বঙ্গোপসাগরে ইলিশ মৌসুমে অবরোধ বাতিলের দাবিতে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ

Spread the love

আনোয়ার হোসেন আনু,কুয়াকাটা থেকে ॥ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দূর্যোগ সৃস্টি হওয়ায় জেলেরা ইলিশের ভরা মৌসুমে ইলিশ শিকার করতে পারছে না। যখন সমুদ্র শান্ত হয় তখন সরকারের জারিকৃত ইলিশ শিকারে অবরোধ জেলেদের মরার উপর খারার ঘাঁ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলে পেশা ও ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে ইলিশ শিকার বন্ধের জন্য নির্ধারিত ৬৫ দিন অবরোধের সময়সীমা বাতিল অথবা পুনঃনির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে পটুয়াখালী আলীপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর এবং কুয়াকাটার হাজারো জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও মাছধরা ট্রলার মালিকরা।

 

শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরের শেখ রাসেল সেতুর উপর এ মানববন্ধন কর্মসূচীতে আলীপুর-কুয়াকাটা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি, মহিপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি, কলাপাড়া উপজেলা ফিশিং ট্রলার মাঝি সমিতি, কুয়াকাটা-আলীপুর ট্রলার মালিক সমিতি, মহিপুর ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহন করে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপকূলীয় বাসীর প্রাণের দাবি আদায়ের জন্য পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কের শেখ রাসেল সেতুর উপড় আলীপুর, মহিপুর, কুয়াকাটা মস্যব্যবসায়ী সমিতি এবং ফিশিং বোট মালিক সমিতিসহ জেলে পেশার সঙ্গে জড়িত অন্যান সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।  শেখ রাসের সেতুর ওপর অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বক্তরা বলেন, মেরিন ফিশারিজ অর্ডিনেন্স ১৯৮৩ এর ধারা ১৮ সংশোধন করে ধারা ১৯ এর পূণঃসংশোধন পূর্বক ফিশিং ট্রলারসহ সকল ইঞ্জিন চালিত নৌকায় মাছ ধরার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানায়।

 

সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা আরো বলেন, বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত ছয় মাস ইলিশের পাওয়া গেলেও মূলত জৈষ্ঠ্য, আষাঢ়, শ্রাবন ও ভাদ্র মাস ইলিশের ভরা মৌসুম। এসময় প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় জেলেরা গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারে না। অথচ উল্লেখিত সময়ে সরকারের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে ৬৫ দিন ইলিশ শিকার করা বন্ধ রাখার নির্দেশনা আসছে। এ নির্দেশ বাস্তবায়ন হলে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়িদের অপুরনীয় ক্ষতি হবে। সে কারণে জেলেসহ মৎস্য ব্যবসায়ীরা এ প্রজ্ঞাপন বাতিল বা সংশোধনে দাবি জানায়।

 

মৎস্য ব্যবসায়িরা আরো বলেন, উপকূলীয় জেলেরা সরকারের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন মেনে জাটকা ইলিশ শিকার বন্ধ রাখে। কিন্তু একই সময়ে ভারতের হাজারো জেলেরা এ নিষেধাজ্ঞা না মেনে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে ইলিশ শিকার করে। এমনকি মা ইলিশ প্রজনন মৌসুমেও বাংলাদেশের জেলেরা ইলিশ শিকার বন্ধ রাখলেও ভারতীয় জেলেরা ইলিশ শিকার অব্যহত রাখে। তাই ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই এই দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রাখলে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে ইলিশ শিকার করবে। এতে বাংলাদেশের জেলেরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে আর লাভবান হবে ভারতীয় জেলেরা।

 

এ সময় বক্তারা দাবী করেন,ভারতে মাত্র ১মাস ( বৈশাখ) মাস মাছ ধরা বন্ধ রাখে আর বাংলাদেশে পর্যায়ে ক্রমে প্রায় ৬মাস মাছ ধরা বন্ধ রাখার সিদ্দান্ত নেয়া হয়েছে। জেলেরা ভারতের সাথে মিল রেখে ১মাস মাছ ধরা বন্ধ রাখার আহবান জানান। মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মহিপুর মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম বেপারী, লতাচাপলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সভাপতি আনছার উদ্দিন মোল্লা, মহিপুর আড়তদার সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলু গাজী, মহিপুর ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার গাজী, মহিপুর, ট্রলার মালিক আসাদুজ্জামান দিদার ও মৎস্য আড়তদার জলিল হাওলাদার প্রমুখ।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রনালয় ২০১৫ সালে ২০ মে মৎস্য-২ (আইন) অধিশাখা একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও সংরক্ষনের লক্ষ্যে প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপনটি এত বছর বাস্তবায়ন না হলেও চলতি মৌসুমে বাস্তবায়ন করার প্রক্রিয়া রয়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» বরগুনার পাথরঘাটায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

» নোবেলের আসল চেহারা ফাঁস করলো কলকাতা মিডিয়া!

» এবার ভারতে ইসলাম গ্রহণের হিড়িক

» গাজীপুরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকায় ৩৭ যুবক-যুবতীকে গ্রেফতার

» আসামি ধরতে এবার ‘হুজুর’ সাজলেন পুলিশ

» মনের সুখই আসল সুখ বা অপরকে সুখী করানোই প্রকৃত সুখ

» কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশী নিহত

» বেনাপোল চেকপোস্ট নারীর ব্যাগে মিলল ৪০ হাজার ডলার ও ১৩ লাখ রুপি

» বাংলাদেশের নতুন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো

» প্রতিদিনের কথা এবং দৈনিক আলোকিত সকাল এ প্রকাশিত রেলওয়ে পুলিশ সম্পর্কিত সংবাদটি ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে ইলিশ মৌসুমে অবরোধ বাতিলের দাবিতে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

আনোয়ার হোসেন আনু,কুয়াকাটা থেকে ॥ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দূর্যোগ সৃস্টি হওয়ায় জেলেরা ইলিশের ভরা মৌসুমে ইলিশ শিকার করতে পারছে না। যখন সমুদ্র শান্ত হয় তখন সরকারের জারিকৃত ইলিশ শিকারে অবরোধ জেলেদের মরার উপর খারার ঘাঁ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলে পেশা ও ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে ইলিশ শিকার বন্ধের জন্য নির্ধারিত ৬৫ দিন অবরোধের সময়সীমা বাতিল অথবা পুনঃনির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে পটুয়াখালী আলীপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর এবং কুয়াকাটার হাজারো জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও মাছধরা ট্রলার মালিকরা।

 

শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরের শেখ রাসেল সেতুর উপর এ মানববন্ধন কর্মসূচীতে আলীপুর-কুয়াকাটা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি, মহিপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি, কলাপাড়া উপজেলা ফিশিং ট্রলার মাঝি সমিতি, কুয়াকাটা-আলীপুর ট্রলার মালিক সমিতি, মহিপুর ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহন করে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপকূলীয় বাসীর প্রাণের দাবি আদায়ের জন্য পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কের শেখ রাসেল সেতুর উপড় আলীপুর, মহিপুর, কুয়াকাটা মস্যব্যবসায়ী সমিতি এবং ফিশিং বোট মালিক সমিতিসহ জেলে পেশার সঙ্গে জড়িত অন্যান সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।  শেখ রাসের সেতুর ওপর অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বক্তরা বলেন, মেরিন ফিশারিজ অর্ডিনেন্স ১৯৮৩ এর ধারা ১৮ সংশোধন করে ধারা ১৯ এর পূণঃসংশোধন পূর্বক ফিশিং ট্রলারসহ সকল ইঞ্জিন চালিত নৌকায় মাছ ধরার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানায়।

 

সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা আরো বলেন, বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত ছয় মাস ইলিশের পাওয়া গেলেও মূলত জৈষ্ঠ্য, আষাঢ়, শ্রাবন ও ভাদ্র মাস ইলিশের ভরা মৌসুম। এসময় প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় জেলেরা গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারে না। অথচ উল্লেখিত সময়ে সরকারের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে ৬৫ দিন ইলিশ শিকার করা বন্ধ রাখার নির্দেশনা আসছে। এ নির্দেশ বাস্তবায়ন হলে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়িদের অপুরনীয় ক্ষতি হবে। সে কারণে জেলেসহ মৎস্য ব্যবসায়ীরা এ প্রজ্ঞাপন বাতিল বা সংশোধনে দাবি জানায়।

 

মৎস্য ব্যবসায়িরা আরো বলেন, উপকূলীয় জেলেরা সরকারের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন মেনে জাটকা ইলিশ শিকার বন্ধ রাখে। কিন্তু একই সময়ে ভারতের হাজারো জেলেরা এ নিষেধাজ্ঞা না মেনে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে ইলিশ শিকার করে। এমনকি মা ইলিশ প্রজনন মৌসুমেও বাংলাদেশের জেলেরা ইলিশ শিকার বন্ধ রাখলেও ভারতীয় জেলেরা ইলিশ শিকার অব্যহত রাখে। তাই ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই এই দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রাখলে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে ইলিশ শিকার করবে। এতে বাংলাদেশের জেলেরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে আর লাভবান হবে ভারতীয় জেলেরা।

 

এ সময় বক্তারা দাবী করেন,ভারতে মাত্র ১মাস ( বৈশাখ) মাস মাছ ধরা বন্ধ রাখে আর বাংলাদেশে পর্যায়ে ক্রমে প্রায় ৬মাস মাছ ধরা বন্ধ রাখার সিদ্দান্ত নেয়া হয়েছে। জেলেরা ভারতের সাথে মিল রেখে ১মাস মাছ ধরা বন্ধ রাখার আহবান জানান। মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মহিপুর মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম বেপারী, লতাচাপলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সভাপতি আনছার উদ্দিন মোল্লা, মহিপুর আড়তদার সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলু গাজী, মহিপুর ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার গাজী, মহিপুর, ট্রলার মালিক আসাদুজ্জামান দিদার ও মৎস্য আড়তদার জলিল হাওলাদার প্রমুখ।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রনালয় ২০১৫ সালে ২০ মে মৎস্য-২ (আইন) অধিশাখা একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও সংরক্ষনের লক্ষ্যে প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপনটি এত বছর বাস্তবায়ন না হলেও চলতি মৌসুমে বাস্তবায়ন করার প্রক্রিয়া রয়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited