীর কাছে মুক্তিযুদ্ধের চিত্র তুলে ধরেছিলেন সারাহ বেগম কবরী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

জনপ্রিয় ও খ্যাতিমান অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক সারাহ বেগম কবরী ১৯৭১ সালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন পাকসেনাদের বিরুদ্ধে। তিনি সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৬ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়ে এই সংগঠনের মাধ্যমে এদেশের বুদ্ধিজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক, সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

 

চট্টগ্রামে জন্ম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব কবরীর। এরপর থেকে ধীরে ধীরে টেলিভিশন এবং সিনেমা জগতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ১৯ এপ্রিল পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান তিনি। সেখান থেকে ভারত পাড়ি দেন। বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন একজন শিল্পী হিসেবে।

 

এসময় রাজনৈতিক অঙ্গনের সাথে কোন সম্পর্ক না থাকলেও একজন শিল্পী হিসাবে কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন সেসম্পর্কে ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘তখন তো আমি আওয়ামী লীগের কিংবা কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলাম না। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে, সাধারণ মানুষ, একজন অভিনেত্রী এবং শিল্পী হিসেবে মানবতা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাবা, মা, ভাই-বোন, সম্পদ, লোভ-লালসা সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন এবং জনসম্মুখে কাঁদছিলেন এজন্য যে পাকিস্তানি বাহিনী যেভাবে হত্যা-নির্যাতন চালাচ্ছিল আমাদের দেশের মানুষের উপর তার হাত থেকে যেন আমার দেশের মানুষ অতি দ্রুত রক্ষা পায়। সেজন্য আমি মানুষের কাছে, বিশ্ববাসীর কাছে যে আহ্বান জানিয়েছিলাম আকাশবাণী কলিকাতা থেকে তার বক্তব্য ২৮ মার্চ প্রচারিত হয়।

 

কলকাতা গিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। এসময়ের একটি স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে কবরী বলেন, ‘‘সেখানে একটি অনুষ্ঠান হয়। আমি বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছিলাম। সেখানে আমি তুলে ধরি, কীভাবে আমি আমার মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন সবাইকে ছেড়ে এক কাপড়ে একেবারে কপর্দকহীন অবস্থায় সেখানে পালিয়ে যায়। সেটা বলতে বলতে আমি বিশ্ববাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন করি যেন আমার দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য, আমার মা-বোনকে বাঁচানোর জন্য। তারপর আমি কাঁদতে কাঁদতে জ্ঞানহারা হয়ে পড়ি। আর কিছুই জানিনা।

 

বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ভারত যে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল সেটা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করেন সারাহ বেগম কবরী। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় সেসময়ের জনপ্রিয় বড় মাপের সংগীত পরিচালক, সংগীত শিল্পী ও অভিনয় শিল্পীদের সাথে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সভা-সমাবেশ ও অনুষ্ঠান করেছেন তিনি। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ ও পোশাক সংগ্রহ করতেন তাঁরা। বিশ্ববাসীর কাছে সহায়তার আহ্বান সম্বলিত কবরীর বিখ্যাত ভাষণ ভারতের ‘আকাশবাণী’ থেকে মাঝে মাঝেই বাজানো হতো। তাঁর এই ভাষণ তাঁর মা-বাবাসহ বাংলাদেশের অনেক মুক্তিকামী মানুষ এবং মুক্তিযোদ্ধারাও শুনেছিলেন।

 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবারও চলচ্চিত্র জগতে মনোনিবেশ করেন সারাহ বেগম কবরী। সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং’ ছবির নায়িকা হিসেবে অভিনয় জীবনের শুরু কবরীর। এরপর থেকে প্রায় একশ’টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এগুলোর মধ্যে হীরামন, ময়নামতি, চোরাবালি, পারুলের সংসার, বিনিময়, আগন্তুক’সহ জহির রায়হানের তৈরি উর্দু ছবি ‘বাহানা’ এবং ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ছবি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উল্লেখযোগ্য। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। যুক্ত রয়েছেন অসংখ্য নারী অধিকার ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের সাথে।

 

সারাহ বেগম কবরী ‘‘দেশের জন্য লড়াই করতে পেরেছিলেন বলে আমি গর্ববোধ করেন। এছাড়া তার দুই ছোট্ট শিশুও সেসময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এটাই তার সবচেয়ে গর্ব ও সার্থকতার বিষয়। এখন তার উপলব্ধি হয় যে, মানুষকে তো মরতেই হবে। তাই এমন কিছু করেই মরা ভালো। তাই তার এখন মরতেও দ্বিধা নেই। যাহোক, আজও তিনি বাংলাদেশের সাবেক সাংসদ হয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকারের জন্য। তবে তিনি যেহেতু একজন মুক্তিযোদ্ধা। যেই সাহসের সাথে লড়াকু সৈনিক হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছিলেন যুদ্ধক্ষেত্রে তার তুলনায় বর্তমান লড়াই তো তেমন কিছুই না। তাই এই লড়াইয়েও জয়ী হবেন বলে সেই প্রত্যাশা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited