পিয়ন-কাম-গার্ডদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান

Spread the love

সারাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসগুলোতে কর্মরত প্রায় ৩ হাজার দৈনিক ভিত্তিক পিয়ন-কাম-গার্ডদের চাকুরী স্থায়ীকরণ, শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র-ছুটি-বোনাসসহ যাবতীয় সুবিধাদি প্রদান এবং আন্দোলনকারীদের শাস্তিমূলক চাকুরিচ্যুতি-বদলি বন্ধসহ ৫ দফা দাবিতে গ্রামীণ ব্যাংক ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ-এর উদ্যোগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি আজ ১৯ মার্চ গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শুরু হয়েছে।

 

১৯ মার্চ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের পর বিকেলে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ থেকে চাকুরী স্থায়ীকরণের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা সেখানেই অবস্থান করবে বলে জানিয়েছে। এর আগে সকালে আন্দোলনকারীরা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণরের কাছে স্মারকলিপি পেশ করে। তারা নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও গরিব কর্মচারীদের আইনসম্মত অধিকার ফিরে পেতে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ দাবি করছে।

 

গ্রামীণ ব্যাংক ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ-এর আহ্বায়ক আজিজুল হক বাবুল এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পরিষদ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউনুস, নয়ন শিকদার, সাধারণ সম্পাদক মিন্টু রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল ইসলাম, উপদেষ্টা ইরাদুল ইসলাম, যশোর জোনের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, নরসিংদী জোনের সভাপতি মো. আরিফ মিয়া, টাঙ্গাইল জোনের সভাপতি ইউসুফ আলী, সিরাজগঞ্জ জোনের মো. আজম প্রমুখ।

 

উক্ত দাবির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও বামপন্থী রজানৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “গ্রামীণ ব্যাংক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংকের কর্মকর্তারা একে ‘গরিবের ব্যাংক’ বলে দাবি করেন। অথচ ব্যাংকটি নিজেদের গরিব কর্মচারীদের সাথে অমানবিক আচরণ ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসে পিয়ন-কামÑগার্ড হিসেবে কর্মরত তিন হাজারের বেশি কর্মচারীকে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে (ঘড় ডড়ৎশ, ঘড় চধু) বছরের পর বছর ধরে কাজ করানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চাকুরি করলেও চাকুরী স্থায়ীকরণ করা হচ্ছে না। এই কর্মচারীদের কোন নির্ধারিত কর্মঘন্টা, সাপ্তাহিক-সরকারি-উৎসব-ঐচ্ছিক-অসুস্থতাকালীন ছুটি, বোনাস নেই। কোনরকম কারণ দর্শানো ও লিখিত অভিযোগ ছাড়া যেকোন সময় মৌখিক ভিত্তিতে ছাঁটাই করা হয়। যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, আন্তর্জাতিক শ্রমমান ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

 

বর্তমানে দিনে অফিসের কাজের জন্য দৈনিক ৩৭৫ টাকা, রাতে অফিস পাহারার জন্য মাসে ১০০০ টাকা ও সকালে ঝাড়ুদারের কাজের জন্য মাসে ৬০০ টাকা মজুরি দেয়া হয়। এই পদে ১০ বছরের বেশি সময় ধারাবাহিক কাজ করলে বিদায়কালীন অনুদান বাবদ মাত্র ২ লক্ষ টাকা দেয়া হবে। দশ বছর হওয়ার আগেই নানা অজুহাতে ছাঁটাই করা হয়। প্রতিটি ঈদ উদ্যাপন/উৎসব পালন এর জন্য সহায়তা বাবদ মাত্র ২৫০০ টাকা দেয়া হয়। চাকুরিতে যোগদানের সময় কোন নিয়োগপত্র ও ছবিসম্বলিত পরিচয়পত্র দেয়া হয় না। কর্মচারীদের প্রশ্ন Ñ ‘এত বছর ধরে ২৪ ঘন্টা কাজ করি, তবু কেন অস্থায়ী’?

 

চাকুরী স্থায়ীকরণ চেয়ে ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে কর্তৃপক্ষকে দাবিগুলো জানানো হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালের মার্চ ও জুলাই মাসে জাতীয় প্রেসক্লাব ও গ্রামীণ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। তখন ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট আশ^াস দিলেও স্থায়ীকরণের মূল দাবি বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। উপরন্তু আন্দোলনের সাথে জড়িতদের নানা কৌশলে অন্য জেলায় হয়রানিমূলক বদলি, চাকুরিচ্যুতিসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

 

ড. ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে ২০০৩ সালে স্থায়ী পিয়ন-কাম-গার্ড নিয়োগ বন্ধ করে ‘দৈনিক ভিত্তিক লোক কাজে লাগানো সংক্রান্ত’ সার্কুলার জারি করা হয়। এভাবে অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে গরিব কর্মচারীদের শোষণ ও অধিকারবঞ্চিত করেছেন ‘শান্তিতে নোবেল বিজয়ী’ ড. মুহাম্মদ ইউনুস। সরকার নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিলেও এখনো সেই ড. ইউনুস প্রশাসনেরই ধারাবাহিকতা চলছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উচিত Ñ বাংলাদেশের শ্রম আইন, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা-নিয়োগ বিধি, সর্বোপরি মানবিক দিক ও গ্রামীণ ব্যাংকের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি বিবেচনা করে ৩০০০ দৈনিকভিত্তিক পিয়ন-কাম-গার্ডদের চাকুরী স্থায়ী করে তাদের পরিবারের সম্মানজনক জীবিকা ও

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» গলাচিপায় জোলেখার বাজারে বেহাল দশা

» ফতুল্লায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ টাকা ও ঢেউটিন বিতরণ

» শরীয়তপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে যুবক নিখোঁজ

» চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক আলমগীর

» ভারতের পেট্রাপোলে হুন্ডির টাকাসহ আটক বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ৩ কনস্টেবল অবশেষে মুক্ত।। ইমিগ্রেশনের কর্মচারী রুহুল কারাগারে

» ঝিনাইদহে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

» ঝিনাইদহে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার স্ক্র্যাচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

» তামাকপণ্যের উপর সুর্নিদিষ্ট হারে কর বৃদ্ধির দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

» ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল বাংলাদেশি ৬ নারী

» শুধু অন্তর্বাস নয় উন্মুক্ত বক্ষযুগল নিয়ে হাজির পুনম পাণ্ডে!

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন








ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পিয়ন-কাম-গার্ডদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

সারাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসগুলোতে কর্মরত প্রায় ৩ হাজার দৈনিক ভিত্তিক পিয়ন-কাম-গার্ডদের চাকুরী স্থায়ীকরণ, শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র-ছুটি-বোনাসসহ যাবতীয় সুবিধাদি প্রদান এবং আন্দোলনকারীদের শাস্তিমূলক চাকুরিচ্যুতি-বদলি বন্ধসহ ৫ দফা দাবিতে গ্রামীণ ব্যাংক ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ-এর উদ্যোগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি আজ ১৯ মার্চ গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শুরু হয়েছে।

 

১৯ মার্চ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের পর বিকেলে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ থেকে চাকুরী স্থায়ীকরণের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা সেখানেই অবস্থান করবে বলে জানিয়েছে। এর আগে সকালে আন্দোলনকারীরা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণরের কাছে স্মারকলিপি পেশ করে। তারা নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও গরিব কর্মচারীদের আইনসম্মত অধিকার ফিরে পেতে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ দাবি করছে।

 

গ্রামীণ ব্যাংক ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ-এর আহ্বায়ক আজিজুল হক বাবুল এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পরিষদ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউনুস, নয়ন শিকদার, সাধারণ সম্পাদক মিন্টু রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল ইসলাম, উপদেষ্টা ইরাদুল ইসলাম, যশোর জোনের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, নরসিংদী জোনের সভাপতি মো. আরিফ মিয়া, টাঙ্গাইল জোনের সভাপতি ইউসুফ আলী, সিরাজগঞ্জ জোনের মো. আজম প্রমুখ।

 

উক্ত দাবির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও বামপন্থী রজানৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “গ্রামীণ ব্যাংক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংকের কর্মকর্তারা একে ‘গরিবের ব্যাংক’ বলে দাবি করেন। অথচ ব্যাংকটি নিজেদের গরিব কর্মচারীদের সাথে অমানবিক আচরণ ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসে পিয়ন-কামÑগার্ড হিসেবে কর্মরত তিন হাজারের বেশি কর্মচারীকে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে (ঘড় ডড়ৎশ, ঘড় চধু) বছরের পর বছর ধরে কাজ করানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চাকুরি করলেও চাকুরী স্থায়ীকরণ করা হচ্ছে না। এই কর্মচারীদের কোন নির্ধারিত কর্মঘন্টা, সাপ্তাহিক-সরকারি-উৎসব-ঐচ্ছিক-অসুস্থতাকালীন ছুটি, বোনাস নেই। কোনরকম কারণ দর্শানো ও লিখিত অভিযোগ ছাড়া যেকোন সময় মৌখিক ভিত্তিতে ছাঁটাই করা হয়। যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, আন্তর্জাতিক শ্রমমান ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

 

বর্তমানে দিনে অফিসের কাজের জন্য দৈনিক ৩৭৫ টাকা, রাতে অফিস পাহারার জন্য মাসে ১০০০ টাকা ও সকালে ঝাড়ুদারের কাজের জন্য মাসে ৬০০ টাকা মজুরি দেয়া হয়। এই পদে ১০ বছরের বেশি সময় ধারাবাহিক কাজ করলে বিদায়কালীন অনুদান বাবদ মাত্র ২ লক্ষ টাকা দেয়া হবে। দশ বছর হওয়ার আগেই নানা অজুহাতে ছাঁটাই করা হয়। প্রতিটি ঈদ উদ্যাপন/উৎসব পালন এর জন্য সহায়তা বাবদ মাত্র ২৫০০ টাকা দেয়া হয়। চাকুরিতে যোগদানের সময় কোন নিয়োগপত্র ও ছবিসম্বলিত পরিচয়পত্র দেয়া হয় না। কর্মচারীদের প্রশ্ন Ñ ‘এত বছর ধরে ২৪ ঘন্টা কাজ করি, তবু কেন অস্থায়ী’?

 

চাকুরী স্থায়ীকরণ চেয়ে ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে কর্তৃপক্ষকে দাবিগুলো জানানো হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালের মার্চ ও জুলাই মাসে জাতীয় প্রেসক্লাব ও গ্রামীণ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। তখন ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট আশ^াস দিলেও স্থায়ীকরণের মূল দাবি বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। উপরন্তু আন্দোলনের সাথে জড়িতদের নানা কৌশলে অন্য জেলায় হয়রানিমূলক বদলি, চাকুরিচ্যুতিসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

 

ড. ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে ২০০৩ সালে স্থায়ী পিয়ন-কাম-গার্ড নিয়োগ বন্ধ করে ‘দৈনিক ভিত্তিক লোক কাজে লাগানো সংক্রান্ত’ সার্কুলার জারি করা হয়। এভাবে অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে গরিব কর্মচারীদের শোষণ ও অধিকারবঞ্চিত করেছেন ‘শান্তিতে নোবেল বিজয়ী’ ড. মুহাম্মদ ইউনুস। সরকার নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিলেও এখনো সেই ড. ইউনুস প্রশাসনেরই ধারাবাহিকতা চলছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উচিত Ñ বাংলাদেশের শ্রম আইন, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা-নিয়োগ বিধি, সর্বোপরি মানবিক দিক ও গ্রামীণ ব্যাংকের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি বিবেচনা করে ৩০০০ দৈনিকভিত্তিক পিয়ন-কাম-গার্ডদের চাকুরী স্থায়ী করে তাদের পরিবারের সম্মানজনক জীবিকা ও

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited