ফতুল্লার নন্দলালপুরে মাদকের স্বর্গরাজ্যে সোর্স নয়ন যেন থানা পুলিশের নয়নতারা!!

Spread the love

কুয়াকাটা নিউজ:- ফতুল্লা থানাধীন পাগলার পশ্চিম নন্দলালপুর মেডিকেল গলি এলাকায় মাদক ডাকাতি ছিনতাই চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে আলোচিত একটি পরিবার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে সালামের পরিবারের সকল সদস্যদের। আর তাদের শেল্টার দিচ্ছে অত্র এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদার, পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিক উদ্দিন তালুকদার এবং বাবুল তায়েব এ সকল অভিযোগ পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসীর।

 

সালামের পরিবারের সদস্য’র মধ্যে রনি ওরফে পেঁচা রনি ও ডাকাত নয়ন অন্যতম। রনির স্ত্রী পপি,রনির শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্না,রনির ভাই সোর্স মিন আলী,রনির মাদক ব্যবসার ম্যানেজার আজম ওরফে সোহেল অন্যতম। এ সকল গুনধরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

 

সালামের বড় ছেলে নয়ন। ধুরন্দর এ নয়নের বিরুদ্ধে রয়েছে যশোহর সাতক্ষীরা থানাসহ ঢাকার কদমতলী থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় ১৫ থেকে ২০টিরও অধিক মামলা রয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। মাদক ব্যবসা,চুরি ডাকাতিসহ এমন কোন অপকর্ম বাদ নেই নয়নের দ্বারা হয়নি। নয়নের ছোটভাই রনি ওরফে পেঁচা রনি,ভাইয়ের অপকর্মের রাজ্যেকে অনুসরন ও অনুকরন করে সে নিজেও বনে যায়,চুরি,ছিনতাই,মাদক বিক্রিসহ নানা প্রকার অপকর্মে। রনির এ সকল অপকর্মে পুরোটাই জড়িত রয়েছে স্ত্রী পপি,শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্নাসহ অনেকেই।

 

পুলিশী অভিযানের বিষয়টি দ্রুত রনির কানে পৌছে যাওয়ার ফলে রনিকে কোনভাবেই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছেনা। যার মুলে রয়েছে রনির বড়ভাই নয়ন,নয়নের সঙ্গী স্থানীয় আবুল ওরফে আবুইল্লা চোরার ছেলে কামাল ওরফে সোর্স কামাল। কারন এরা দুজনই ফতুল্লা মডেল থানার একজন স্বনামধন্য পুলিশ কর্মকর্তা সোর্স হিসেবে কাজ করে। একাধিক মামলার আসামী পুলিশের গাড়িতে চড়ে নিরাপদে সাধারন মানুষকে হয়রানীকারীর মুলহোতার কারনে পুলিশতো দুরের কথা স্থানীয় কেউ প্রতিবাদ করলে ভাই নয়নের ক্ষমতার বলে উল্টো প্রতিবাদকারী সেই দারোগা বাবুকে দিয়ে উল্টো মাদক দিয়ে হেনস্থা করে থাকে। পেচাঁ রনিকে বেশ কয়েকবার থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে গেলে তা পারেনি পুলিশ,প্রথমত আগেই সংবাদ পেয়ে যায় বড়ভাই নয়নের মাধ্যমে দ্বিতীয়ত রনির নিজস্ব বাড়িতে প্রতিটি ঘরের জানালাতে রয়েছে বিশেষ পকেট কাটা যা দিয়ে পুলিশ আসার সংবাদটি পাওয়া মাত্রই জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে দ্রুত সটকে যায়।

 

রনির বড়ভাই নয়নের বিরুদ্ধেও মাদক বিত্রেতাদের শেল্টার দেয়া ছাড়াও পাগলা তালতলা এলাকায় বিভিন্ন ভাঙ্গারী দোকান থেকে থানা পুলিশের নামে প্রতিদিন মাসোহারা তোলার অভিযোগ রয়েছে। যদি কোন দোকানী নয়নকে পুলিশী মাসোহারা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে ইয়াবা অথবা হেরোইন দিয়ে পুলিশের ধরিয়ে দেয়ার হুমকী প্রদান করে থাকে।

 

স্থানীয়দের দাবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার সফলতা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেখা গেলেও পাগলা কুতুবপুর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও এদের শেল্টার দাতারা পুলিশের সোর্স হওয়ার সুবাদে তেমন কোন সফলতার মুখ দেখা মিলছেনা এখানে। এখানকার বেশীরভাগ মাদক ব্যবসাগুলো পুলিশের সাথে থাকা একাধিক মামলার আসামী সোর্সগুলো। নয়ন,পেচাঁ রনি,পাগলা মুন্না,তাদের সর্বপিতা সালাম এবং তাদের নিকটাতœীয়দের অপরাধের মুলে পুলিশের ভুমিকা বলেই তাবী স্থানীয়দের। কারন হিসেবে তারা বলেন পুরো পশ্চিম নন্দলালপুরের মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের মুলে সালামের পরিবারের প্রতিটি সদস্য।

 

তারা আরও বলেন,অত্র এলাকাজুড়ে পঞ্চায়েত কমিটির মাদক বিরোধী অভিযান চালালেও সালামের পরিবারের উপর এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দরা। অনেকেই বলেন,যদি শর্ষের ভেতরে ভুতের বসবাস থাকে তাহলে কোনভাবেই ভুত তাড়ানো সম্ভব নয়।

 

এ বিষয়ে পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,দিনের আলোতে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে রাতের আধারে এরা পুনরায় মাদক বিক্রি করছে। এদের গ্রুপের ৭/৮জন রয়েছে যারা দিনরাত সারাক্ষনই মাদক বিক্রি করে আসছে। রনিদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে এখান থেকে সকল অপকর্মের যাত্রা করছে ওরা কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকে। আমরা পুলিশী সহযোগিতা চেয়েও বিভিন্ন সময়ে তাদের সহযোগিতা পাইনা।

পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসী সালামের পরিবারের সদস্যদের মাদকের সাম্রাজ্য ও অপকর্মের সম্রাজ্যে থেকে স্থানীয় বাচাঁতে পুলিশ সুপারের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» মৌলভীবাজারে ১৬৪৬ টি কেন্দ্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

» ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসি এর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন

» বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধীকে উদ্ধারে নেমেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিশেষ টিম

» গলাচিপায় জোলেখার বাজারে বেহাল দশা

» ফতুল্লায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ টাকা ও ঢেউটিন বিতরণ

» শরীয়তপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে যুবক নিখোঁজ

» চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক আলমগীর

» ভারতের পেট্রাপোলে হুন্ডির টাকাসহ আটক বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ৩ কনস্টেবল অবশেষে মুক্ত।। ইমিগ্রেশনের কর্মচারী রুহুল কারাগারে

» ঝিনাইদহে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

» ঝিনাইদহে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার স্ক্র্যাচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লার নন্দলালপুরে মাদকের স্বর্গরাজ্যে সোর্স নয়ন যেন থানা পুলিশের নয়নতারা!!

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

কুয়াকাটা নিউজ:- ফতুল্লা থানাধীন পাগলার পশ্চিম নন্দলালপুর মেডিকেল গলি এলাকায় মাদক ডাকাতি ছিনতাই চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে আলোচিত একটি পরিবার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে সালামের পরিবারের সকল সদস্যদের। আর তাদের শেল্টার দিচ্ছে অত্র এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদার, পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিক উদ্দিন তালুকদার এবং বাবুল তায়েব এ সকল অভিযোগ পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসীর।

 

সালামের পরিবারের সদস্য’র মধ্যে রনি ওরফে পেঁচা রনি ও ডাকাত নয়ন অন্যতম। রনির স্ত্রী পপি,রনির শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্না,রনির ভাই সোর্স মিন আলী,রনির মাদক ব্যবসার ম্যানেজার আজম ওরফে সোহেল অন্যতম। এ সকল গুনধরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

 

সালামের বড় ছেলে নয়ন। ধুরন্দর এ নয়নের বিরুদ্ধে রয়েছে যশোহর সাতক্ষীরা থানাসহ ঢাকার কদমতলী থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় ১৫ থেকে ২০টিরও অধিক মামলা রয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। মাদক ব্যবসা,চুরি ডাকাতিসহ এমন কোন অপকর্ম বাদ নেই নয়নের দ্বারা হয়নি। নয়নের ছোটভাই রনি ওরফে পেঁচা রনি,ভাইয়ের অপকর্মের রাজ্যেকে অনুসরন ও অনুকরন করে সে নিজেও বনে যায়,চুরি,ছিনতাই,মাদক বিক্রিসহ নানা প্রকার অপকর্মে। রনির এ সকল অপকর্মে পুরোটাই জড়িত রয়েছে স্ত্রী পপি,শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্নাসহ অনেকেই।

 

পুলিশী অভিযানের বিষয়টি দ্রুত রনির কানে পৌছে যাওয়ার ফলে রনিকে কোনভাবেই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছেনা। যার মুলে রয়েছে রনির বড়ভাই নয়ন,নয়নের সঙ্গী স্থানীয় আবুল ওরফে আবুইল্লা চোরার ছেলে কামাল ওরফে সোর্স কামাল। কারন এরা দুজনই ফতুল্লা মডেল থানার একজন স্বনামধন্য পুলিশ কর্মকর্তা সোর্স হিসেবে কাজ করে। একাধিক মামলার আসামী পুলিশের গাড়িতে চড়ে নিরাপদে সাধারন মানুষকে হয়রানীকারীর মুলহোতার কারনে পুলিশতো দুরের কথা স্থানীয় কেউ প্রতিবাদ করলে ভাই নয়নের ক্ষমতার বলে উল্টো প্রতিবাদকারী সেই দারোগা বাবুকে দিয়ে উল্টো মাদক দিয়ে হেনস্থা করে থাকে। পেচাঁ রনিকে বেশ কয়েকবার থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে গেলে তা পারেনি পুলিশ,প্রথমত আগেই সংবাদ পেয়ে যায় বড়ভাই নয়নের মাধ্যমে দ্বিতীয়ত রনির নিজস্ব বাড়িতে প্রতিটি ঘরের জানালাতে রয়েছে বিশেষ পকেট কাটা যা দিয়ে পুলিশ আসার সংবাদটি পাওয়া মাত্রই জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে দ্রুত সটকে যায়।

 

রনির বড়ভাই নয়নের বিরুদ্ধেও মাদক বিত্রেতাদের শেল্টার দেয়া ছাড়াও পাগলা তালতলা এলাকায় বিভিন্ন ভাঙ্গারী দোকান থেকে থানা পুলিশের নামে প্রতিদিন মাসোহারা তোলার অভিযোগ রয়েছে। যদি কোন দোকানী নয়নকে পুলিশী মাসোহারা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে ইয়াবা অথবা হেরোইন দিয়ে পুলিশের ধরিয়ে দেয়ার হুমকী প্রদান করে থাকে।

 

স্থানীয়দের দাবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার সফলতা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেখা গেলেও পাগলা কুতুবপুর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও এদের শেল্টার দাতারা পুলিশের সোর্স হওয়ার সুবাদে তেমন কোন সফলতার মুখ দেখা মিলছেনা এখানে। এখানকার বেশীরভাগ মাদক ব্যবসাগুলো পুলিশের সাথে থাকা একাধিক মামলার আসামী সোর্সগুলো। নয়ন,পেচাঁ রনি,পাগলা মুন্না,তাদের সর্বপিতা সালাম এবং তাদের নিকটাতœীয়দের অপরাধের মুলে পুলিশের ভুমিকা বলেই তাবী স্থানীয়দের। কারন হিসেবে তারা বলেন পুরো পশ্চিম নন্দলালপুরের মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের মুলে সালামের পরিবারের প্রতিটি সদস্য।

 

তারা আরও বলেন,অত্র এলাকাজুড়ে পঞ্চায়েত কমিটির মাদক বিরোধী অভিযান চালালেও সালামের পরিবারের উপর এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দরা। অনেকেই বলেন,যদি শর্ষের ভেতরে ভুতের বসবাস থাকে তাহলে কোনভাবেই ভুত তাড়ানো সম্ভব নয়।

 

এ বিষয়ে পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,দিনের আলোতে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে রাতের আধারে এরা পুনরায় মাদক বিক্রি করছে। এদের গ্রুপের ৭/৮জন রয়েছে যারা দিনরাত সারাক্ষনই মাদক বিক্রি করে আসছে। রনিদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে এখান থেকে সকল অপকর্মের যাত্রা করছে ওরা কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকে। আমরা পুলিশী সহযোগিতা চেয়েও বিভিন্ন সময়ে তাদের সহযোগিতা পাইনা।

পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসী সালামের পরিবারের সদস্যদের মাদকের সাম্রাজ্য ও অপকর্মের সম্রাজ্যে থেকে স্থানীয় বাচাঁতে পুলিশ সুপারের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited