বাগেরহাটে ২২ দিন পর মৎস্যপল্লীআবার সরব ইলিশ অবরোধ শেষে রাত থেকেই শুরু হবে জেলেদের সমুদ্রযাত্রা

Spread the love

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট প্রতিনিধি:২২ দিন ধরে নীরব-নিস্তব্ধ বাগেরহাটের ৩ উপজেলারমৎস্যপল্লী আবার সরব হয়ে উঠেছে। ইলিশ আহরণের নিষেধাজ্ঞার নির্ধারিত সময় আজ রবিবার রাত ১২টা পর্যন্ত। এর পরই জেলেরা ছুটবেন সমুদ্রে। দীর্ঘ অবসর সময় পরিবারের সঙ্গে কাটিয়ে মাঝি-মাল্লারা ফিরে এসেছেন মহাজনদের আড়তে। ট্রলারে জ্বালানি তেল, বরফ, সরদ তুলে সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাগরে যাবার।

 

মৎস্য আড়ত্দার মো. জামাল হাওলাদারের মালিকানাধীন এফবি আল্লাহ মালিক ১ ট্রলারের মাঝি মো. মফিজুল ইসলাম। তার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামে। তিনি জানান, অবরোধের আগের দিন ৬ অক্টোবর সাগর থেকে ফিরে আসেন তারা। পরেরদিন বাড়িতে চলে যান। এই দীর্ঘ অবসর সময়টা তিনি পরিবারের সাঙ্গেই কাটিয়েছেন। তার ট্রলারে মোট ১৭ জন জেলে। সবাই সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে মহাজনের আড়তে ফিরেছেন। এফবি আজমির শরীফ ট্রলারের মালিক তহিদুল তালুকদার ও এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মালিক মো. রুহুল আমিন চাপরাসি বলেন, অবরোধের সময়ের মধ্যে জাল, ট্রলার মেরামত করে সাগরে যাবার উপযুক্ত করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অবরোধের সময় শেষ হলেই সাগরের উদ্দেশে রওনা হবে ট্রলারগুলো।

 

জাতীয় মৎস্য সমিতির শরণখোলা উপজেলা শাখার সভাপতি মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আবুল হোসেন বলেন, শরণখোলার জেলে-মহাজনরা সরকারের নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করেছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কোনো জেলেকে নদী-সাগরে জাল ফেলতে দেখা যায়নি। এ উপজেলার সহস্রাধিক ফিশিং ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলার রাত ১২টার পর থেকেই সাগরে ছুটতে শুরু করবে। উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবরোধের মধ্যে অসাধু জেলেদের ইলিশ শিকারের খবর পাওয়া গেলেও শরণখোলা তার ব্যতিক্রম। এখানকার কোনো জেলে নিষিদ্ধ সময়ে নদী-সাগরে জাল ফেলেনি। জেলে, মহাজনসহ সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতায় এবারের অবরোধ সফল হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» মিরপুরের চলন্তিকা বস্তিতে বস্তির আগুনে ৩ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

» কবুতর পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা দশম শ্রেণীর ছাত্র রূপঙ্কর চৌধুরী

» সেভ দ্য রোড ও অনলাইন প্রেস ইউনিটির উদ্যেগে বন্যাদূর্গত পরিবারকে ত্রাণ প্রদান

» কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ১৭তম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

» রাজধানীর মিরপুরের চলন্তিকা বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

» বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দশমিনায় শোক দিবস পালিত

» রাজনগরে তারাপাশা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

» বাউফলে জাতীয় শোক দিবস পালিত

» যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিপ্রবিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত

» কলাপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২রা ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে ২২ দিন পর মৎস্যপল্লীআবার সরব ইলিশ অবরোধ শেষে রাত থেকেই শুরু হবে জেলেদের সমুদ্রযাত্রা

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট প্রতিনিধি:২২ দিন ধরে নীরব-নিস্তব্ধ বাগেরহাটের ৩ উপজেলারমৎস্যপল্লী আবার সরব হয়ে উঠেছে। ইলিশ আহরণের নিষেধাজ্ঞার নির্ধারিত সময় আজ রবিবার রাত ১২টা পর্যন্ত। এর পরই জেলেরা ছুটবেন সমুদ্রে। দীর্ঘ অবসর সময় পরিবারের সঙ্গে কাটিয়ে মাঝি-মাল্লারা ফিরে এসেছেন মহাজনদের আড়তে। ট্রলারে জ্বালানি তেল, বরফ, সরদ তুলে সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাগরে যাবার।

 

মৎস্য আড়ত্দার মো. জামাল হাওলাদারের মালিকানাধীন এফবি আল্লাহ মালিক ১ ট্রলারের মাঝি মো. মফিজুল ইসলাম। তার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামে। তিনি জানান, অবরোধের আগের দিন ৬ অক্টোবর সাগর থেকে ফিরে আসেন তারা। পরেরদিন বাড়িতে চলে যান। এই দীর্ঘ অবসর সময়টা তিনি পরিবারের সাঙ্গেই কাটিয়েছেন। তার ট্রলারে মোট ১৭ জন জেলে। সবাই সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে মহাজনের আড়তে ফিরেছেন। এফবি আজমির শরীফ ট্রলারের মালিক তহিদুল তালুকদার ও এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মালিক মো. রুহুল আমিন চাপরাসি বলেন, অবরোধের সময়ের মধ্যে জাল, ট্রলার মেরামত করে সাগরে যাবার উপযুক্ত করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অবরোধের সময় শেষ হলেই সাগরের উদ্দেশে রওনা হবে ট্রলারগুলো।

 

জাতীয় মৎস্য সমিতির শরণখোলা উপজেলা শাখার সভাপতি মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আবুল হোসেন বলেন, শরণখোলার জেলে-মহাজনরা সরকারের নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করেছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কোনো জেলেকে নদী-সাগরে জাল ফেলতে দেখা যায়নি। এ উপজেলার সহস্রাধিক ফিশিং ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলার রাত ১২টার পর থেকেই সাগরে ছুটতে শুরু করবে। উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবরোধের মধ্যে অসাধু জেলেদের ইলিশ শিকারের খবর পাওয়া গেলেও শরণখোলা তার ব্যতিক্রম। এখানকার কোনো জেলে নিষিদ্ধ সময়ে নদী-সাগরে জাল ফেলেনি। জেলে, মহাজনসহ সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতায় এবারের অবরোধ সফল হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited