ফতুল্লায় জলাবদ্ধতায় রাস্তাঘাট ডুবে আছে 

এ.আর.কুতুবে আলম : ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী নতুন বাজার,তাগারপাড়,লালপুর,চৌধুরীবাড়ি,পৌষারপুকুরপাড় এলাকায় টানা বষর্নে বৃষ্টির পানি জমে রাস্তায় কৃতিম বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। দেখার কেউ নাই । নারায়ণগঞ্জ চার আসনের এম,পি আলহাজ্ব এ.কে.এম.শামীম ওসমান জলাবদ্ধতা নিরাসনের আশ্বাস দিলেও জনগন আজও তা বাস্তবায়নের রূপ রেখা দেখেনি।

 

এলাকা সূত্রে জানাযায়, বসন্ত ঋতুর চৈত্র মাস শেষ হতে না হতেই গ্রীষ্ম ঋতুর বৈশাখ মাসের প্রথমেই ঝড়ছে কালবৈশাখী ঝড় ও মুষাল ধারায় বৃষ্টি অব্যহত আছে। এই বৃষ্টির পানিতে ইসদাইর গাবতলী, তাগার পাড় ,লালপুর পৌষার পুকুর পাড় এলাকার রাস্তারঘাট ডুবে গেছে পানিতে। পানির সাথে মিশ্রিত হচ্ছে ড্রেনের ময়লা যুক্ত পঁচা পানি। এই পানি রাস্তার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত স্কুল কলেজ মাদ্রাসা ছাত্রছাত্রী অভিভাবকরা এবং বিভিন্ন কলকারখানার শ্রমিকরা পায়ে হেঁটে তাদের গন্তব্য স্থানে যাচ্ছে। অনেকই এই পচাঁ পানিতে হেঁটে নানা প্রকার চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়ে পরেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারী দলের পদ পদোবি প্রাপ্ত নেতারা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা কখনই এই পানির মধ্যে হাঁটতেছে না। কারন হিসেবে জনগন দেখেন তারা তাদের এসি, গাড়ীতেই চলাফেরা করছেন। র্দূভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারন জনগনের। ইসদাইর তাগার পাড় ,গাবতলী, পৌষার পুকুর পাড়ের অনেক বাড়ি ঘরেও পানি বন্দি আছে মানুষ। ইসদাইর ,গাবতলী, তাগার পাড় এলাকায় পানি ঘরে পানিতে ডুবে থাকায় নিচতলার অনেক মানুষ ছাদে খোলা আকাশে বসবাস করছে। ঐ এলাকার মানুষ এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে এমনটাই বলছেন প্রত্যক্ষ দর্শীরা। এই জলাবদ্ধতার মধ্যে কর্ম তাগিদে ঘর থেকে বের হতে হচ্ছে।

 

লালপুর ,পৌষার পুকুরপাড় এলাকায় রিক্সা ভাড়াও দ্বিগুন । ফলে খেটে খাওয়া মানুষ পায়ে হেঁটে চলাফেরা করছে। আক্রান্ত হচ্ছে নানান সংক্রামক রোগে। ফতুল্লার টৌধুরী বাড়ি সড়ক হতে লালপুর পৌষারপুকুর পাড় মানিক ডাক্তারের হক ফার্মেসী পর্যন্ত রাস্তায় তাগারের পানির সাথে মিশে আছে বৃষ্টির পানি। সফর আলীর বাড়ি পাকিস্তানী খাদের সড়ক, আলআমিন বাগ, পাইনিউয়র সড়ক,লালপুর খানকা থেকে বোল্ডার সেলিমদের বাড়ির সড়কেও পানি। ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম.শওকত আলী চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনের সড়কটিতেও জলাবদ্ধতা আছে। এই সড়কটিতে সর্ব সময়ই পানি জমে থাকছে। এ যেন তাদের চোখে পড়ছে না এমনটাই বলছে সাধারন জনগন। চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধানের বাড়ি থেকে হালিমা চেীধুরী বাড়ি পর্যন্ত গলি সড়কে পানি ও ময়লা জমে আছে। জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে কিছুই পাচ্ছে না এলাকাবাসী। বৃষ্টি ছাড়াও চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ড্রেনের পানি জমে রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। নিয়মিত ভাবে লক্ষ না রাখায় ড্রেনেস ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছে। গতকাল ৩০এপ্রিল দুপুরে আবুল মিয়া জানান, “আমার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী ৪ আসন কলাপাড়া আমার এলাকার রাস্তাঘাট কত উন্নত তা না দেখলে বুঝবেন না। আমাদের এলাকার এম.পির চেয়ে প্রভাবশালী এই হানের এম.পি কিন্তু উন্নয়ন দেখিনা। আমি আমার ভাইয়ের বাসায় পৌষার পুকুর পাড়ে বেড়াতে আসছি। পানিতে রাতে ঘুমাতে পারিনাই। আজ দেশে যাই।” তার মতো গামেন্টর্সকর্মী রাশিদা বেগম, রিক্সা চালক জাহাঙ্গির, জানান ইসদাইর তাগার পাড়ে তারা ভাড়া থাকে তাদের ঘরেও পানিতে ডুবে সবকিছু তলিয়ে গেছে। তারাও আগামী মাসে গ্রামে চলে যাবে। পৌষারপুকুর পাড় এলাকার এক বাড়িওয়ালা জানান, আমাদেও লালপুরে নেতা খাতায় ভরা কিন্তু কেহ নাই জনগনের কষ্ট বুঝার। আজীবন ভোট দিয়েছি ধানের শীষে কিন্তু টিভিতে শেখ হাসিনা বক্তব্য শুনে আমাদের মন ভরে গেছে তাই নৌকায় ভোট দিলাম। আমার মতো অনেকেই নৌকায় ভোট দিয়েছে । ফলে কানন স্কুলে ধানের শীষের চেয়ে নৌকায় কবরী ভোট বেশি পেয়েছেন। কিন্তু আমরা তার সু ফল পাইনি। বরং ছেচড়া নেতারাদের দাপট দেখি দিনদিন। আমরা পৌষার পুকুরপাড় এলাকার মানুষ সাড়া বছরেই পানিতে ডুবে থাকি। সবাই লোক দেখানো কাজ করে। শাহ আলম সাহেব পাম্প বসালেও অকেজো আছে। সত্যিকারের সমস্যা হলো দেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই ফতুল্লায় বাহিরের মানুষ এম.পি হয়। যার ফলে ফতুল্লা মানুষ উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। উল্লেখ্য বিএন,পির আমলে সাবেক এম.পি সিরাজ শহরের, গিয়াস উদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জের, শামীম ওসমানও শহরের । তিনি সিটি মেয়র নিবার্চনও করেছেন, শেষে এলেন কবরী তিনি নায়িকা আবার ঢাকার মানুষ । বর্তমানে শামীম ওসমান সে ফতুল্লার চেয়ে সিটি নিয়ে ভাবেন। কিন্তু এম.পি ফতুল্লার এমন মন্তব্য এখন ফতুল্লার সচেতন মহলের। তাদের দাবী সাড়া দেশে শেখ হাসিনা উন্নয়ন মানুষ দেখেন কিন্তু ফতুল্লার মানুষ উন্নয়নের বাজেট শুনেন বাস্তবে কাজে দেখেন না। জলাবদ্ধতায় ফতুল্লার সিংহভাগ এলাকার মানুষ র্দূভোগ পোহাচ্ছে। কবে হবে এর সমধান তা কেহই জানে না ।

 

বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার ডিজিট্যাল দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে চলছেন গণপ্রজা তন্ত্রী সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা । তার সফল কর্ম কান্ড কে প্রশ্ন বিদ্ধ হচ্ছে সামান্য কতিপয়ে কয়েকজন গোড়ামী নেতা ও জনপ্রতিনিধিরদের জন্য । সুতরাং দেশরতœ মানষ কন্যার সরকারী কর্মকর্তারা সরাসরি দৃষ্টি দিলে ফতুল্লা বাসীর উপকারে আসবেন বলে সচেতন মহল মনে করেন।

 

ইসদাইর,গাবতলী, তাগারপাড়,লালপুর পৌষার পুকুর পাড়ের মানুষরা যেন জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচতে পারে সে দিকে নজর দাবী করছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের প্রতি ।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান

» ঝিনাইদহের শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক হলেন আসিফ কাজল

» মহেশপুরের অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ প্রশাসন নির্বকার

» ঝিনাইদহে তৃতীয় লিঙ্গ সদস্যদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

» রাজনগরে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে অবহিতকরণ সভা

» রাজনগরে ভোক্তা অধিকার আইনে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

» গোপালগঞ্জের মেধাবী মুখ মাহমুদা হাবিব নীতির সাফল্য

» মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত

» গলাচিপায় মেয়র কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

» আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে- জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলনের র‌্যালী ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মানবাধিকারের মূলনীতি বাংলাদেশ সংবিধানে আছে, বাস্তবে কিছুই নেই – মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৬শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লায় জলাবদ্ধতায় রাস্তাঘাট ডুবে আছে 

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

এ.আর.কুতুবে আলম : ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী নতুন বাজার,তাগারপাড়,লালপুর,চৌধুরীবাড়ি,পৌষারপুকুরপাড় এলাকায় টানা বষর্নে বৃষ্টির পানি জমে রাস্তায় কৃতিম বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। দেখার কেউ নাই । নারায়ণগঞ্জ চার আসনের এম,পি আলহাজ্ব এ.কে.এম.শামীম ওসমান জলাবদ্ধতা নিরাসনের আশ্বাস দিলেও জনগন আজও তা বাস্তবায়নের রূপ রেখা দেখেনি।

 

এলাকা সূত্রে জানাযায়, বসন্ত ঋতুর চৈত্র মাস শেষ হতে না হতেই গ্রীষ্ম ঋতুর বৈশাখ মাসের প্রথমেই ঝড়ছে কালবৈশাখী ঝড় ও মুষাল ধারায় বৃষ্টি অব্যহত আছে। এই বৃষ্টির পানিতে ইসদাইর গাবতলী, তাগার পাড় ,লালপুর পৌষার পুকুর পাড় এলাকার রাস্তারঘাট ডুবে গেছে পানিতে। পানির সাথে মিশ্রিত হচ্ছে ড্রেনের ময়লা যুক্ত পঁচা পানি। এই পানি রাস্তার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত স্কুল কলেজ মাদ্রাসা ছাত্রছাত্রী অভিভাবকরা এবং বিভিন্ন কলকারখানার শ্রমিকরা পায়ে হেঁটে তাদের গন্তব্য স্থানে যাচ্ছে। অনেকই এই পচাঁ পানিতে হেঁটে নানা প্রকার চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়ে পরেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারী দলের পদ পদোবি প্রাপ্ত নেতারা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা কখনই এই পানির মধ্যে হাঁটতেছে না। কারন হিসেবে জনগন দেখেন তারা তাদের এসি, গাড়ীতেই চলাফেরা করছেন। র্দূভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারন জনগনের। ইসদাইর তাগার পাড় ,গাবতলী, পৌষার পুকুর পাড়ের অনেক বাড়ি ঘরেও পানি বন্দি আছে মানুষ। ইসদাইর ,গাবতলী, তাগার পাড় এলাকায় পানি ঘরে পানিতে ডুবে থাকায় নিচতলার অনেক মানুষ ছাদে খোলা আকাশে বসবাস করছে। ঐ এলাকার মানুষ এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে এমনটাই বলছেন প্রত্যক্ষ দর্শীরা। এই জলাবদ্ধতার মধ্যে কর্ম তাগিদে ঘর থেকে বের হতে হচ্ছে।

 

লালপুর ,পৌষার পুকুরপাড় এলাকায় রিক্সা ভাড়াও দ্বিগুন । ফলে খেটে খাওয়া মানুষ পায়ে হেঁটে চলাফেরা করছে। আক্রান্ত হচ্ছে নানান সংক্রামক রোগে। ফতুল্লার টৌধুরী বাড়ি সড়ক হতে লালপুর পৌষারপুকুর পাড় মানিক ডাক্তারের হক ফার্মেসী পর্যন্ত রাস্তায় তাগারের পানির সাথে মিশে আছে বৃষ্টির পানি। সফর আলীর বাড়ি পাকিস্তানী খাদের সড়ক, আলআমিন বাগ, পাইনিউয়র সড়ক,লালপুর খানকা থেকে বোল্ডার সেলিমদের বাড়ির সড়কেও পানি। ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম.শওকত আলী চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনের সড়কটিতেও জলাবদ্ধতা আছে। এই সড়কটিতে সর্ব সময়ই পানি জমে থাকছে। এ যেন তাদের চোখে পড়ছে না এমনটাই বলছে সাধারন জনগন। চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধানের বাড়ি থেকে হালিমা চেীধুরী বাড়ি পর্যন্ত গলি সড়কে পানি ও ময়লা জমে আছে। জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে কিছুই পাচ্ছে না এলাকাবাসী। বৃষ্টি ছাড়াও চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ড্রেনের পানি জমে রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। নিয়মিত ভাবে লক্ষ না রাখায় ড্রেনেস ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছে। গতকাল ৩০এপ্রিল দুপুরে আবুল মিয়া জানান, “আমার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী ৪ আসন কলাপাড়া আমার এলাকার রাস্তাঘাট কত উন্নত তা না দেখলে বুঝবেন না। আমাদের এলাকার এম.পির চেয়ে প্রভাবশালী এই হানের এম.পি কিন্তু উন্নয়ন দেখিনা। আমি আমার ভাইয়ের বাসায় পৌষার পুকুর পাড়ে বেড়াতে আসছি। পানিতে রাতে ঘুমাতে পারিনাই। আজ দেশে যাই।” তার মতো গামেন্টর্সকর্মী রাশিদা বেগম, রিক্সা চালক জাহাঙ্গির, জানান ইসদাইর তাগার পাড়ে তারা ভাড়া থাকে তাদের ঘরেও পানিতে ডুবে সবকিছু তলিয়ে গেছে। তারাও আগামী মাসে গ্রামে চলে যাবে। পৌষারপুকুর পাড় এলাকার এক বাড়িওয়ালা জানান, আমাদেও লালপুরে নেতা খাতায় ভরা কিন্তু কেহ নাই জনগনের কষ্ট বুঝার। আজীবন ভোট দিয়েছি ধানের শীষে কিন্তু টিভিতে শেখ হাসিনা বক্তব্য শুনে আমাদের মন ভরে গেছে তাই নৌকায় ভোট দিলাম। আমার মতো অনেকেই নৌকায় ভোট দিয়েছে । ফলে কানন স্কুলে ধানের শীষের চেয়ে নৌকায় কবরী ভোট বেশি পেয়েছেন। কিন্তু আমরা তার সু ফল পাইনি। বরং ছেচড়া নেতারাদের দাপট দেখি দিনদিন। আমরা পৌষার পুকুরপাড় এলাকার মানুষ সাড়া বছরেই পানিতে ডুবে থাকি। সবাই লোক দেখানো কাজ করে। শাহ আলম সাহেব পাম্প বসালেও অকেজো আছে। সত্যিকারের সমস্যা হলো দেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই ফতুল্লায় বাহিরের মানুষ এম.পি হয়। যার ফলে ফতুল্লা মানুষ উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। উল্লেখ্য বিএন,পির আমলে সাবেক এম.পি সিরাজ শহরের, গিয়াস উদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জের, শামীম ওসমানও শহরের । তিনি সিটি মেয়র নিবার্চনও করেছেন, শেষে এলেন কবরী তিনি নায়িকা আবার ঢাকার মানুষ । বর্তমানে শামীম ওসমান সে ফতুল্লার চেয়ে সিটি নিয়ে ভাবেন। কিন্তু এম.পি ফতুল্লার এমন মন্তব্য এখন ফতুল্লার সচেতন মহলের। তাদের দাবী সাড়া দেশে শেখ হাসিনা উন্নয়ন মানুষ দেখেন কিন্তু ফতুল্লার মানুষ উন্নয়নের বাজেট শুনেন বাস্তবে কাজে দেখেন না। জলাবদ্ধতায় ফতুল্লার সিংহভাগ এলাকার মানুষ র্দূভোগ পোহাচ্ছে। কবে হবে এর সমধান তা কেহই জানে না ।

 

বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার ডিজিট্যাল দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে চলছেন গণপ্রজা তন্ত্রী সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা । তার সফল কর্ম কান্ড কে প্রশ্ন বিদ্ধ হচ্ছে সামান্য কতিপয়ে কয়েকজন গোড়ামী নেতা ও জনপ্রতিনিধিরদের জন্য । সুতরাং দেশরতœ মানষ কন্যার সরকারী কর্মকর্তারা সরাসরি দৃষ্টি দিলে ফতুল্লা বাসীর উপকারে আসবেন বলে সচেতন মহল মনে করেন।

 

ইসদাইর,গাবতলী, তাগারপাড়,লালপুর পৌষার পুকুর পাড়ের মানুষরা যেন জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচতে পারে সে দিকে নজর দাবী করছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের প্রতি ।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited