বাগেরহাটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দর্জি কারিগর

Spread the love

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট অফিস: ঈদ মানি খুশি, ঈদ মানে আনন্দ, তাই ঈদের আনন্দকে নতুন জামা কাপড় থাকবে না তাকি হয়। পবিত্র ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে তাই নতুন জামা কাপড় তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে বাগেরহাটের দর্জি কারিগররা।

 

তাদের হাতে যেন মোটেও সময় নেই, কেননা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তৈরি পোশাক সরবরাহ করতে হবে। পছন্দের পোশাক বানাতে দর্জির দোকানগুলোতে ভীড় করছেন সৌখিন ক্রেতারা। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে বাগেরহাটের ৫০০টি দর্জি কারিগররা। সকাল থেকে শুরু করে রাত দিন ২৪ ঘন্টা চলছে সেলাইয়ের কাজ। তাদের যেন দম ফেলার সময় নেই। দর্জিরা এখন কেউ মাপ নিচ্ছে, কেউ কাপড় কাটছে, কেউ আবার সেলাই করছে, কেউবা বোতাম লাগিয়ে ইস্তারী করে অর্ডার বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি জামা তৈরি করে সাজিয়ে রাখছে। এখন আর অর্ডার না নিলেও অর্ডার নেওয়া কাজ ঈদের আগে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

 

আর এই সব কাজ সময় মত দেওয়ার জন্য অনেকে টেইর্লাস অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করেছে। দোকান গুলোতে যেন নারী পুরুষ উভয় কাপড় তৈরি করতে আসছে ক্রেতারা । কারন একটাই কেনা পোশাক থেকে বানানো পোশাক ভালো হয়। তাই দর্জির দোকান আসা। দর্জির দোকানে আসা সালমা নামের একজন জানান, ঈদকে সামনে রেখে থ্রি পিস সেলাই করতে দর্জির দোকানে আসা কারন একটাই,দর্জির দোকান থেকে কাপড় সেলাই করলে সেই জামা পরতে ফিটিংয় হয়।বানানও ভালো হয় তাই আসা। রুমানা নামের আরেক জন জানান,ঈদের সময় সবাই যায় নতুন পোশাক পরতে, রেডিমেড দোকানে একই নকশার অনেক পোশাক থাকে। তাই নিজের পছন্দ মতো কাপড় কিনে বানাতে দেই।

 

ঈদকে সামনে রেখে জামার কাপর কিনতে আসা রহমান নামের এক ব্যক্তি জানান, প্রতি বছর ঈদে আমি কাপড় কিনে জামা বানাই। কিন্তুু এবছর জেন জামার কাপরে দামও বেশি। আবার দর্জিরাও গত বছর থেকে মজুরি একশত টাকা বেশি চা্েছ । যদি দাম টা একটু কম থাকে তাহলে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য‌ ভালো হত। তবে দর্জিরা বলছে ঈদকে সামনে রেখে গত বছর থেকে এ বছর প্রচুর অর্ডার আসছে। অর্ডার প্রতি তারা ২০০-৩৫০ টাকা করে মুজুরি নিচ্ছে। এই অর্ডার সময় মতো দিতে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করে বিরতিহীন ভাবে রাতভর পর্যন্ত কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক পোশাক তৈরির কাজ চালানো হচ্ছে। তবে ১৫ রোজার পরে আমরা আর অর্ডার নিবোনা বলে জানান দর্জিরা।

 

দর্জি মনা, সুমন, কামাল সহ র্আও অনেকে জানান, দর্জির দোকানে পুরুষে চেয়ে মহিলারাই বেশি আসছে। তাই আমরা শেষ সময় এসে কাউকেই ফিরিয়ে দিচ্ছিনা কারন সামনে ঈদ। মোরেলগঞ্জ টেইলার্স এর কাটার মাস্টার্স মনির জানান, ঈদ উপলক্ষে আমাদের অর্ডার বেশ ভালই, তবে আমরা ১৫ রোজার পরে আর অর্ডার নিচ্ছি না। আগে যেই অর্ডার নিছি সেগুলই শেষ করার কাজ চলছে। দর্জিরা জানান, সময় মতো কাজ শেষ করে কাস্টমারকে দিতে পারলেই আমরা খুশি।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ফুুুুটবল খেলোয়াড় হতে না পেরেই হলেন নাট্যকার

» আমি মৃত্যুর মুখে, আমাকে বাঁচান

» আমেরিকায় অভিনেত্রী মৌসুমীকে আজীবন সম্মাননা

» নুসরাতকে হত্যার হুকুম দিয়ে ভুল করেছি, জবানবন্দিতে সিরাজ উদ দৌলা

» বান্দরবানের রুমায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর ১০ সদস্য আহত

» বান্দরবানে মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ বৌদ্ধ ভিক্ষুর

» পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রনে, চায়না শ্রমিক সহ নিহত ২; পুলিশ সহ আহত ১৫

» তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মতবিনিময় ও পরিদর্শন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

» কলাপাড়ায় আস্থা প্রকল্পের উদ্যোগে উদযাপিত হলো যুব সমাবেশ

» বাগেরহাটে সব দোকানেই মিলছে গ্যাস সিলিন্ডার, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দর্জি কারিগর

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট অফিস: ঈদ মানি খুশি, ঈদ মানে আনন্দ, তাই ঈদের আনন্দকে নতুন জামা কাপড় থাকবে না তাকি হয়। পবিত্র ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে তাই নতুন জামা কাপড় তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে বাগেরহাটের দর্জি কারিগররা।

 

তাদের হাতে যেন মোটেও সময় নেই, কেননা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তৈরি পোশাক সরবরাহ করতে হবে। পছন্দের পোশাক বানাতে দর্জির দোকানগুলোতে ভীড় করছেন সৌখিন ক্রেতারা। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে বাগেরহাটের ৫০০টি দর্জি কারিগররা। সকাল থেকে শুরু করে রাত দিন ২৪ ঘন্টা চলছে সেলাইয়ের কাজ। তাদের যেন দম ফেলার সময় নেই। দর্জিরা এখন কেউ মাপ নিচ্ছে, কেউ কাপড় কাটছে, কেউ আবার সেলাই করছে, কেউবা বোতাম লাগিয়ে ইস্তারী করে অর্ডার বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি জামা তৈরি করে সাজিয়ে রাখছে। এখন আর অর্ডার না নিলেও অর্ডার নেওয়া কাজ ঈদের আগে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

 

আর এই সব কাজ সময় মত দেওয়ার জন্য অনেকে টেইর্লাস অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করেছে। দোকান গুলোতে যেন নারী পুরুষ উভয় কাপড় তৈরি করতে আসছে ক্রেতারা । কারন একটাই কেনা পোশাক থেকে বানানো পোশাক ভালো হয়। তাই দর্জির দোকান আসা। দর্জির দোকানে আসা সালমা নামের একজন জানান, ঈদকে সামনে রেখে থ্রি পিস সেলাই করতে দর্জির দোকানে আসা কারন একটাই,দর্জির দোকান থেকে কাপড় সেলাই করলে সেই জামা পরতে ফিটিংয় হয়।বানানও ভালো হয় তাই আসা। রুমানা নামের আরেক জন জানান,ঈদের সময় সবাই যায় নতুন পোশাক পরতে, রেডিমেড দোকানে একই নকশার অনেক পোশাক থাকে। তাই নিজের পছন্দ মতো কাপড় কিনে বানাতে দেই।

 

ঈদকে সামনে রেখে জামার কাপর কিনতে আসা রহমান নামের এক ব্যক্তি জানান, প্রতি বছর ঈদে আমি কাপড় কিনে জামা বানাই। কিন্তুু এবছর জেন জামার কাপরে দামও বেশি। আবার দর্জিরাও গত বছর থেকে মজুরি একশত টাকা বেশি চা্েছ । যদি দাম টা একটু কম থাকে তাহলে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য‌ ভালো হত। তবে দর্জিরা বলছে ঈদকে সামনে রেখে গত বছর থেকে এ বছর প্রচুর অর্ডার আসছে। অর্ডার প্রতি তারা ২০০-৩৫০ টাকা করে মুজুরি নিচ্ছে। এই অর্ডার সময় মতো দিতে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করে বিরতিহীন ভাবে রাতভর পর্যন্ত কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক পোশাক তৈরির কাজ চালানো হচ্ছে। তবে ১৫ রোজার পরে আমরা আর অর্ডার নিবোনা বলে জানান দর্জিরা।

 

দর্জি মনা, সুমন, কামাল সহ র্আও অনেকে জানান, দর্জির দোকানে পুরুষে চেয়ে মহিলারাই বেশি আসছে। তাই আমরা শেষ সময় এসে কাউকেই ফিরিয়ে দিচ্ছিনা কারন সামনে ঈদ। মোরেলগঞ্জ টেইলার্স এর কাটার মাস্টার্স মনির জানান, ঈদ উপলক্ষে আমাদের অর্ডার বেশ ভালই, তবে আমরা ১৫ রোজার পরে আর অর্ডার নিচ্ছি না। আগে যেই অর্ডার নিছি সেগুলই শেষ করার কাজ চলছে। দর্জিরা জানান, সময় মতো কাজ শেষ করে কাস্টমারকে দিতে পারলেই আমরা খুশি।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited