ফতুল্লায় ৭২ ঘন্টায় পাঁচটি ধর্ষন অস্ত্রধারীর হাতে পুলিশ গুলিবিদ্ধ

Spread the love

নিজস্ব সংবাদদাতা : ফতুল্লা মডেল থানায় একই দিনে ঘটেছে ৫টি ধর্ষন ও পুলিশের উপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে গেল ছিনতাইকারী অপরাধ চক্ররা । আর এই ঘটনায় থানার আইন শৃঙ্খলা ও পরিবেশ নিয়ে জনগণের মুখে চলছে সমালোচনর ঝড়।

 

সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে সব চেয়ে ব্যস্ত ও শিল্পাঞ্চল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি থানা ফতুল্লা মডেল থানাটি। আর এই থানায় গত ৭২ ঘন্টায় ৫টি ধর্ষন ও একটি অস্ত্রধারীর হামলা শিকার হলো চেকপোষ্টের পুলিশ। দিনে দিনে যেন থানার আইন শৃঙ্খলা অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে চুরি ছিনতাই মারামারি ও দখল বাজি। এক শ্রেনির অসাধু পুলিশ কামাচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

 

এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা মডেল থানায় এখন আইন শৃঙ্খলা অবনতির দিকে যাচ্ছে। শত চেষ্টা করেও যেন ঠিক রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হাজী শাহ মোহম্মদ মঞ্জুর কাদের। তিনি সৎ ও সচ্ছতার পরিচয় দিয়ে ফতুল্লা বাসীর কাছে বাহবা পেলেও তার অফিসারদের কাছ থেকে তেমন সেবা পাচ্ছেনা সাধারন জনগণ এমনটাই বলছে সচেতন মহল। ফতুল্লায় গত ৭২ ঘন্টায় ৫টি ধর্ষনের মতো ঘটনা ঘটেছে যা পূর্বে কখন দেখেনি ফতুল্লাবাসী।

 

এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার পাগলা দেলপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকে সাহেদ আলী ও তার পরিবার। তারা দু‘জনেই গামের্ন্টসে চাকুরী করে আসছে। গত ১৯ অক্টেবর সকালে সাহেদ ও তার স্ত্রী কাজে যায়। তার ছয় বৎসর বয়েসী মেয়ে সালমা (ছদ্মনাম) বাসায় থাকে। ঐ দিন দুপুর আড়াইটায় একই এলাকার লম্পট মনিরুজ্জামান মনির (৪০) মুরগীর বাচ্চা কিনে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে তার বাড়ির ছাদে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষন করেছে। তাকে চাচা ডাকে সাহেদ আলীর মেয়ে । লম্পট মনির ঐ হালিম বেপারীর ছেলে। এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় সাহেদ আলী বাদী হয়ে মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এলাকাবাসী মনির কে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

 

আরেকটি হলো: ফতুল্লার সস্তাপুর (কাঠেরপুল) এলাকায় পান্নার বাড়িতে ভাড়া থাকে ফারুক হোসেন ও তার পরিবার। তারা দুই জনেই গামের্ন্টসে চাকুরী করে। তারা বাসায় থাকে না। তাদের ১২ বৎসর বয়েসী একটি কন্যা পাখি আক্তার । সে বাসায় থাকে গত ২০ অক্টোবর রাত সাড়ে টায় প্রকৃতির ডাকে টয়েলেটে যায়। এসময় পরিকল্পিত ভাবে একই বাড়ির ভাড়াটিয়া লম্পট মিজান (১৯) জোর পূর্বক ধর্ষন করেছে ঐ কিশোরী কন্যাকে এমনটাই বলছে তার মা লুৎফা বেগম।

 

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ লম্পট মিজান কে গ্রেপ্তার করেছে। মিজান কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানাধীন মো. মুকুল মিয়ার ছেলে। তারা এই বাড়িতে ভাড়া থাকে।

 

অপরদিকে, আরেকটি ন্যক্কারজনক ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে ফতুল্লার রেল লাইন এলাকায় । এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার মিজানুর রহমানের মেয়ে দশম শ্রেনির ছাত্রী । সে একই এলাকায় তাপস স্যারের কোচিংয়ে প্রাইভেট পড়তে দেয়। সেখানে বেশ কয়েক মাস প্রাইভেট পড়ছে। কু নজরে পড়ে লম্পট শিক্ষক তাপস দাস। পওে তার মনের খায়েস মিটাতে গত রোববার বিকেলে ঐ দশম শ্রেনির ছাত্রীকে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষন করেছে। ঐ ছাত্রী বাসায় এসে তার মাকে সব খুলে বলে মা ফতুল্লা মডেল থানায় এসে মামলা দায়ের করে। মামলা নং-৬২(১০)১৮। এই মামলায় তাপসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাপস ফতুল্লা রেলষ্টেশন এলাকার কালি চন্দ্রি দাসের ছেলে। প্রথমে পুলিশ জিজ্ঞাসাবদ করে তদন্ত শেষে মামলা নেয়। তাপসকে ছাড়াতে বিভিন্ন মহল হতে তদ্ববীর আসে পুলিশের কাছে। তদ্ববীর পাত্তা না দিয়ে ওসি হাজী শাহ মোহম্মদ মঞ্জুর কাদের পিপিএম মামলা নেয়। তবে দারোগা মিজানুর রহমানের আসামী পক্ষের সাথে সখ্যতার ভাব আছে বলে বাদী মনেয়ারা বেগম জানান। মিজান জানায় তদন্তের সার্থে তাদের সাথে কথাবলি কিন্তু অনন্য কোন বিনিময় ঘটেনি।

 

আরেকটি ধর্ষনের ঘটনা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয় । পুলিশ জানান, ফতুল্লা ও সদরের মাঝখানে ঘটনা পিও সদরের মধ্যে হওয়ায় সেখানে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

 

মাসদাইর এলাকায় গত সোমবার রাতে দশম শ্রেনির ছাত্রী কে ধর্ষনের চেষ্টা করে লম্পট সুমন নামের এক যুবক। এসময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে ঐ রাতেই পুলিশের কাছে দেয়া হয়। পরে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতা আসে। এই রেকওয়ার্ড তৈরী হলো এই অক্টোবর মাসে ।

 

অপরদিকে, ফতুল্লার মুন্সীখোলা তালতলা এলাকায় চেকপোষ্টে যাত্রীবাহী বোরাক পরিবহন বাসে তল্লাসী করার সময় পুলিশকে উদ্দেশ্য করে তিন অস্ত্রধারী তিন রাউন্ড গুলি করে মটর সাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। এতে কনস্টেবল সোহেল গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে চিকিৎসাধীনে নিয়ে যায়। ফতুল্লা থানা পুলিশের চেইন্ড অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে বলে মনে করছেন থানায় সেবা নিতে আসা সাধারন জনগণ। সবাই ব্যস্ত যে যার আখের গুছাতে মরিয়া। এই থানায় কনস্টেবল হতে শুরু করে অফিসার পর্যন্ত পুলিশের মধ্যে বি শৃঙ্খলতা বিরাজ করছে।

 

ফতুল্লা থানার সামনে সদর গেইট পাকা সাইন বোর্ড বরাবর প্রকাশ্যেই বসছে তরকারী বিক্রেতার দোকান এ যেন পুলিশ দেখছেন না। নাকি কেহ এই দোকান থেকে সুবিধা নিচ্ছে । এ নিয়ে জনগনের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা ঝড়। কেহ কেহ বলে বদলী আতংকেও ভুগছে অনেকে। ফলে তাদের কর্ম কান্ড ঝিমিয়ে পড়ছে এমনটাই বলছে বিজ্ঞ জনেরা াাবার নতুন যারা আসছে তারা পুরানোদের দাপটে ও খবরদারীতে কাজ করে এনার্জি পায়না বলেও বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» গুগল ডুডলে বাংলাদেশের নারী জাগরণের অন্যতম পুরোধা কবি সুফিয়া কামাল

» মজুরি বৃদ্ধিসহ ৮ দফা দাবিতে দেশব্যাপী বিড়ি শ্রমিকদের বিক্ষোভ-মানববন্ধন

» অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকতে চাই: মাশরাফি

» ঝিনাইদহে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে ওরিয়েন্টশন কর্মশালা

» ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের বলিষ্ঠ নেত্রীত্বে ২৪ ঘন্টার পুর্বেই হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

» সোনারবাংলা আদর্শ ক্লাবের উদ্যোগে জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

» ফুুুুটবল খেলোয়াড় হতে না পেরেই হলেন নাট্যকার

» আমি মৃত্যুর মুখে, আমাকে বাঁচান

» আমেরিকায় অভিনেত্রী মৌসুমীকে আজীবন সম্মাননা

» নুসরাতকে হত্যার হুকুম দিয়ে ভুল করেছি, জবানবন্দিতে সিরাজ উদ দৌলা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লায় ৭২ ঘন্টায় পাঁচটি ধর্ষন অস্ত্রধারীর হাতে পুলিশ গুলিবিদ্ধ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

নিজস্ব সংবাদদাতা : ফতুল্লা মডেল থানায় একই দিনে ঘটেছে ৫টি ধর্ষন ও পুলিশের উপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে গেল ছিনতাইকারী অপরাধ চক্ররা । আর এই ঘটনায় থানার আইন শৃঙ্খলা ও পরিবেশ নিয়ে জনগণের মুখে চলছে সমালোচনর ঝড়।

 

সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে সব চেয়ে ব্যস্ত ও শিল্পাঞ্চল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি থানা ফতুল্লা মডেল থানাটি। আর এই থানায় গত ৭২ ঘন্টায় ৫টি ধর্ষন ও একটি অস্ত্রধারীর হামলা শিকার হলো চেকপোষ্টের পুলিশ। দিনে দিনে যেন থানার আইন শৃঙ্খলা অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে চুরি ছিনতাই মারামারি ও দখল বাজি। এক শ্রেনির অসাধু পুলিশ কামাচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

 

এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা মডেল থানায় এখন আইন শৃঙ্খলা অবনতির দিকে যাচ্ছে। শত চেষ্টা করেও যেন ঠিক রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হাজী শাহ মোহম্মদ মঞ্জুর কাদের। তিনি সৎ ও সচ্ছতার পরিচয় দিয়ে ফতুল্লা বাসীর কাছে বাহবা পেলেও তার অফিসারদের কাছ থেকে তেমন সেবা পাচ্ছেনা সাধারন জনগণ এমনটাই বলছে সচেতন মহল। ফতুল্লায় গত ৭২ ঘন্টায় ৫টি ধর্ষনের মতো ঘটনা ঘটেছে যা পূর্বে কখন দেখেনি ফতুল্লাবাসী।

 

এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার পাগলা দেলপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকে সাহেদ আলী ও তার পরিবার। তারা দু‘জনেই গামের্ন্টসে চাকুরী করে আসছে। গত ১৯ অক্টেবর সকালে সাহেদ ও তার স্ত্রী কাজে যায়। তার ছয় বৎসর বয়েসী মেয়ে সালমা (ছদ্মনাম) বাসায় থাকে। ঐ দিন দুপুর আড়াইটায় একই এলাকার লম্পট মনিরুজ্জামান মনির (৪০) মুরগীর বাচ্চা কিনে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে তার বাড়ির ছাদে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষন করেছে। তাকে চাচা ডাকে সাহেদ আলীর মেয়ে । লম্পট মনির ঐ হালিম বেপারীর ছেলে। এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় সাহেদ আলী বাদী হয়ে মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এলাকাবাসী মনির কে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

 

আরেকটি হলো: ফতুল্লার সস্তাপুর (কাঠেরপুল) এলাকায় পান্নার বাড়িতে ভাড়া থাকে ফারুক হোসেন ও তার পরিবার। তারা দুই জনেই গামের্ন্টসে চাকুরী করে। তারা বাসায় থাকে না। তাদের ১২ বৎসর বয়েসী একটি কন্যা পাখি আক্তার । সে বাসায় থাকে গত ২০ অক্টোবর রাত সাড়ে টায় প্রকৃতির ডাকে টয়েলেটে যায়। এসময় পরিকল্পিত ভাবে একই বাড়ির ভাড়াটিয়া লম্পট মিজান (১৯) জোর পূর্বক ধর্ষন করেছে ঐ কিশোরী কন্যাকে এমনটাই বলছে তার মা লুৎফা বেগম।

 

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ লম্পট মিজান কে গ্রেপ্তার করেছে। মিজান কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানাধীন মো. মুকুল মিয়ার ছেলে। তারা এই বাড়িতে ভাড়া থাকে।

 

অপরদিকে, আরেকটি ন্যক্কারজনক ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে ফতুল্লার রেল লাইন এলাকায় । এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার মিজানুর রহমানের মেয়ে দশম শ্রেনির ছাত্রী । সে একই এলাকায় তাপস স্যারের কোচিংয়ে প্রাইভেট পড়তে দেয়। সেখানে বেশ কয়েক মাস প্রাইভেট পড়ছে। কু নজরে পড়ে লম্পট শিক্ষক তাপস দাস। পওে তার মনের খায়েস মিটাতে গত রোববার বিকেলে ঐ দশম শ্রেনির ছাত্রীকে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষন করেছে। ঐ ছাত্রী বাসায় এসে তার মাকে সব খুলে বলে মা ফতুল্লা মডেল থানায় এসে মামলা দায়ের করে। মামলা নং-৬২(১০)১৮। এই মামলায় তাপসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাপস ফতুল্লা রেলষ্টেশন এলাকার কালি চন্দ্রি দাসের ছেলে। প্রথমে পুলিশ জিজ্ঞাসাবদ করে তদন্ত শেষে মামলা নেয়। তাপসকে ছাড়াতে বিভিন্ন মহল হতে তদ্ববীর আসে পুলিশের কাছে। তদ্ববীর পাত্তা না দিয়ে ওসি হাজী শাহ মোহম্মদ মঞ্জুর কাদের পিপিএম মামলা নেয়। তবে দারোগা মিজানুর রহমানের আসামী পক্ষের সাথে সখ্যতার ভাব আছে বলে বাদী মনেয়ারা বেগম জানান। মিজান জানায় তদন্তের সার্থে তাদের সাথে কথাবলি কিন্তু অনন্য কোন বিনিময় ঘটেনি।

 

আরেকটি ধর্ষনের ঘটনা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয় । পুলিশ জানান, ফতুল্লা ও সদরের মাঝখানে ঘটনা পিও সদরের মধ্যে হওয়ায় সেখানে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

 

মাসদাইর এলাকায় গত সোমবার রাতে দশম শ্রেনির ছাত্রী কে ধর্ষনের চেষ্টা করে লম্পট সুমন নামের এক যুবক। এসময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে ঐ রাতেই পুলিশের কাছে দেয়া হয়। পরে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতা আসে। এই রেকওয়ার্ড তৈরী হলো এই অক্টোবর মাসে ।

 

অপরদিকে, ফতুল্লার মুন্সীখোলা তালতলা এলাকায় চেকপোষ্টে যাত্রীবাহী বোরাক পরিবহন বাসে তল্লাসী করার সময় পুলিশকে উদ্দেশ্য করে তিন অস্ত্রধারী তিন রাউন্ড গুলি করে মটর সাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। এতে কনস্টেবল সোহেল গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে চিকিৎসাধীনে নিয়ে যায়। ফতুল্লা থানা পুলিশের চেইন্ড অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে বলে মনে করছেন থানায় সেবা নিতে আসা সাধারন জনগণ। সবাই ব্যস্ত যে যার আখের গুছাতে মরিয়া। এই থানায় কনস্টেবল হতে শুরু করে অফিসার পর্যন্ত পুলিশের মধ্যে বি শৃঙ্খলতা বিরাজ করছে।

 

ফতুল্লা থানার সামনে সদর গেইট পাকা সাইন বোর্ড বরাবর প্রকাশ্যেই বসছে তরকারী বিক্রেতার দোকান এ যেন পুলিশ দেখছেন না। নাকি কেহ এই দোকান থেকে সুবিধা নিচ্ছে । এ নিয়ে জনগনের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা ঝড়। কেহ কেহ বলে বদলী আতংকেও ভুগছে অনেকে। ফলে তাদের কর্ম কান্ড ঝিমিয়ে পড়ছে এমনটাই বলছে বিজ্ঞ জনেরা াাবার নতুন যারা আসছে তারা পুরানোদের দাপটে ও খবরদারীতে কাজ করে এনার্জি পায়না বলেও বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited