কুয়াকাটায় ২শ’ কৃষকের ৩ হাজার একর জমির ফসল নষ্ট: খুলছে বন্ধ দোকান

Spread the love

আনোয়ার হোসেন আনু, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) থেকে॥ কুয়াকাটার লতাচাপলী ইউনিয়নে রোপা আমন মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল বীজ ধানের চাহিদা রয়েছে পাঁচ হাজার ব্যাগ। বিএডিসি কর্তৃক সরবারহ করেছে ১৮শ’ ব্যাগ। চাহিদার তুলনায় কম সরবারহ হয়েছে ৩ হাজার ২শ’ ব্যাগ। চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় প্রতারণার মাধ্যমে ওই চক্রটি প্যাকেটের গায়ে বীজের জাত পরিবর্তন, মূল্য বৃদ্ধি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ উচ্চ ফলনশীল ভেজাল বীজ সরবারহ করে অন্তত দুই শতাধিক কৃষকের ৩ হাজার ২শ’একর জমির ফসল নষ্ট করেছে।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, একরে কৃষকরা ৭শ’- ১হাজার টাকায় বীজ ধান সংগ্রহ করেছেন। চাষাবাদ বাবদ ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৫’শ টাকা। বপন খরচ ৩ হাজার টাকা এবং সার ঔষধ ও পরিচর্যায় একর প্রতি মোট ব্যয় হয় ১২ হাজার টাকা। সব কিছু ঠিক থাকলে একর প্রতি ৫০ মন ধান হবার সম্ভাবনা ছিল। প্রতিমন ১ হাজার টাকা হারে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হত। এ হিসেবে এখানকার কৃষকরা একর প্রতি ১২ হাজার টাকা পুঁজি ও লাভ মোট হারিয়েছে একর প্রতি ৬২ হাজার টাকা। সর্বসাকুল্যে যার মূল্য হয় প্রায় ২০ কোটি টাকা। গত সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার কৃষকদের অভিযোগে লতাচাপলী ইউনিয়নের অন্তত ১০ গ্রামের ৫০ জন কৃষকের সাথে কথা বললে এমন চিত্র পাওয়া যায়।

 

এসব বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসের একটি টিম গত দুই দিন ধরে মাঠে রয়েছে। ওই টিম লতাচাপলী ইউনিয়নের খাজুরা, মিশ্রিপাড়া, নয়া মিস্ত্রিপাড়া, মুসুল্লীয়াবাদ, মাইটভাংগা, তাহেরপুর, গোড়াআমখোলাপাড়া, দিয়ারআমখোলা গ্রামে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করেছে। তারা কৃষকদের অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছেন। ওই প্রতিনিধি টিমের অন্যতম লতাচাপলী ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি অফিসার আবুল কালাম এ প্রতিবেদকে জানিয়েছেন, এ ইউনিয়েনে মোট ৩৫টি গ্রাম রয়েছে। সবগুলোর গ্রামের তথ্য সংগ্রহ করা এখনও সম্ভব হয়নি। তবে সবগুলো গ্রামের ২০ ভাগ কৃষক কমবেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া পাশ্ববর্তী কুয়াকাটা পৌরসভার একাধিক কৃষক নি¤œমানের বীজ ধান সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে ওই কৃষি কর্মকর্তা জানতে পেরেছেন।

 

এদিকে গত তিনদিন ধরে অন্তত ১০ গ্রামের ৫০ জন কৃষকের সাথে কথা হয়। হাতে গোনা দুই একজন কৃষক ছাড়া সবারই অভিযোগ নি¤œমানের ওই বীজ ক্রয় করে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। খানাবাদ গ্রামের ছালাম গাজী জানিয়েছে, তার মোট জমি ৬ বিঘা। ওই জমিতে ৭শ’ পঞ্চাশ টাকা ধরে ৩ প্যাকেট ধান কিনে বীজতলা করেছিলেন। ২৫ আষাঢ় রোপন করা হলে মাত্র ২০ দিনে ওই ধানে ফলন ধরেছে। যা অপরিপক্ক। নতুন করে চাষ করারও সুযোগ নাই বলে জানিয়েছেন ওই কৃষক ছালাম গাজী। তুলাতলী গ্রামের হারুন মাতুব্বর ও সুলতান মাতুব্বর বলেন, প্রথমে ১হাজার টাকায় ধরে প্রতি বস্তা বীজ ধান কিনে নষ্ট হয়ে যায়। পুনরায় ৬শ’টাকা ধরে ৩ প্যাকেট বীজ ধান কিনে বপন করলে তাতে এখনই ধান হয়েছে।ওই ধান অদৌও পরিপক্ক হকে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ওই দুই কৃষক।

 

অপরদিকে সোমবার থেকে বিক্ষোভরত কৃষকরা আলীপুর বাজারের সার বীজ বিক্রেতাদের দোকান বন্ধ করে দিলেও এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত খোলা হয়নি। তবে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওইসব ব্যবসায়ীদের নিয়ে বুধবার বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিকালে কৃষকদের ডেকে সমাবেশ করেছেন। সমাবেশে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা। সমাবেশ থেকে ওইসকল ক্ষেতে অতিরিক্ত সার ও কিটনাশক প্রয়োগের সিদ্ধান্ত এসেছে। অতিরিক্ত সার ও কিটনাশক কৃষকদের মাঝে ব্যবসায়ীরা বাকীতে সরবরাহ করার শর্তে সন্ধ্যায় বন্ধ দোকানগুলো খুলে দেওয়া হয়।

 

লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আনছার উদ্দিন মোল্লা বলেন, কৃষকদের কয়েক দিন ধরে চলমান আন্দোলনে রোপা আমন মৌসুমে দোকান বন্ধ থাকায় সার ঔষধ প্রয়োগ করতে পারছেনা অনেক ৮০ ভাগ কৃষক। ক্ষতিগ্রস্থ ২০ ভাগ কৃষকদের আন্দোলনে ৮০ ভাগ কৃষকদের সর্বনাশ করা ঠিক হবে না। তাই ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের বুঝিয়ে বন্ধ থাকা দোকানগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মান্নান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায় জরিপ চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সংখ্যা ও জমির পরিমান নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কৃষকরা নিম্নমানের বীজ বপণ করায় দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে ।

 

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল থেকে লতাচাপলী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা আমন ক্ষেতে রোপন করা ধানের বীজ ও প্যাকেট নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক সরবরাহকৃত বীজের প্যাকেটের গায়ে লাল কালীর লেখার উপর কাটাছেড়া করা যায়। যার ফলে কৃষকরা এসকল বীজ ক্ষেতে রোপন করার পনের দিনের মাথায় অপরিপক্ক ধান গাছে ফলন আসে। এ জমিতে রোপন করে কৃষকরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। চলতি আমন মৌসুমে পুনরায় চাষাবাদ করে ধান রোপন করাও সম্ভব হচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের পৃথক কয়েকটি অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী-১,ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ আটক-২

» বেনাপোলের আমড়া খালি এলাকা থেকে ৪১ টি সোনার বার সহ আটক-৪

» গাইবান্ধায় বিলের পাড়ে হাত পা বাধা অবস্থায় এক নারী উদ্ধার

» পুলিশ যা জানালো ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতারের পর

» রংপুর চেম্বার পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের মত বিনিময় সভা

» ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার: নুসরাতের বাবা-মায়ের নামাজ আদায়

» বাজেট ইতিবাচক, আরো ৫৬৫০ কোটি টাকা প্রণোদনা চায় বিজিএমইএ

» ছাত্রদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়তে যা করতেন শিক্ষিকা!

» ছেলে থাকেন দালানে, মায়ের জায়গা ঝুপড়িতে

» সোনাগাজী থানার ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন চাইলে যে ব্যবস্থা নিবেন ব্যারিস্টার সুমন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন








ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় ২শ’ কৃষকের ৩ হাজার একর জমির ফসল নষ্ট: খুলছে বন্ধ দোকান

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

আনোয়ার হোসেন আনু, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) থেকে॥ কুয়াকাটার লতাচাপলী ইউনিয়নে রোপা আমন মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল বীজ ধানের চাহিদা রয়েছে পাঁচ হাজার ব্যাগ। বিএডিসি কর্তৃক সরবারহ করেছে ১৮শ’ ব্যাগ। চাহিদার তুলনায় কম সরবারহ হয়েছে ৩ হাজার ২শ’ ব্যাগ। চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় প্রতারণার মাধ্যমে ওই চক্রটি প্যাকেটের গায়ে বীজের জাত পরিবর্তন, মূল্য বৃদ্ধি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ উচ্চ ফলনশীল ভেজাল বীজ সরবারহ করে অন্তত দুই শতাধিক কৃষকের ৩ হাজার ২শ’একর জমির ফসল নষ্ট করেছে।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, একরে কৃষকরা ৭শ’- ১হাজার টাকায় বীজ ধান সংগ্রহ করেছেন। চাষাবাদ বাবদ ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৫’শ টাকা। বপন খরচ ৩ হাজার টাকা এবং সার ঔষধ ও পরিচর্যায় একর প্রতি মোট ব্যয় হয় ১২ হাজার টাকা। সব কিছু ঠিক থাকলে একর প্রতি ৫০ মন ধান হবার সম্ভাবনা ছিল। প্রতিমন ১ হাজার টাকা হারে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হত। এ হিসেবে এখানকার কৃষকরা একর প্রতি ১২ হাজার টাকা পুঁজি ও লাভ মোট হারিয়েছে একর প্রতি ৬২ হাজার টাকা। সর্বসাকুল্যে যার মূল্য হয় প্রায় ২০ কোটি টাকা। গত সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার কৃষকদের অভিযোগে লতাচাপলী ইউনিয়নের অন্তত ১০ গ্রামের ৫০ জন কৃষকের সাথে কথা বললে এমন চিত্র পাওয়া যায়।

 

এসব বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসের একটি টিম গত দুই দিন ধরে মাঠে রয়েছে। ওই টিম লতাচাপলী ইউনিয়নের খাজুরা, মিশ্রিপাড়া, নয়া মিস্ত্রিপাড়া, মুসুল্লীয়াবাদ, মাইটভাংগা, তাহেরপুর, গোড়াআমখোলাপাড়া, দিয়ারআমখোলা গ্রামে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করেছে। তারা কৃষকদের অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছেন। ওই প্রতিনিধি টিমের অন্যতম লতাচাপলী ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি অফিসার আবুল কালাম এ প্রতিবেদকে জানিয়েছেন, এ ইউনিয়েনে মোট ৩৫টি গ্রাম রয়েছে। সবগুলোর গ্রামের তথ্য সংগ্রহ করা এখনও সম্ভব হয়নি। তবে সবগুলো গ্রামের ২০ ভাগ কৃষক কমবেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া পাশ্ববর্তী কুয়াকাটা পৌরসভার একাধিক কৃষক নি¤œমানের বীজ ধান সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে ওই কৃষি কর্মকর্তা জানতে পেরেছেন।

 

এদিকে গত তিনদিন ধরে অন্তত ১০ গ্রামের ৫০ জন কৃষকের সাথে কথা হয়। হাতে গোনা দুই একজন কৃষক ছাড়া সবারই অভিযোগ নি¤œমানের ওই বীজ ক্রয় করে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। খানাবাদ গ্রামের ছালাম গাজী জানিয়েছে, তার মোট জমি ৬ বিঘা। ওই জমিতে ৭শ’ পঞ্চাশ টাকা ধরে ৩ প্যাকেট ধান কিনে বীজতলা করেছিলেন। ২৫ আষাঢ় রোপন করা হলে মাত্র ২০ দিনে ওই ধানে ফলন ধরেছে। যা অপরিপক্ক। নতুন করে চাষ করারও সুযোগ নাই বলে জানিয়েছেন ওই কৃষক ছালাম গাজী। তুলাতলী গ্রামের হারুন মাতুব্বর ও সুলতান মাতুব্বর বলেন, প্রথমে ১হাজার টাকায় ধরে প্রতি বস্তা বীজ ধান কিনে নষ্ট হয়ে যায়। পুনরায় ৬শ’টাকা ধরে ৩ প্যাকেট বীজ ধান কিনে বপন করলে তাতে এখনই ধান হয়েছে।ওই ধান অদৌও পরিপক্ক হকে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ওই দুই কৃষক।

 

অপরদিকে সোমবার থেকে বিক্ষোভরত কৃষকরা আলীপুর বাজারের সার বীজ বিক্রেতাদের দোকান বন্ধ করে দিলেও এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত খোলা হয়নি। তবে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওইসব ব্যবসায়ীদের নিয়ে বুধবার বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিকালে কৃষকদের ডেকে সমাবেশ করেছেন। সমাবেশে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা। সমাবেশ থেকে ওইসকল ক্ষেতে অতিরিক্ত সার ও কিটনাশক প্রয়োগের সিদ্ধান্ত এসেছে। অতিরিক্ত সার ও কিটনাশক কৃষকদের মাঝে ব্যবসায়ীরা বাকীতে সরবরাহ করার শর্তে সন্ধ্যায় বন্ধ দোকানগুলো খুলে দেওয়া হয়।

 

লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আনছার উদ্দিন মোল্লা বলেন, কৃষকদের কয়েক দিন ধরে চলমান আন্দোলনে রোপা আমন মৌসুমে দোকান বন্ধ থাকায় সার ঔষধ প্রয়োগ করতে পারছেনা অনেক ৮০ ভাগ কৃষক। ক্ষতিগ্রস্থ ২০ ভাগ কৃষকদের আন্দোলনে ৮০ ভাগ কৃষকদের সর্বনাশ করা ঠিক হবে না। তাই ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের বুঝিয়ে বন্ধ থাকা দোকানগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মান্নান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায় জরিপ চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সংখ্যা ও জমির পরিমান নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কৃষকরা নিম্নমানের বীজ বপণ করায় দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে ।

 

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল থেকে লতাচাপলী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা আমন ক্ষেতে রোপন করা ধানের বীজ ও প্যাকেট নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক সরবরাহকৃত বীজের প্যাকেটের গায়ে লাল কালীর লেখার উপর কাটাছেড়া করা যায়। যার ফলে কৃষকরা এসকল বীজ ক্ষেতে রোপন করার পনের দিনের মাথায় অপরিপক্ক ধান গাছে ফলন আসে। এ জমিতে রোপন করে কৃষকরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। চলতি আমন মৌসুমে পুনরায় চাষাবাদ করে ধান রোপন করাও সম্ভব হচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited