ক্ষতিপুরণ নির্ধারনে অনিয়মের অভিযোগ কুয়াকাটায় বেরীবাধঁ সংস্কার কাজে ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্ণবাসনের দাবী

Spread the love

আনোয়ার হোসেন আনু,কুয়াকাটা॥ কুয়াকাটায় বেরীবাধঁ সংস্কার কাজে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ীর ক্ষতিপুরণের অর্থ নিধারণে বৈষম্য করা হয়েছে এমন অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে তিন মাসের সময় দেওয়ার সূযোগ থাকলেও ক্ষতিপুরনের টাকা উত্তোলনের ১ সপ্তাহের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ী সরিয়ে নিতে নোটিশ প্রদান করে বেরীবাধঁ সংস্কার কাজে নিয়োজিত কনসালটেন্ট কোম্পানী (জিডিসিএস এবং পিএমএস) কর্তৃপক্ষ।

 

চলতি পর্যটন মৌসুমের ১ মাস বাকী থাকতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়ার এমন নোটিশে হতবাগ হয়ে পরেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। পুর্ণবাসণের ব্যবস্থা না করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান না সরানোর দাবী জানিয়ে বুধবার শেষ বিকেলে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্থ্য শতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তবে ক্ষতিপুরণ নির্ধারনে কোন অনিয়ম হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ঠ কনসালটেন্ট কোম্পানী কর্তৃপক্ষ।

 

মানবন্ধনকালে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসুম, সোবাহান, ইমাম হোসেন ও ফারুক বলেন, ক্ষতিপুরণের অর্থ নির্ধারনের সময় অসাধাচরণ করা হয়েছে। একই মানের ঘর এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও ক্ষতিপুরণ নিধারণে আকাশ পাতাল ব্যবধান রয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসুম আকন সাংবাদিকদের জানান, কুয়াকাটা বেরীবাধেঁর জিরোপয়েন্টে অবস্থিত মটর সাইকেল পার্টস বিক্রেতা রফিকের ১০/১০ হাত একটি ঘরের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। অন্যদিকে জাকির টেলিকম নামক ইলেক্ট্রিক্যাল সমমানের একটি দোকানের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৪ হাজার টাকা। চা দোকানী সোবাহান বলেন, পটুয়াখালী জয় হোটেল এন্ড রেস্তোরার ক্ষতিপুরণ ৫লাখ ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপুরণ দেওয়া হয়।

 

অপরদিকে সমমানের রেস্টুরেন্ট বৈশাখী হোটেলের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয় ৩লাখ ১০ হাজার টাকা। এমন বৈষম্যের প্রতিবাদ জানায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। মানববন্ধণকালে ব্যবসায়ীরা বলেন আমরা ক্ষুতিপুরণ চাইনা পুর্ণবাসন চাই। পর্যটন মৌসুম চলাকালে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হলে হাজারো মানুষ বেকার হয়ে পরবে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিয়ে নতুন করে অন্যত্র স্থানান্তর করার ব্যক্তিমালিকানাধীন কোন জায়গা নেই। মার্কেট করার জন্য সরকারের অনেক পতিত জমি রয়েছে। রাজস্ব নির্ধারণ পুর্বক সরকারী ভাবে পুর্ণবাসনের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানান।

 

এ বিষয়ে জিডিসিএস এবং পিএমএস কনসালটেন্ট কোম্পাণীর (আইসিআইপি প্রকল্প-১) এর রিপ্লেসমেন্ট স্পেশালিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফেরদৌস রহমান জানান, বেরীবাধেঁর সংস্কার কাজে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবার বা ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণে কোন অনিয়ম হয়নি। তাদের কথিত মতে এবং কয়েক দফা পর্যালোচনা করে ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রত্যেকের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অডিও ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ব্রয়লার থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু: নির্মানাধীন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাংচুর

» সংবাদ প্রকাশিত পর থেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন অনেকে

» সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপ ও ঠিকাদার এর উপর হামলার কারণে বহিষ্কার বান্দরবানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১২ নেতাকর্মী

» নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধভাবে উত্তোলিত পাথর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

» লামায় কিশোর কিশোরীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

» বিড়ির উপর বৈষম্যমূলক অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিতে যশোরের শার্শায় মানববন্ধন

» মৌলভীবাজারে ১৬৪৬ টি কেন্দ্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

» ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি এর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন

» বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধীকে উদ্ধারে নেমেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিশেষ টিম

» গলাচিপায় জোলেখার বাজারে বেহাল দশা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ক্ষতিপুরণ নির্ধারনে অনিয়মের অভিযোগ কুয়াকাটায় বেরীবাধঁ সংস্কার কাজে ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্ণবাসনের দাবী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

আনোয়ার হোসেন আনু,কুয়াকাটা॥ কুয়াকাটায় বেরীবাধঁ সংস্কার কাজে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ীর ক্ষতিপুরণের অর্থ নিধারণে বৈষম্য করা হয়েছে এমন অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে তিন মাসের সময় দেওয়ার সূযোগ থাকলেও ক্ষতিপুরনের টাকা উত্তোলনের ১ সপ্তাহের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ী সরিয়ে নিতে নোটিশ প্রদান করে বেরীবাধঁ সংস্কার কাজে নিয়োজিত কনসালটেন্ট কোম্পানী (জিডিসিএস এবং পিএমএস) কর্তৃপক্ষ।

 

চলতি পর্যটন মৌসুমের ১ মাস বাকী থাকতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়ার এমন নোটিশে হতবাগ হয়ে পরেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। পুর্ণবাসণের ব্যবস্থা না করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান না সরানোর দাবী জানিয়ে বুধবার শেষ বিকেলে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্থ্য শতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তবে ক্ষতিপুরণ নির্ধারনে কোন অনিয়ম হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ঠ কনসালটেন্ট কোম্পানী কর্তৃপক্ষ।

 

মানবন্ধনকালে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসুম, সোবাহান, ইমাম হোসেন ও ফারুক বলেন, ক্ষতিপুরণের অর্থ নির্ধারনের সময় অসাধাচরণ করা হয়েছে। একই মানের ঘর এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও ক্ষতিপুরণ নিধারণে আকাশ পাতাল ব্যবধান রয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসুম আকন সাংবাদিকদের জানান, কুয়াকাটা বেরীবাধেঁর জিরোপয়েন্টে অবস্থিত মটর সাইকেল পার্টস বিক্রেতা রফিকের ১০/১০ হাত একটি ঘরের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। অন্যদিকে জাকির টেলিকম নামক ইলেক্ট্রিক্যাল সমমানের একটি দোকানের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৪ হাজার টাকা। চা দোকানী সোবাহান বলেন, পটুয়াখালী জয় হোটেল এন্ড রেস্তোরার ক্ষতিপুরণ ৫লাখ ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপুরণ দেওয়া হয়।

 

অপরদিকে সমমানের রেস্টুরেন্ট বৈশাখী হোটেলের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয় ৩লাখ ১০ হাজার টাকা। এমন বৈষম্যের প্রতিবাদ জানায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। মানববন্ধণকালে ব্যবসায়ীরা বলেন আমরা ক্ষুতিপুরণ চাইনা পুর্ণবাসন চাই। পর্যটন মৌসুম চলাকালে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হলে হাজারো মানুষ বেকার হয়ে পরবে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিয়ে নতুন করে অন্যত্র স্থানান্তর করার ব্যক্তিমালিকানাধীন কোন জায়গা নেই। মার্কেট করার জন্য সরকারের অনেক পতিত জমি রয়েছে। রাজস্ব নির্ধারণ পুর্বক সরকারী ভাবে পুর্ণবাসনের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানান।

 

এ বিষয়ে জিডিসিএস এবং পিএমএস কনসালটেন্ট কোম্পাণীর (আইসিআইপি প্রকল্প-১) এর রিপ্লেসমেন্ট স্পেশালিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফেরদৌস রহমান জানান, বেরীবাধেঁর সংস্কার কাজে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবার বা ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপুরণ নির্ধারণে কোন অনিয়ম হয়নি। তাদের কথিত মতে এবং কয়েক দফা পর্যালোচনা করে ক্ষতিপুরণ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রত্যেকের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অডিও ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited